০৪:৩৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের আগে ফর্মহীনতায় দলে জায়গা নিয়েই ছিলো সংশয় ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহামের। সব কিছুতে ছাপিয়ে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে প্রথম ম্যাচেই তিনি নিজের জাত চেনালেন।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বড় জয়ে দুর্দান্ত ১ গোল করে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছেন ২২ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়। ফর্মহীন ও বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়ার সমালোচনায় দলটির হয়ে দুর্দান্ত কিছু করার জেদই সেরাটা বের করে আনবে বলে জানান এই তরুণ মিডফিল্ডার।
ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনজুরির কারণে গেল বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের আন্তর্জাতিক ক্যাম্পগুলো মিস করায় পরেও বেলিংহামের দলে অন্তর্ভুক্তি ও ফর্ম নিয়ে গণমাধ্যমে অনেক সমালোচনা ঘটে।
টমাস টুখেলের অধীনে অ্যাস্টন ভিলার ফর্মের তুঙ্গে থাকা মিডফিল্ডার মর্গান রজার্স ১০ নম্বর পজিশনের জন্য বেলিংহামের সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। টুখেল নিজেও ম্যাচের আগে ইঙ্গিত দিয়েছেন দলে কারো স্থান নিশ্চিত নয়। এই তীব্র অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতাই বেলিংহামকে তার সেরাটা দিতে বাধ্য করেছে, বিশেষজ্ঞদের মতে।
বিবিসি স্পোর্টসকে বেলিংহাম জানিয়েছেন, সমালোচনাগুলোই তার মনে বাড়তি ফোকাস এবং ভালো কিছু করার তীব্রতা তৈরিতে সাহায্য করেছে।
ক্রোশিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত দলীয় পারফরম্যান্স ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা সবকিছু ঠিকঠাক করে নিয়েছিলাম। কিন্তু প্রথমার্ধে ভালো খেললেও কিছুটা অগোছালো থাকায় বলের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ ছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা সবকিছু সুন্দরভাবে একত্রিত করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছিলাম বলে যোগ করেন তিনি।
ইংল্যান্ড দলের নতুন কোচ টমাস টুখেলের অধীনে প্রথম ম্যাচেই এমন পারফরম্যান্স প্রতিপক্ষ দলগুলোর জন্য ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক যখন দলের প্রয়োজন হয়, তখনই বেলিংহাম ত্রাতা হিসেবে হাজির হন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার মাইকা রিচার্ডস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার বহুল আলোচিত ৮ বছর বয়সী শিশু রিফাত হোসেন হত্যা মামলার রায়, প্রায় ৮ বছর পর আদালত ঘোষণা করেছে। ২০১৮ সালের ঘটনার এই মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং অপর পাঁচজনকে, যাঁরা অপরাধ ঘটানোর সময় নাবালক ছিলেন, ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. আনোয়ারুল হক এ রায় ঘোষণা করেছেন। মৃতদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস এলাকার আবুল কালাম আজাদ, সাগর, সেলিম ইসলাম, মেহেদী হাসান ও রাজু ইসলাম (পাঁচফুল)। এই আসামিদের মধ্যে সাগর ও সেলিম ইসলাম পলাতক রয়েছেন। অপরদিকে, অপরাধ সংঘটনের সময় আইনের দৃষ্টিতে শিশু থাকা সজিব হাসান, মফিজুল ইসলাম, জাহিদ হাসান, বোরহান আলী ও বায়েজিদ হোসেনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁদের বর্তমান বয়স প্রায় ২৬ বছর। নিহত বাচ্চাটি, রিফাত হোসেন, শাজাহানপুর উপজেলার খাদাস হাটখোলা এলাকার প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে। মামলার সব আসামিরা রিফাতের প্রতিবেশী ও পরিচিত। মামলার নথি ও আদালত সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই এনামুল হকের কাছে প্রতিবেশী আবুল কালাম আজাদ এক লাখ টাকা ধার চান। যখন এনামুল টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তখন প্রতিশোধ নেওয়ার উদ্দেশ্যে সেদিন বিকেলে রিফাতকে অপহরণ করা হয় এবং হত্যা করা হয়, পরে মরদেহ গুম করা হয়। রিফাত নিখোঁজ হওয়ার পরে তার পরিবার বিভিন্ন জায়গায় সন্ধান করতে থাকে এবং না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তিন দিন পরে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের স্বামীর মাধ্যমে খবর আসায়, পাশের পোয়ালগাছা গ্রামের একটি ব্রিজের নিচে শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। সেখানে গিয়ে রিফাতের মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্বজনরা। এই ঘটনায় তিন দিন পরে ১৮ জুলাই শাজাহানপুর থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা এনামুল হক। আদালত সূত্র থেকে জানা যায়, মামলায় প্রথমে ১১ জনকে আসামি করা হলেও বিচার চলাকালে মাসুদ রানা মারা যাওয়ায় তার নাম বাদ দেওয়া হয়। আসামিরা বিচার