ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষামন্ত্রী ব্লু স্কাই স্কুল পরিদর্শন, ভর্তি ফি কমানোর নির্দেশ


শিক্ষামন্ত্রী ব্লু স্কাই স্কুল পরিদর্শন, ভর্তি ফি কমানোর নির্দেশ

ঢাকা, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী পরিচালিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষায়িত ‘ব্লু স্কাই’ স্কুল পরিদর্শন করেছেন।

মন্ত্রী পরিদর্শনের সময় সাধারণ মানুষের সন্তানের জন্য ভর্তি ফি কমানোর, শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে বেশি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে স্কুলটি পরিদর্শন করে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য সুবিধা কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সাধারণ মানুষের সন্তানের ভর্তি প্রক্রিয়া কীভাবে সহজ করা যায় এবং শিক্ষার ব্যয় কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।

আরও পড়ুন: দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

তিনি বলেন, অটিজমে আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন হয়। এজন্য একজন শিক্ষককে পাঁচজনের বেশি শিক্ষার্থীর দেখাশোনা করতে হয়। কিছু শ্রেণিতে একজন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষকও নিয়োজিত আছেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশেষ চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে, শিক্ষার মান বজায় রেখে কীভাবে ব্যয় কমানো যায়— তা নিয়ে কাজ করতে হবে। এছাড়া স্কুলের শিক্ষিত অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমে কীভাবে সম্পৃক্ত করা যায়, সে বিষয়েও ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করা হবে।

মন্ত্রী সরকারিভাবে স্কুলটিকে সহযোগিতা দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন এবং বিশেষায়িত শিক্ষা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা গেলে অটিজমসহ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

পরিদর্শনকালে স্কুলটির গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান এয়ার কমডোর মো. আব্বাস আলী, এয়ারফোর্স হেডকোয়ার্টার্সের শিক্ষা বিভাগের পরিচালক এয়ার কমডোর ইমরানুর রহমান এবং স্কুলের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নুর উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের দুই যুবকের সউদী আরব ও লিবিয়ায় মৃত্যু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, অধিকাংশ ক্যাথলিক তীর্থযাত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


কেনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, অধিকাংশ ক্যাথলিক তীর্থযাত্রী

কেনিয়ায় একাধিক যানবাহনের সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ক্যাথলিক তীর্থযাত্রী ছিলেন। তারা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দেশটির পুলিশ জানায়, রাজধানী নাইরোবি থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সালামা এলাকায় মধ্যরাতের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে। মোম্বাসা উপকূলীয় শহরের দিকে যাওয়ার মহাসড়কে একটি ট্রাক অন্য একটি ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সংঘর্ষ ঘটে। এ সময় একটি তীর্থযাত্রীবাহী মিনিবাসসহ একাধিক যানবাহন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

কেনিয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীরা ১৪ আসনের একটি মিনিবাসে করে যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনায় মিনিবাসটির চালক এবং ১৬ যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ছিলেন।

ক্যাথলিক আর্চডায়োসিস অব মোম্বাসার আর্চবিশপ মার্টিন কিভুভা জানিয়েছেন, তীর্থযাত্রীরা নাইরোবির পশ্চিমে নাকুরু কাউন্টির একটি প্রার্থনাস্থলের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি বলেন, "এই মৃত্যুতে তারা অত্যন্ত বেদনাহত।"

নিহতদের পরিবারের সদস্য, স্বজন এবং পুরো ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো।

দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে কেনিয়ার ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট অ্যান্ড সেফটি অথরিটি (এনটিএসএ)। সংস্থাটি জানিয়েছে, সংঘর্ষের পেছনের পূর্ণ পরিস্থিতি জানতে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

এনটিএসএ বলেছে, দুর্ঘটনাস্থলের সড়কটি পূর্ব থেকেই ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে পরিচিত। ওই সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে এর আগে বিভিন্ন সুপারিশও করা হয়েছিল।

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়মিতভাবে প্রাণহানি ঘটায়। কেনিয়াসহ এ অঞ্চলে এসব দুর্ঘটনার জন্য প্রায়ই যানবাহনের দুরবস্থা, অতিরিক্ত গতি এবং সড়কের খারাপ অবস্থাকে দায়ী করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের এনটিএসএ-উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, গত বছর কেনিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ হাজার ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রাণ গেছে ২ হাজার ১৫০ জনের।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনা-ঝালকাঠি থেকে সহযোগী এনে ঢাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতেন আল-আমিন: এসআরবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


