সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৪ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা জানিয়েছেন, আদালতের একাধিক আদেশ যা তার কঠোর নিরাপত্তা নীতির বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে তিনি আইনিভাবে প্রতিরোধ করবেন।
দে লা এসপ্রিয়েলা কলম্বিয়ার বিভিন্ন মাদক পাচারকারী গেরিলা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে একটি কঠোর অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এই নিরাপত্তা নীতির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে, গত মাসে, ডানপন্থী প্রেসিডেন্টটি একাধিক আইনি বাধার সম্মুখীন হয়েছেন।
একটি আদালত সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছে যে, যদি কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়, তবে সেখানে অবস্থানরত গেরিলা গোষ্ঠীগুলোর ওপর বোমা হামলা চালাতে নিষেধ করতে হবে।
আরেকটি আদালতের আদেশে কোকা গাছের চাষ ধ্বংস করতে ব্যবহৃত গ্লাইফোসেট নামের আগাছানাশক ছিটানোর কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রাসায়নিকটি মানুষের শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্য একটি আদালতের আদেশে প্রেসিডেন্টকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু ভিডিও মুছে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিডিওগুলোতে তাকে কথিত অপরাধীদের লাশের পাশে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল।
রোববার এক ভাষণে দে লা এসপ্রিয়েলা বলেছেন, ‘আদালতের সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে এবং বিদ্যমান আদেশ মেনে চলতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, সেগুলোর বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানানোর অধিকার আমরা ছেড়ে দেব।’
কলম্বিয়া বিশ্বের বৃহত্তম কোকেন উৎপাদক দেশ। একই সঙ্গে, দেশটি গত এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সহিংসতার সময় পার করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত মাদক কার্টেলবিরোধী জোট ‘শিল্ড অব দ্য আমেরিকাস’-এও কলম্বিয়া যোগ দিয়েছে।
এই জোটে আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর ও এল সালভাদরসহ লাতিন আমেরিকার আরও কয়েকটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হককে জানিয়েছেন, কল-কারখানাগুলোতে আগের মতো বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার সমাধান মঙ্গলবার রাত থেকেই হতে পারে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ২১টি ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এফবিসিসিআই প্রশাসক ফজলুল হক এ আশ্বাস পাওয়ার কথা জানান।
তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আগামীকাল রাত থেকেই ইনশাআল্লাহ আমাদের নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এর আগের যে অবস্থায় আমরা ছিলাম, গ্যাস-বিদ্যুতের ওই অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। এইটা আমাদের মনে হয় যে আজকের এই বৈঠকের সবচাইতে বড় প্রাপ্তি, সবচাইতে বড় স্বস্তির খবর।"
এর আগে, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর সংকট কাটিয়ে দেশে গ্যাসের সরবরাহ কয়েক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, সরকারের উদ্যোগ এবং বিকল্প উৎস থেকে আমদানি ব্যবস্থার ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পূর্বের অবস্থায় ফিরবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পার্লামেন্টের মুখপাত্র আব্বাস গৌদারজি মন্তব্য করেছেন যে, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে তেহরান চাইলেই বেরিয়ে আসতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, পারমাণবিক নীতিতে পরিবর্তন আনাও ‘সহজেই সম্ভব’।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গৌদারজি এই কথা বলেন। তার বক্তব্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে।
গৌদারজি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরোধ মৌলিক। তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তির পক্ষে যারা কথা বলছেন, তারা মূলত ইরানের ওপর ‘আত্মসমর্পণ’ চাপিয়ে দিতে চাইছেন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করা মানে ‘প্রতারণা মেনে নেওয়া’ বলেও মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে মোকাবিলায় ‘শক্তির ভাষা ও ক্ষমতার যুক্তি’ই কার্যকর বলে তিনি মনে করেন।
গৌদারজি সতর্ক করে বলেন, এমন কোনো আলোচনা করা উচিত নয়, যা ইরানের কথিত ‘প্রতিরোধ ফ্রন্ট’কে দুর্বল করে বা দেশটির প্রতিপক্ষকে পুনর্গঠনের সুযোগ দেয়। তিনি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘কৌশলগত ভুল’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
গৌদারজির মতে, এনপিটি থেকে সরে আসা এবং ইরানের পারমাণবিক নীতি পুনর্বিবেচনা করা ‘সম্পূর্ণ বাস্তবসম্মত ও সহজেই সম্ভব’। তিনি দাবি করেন যে, এমন পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ‘তাদের জায়গায়’ ফিরিয়ে দেওয়া যাবে।
১৯৭০ সালে কার্যকর হওয়া এনপিটির মূল লক্ষ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার ঠেকানো এবং শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা। ইরান এই চুক্তির সদস্য এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী নয় এমন দেশ হিসেবে তার পারমাণবিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণের আওতায় রয়েছে।