চলাকালে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী, সরকারি কৌঁসুলি মো. আলী আসগর জানিয়েছেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ও ৮ ধারাসহ হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দিয়েছেন। অপরাধ সংঘটনের সময় প্রাপ্তবয়স্ক থাকায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং নাবালক হওয়ায় অপর পাঁচজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম উল্লেখ করেছেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। সাংবাদিকদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে, তাঁর মতে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেন অন্যের চরিত্র হননের কারণ না হয়। মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে অনেক সময় আমরা লক্ষ্য করি যে, মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য অনেক নিউজে চটকদার শিরোনাম দেওয়া হয় ভিউ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে, তবে সুযোগ পেলে ভেতরে খবর থাকে ভিন্ন। সাধারণ মানুষ এতে বিভ্রান্ত হয় এবং এতে উন্নয়ন ব্যহত হয়।
শনিবার রাতে পাবনা প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার জনগণের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে, আর সাংবাদিকরা সেই কাজের মূল্যায়ন করেন। পাবনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আখতারুজ্জামান আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, পাবনা-৫ আসনের এমপি এ্যাড. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
মন্ত্রী সভায় ঘোষণা দেন পাবনাবাসীর জন্য একগুচ্ছ মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের। প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে আগামী আগস্টে প্রতীক্ষিত পাবনা-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু করার কথা, কাজিরহাট ফেরিঘাট খাসচরে স্থানান্তর এবং পাবনা শহরের ভেতরের রাস্তা ফোরলেনে উন্নীতকরণের বিষয়টি। এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন পাবনা বাইপাস, পাবনা-পাকশী, পাবনা-সুজানগর-বাঁধেরহাট এবং মাধপুর-সাঁথিয়া-বেড়া সড়ক প্রশস্তকরণসহ ব্যারেজ নির্মাণ ও ওয়াই-প্যাটার্ন সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষার পরিকল্পনার কথা।
এছাড়া, তিনি আটঘরিয়া কৃষি কলেজ, মানসিক হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজকে আরও আধুনিকায়নে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের এমপি একেএম সেলিম রেজা হাবিব, সংরক্ষিত মহিলা আসন (পাবনা-সিরাজগঞ্জ) এর এমপি এ্যাড. আরিফা সুলতানা রুমা, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, সাবেক প্রেস ক্লাব সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক শিবজিত নাগ। পাবনা প্রেস ক্লাবের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা পাভেলের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অন্তর্বর্তী সরকারের গাফিলতির জন্যই হামের টিকা দেওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। তিনি আরও বলেছেন, “এটি জানার জন্য আলাদা করে তদন্ত করার প্রয়োজন নেই।” কীভাবে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে তা সরকারের চিন্তার বিষয়।
রোববার (২১ জুন) সচিবালয়ে সকালের দিকে ইউরোপ সফর শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী বলেন, “এখানে তদন্তের কী আছে। অপারেশনাল প্ল্যান বাদ দিয়ে এটাকে ডিপিপিতে মাইগ্রেট করা হয়েছে।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, তখন হয়তো ধারণা করা হয়েছিল, ডিপিপিগুলোকে এপ্রুভ করার জন্য এক মাস দেড় মাসের মধ্যে তারা এপ্রুভ করতে পারবে এবং টাকা এভেলেবল হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, এক বছরেও অনেক ডিপিপি আপনার প্রিপারেশন সম্ভব হয়নি। এর ফলে, স্বাভাবিক ফান্ড ফ্লো ওপির মাধ্যমে হচ্ছিল, সেইটা বন্ধ হয়ে যায় এবং এই ঘাটতি, এই ঘাটতির বোঝা তো আমরা জাতি হিসেবে এখনও বহন করছি।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ফ্যামিলি প্ল্যানিংয়ের বিভিন্ন প্রোডাক্ট বিভিন্ন জায়গাতে স্টক আউট, সেগুলো আমরা কীভাবে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্রয় করতে পারি, সেগুলো নিয়ে মন্ত্রীসহ সবাই কাজ করছে।” তিনি উল্লেখ করেন যে, “এই যে আজ আমি কথা বলছি, মন্ত্রী আপনার কোপেনহেগেন, ডেনমার্কের ইউনিসেফের যে সাপ্লাই ডিভিশনের হেডকোয়ার্টার সেখানে যাচ্ছেন তাদের সঙ্গে আলাপ করার জন্য; যাতে করে আমাদের অন্যান্য যে এসেনশিয়াল প্রোডাক্ট, সেগুলোও দ্রুত কেনা যায় এবং ঘাটতি পূরণ করা যায়—এজন্য আমরা দিন-রাত পরিশ্রম করছি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