রিপোর্ট- শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি,মাদারীপুর
০১:৪৫ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনিতে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কিশোর কুমার দাস।
সভায় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বেপারী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার খোকন জমাদার, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা, ইউসিসিএ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্যামা প্রসাদ মিন্টু পালসহ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ও হালিশহর উপকূলীয় এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে পাঁচ দিনব্যাপী বিমানবিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন পরিচালনা করবে। ফায়ারিং চলাকালীন সময়ে নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে নৌযান চলাচলের জন্য সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
এই তথ্য সোমবার (৫ অক্টোবর) বিআইডব্লিউটিএর নৌ-পথ শাখা থেকে প্রকাশিত নৌ-সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্কুল অব আর্মি এয়ার ডিফেন্সের পরিচালনায় ওবিসি (এডি)-৪০-এর প্রশিক্ষণার্থীরা আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ফৌজদারহাট এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং রেঞ্জে বিমান বিধ্বংসী ফায়ারিং অনুশীলন করবেন।
বিআইডব্লিউটিএ জানায়, ফায়ারিংয়ের জন্য নির্ধারিত বিপজ্জনক এলাকা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, পাহাড়তলী, আকবর শাহ ও হালিশহর থানার অন্তর্গত। ফায়ারিং এলাকার ব্যাপ্তি সমুদ্রের আকাশ বরাবর উত্তর ও দক্ষিণ সীমানা অনুযায়ী ১২ হাজার গজ বা ৬ দশমিক ৮ মাইল। বিপজ্জনক এলাকা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত।
ফায়ারিং চলাকালে ওই নৌ-পথে চলাচলকারী সব নৌযানকে নির্ধারিত ফায়ারিং রেঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী বিপজ্জনক এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য বিআইডব্লিউটিএ অনুরোধ করেছে। একই সঙ্গে কর্তৃপক্ষের পাইলট নিয়ে অধিকতর সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, নির্ধারিত ড্রাফট নিয়ে কর্তৃপক্ষের পাইলটসহ বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে নৌযান পরিচালনা করতে হবে। দক্ষ নাবিক বা ড্রাইভার দ্বারা নৌযান পরিচালনার বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।
গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো ও টাকার মান কমানো হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বিদ্যমান। বর্তমানে ডলারের দাম ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক মাস আগে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। বর্তমানে এটি ১২২ টাকা ৯৭ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৭ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৯৭ পয়সা
ইউরো : ১৩৮ টাকা ৪৩ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৩ টাকা ২০ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৫৪ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ৮৫ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৪ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ২৬ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ০৬ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭১ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৫ টাকা ৮৯ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৪৫ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়নের জন্য মাস খানেক আগে ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল মাঠের সব রূপকথার চিত্রনাট্য লেখা শেষ করে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন লিওনেল মেসি। তবে মাঠের সবুজ গালিচা ছাড়ার পর থেকেই মহাতারকাকে ঘিরে নতুন এক রাজনৈতিক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। ফুটবলের রাজত্ব শেষ করে কি তবে দেশের রাজত্বে মন দেবেন ‘এলএমটেন’?
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি দাবিকে কেন্দ্র করে এমন প্রশ্ন এখন বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। এক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভবিষ্যদ্বক্তা চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে দাবি করেছেন, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন এই বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি ফুটবলার।
কানাডীয় শিক্ষাবিদ ও ভবিষ্যদ্বক্তা হিসেবে পরিচিত ‘প্রফেসর জিয়াং’ আমেরিকান রাজনৈতিক ভাষ্যকার নিকোলাস কেন ডি বালিনথাজির (স্নিকো) দেওয়া এক খোলামেলা সাক্ষাৎকারে এই আলোড়ন সৃষ্টিকারী দাবিটি করেন।
জিয়াং জানান, মেসি অদূর ভবিষ্যতেই পেশাদার রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেবেন এবং শেষ পর্যন্ত লাতিন আমেরিকার এই দেশটি শাসন করার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হবেন।
প্রফেসর জিয়াংয়ের দাবি, তিনি সাধারণত ‘গেম থিওরি’ ও বৈজ্ঞানিক কৌশল ব্যবহার করে বিশ্ব ভূ-রাজনীতির বিভিন্ন জটিল ঘটনা বিশ্লেষণ করেন। এর আগে তার বেশ কিছু রাজনৈতিক পূর্বাভাস সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। যদিও এই প্রফেসরের পেশাগত পরিচয় কিংবা তার পূর্বাভাসের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি স্বাধীনভাবে নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আর্জেন্টিনার রাজনৈতিক সমীকরণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জিয়াং আরো একধাপ এগিয়ে দাবি করেন, মেসি যদি কখনো দেশটির প্রেসিডেন্ট হন, তবে তিনি প্রায় দুই দশক ধরে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবেন। তবে তার এই দীর্ঘ শাসনকালে আর্জেন্টিনার জাতীয় স্বার্থের জন্য বেশ কিছু ক্ষতিকর ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।
বিজ্ঞানী জিয়াংয়ের মতে, মেসি রাষ্ট্রপতি হলে ক্ষমতার প্রকৃত কলকাঠি ও পর্দার আড়ালের মূল প্রভাব বজায় রাখবেন আর্জেন্টিনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ও চরম ডানপন্থী নেতা হাভিয়ের মিলেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবারের জেলে কার্ড যাচাই বাছাইয়ে একজন পকৃত জেলের নাম বাদ পড়েছে। অথছ রয়ে যায় একজন নারীর নামে জেলে কার্ড। আর এনিয়ে ঐ এলাকায় মৎস অফিস ও তার সহযোগীদের নিয়ে চাঞ্চল্য ও সমালোচনা করতে দেখা গেছে।
এমন-ই ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নলুয়া প্রকাশ্য বোয়ালিয়ায়।
ঘটনার বিবরনে জানাযায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলায় জেলে কার্ড যাচাই বাছাই করতে গিয়ে অনেক অপেশাদার জেলের নাম বাদ যায়। তার সাথে বাদ যায় বাপ-দাদার আমল হতে জেলের বা মাছ ধরা ও মাচ বিক্রির সাথে সম্পর্কিত প্রহল্লাদ নামে এক ব্যাক্তির নাম। এরই সাথে রয়ে যায় লিজিয়া নামে এক নারীর নাম। এই তথ্য প্রকাশ হওয়ার থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য এবং সমালোচনা শুরু হয়। মানুষের মুখে মুখে নারী হয়েও জেলে কার্ড থাকা আর পকৃত জেলের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নানা ধরনের নেতিবাচক কথা শুনতে পাওয়া যায়।
এনিয়ে বাদ পরে যাওয়া প্রহল্লাদ বলেন, একজন নারীর নাম বাদ যায়না অথছ আমি পকৃত জেলে হয়ে যাচাই-বাছাই তে বাদ পরি, একেমন যাচাই বাছাই?
আমি ওদের মুখোশ খোলে দিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এবিষয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা মৎস কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাদিক বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নাই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