বরগুনা-ঝালকাঠি থেকে সহযোগী এনে ঢাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতেন আল-আমিন: এসআরবি

রাজধানীর রামপুরা এলাকা থেকে চিহ্নিত চাঁদাবাজি ও পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মো. আল-আমিন, যিনি পিচ্চি আল-আমিন নামে পরিচিত, তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এর আগে, আল-আমিনসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ফলে, এই ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হলো।

এসআরবি জানায়, পিচ্চি আল-আমিনের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত। বরগুনা ও ঝালকাঠি অঞ্চলের সমমনাদের ঢাকায় এনে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করতো সে। রবিবার (৪ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন।

আল-আমিন কোনো গ্যাংয়ের প্রধান কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন বলেন, "আল আমিনের বাড়ি ঝালকাঠিতে। আমরা তার পাঁচ সহযোগীকে গ্রেফতার করেছি। তাদের চার জনের বাড়ি একই জেলায় এবং একজনের বাড়ি বরগুনাতে। আমরা এনালাইসিস করে দেখলাম, আল-আমিন তার সমমনা বা যাদেরকে সঠিক মনে করেছেন সমগোত্রীয় তাদেরকে ঢাকায় এনে এই অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।"

আল-আমিনের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, "আমরা ২০১১ সাল থেকে প্রতিটি সরকারের আমলে তার নামে মামলা পেয়েছি। তার মানে তিনি স্বভাবগত অপরাধী। যেই দলই ক্ষমতায় আসুক তারা সেই সুযোগটা হয়তো তার মাধ্যমে নিতেও পারে। বাট উনি নিজেই নিজের গুণে গুণান্বিত।" তবে, আল-আমিনকে গ্রেফতারে রামপুরা এলাকার মানুষ খুশি হয়েছে বলেও জানান এসআরবি-৩ এর অধিনায়ক।

এসময় উপস্থিত থেকে এসআরবি'র আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, "গত ১ অক্টোবর দুপুর দেড়টায় রামপুরা থানাধীন টিভি রোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিচ্চি আল-আমিন ও তার ২ সহযোগী কামাল উদ্দিন এবং খাইরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশী রিভলবার এবং ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।"

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত পিচ্চি আল আমিনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সন্ধ্যা ৬ টার সময় রাজধানীর রামপুরা থানাধীন কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তার অপর ২ জন সহযোগী মো. সোহাগ হাওলাদার ওরফে মামুন এবং মো. রিফাত ইসলামকে ২টি দেশীয় অস্ত্র (লোহার তৈরি ছুরি) সহ গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তার আল আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, তার অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী মো. কাওছার খানের কাছে আরও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। ওই তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় কাওছারের অবস্থান শনাক্ত করে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রামপুরা থানাধীন কুঞ্জবন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে খিলগাঁও থানাধীন ভূঁইয়াপাড়া জনৈক শফিকের টিনশেড ঘরের ভেতর থেকে একই দিন রাত সাড়ে ৮টায় ১ টি বিদেশি রিভলভার, ১ টি বিদেশি পিস্তল এবং ১ টি ম্যাগাজিনসহ ০৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃত পিচ্চি আল আমিন সন্ত্রাসী ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্লা পলাশ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তার নামে রাজধানীর খিলগাঁও, রামপুরা, হাতিরঝিল ও গুলশান থানায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, হত্যা ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। তবে গ্রেফতারকৃত অপর আসামিদের নামে থানায় কোন মামলা পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় সাংবাদিককে মারধর করে টাকা ও সোনার আংটি ছিনতাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


গাইবান্ধায় সাংবাদিককে মারধর করে টাকা ও সোনার আংটি ছিনতাই

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আগামীর সময় পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি শেখ মামুনুর রশিদকে মারধর করা এবং গলা চেপে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এ সময় তার কাছে থাকা টাকা ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই-তিনজনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় এজাহার দাখিল করেছেন।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ শিববাড়ী শহীদ মিনারসংলগ্ন চন্দনের চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক শেখ মামুনুর রশিদ সোনারায় ইউনিয়নের বলরাম গ্রামের মো. আব্দুল মজিদ মিয়ার ছেলে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ এলাকার রাকিব মিয়া (৩০), সরফরাজ মিয়া (৩৮), মনির মিয়া (৩০) ও তুহিন মিয়া (৩৮)।

