ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম


আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

রাজধানীর আদাবরে আব্দুল আহাদ মুন্না নামে স্থানীয় যুবদলের এক সদস্যকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা (২৭ অক্টোবর) সোয়া ৬টার দিকে আদাবর-১৩ নম্বর সড়কের শেষ মাথায় ইয়ার উদ্দিন খলিফা ফ্যাশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

আহত মুন্না আদাবর থানার ৩০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পূর্ববিরোধের জের ধরে রিপন ওরফে বাচ্চা রিপন এবং তার সহযোগীরা মুন্নার ওপর হামলা চালান। তারা চাপাতি দিয়ে আঘাত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন মুন্নাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলাকায় নিরাপত্তাকর্মীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন এবং ১৩ নম্বর সড়কের একটি খালি কক্ষ যুবদলের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে যুবদলের এই দুই সদস্যের মধ্যে বিরোধ চলছিল। হামলায় অভিযুক্ত রিপন এবং আহত মুন্না দুজনই আদাবর থানা যুবদলের সদস্য। তারা দুজনই যুবদল নেতা সজীব আহম্মেদ রানার অনুসারী হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সজীব ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে তিনি আদাবর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
আমজনতার তারেক

তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ এম


তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে, জামায়াত ও এনসিপি তার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না। তিনি বলেন, "জামায়াত-এনসিপি আমাকে হেয় করতে করতে এমন মানসিক অবস্থায় চলে গেছে যে, আমার একটু রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াটাও সহ্য করতে পারছে না। তারা হাঁফাচ্ছে জিহ্বাটা বের করে।"

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেন। তারেক রহমান তার পোস্টে লেখেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলছিলেন, তারেক তুমি আবার যাবা আমার সঙ্গে। ওরা জ্বলতে থাকুক।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘২০১৮ বা ২০২৪ এর সহযোদ্ধারা যারা রাজনীতিতে সময় দিচ্ছেন, বেশিরভাগকেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিকট হতে চেয়ে চিনতে চলতে হয়। আমিও এ ধরনের সহযোগিতা নিয়ে চলেছি কিছু দিন। কি করবো, তখন না পারছিলাম কর্মে ফিরতে না পারছিলাম আন্দোলন ছেড়ে দিতে। প্রবাসী ভাইদের দেওয়া অর্থে আমি খেয়েছি, গাড়ি ভাড়া দিয়েছি, বাসা ভাড়াও দিয়েছি।’

তারেক রহমান জানান, তিনি এই চক্র থেকে বের হয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি এই চক্র থেকে বের হয়ে কিছু কাজ করে খেতে চেয়েছি। বাবা-মায়ের রাজনীতিতে অনাগ্রহের কারণে আমাকে অনেক ক্ষুধা-দারিদ্রের সম্মুখীন হতে হয়েছে। বাধ্য হয়েই ফল ব্যবসা করেছি, মধু ব্যবসা করেছি। আমি জান-প্রাণ দিয়ে চেষ্টা করেছি কিছু একটা কর্ম থেকে আমার খাবার, বাসা ভাড়া যোগাড় করতে। এটা যদি অযোগ্যতার কারণ হয়, তাহলে আর কি করার আছে।’

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার অতটা পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ হয়নি। কিন্তু যখন সুযোগ পেয়েছি আল্লাহর হাতে জান সঁপে দিয়ে ইফোর্ট দিয়েছি মুক্তির লড়াইয়ে।’ তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের ধারালো ফলার মতো লিফলেট, মোদীবিরোধী আন্দোলনের লিফলেট এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের জনপ্রিয় লিফলেট তার হাতেই তৈরি হয়েছে।

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের ১৪ মার্চ রমনা থানায় প্রথম আটক হন। একই বছরের ১৪ জুলাই ডিজিএফআইয়ের মাধ্যমে দ্বিতীয়বার গুম হন। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ডিবি তাকে তৃতীয়বার আটক করে। এরপর ২২ জুলাই ডিজিএফআইয়ের হাতে চতুর্থবার আটক হন। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ১০ দিনের রিমান্ডেও ছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, এগুলোই তার কিছুটা মনে আছে এবং এর চেয়ে বেশি কিছু করার সুযোগ পাননি বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।

জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে নিজের বিরোধকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখতে নারাজ তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা আমাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিরোধ নেই। এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের বিরোধ।’

তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কথা বলা যাবে না, এমন বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল। এর বিপরীতে তিনি মুক্তিযুদ্ধকে সবচেয়ে বড় সার্বভৌমত্বের লড়াই বলে মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান আরও অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি যে কোনো মূল্যে ক্ষমতা চায়, সব বিদেশি শক্তির সঙ্গে সমঝোতা শেষে এরা গেছে ভারতের কাছে। তিনি বলেন, ২৮ আগস্ট ২০২৪ মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি ভারতের সহযোগিতা কামনা করে প্রেস ব্রিফিং করে। ভারত সাড়াও দিয়েছে এদের। এর পর ভারতীয় মিডিয়ায় ফাঁস হলো, জামায়াত আমির গোপনে ভারতের র এর সঙ্গে মিটিং করছে। ধরা খেয়ে মুখ পুরে শিকার করলো জামায়াত আমির। এবার ভারতের র এর নতুন করে বসছে গোলাম পরওয়ার। ধরা খেয়ে আমতা আমতা করছে। ৮ মাস হয়নি সরকারের, শকুনের দল অস্থির হয়ে গেছে ক্ষমতার জন্য।