তবে শনিবার ‘ইন্ডিয়া টুডে’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ইরানের এমন উদ্দেশ্য থাকলে দেশটি এনপিটিতে যোগ দিত না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়া এলাকায় পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে ডাকাত দলের দুই নারীসহ মোট ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পশ্চিম ছনুয়া পাড়া ও হালকাচা পাড়ায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চকরিয়া থানা পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে।
অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে-- ১টি দুইনলা রাইফেল, ১টি একনলা রাইফেল, ১টি শর্টগান, ৮২৫ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, কার্তুজের খোসা, অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৬টি মোবাইল ফোন।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—রাজিব ওরফে শুটার রাজিব (২৬), নমি উদ্দিন ওরফে নমি ডাকাত (৪০), জসিম উদ্দিন ওরফে জসু ডাকাত (২৬), মোঃ সাগর রানা ওরফে শুটার সাগর (২০), জহুরা বেগম (৪৫) এবং শহর বানু (৫৫)।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজ ও চকরিয়া থানার ওসি মোঃ আরিফুর রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাল ব্রীজ এলাকা থেকে পুলিশ দল দুর্গম ছনুয়া পাড়ায় প্রায় ২ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গিয়ে একটি বসতঘর ঘেরাও করে প্রথমে পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যে হালকাচাপাড়ার একটি পুকুর থেকে বস্তাভর্তি ৭৬৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলি উদ্ধার করা হয় এবং শহর বানু নামের এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চক্রটি দুর্গম এলাকায় অস্ত্র ও গুলি তৈরি, বেচাকেনা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য অন্যান্য ডাকাত দলের কাছে অস্ত্র ভাড়া দিত। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র ও ডাকাতি প্রস্তুতি আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে একটি বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকায় যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত ২০টি আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ অভিযানের সময় মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, টেকনাফের সীমান্তবর্তী পাহাড়, উপকূলীয় এলাকা ও দুর্গম জনপদকে দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচারকারী চক্রগুলো নিরাপদ আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। এসব আস্তানায় দেশের বিভিন্ন এলাকা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে লোকজনকে এনে আটকে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের চেষ্টা করা হয়। এই কাজে কখনো বিদেশে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন, আবার কখনো বিয়ের প্রস্তাবসহ নানা কৌশল ব্যবহার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানে মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত একের পর এক আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়। পরে এসব আস্তানা উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মানবপাচার চক্রের সদস্যদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের একপর্যায়ে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র জানায়, টেকনাফের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলোতে মানবপাচারকারীরা অস্থায়ী আস্তানা তৈরি করে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের জড়ো করে রাখে। পরে রাতের আঁধারে এসব লোকজনকে উপকূলের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়ে গিয়ে নৌযানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ায় অনেক সময় পাচারকারীরা আস্তানা পরিবর্তন করে নতুন স্থানে কার্যক্রম চালায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকনাফে মানবপাচার প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চললেও দুর্গম পাহাড় ও বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকা পাচারকারীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন অভিযানে পাহাড়ি আস্তানা থেকে নারী-শিশুসহ বিপুলসংখ্যক মানুষকে উদ্ধার এবং মানবপাচারকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে, পাচারকারীরা ভুক্তভোগীদের বিদেশে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে টেকনাফে নিয়ে আসে। পরে পাহাড়ি আস্তানা কিংবা উপকূলীয় এলাকায় আটকে রেখে সুযোগমতো সমুদ্রপথে পাচারের চেষ্টা করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মানবপাচারকারীদের তৎপরতা বন্ধে শুধু আস্তানা উচ্ছেদ করলেই হবে না; এর সঙ্গে জড়িত মূলহোতা, দালাল, অর্থের জোগানদাতা এবং সমুদ্রপথে পাচারে ব্যবহৃত নৌযানের মালিকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
পুলিশ ও বিজিবি জানিয়েছে, মানবপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