এজাহার থেকে জানা গেছে, ধান ব্যবসার সূত্রে রাকিব মিয়ার সঙ্গে মামুনুর রশিদের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি রাকিবের ভাই তুহিন মিয়ার স্ত্রী মোছা. নাইমা নিখোঁজ হলে মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে তাকে নিয়ে দোষারোপ ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। পরে ওই নারীকে রংপুরে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে। এর পর মামুনুর রশিদ ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন, যাতে তিনি তাদের বিরুদ্ধে সম্মানহানির মামলা করার কথা জানান। এতে অভিযুক্তরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর মামুনুর রশিদ চন্দনের চায়ের দোকানে বসেছিলেন। এ সময় রাকিব, সরফরাজ, মনির, তুহিনসহ আরও দুই-তিনজন সেখানে এসে তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে দোকান থেকে বের করে মারধর করেন। এতে তার মাথা, ঘাড়, গলা, বুক ও মেরুদণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, মারধরের একপর্যায়ে রাকিব মিয়া তার পকেট থেকে ধান ব্যবসার ৪০ হাজার টাকা নিয়ে নেন। সরফরাজ মিয়া তার ডান হাতের আঙুলে থাকা প্রায় ৪০ হাজার টাকা মূল্যের একটি সোনার আংটি খুলে নেন। পরে সরফরাজ তাকে শহীদ মিনারের পাকা দেয়ালে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন এবং রাকিব গলা চেপে ধরেন। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে অভিযুক্তরা আবারও মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ঘটনার সাক্ষী সবুজ মিয়া বলেন, "মামুন ভাইয়ের সঙ্গে একসঙ্গে চা খেয়ে আমি আমার দোকানে আসি। পরে দেখি রাকিব, সরফরাজ, মনির, তুহিনসহ কয়েকজন তাকে মারধর করছেন। আমি আটকানোর চেষ্টা করলে রাকিব আমাকে ঘুষি মারার চেষ্টা করেন এবং ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন।"

চায়ের দোকানের মালিক চন্দন বলেন, "মামুন আমার দোকানে বসে ছিল। রাকিব, মনির, সরফরাজ, তুহিনসহ কয়েকজন এসে তাকে জোর করে বাইরে নিয়ে যায়। আমি বাধা দিলে আমাকেও মারার হুমকি দেয়। এরপর তারা মামুনকে মারধর করে।"

অভিযোগের বিষয়ে রাকিব মিয়া, সরফরাজ মিয়া, মনির মিয়া ও তুহিন মিয়ার বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো বক্তব্য দেননি। পরে তাদের ব্যবহৃত নম্বরগুলো বন্ধ পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, "এর আগে আসামিরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সামাজিকভাবে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলায় আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় আমার টাকা ও স্বর্ণের আংটি নিয়ে নেওয়া হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় এজাহার দিয়েছি।"

ওসি শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, "সাংবাদিক মামুনুর রশিদকে মারধর, টাকা ও স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় এজাহার দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


সিলেটে মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

সিলেট, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : মহান মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিলেট পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরার পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান স্মরণ করার উদ্দেশ্যে সিলেট মুক্ত দিবস উদযাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সিলেট মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ রোববার নগরীর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম।

সভায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী মন্তব্য করেন, সিলেট মুক্ত দিবস উদযাপন একটি স্মরণীয় উদ্যোগ। মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বক্তব্য, স্মৃতিচারণ এবং লেখনীর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে সিলেটের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানো সম্ভব হবে।

সভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূরসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক উল্লেখ করেন, আগামী ১৫ ডিসেম্বর সিলেট মুক্ত দিবস ব্যাপকভাবে উদযাপনে সকলের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানকে সফল করতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভিত্তিক স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রচার-প্রচারণা, ব্যবস্থাপনা ও সংবর্ধনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%