তিনি বলেন, বিএনপির মাঝে কারও পদায়নে যদি জামায়াত খুশি হয়, আল্লাহর অস্তে তার বিষয়ে যেন খোঁজ-খবর নেয় বার বার।

নিজের বিরুদ্ধে হয়রানির ঘটনায় বিচলিত নন জানিয়ে তিনি জুলাইয়ের মামলায় কারাগারে থাকা কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান। তার মতে, জামিনে থাকার সময় কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাকে আবার গ্রেফতার করা যাবে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আর আমি এদের হয়রানিতে একদম বিচলিত না। আজ একটা দাবি জানাই, জুলাইয়ের মামলায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা যদি জেলে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে তাকে যেন জামিন দেন আদালত। পরবর্তীতে জামিনে থাকাকালে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে আবার গ্রেফতার করবে।’

তিনি বলেন, ‘এটাই জুলাইয়ের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের দূরত্ব কমানোর একমাত্র উপায়।’

পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, সবশেষে বাংলাদেশপন্থি দল, যাদের বিদেশে কোনো শাখা নেই, জাতীয়তাবাদী দল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের কৃতজ্ঞতা জানাই আমার পাশে থাকার জন্য। আর ভালোবাসা জানাই আমার প্রধানমন্ত্রীকে আমাকে তার সঙ্গে রাখার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ এম


কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

অস্ট্রেলিয়া দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, স্বাগতিকদের ৩২৯ রানে গুটিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডবে দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ ৪ উইকেট মাত্র ছয় বলের ব্যবধানে তুলে নিয়ে প্রোটিয়া ব্যাটিং অর্ডারে ধস নামান তিনি।

অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক প্যাট কামিন্স টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। ব্যাটিংবান্ধব উইকেটে স্বাগতিকদের শুরুটা ছিল চমৎকার। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা মার্কেস অ্যাকারম্যান এবং এইডেন মার্করামের উদ্বোধনী জুটি শক্ত ভিত গড়ে তোলে। তারা মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৪০ রান সংগ্রহ করে। ৭৫ বলেই ৮২ রান করে ফেলেছিলেন অ্যাকারম্যান।

বিরতির পর দলীয় ১৫৮ রানের মাথায় আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করে অফ-স্পিনার নাথান লায়নের বলে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন অ্যাকারম্যান। ৯৪ বলে ১২টি চার ও ২ ছক্কায় ৯৫ রান করে তার বিদায়ে ভাঙে জুটি। এরপরেই স্বাগতিক শিবিরে হঠাৎ ছন্দপতন ঘটে। অস্ট্রেলিয়া বোলাররা চড়াও হলে মাত্র ৭৪ রানের ব্যবধানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে দক্ষিণ আফ্রিকা।

জশ হ্যাজলউডের বলে শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দেওয়ার আগে মার্করাম করেন ৭৮ রান। এরপর অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাকে (০) দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করেন লায়ন। এরপরই শুরু হয় স্টার্ক-শো! পরপর দুই ওভারে ডেভিড বেডিংহাম (৫০) ও উইয়ান মুল্ডারকে (০) ফিরিয়ে দেন তিনি।

সপ্তম উইকেটে ৯৫ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন রায়ান রিকেলটন ও মার্কো ইয়ানসেন। তবে দিনের খেলার শেষের দিকে নতুন বল হাতে পেয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠেন স্টার্ক। নতুন বলের চতুর্থ ডেলিভারিতে রিকেলটনকে (৪২) এলবিডব্লুর ফাঁদে ফেলেন, আর ঠিক দুই বল পর ইয়ানসেনকেও (৫২) করেন বোল্ড।

নিজের পরের ওভারের প্রথম বলে জেরাল্ড কোয়েটজিকে আউট করার পর তৃতীয় বলে কাগিসো রাবাদাকে এলবিডব্লু করে স্বাগতিকদের ইনিংসের ইতি টেনে দেন এই বাঁহাতি পেসার। ৭২ রানে ৬ উইকেট পেয়েছেন স্টার্ক।

গেবেখায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ৩১ রানে হারানোর পর এই ম্যাচে একাদশে চারটি পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়া। ঘাড়ের চোটের কারণে স্কোয়াড থেকে ছিটকে যান স্টিভ স্মিথ। বাদ পড়েন নিক ম্যাডিনসন, বো ওয়েবস্টার ও স্কট বোল্যান্ড। তাদের পরিবর্তে সুযোগ পান ক্যামেরন গ্রিন, জশ ইংলিস, অলরাউন্ডার কুপার কনোলি ও স্পিনার নাথান লায়ন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%