ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পায়রা নদীর গ্রাসে পটুয়াখালীর হাজারো মানুষের স্বপ্ন শেষ


পায়রা নদীর গ্রাসে পটুয়াখালীর হাজারো মানুষের স্বপ্ন শেষ

পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে দুমকি উপজেলার ৪নং আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাজারসহ সহাস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাঁচার জন্য পায়রা নদীর গ্রাস থেকে তারা ইতিমধ্যে ঘরবাড়ি নিয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন, যারা যুগ যুগ ধরে ওখানেই বসবাস করে আসছিলেন। বেড়িবাঁধ না থাকায় বেশ কয়েকশত পরিবার মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।

৮০ বছরের বৃদ্ধা মো. জলিল উদ্দিন ফকির নদীর দিকে তাকিয়ে কাঁদছেন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগেও আমাদের সুন্দর একটি ঘড় ছিল, পুকুর ভরা মাছ, গোয়ালে গরু, খেতে ধান ছিল কিন্তু এখন সেগুলো শুধুই স্মৃতি।

সর্বশেষ সম্বলটুকু বাঁচাতে তিনি ঘর ভেঙে অন্যত্র আশ্রয় খুঁজছেন এই ৮০ বছরের বৃদ্ধা।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

প্রতি বছর পটুয়াখালী দুমকি উপজেলার ৪নং আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পায়রা নদীর অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ভেঙে বাহেরচর ও আঙ্গারিয়ার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় থাকে। ঘরবাড়ি, ফসলের ক্ষেত এবং গাছপালা সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ওই গ্রামের শত শত পরিবার। নদীগর্ভে চলে গেছে এখানকার হাজারো মানুষের সাজানো স্বপ্ন। ইতোমধ্যে অনেকের ঘড়-বাড়ি চিরতরে মুছে গেছে।

নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষগুলো ঘর বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে অন্যত্র আশ্রয়ের চেষ্টা করছে। আগ্রাসী নদী ভাঙনের ফলে ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। পূর্বপুরুষের ভিটে-মাটি কবর হারানো মানুষগুলো অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তারা মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন এবং এখন প্রাণের ত্রাণ চান না, তারা স্থায়ী বেড়িবাঁধ চান।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা স্থায়ী সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন, আশ্বাস নয়। আলেয়া বেগম বলেন, আমি ২০ বছর আগে যখন এখানে আমার শ্বশুর বাড়ি এসেছি তখন দেখেছি তাদের সাজানো সংসার ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে পায়রা নদীর ভাঙনের কারণে সবকিছু নিয়ে গেছে। এখন আমরা নিঃস্ব হয়ে আছি। আমরা স্থায়ী সমাধান চাই।

কামাল হোসেন বলেন, আমরা জানি, যদি ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে কোনো কিছু না করা হয় তাহলে আগামী ৪ বছরের মধ্যে আমাদের যে ভিতরে ঘরবাড়িগুলো রয়েছে, সেগুলো নদীতে তলিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: কেন্দুয়ায় পাচারের সময় ৩২ বস্তা সার জব্দ, চালক পালিয়েছে

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, বর্তমানে ভাঙন রোধে আমরা অস্থায়ী ভাবে কাজ করবো। তবে তিনি দ্রুতই স্থায়ী সমাধানের কথাও জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা।

পটুয়াখালীতে মোট ১ হাজার তিনশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ২২ কিমি এবং ৬ কিমি বেড়িবাঁধ পুরো ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন: ম্যাক অ্যালিস্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৫ এম


মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন: ম্যাক অ্যালিস্টার

আর্জেন্টিনার ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির কাছ থেকে শেখা অত্যন্ত কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন তার সতীর্থ আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। অ্যালিস্টার অভিমত দিয়েছেন যে, মেসি এতই মেধাবী যে, তিনি যা করেন, তা দেখার পরও সাধারণভাবে সেই একই কাজ করা সম্ভব নয়।

