শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৯ পি.এম
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১০টি অঞ্চলে একযোগে ‘ক্লিনিং ডে’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’ এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শনিবার নাগরিকদের সরাসরি নগর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ৭৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা দিবসের সফল বাস্তবায়নের জন্য ডিএসসিসি এলাকায় প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কর্মসূচির আওতায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, শপিং কমপ্লেক্স এবং নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।
একই সঙ্গে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান, জনসচেতনতামূলক র্যালি এবং লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এছাড়া টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য সামাজিক অংশীদারির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সমালোচনা করেছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করেন।
আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, ‘আজকে দেখলাম নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলছে হই হই, গেল কই—যুবদল গেল কই, ছাত্রদল গেল কই। এই রাজনীতির আমি কোন স্টাইল বুঝতে পারলাম না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে বলছি না, কিন্তু বেয়াদবদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রকৃত আইনকে প্রয়োগ করতে হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত হাসপাতালের পরিবেশ দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রায় ৯০০ রোগী।
সবগুলো বিছানা নিচে। একটি শিশুর বেডে তিনটি শিশু রয়েছে। পরিবেশও খুবই নোংরা। এই ভবন ২০২১ সালে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে এখানে রোগী রাখা হচ্ছে।’
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে জামালপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার জীবনে সবচেয়ে খারাপ অভিজ্ঞতা যদি হয়ে থাকে, তাহলে এই হাসপাতাল দেখে হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতাল অনেক আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালটি করেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ বছর ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নে হাত দেয়নি।’
মন্ত্রী আরো জানান, ‘তিন যুগ পরেও একই হাসপাতালে যেখানে ২৫০ রোগী থাকার কথা, সেখানে আজ প্রায় ৮৬৭ জন রোগী রয়েছে। তাদের মানবেতর অবস্থা দেখে আমি খুবই বিস্মিত। আমার জীবনে এমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।
বাংলাদেশে এরকম হাসপাতাল কোথায় আছে, তা আমার জানা নেই, থাকার কথাও নয়।’
মন্ত্রী বলেন, ‘হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করার অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এখনো ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়নি। হাসপাতাল পরিদর্শন করে জানতে পেরেছি, বিষয়টি পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে। ৫০০ শয্যা ও ছয়তলা ভবন নির্মাণের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, দ্রুত টেন্ডার করে কাজ শুরু করার জন্য।’
হাসপাতালে রোগীদের খাবার ও সরঞ্জাম সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখানে আমার আরেকটি বিষয় সন্দেহ হয়েছে। এখানে ৭৫০ রোগীর জন্য খাবার এবং সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়। ৭৫০ বেডের টাকা সরকার থেকে দেওয়া হচ্ছে। সেই টাকা রোগীদের জন্য সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সেটা দেখা হবে।’
হাসপাতাল পরিদর্শনকালে সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা সোহানুর রহমান, জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন এবং দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় দেশীয় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ চিহ্নিত চাঁদাবাজ এবং কিশোর গ্যাংয়ের সাত সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক আহমেদ বেগের নির্দেশনায় দক্ষিণখান থানা এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।
অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৬৩ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ভিডিও এবং তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নজরে আসার পর উত্তরা বিভাগ কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করে।
এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণখান থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত পাঁচ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া পৃথক অভিযানে ১৬৩ পিস ইয়াবাসহ কিশোর গ্যাংয়ের দুই চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডিসি মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানিয়েছেন, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজ এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "আমরা অনেক অপেক্ষার পর রাস্তায় নেমেছি, আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশে নতুন করে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুরু হয়েছে।"
আজ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফেনীর মহিপালের পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের যাত্রা পথে এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, "নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা তরুণদের জন্য নিরাপদ ভবিষ্যৎ রেখে যেতে চাই।" তিনি বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব হচ্ছে, জনগণের অধিকার নিয়ে টান দেওয়া হলে সেখানে গর্জন করা, বাধা দেওয়া ও প্রতিবাদ করা, এমনকি প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
বিরোধীদলের নেতা আরও বলেন, "সরকারের মন্ত্রীরা সংসদে দাঁড়িয়ে মিথ্যা কথা বলে দেশে কোন বিদ্যুৎ সংকট নাই।"
বাস্তবে বিদ্যুৎ সংকটে দেশের মানুষ নাজেহাল হয়ে গেছে। তিনি জানান, "আমরা বুঝে গেছি এ সরকার দিয়ে দেশের কোনো উন্নয়ন হবে না।" তিনি বিগত আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আমল ও জুলাই আন্দোলনসহ দেশের সকল হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, এ সরকার এখন পর্যন্ত কোন বিচারের অগ্রগতি দেখাতে সক্ষম হয়নি।
ফেনী জেলা জামাতের আমির মুফতি মাওলানা আব্দুল হান্নান ও সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুফতি মুসা বিন ইজহার চৌধুরী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামুল বশির, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজি, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম এবং ঢাকা মহানগরী উত্তর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে লং মার্চে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দরা চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ফেনী ছাড়েন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরশরাই বাজারে একটি পথসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৮
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