ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মার্কিন ভল্ট থেকে ইউরোপে ফিরছে সোনা, একের পর এক দেশ নিচ্ছে উদ্যোগ


মার্কিন ভল্ট থেকে ইউরোপে ফিরছে সোনা, একের পর এক দেশ নিচ্ছে উদ্যোগ

নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ডিএনবি) চলতি সপ্তাহে ঘোষণা করেছে যে, তারা উত্তর আমেরিকা থেকে ৮৬ টন সোনা সরিয়ে নিচ্ছে। এই স্থানান্তরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ‘গুরুতর সংকট মোকাবিলায় নিজেদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুত রাখা।’ এই ৮৬ টন সোনা লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে স্থানান্তরিত হয়েছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, ‘ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে’ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সংকটকালীন মুহূর্তে এই মহামূল্যবান সম্পদ যেন ‘সহজে ও দ্রুত ব্যবহার করা যায়’ তা নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের এই পদক্ষেপ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডাচরা কেন হঠাৎ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে? তারা কি অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনের কোনও অর্থনৈতিক সংকটের আশঙ্কা করছে? বাণিজ্য যুদ্ধ এবং সামরিক সংঘাতের কারণে অনেক দেশই এখন ‘সমূহ সংকটের’ পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে তাদের সোনা নিজেদের দেশের কাছাকাছি কিংবা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ফ্রান্স ঘোষণা দিয়েছিল, তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তাদের সোনার মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে এনেছে।

অন্যদিকে, ২০১৬ সাল পর্যন্ত কয়েক বছর ধরে জার্মানির বুন্দেসব্যাংক বিদেশ থেকে ২১৬ টনেরও বেশি সোনা নিজস্ব হেফাজতে নিয়ে আসে। এর মধ্যে ১১১ টন নিউইয়র্ক থেকে এবং ১০৫ টন প্যারিস থেকে আনা হয়েছিল। বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর এমন কৌশল নতুন কিছু নয়। গোল্ডম্যান স্যাকসের গবেষণা বিশ্লেষক লিনা থমাস এবং ড্যান স্ট্রাইভেন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে বলেন, ‘স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালেও ইউরোপের বেশ কয়েকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের গচ্ছিত সোনার একটি অংশ নিউইয়র্কে সরিয়ে নিয়েছিল।’

আরও পড়ুন: ড্যাবের বিরুদ্ধে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের অভিযোগ

ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সিনিয়র মার্কেট স্ট্র্যাটেজিস্ট জোসেফ কাভাতোনি জানান, যুদ্ধ এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত উত্তেজনা হয়তো এই সিদ্ধান্তগুলোর নেপথ্যে কিছু ভূমিকা রাখছে। তবে এটিই একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। মুদ্রাস্ফীতি, সুদের হার এবং সংকটকালে সহজেই সোনা কেনাবেচা বা লেনদেন করা যায়—এমন স্থানে সম্পদ রাখাটাও এই সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

কাভাতোনি বলেন, ‘বিপর্যয় একদম সামনে এসে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করি না। তবে আমার মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন তাদের সংরক্ষিত সম্পদ ব্যবস্থাপনা, তা বৃদ্ধি করা এবং এগুলোর সর্বোত্তম ব্যবহার কীভাবে করা যায়—সে বিষয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন ও কার্যকরভাবে চিন্তাভাবনা করছে।’ কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা রাখা নিয়ে এত আলোচনার প্রধান কারণ হলো, তারা ইদানীং রেকর্ড পরিমাণে সোনা কেনা শুরু করেছে। তবে নিজেদের দেশে এই মূল্যবান সম্পদ জমা রাখারও কিছু আলাদা খরচ রয়েছে বলে জানান গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষক থমাস ও স্ট্রাইভেন।

তারা বলেন, ‘নিজ দেশে সোনা মজুত রাখার জন্য ভৌত নিরাপত্তা, নিয়মিত অডিট পরিকাঠামো এবং বীমা সুরক্ষায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়। অপেক্ষাকৃত ছোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য এসব বিষয় অতিরিক্ত খরচের কারণ হতে পারে।

আরও পড়ুন: ছাত্রদল নেতার জানাজার পরপরই গুরুদাসপুরে প্রবাসীর শপিংমলে হামলা-লুটপাট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

 বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশে সবার সমঅধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

প্রতিমন্ত্রী গতকাল বান্দরবানে রাজার মাঠে ‘জন্মাষ্টমী উৎসব-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বৈষম্যমুক্ত পরিবেশ তৈরি ও সবার সমঅধিকার নিশ্চিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাজে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

দেশে সামাজিক শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তিনি বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে অতীতে বিভিন্ন ধর্মীয় গুজব ছড়ানো হলেও সরকার দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করেছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ফলে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

ধর্মীয় ও মানবিক সম্প্রীতির ওপর জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় আমরা মানুষ। আমাদের পথচলা যেন গোত্রভিত্তিক না হয়ে জাতিভিত্তিক হয়। আমরা বাংলাদেশি হিসেবে সবাই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা সৃষ্টির সেরা জীব এবং আমাদের সবাইকে একে অপরকে সহযোগিতা করা উচিত— যাতে সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় থাকে। সম্প্রীতির এ ধারা অব্যাহত রেখে শান্তিময় পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বান্দরবান কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি রিটল কান্তি বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাম্যাচিং এবং পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে ডিএসসিসির ১০ অঞ্চলে ‘ক্লিনিং ডে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে ডিএসসিসির ১০ অঞ্চলে ‘ক্লিনিং ডে’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে একযোগে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

শনিবার নাগরিকদের সরাসরি নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

 

ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ৭৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবসের সফল বাস্তবায়নের জন্য ডিএসসিসি এলাকায় প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির আওতায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, শপিং কমপ্লেক্স এবং নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

একই সঙ্গে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

 

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক র‍্যালি এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এছাড়া টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সামাজিক অংশীদারির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ যুবদল সভাপতি, দিলেন কড়া জবাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যে ক্ষুব্ধ যুবদল সভাপতি, দিলেন কড়া জবাব

যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সমালোচনা করেছেন।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করেন।

আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, ‘আজকে দেখলাম নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলছে হই হই, গেল কই—যুবদল গেল কই, ছাত্রদল গেল কই। এই রাজনীতির আমি কোন স্টাইল বুঝতে পারলাম না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে বলছি না, কিন্তু বেয়াদবদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রকৃত আইনকে প্রয়োগ করতে হবে।’

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগী, ক্ষোভ প্রকাশ বিমানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৯০০ রোগী, ক্ষোভ প্রকাশ বিমানমন্ত্রীর

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত হাসপাতালের পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ৯০০ রোগী।

 

সবগুলো বিছানা নিচে। একটি শিশুর বেডে তিনটি শিশু রয়েছে। পরিবেশও খুবই নোংরা। এই ভবন ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

 

তবে এখানে রোগী রাখা হচ্ছে।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতাল দেখে হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নে হাত দেয়নি।’

মন্ত্রী আরো জানান, ‘তিন যুগ পরেও একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজ প্রায় ৮৬৭ জন রোগী রয়েছে। তাদের মানবেতর অবস্থা দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমার জীবনে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।

 

বাংলাদেশে এরকম হাসপাতাল কোথায় আছে, তা আমার জানা নেই, থাকার কথাও নয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এখনো ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। ৫০০ শয্যা ও ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করার জন্য।’

হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমার আরেকটি বিষয় সন্দেহ হয়েছে। এখানে ৭৫০ রোগীর জন্য খাবার এবং সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়। ৭৫০ বেডের টাকা সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা রোগীদের জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে।’

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা সোহানুর রহমান, জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%