অ্যালিস্টার সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কথা বলেছেন। এই মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, মেসি যা করেন, সেগুলো সাধারণ কিছু নয়। ফুটবল সংক্রান্ত কিছু শিখে উঠতে না পারলেও, তিনি অবশ্যই মেসির কাছ থেকে মূল্যবোধ ও বিনয় সম্পর্কে শিক্ষা নেন।

অ্যালিস্টার বলেছেন, ‘সে (মেসি) যা করে, সেখান থেকে শেখা খুব কঠিন। কারণ বিষয়গুলো বুঝতে পারলেও, আপনি কখনও সেটা করতে পারবেন না। আমি তার কাছ থেকে যা শিখি, তা হলো তার মূল্যবোধ এবং অসাধারণ বিনয়। সে বিশ্বের সেরাদের একজন।’

অ্যালিস্টার আরও বলেন, ‘লিওর সঙ্গে থাকা আমি খুবই উপভোগ করি। তার মতো কাউকে কখনও দেখা যাবে না। তার পাশে থেকে সবকিছু দেখা একেবারেই ভিন্ন অভিজ্ঞতা। সে যা করে, সেগুলো সাধারণ কিছু নয়। আমি শুধু তার প্রতিভার সর্বোচ্চ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করি, কারণ জয় নিশ্চিত করতে তার আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর অন্যদিকে থাকে তাকে নিয়ে গভীর মুগ্ধতা।’

এদিকে, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেছে আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের এক জয়ের মাধ্যমে। ওই ম্যাচের তিনটি গোলই করেন লিওনেল মেসি, প্রথমটিতে কিছুটা অবদান রয়েছে অ্যালিস্টারের। নিজেদের অর্ধ থেকে বাড়ানো রদ্রিগো ডি পলের পাস মাঝমাঠে দাঁড়িয়ে থাকা অ্যালিস্টার ধরেননি, বরং সেটি মেসির জন্য ছেড়ে দেন। এ বিষয় নিয়ে অ্যালিস্টার বলেন, ‘প্রথম গোলটির সময় আমি একটু মাঝমাঠে ছিলাম। আমি দেখেছিলাম যে লিও আমার পেছনে ছিল। বলটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, কিন্তু যে ফুটবল খেলেছে সে জানবে যে রদ্রিগোর (ডি পল) পাসের গতি ও শক্তি যেমন ছিল, তাতে আমি খুব ভালোভাবেই জানতাম বলটি আমার জন্য নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়েটের আবাসিক হলে খুলে পড়েছে সিলিং ফ্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৬ এম


চুয়েটের আবাসিক হলে খুলে পড়েছে সিলিং ফ্যান

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় সিলিং ফ্যানটি ছিটকে নিচে পড়ে গেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

জানা যায়, ঘটনার দিন শনিবার (২১ জুন) দুপুরে ঐ আবাসিক হলের ডি-৩০০ নম্বর কক্ষে একটি সিলিং ফ্যান হঠাৎ করে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় ছাদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে তা নিচে পড়ে যায়। সে সময় কক্ষে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা টেবিলে বসে পড়াশোনা করছিলেন।

কক্ষে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের যন্ত্রীকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মো. মোরশেদ এলাহী বলেন, "গণরুমে পর্যাপ্ত ফ্যান থাকলেও বেশিরভাগ ফ্যান নষ্ট কিংবা ধীরগতির, তাই আমাদের ব্যক্তিগত ফ্যান ব্যবহার করতে হয়। এ বিষয়ে আমরা অনেকবার স্যারদেরকে জানিয়েছি, তারা কিছু কিছু সমস্যার সমাধান করেছেন আর কিছু সমস্যার সমাধান হয়নি। গণরুমের ফ্যানগুলো দেখলেই মনে হতো যে এখনই খুলে পড়বে। আজকে তাই হয়েছে। ফ্যানটি যেভাবে পড়েছে, সামান্য এদিক-ওদিক হলেই কারও মাথায় আঘাত লাগতে পারত। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।"

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত হল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কক্ষটির পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যানগুলো পরিবর্তনের দাবি করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতারে গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আহত ৫৪ নিখোঁজ ১৮ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


কাতারে গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, আহত ৫৪  নিখোঁজ ১৮ জন

কাতারের শিল্পশহর রাস লাফফানে বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেড নামের একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এই বিস্ফোরণটি রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যার দিকে ঘটে। এতে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে এখনও নিখোঁজ আছেন কমপক্ষে ১৮ জন।

সোমবার (২২ জুন) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্স এবং এএফপির পৃথক প্রতিবেদনের মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।

কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি কোম্পানি, কাতার এনার্জি এবং দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উভয়েই রোববার রাতে পৃথক বিবৃতিতে বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আরও জানানো হয়েছে, ফায়ার সার্ভিস ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা (সিভিল ডিফেন্স) বাহিনীর উদ্ধারকর্মীরা কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছেন এবং নিখোঁজদের সন্ধান করতে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

কাতার হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ তরল জ্বালানি গ্যাস বা এলএনজি উৎপাদন ও রপ্তানিকারী দেশ। রাজধানী দোহা থেকে ৮০ কিমি উত্তরে অবস্থিত রাস লাফফান কৌশলগতভাবে কাতারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ শহর; কারণ এখানে দেশের অধিকাংশ এলএনজি প্রস্তুতকারী কারখানা অবস্থিত। বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেডও সংশ্লিষ্ট একটি এলএনজি প্রস্তুতকারী কারখানা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কারখানা ভবন থেকে বড় এবং ভারী কালো ধোঁয়ার কুন্ডলি উঠছে। রাস লাফফানের বাসিন্দারা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট আগুনের লেলিহান শিখা ২০ কিমি দূর থেকেও খালি চোখে দেখা যাচ্ছিল। বিস্ফোরণের শব্দ এত প্রকট ছিল যে, রাজধানী দোহায়ও সেটির আওয়া শোনা যাচ্ছিল।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বারজান গ্যাস সাপ্লাই লিমিটেডের কারখানার ভিতরে একটি নতুন প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ চলছিল। রোববার সেই প্ল্যান্টের কাজ শুরু হওয়ার পরপরই এটি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গম জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


দুর্গম জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচি

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, স্থানীয় জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাঙ্গামাটির জুরাছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২১ জুন), জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগীছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২ বীর, রাঙ্গামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুরাছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রাশেদ হাসান সেজান, এসপিপি, পিএসসি। এই সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়কসহ বিভিন্ন সামরিক কর্মকর্তা, জুরাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমন চাকমা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, স্থানীয় হেডম্যান করুণাময় চাকমা, কারবারি তুষার কারবারি, বনযোগীছড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এতে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ জন ছিল।

কর্মসূচিতে স্থানীয় কৃষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণের মাঝে মোট ১ হাজার ২৫০টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, গাছের সঠিক পরিচর্যা ও ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে রাসায়নিক ও জৈব সার এবং কীটনাশক দেওয়া হয়। বিতরণকৃত এই চারাগুলো স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা পরিবেশ রক্ষা, পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং সবুজায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্তব্য করেন যে, বৃক্ষ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, বরং পার্বত্য অঞ্চলে ভূমিক্ষয় রোধ, জলাধার সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে একটি কার্যকর ভূমিকা পালন করে। পরিকল্পিত এই বৃক্ষরোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লে. কর্নেল রাশেদ হাসান সেজান জানান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুধু দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নয়, জনগণের কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতেও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উপস্থিত সবাইকে বিতরণকৃত চারাগুলো রোপণের পাশাপাশি যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে একটি সবুজ ও সমৃদ্ধ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ, জনকল্যাণ এবং টেকসই উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনবান্ধব উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%