ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগকে রাজনৈতিকীকরণ না করার আহ্বান: ডেপুটি স্পিকার


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগকে রাজনৈতিকীকরণ না করার আহ্বান: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মন্তব্য করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সকল উদ্যোগকে রাজনৈতিকীকরণ করা উচিত নয়। বিশেষ করে শিশুদের কল্যাণে গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে রাজনৈতিক দৃষ্টিতে দেখা উচিত হবে না।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কমপ্লেক্সে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি) আয়োজিত ‘শিশুশ্রম নিরসনে করণীয়’ শীর্ষক এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার শিশুদের কল্যাণে সরকারের উদ্যোগ ও জবাবদিহির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘তারেক রহমান একজন মানবিক প্রধানমন্ত্রী। সবাই মিলে কাজ করলে একটি মানবিক দেশ গঠন করা সম্ভব।’

আরও পড়ুন: দুই বাংলাদেশির বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য দেয়নি সৌদি সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

তিনি শিশুদের প্রতি তার এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির পারিবারিক পটভূমি উল্লেখ করে জানান, তার মা শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাবা শিশুকল্যাণ অধিদপ্তর গঠন করেছিলেন, যা শিশুদের উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে।

একই সঙ্গে শিশুদের সুরক্ষায় নির্বাহী বিভাগের কঠোর ভূমিকার ওপর তিনি জোর দেন। তিনি বলেন, শুধু রাজনীতিবিদদের ওপর দোষ চাপালে চলবে না। শিশু নির্যাতন ও শিশু ধর্ষণ কেন বন্ধ হচ্ছে না—এর স্পষ্ট জবাব নির্বাহী বিভাগ ও আমলাদের দিতে হবে। নির্বাহী বিভাগ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করলে শিশুশ্রম ও নির্যাতন বন্ধ করা সম্ভব নয়। সরকার যেন জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকে এবং শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় সংসদ যাতে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে সংসদ সোচ্চার থাকবে।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সংলাপে উপস্থিত সকলকে শিশুশ্রম বন্ধে একযোগে কাজ করার এবং ঐক্যবদ্ধভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আগামী প্রজন্মকে নিরাপদ রাখতে ও তাদের বিকাশ নিশ্চিত করতে সমাজ ও সরকারের প্রতিটি স্তরে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।

আরও পড়ুন: উত্তাল তিউনিসিয়া, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে সরকারি গাছ কাটার মামলায় আসামি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


কালকিনিতে সরকারি গাছ কাটার মামলায় আসামি গ্রেপ্তার

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার গোপালপুর এলাকায় সরকারি রাস্তার গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সোহেল সরদারকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (৪ অক্টোবর) গোপালপুর বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার সোহেল সরদার গোপালপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি সিরাজ সরদারের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর এলাকায় সরকারি রাস্তার গাছ কেটে রাস্তা বন্ধ করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোহেল সরদার এজাহারভুক্ত আসামি। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় রোববার গোপালপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কালকিনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল আলম বলেন, “সোহেল সরদার গোপালপুরের গাছ কাটার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ অথবা ২৯ জুলাই করার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ অথবা ২৯ জুলাই করার দাবি

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বর্তমান তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি ২২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১১ জুলাই অথবা ২৯ জুলাই তারিখ নির্ধারণের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়কের দাবিতে প্রতিষ্ঠিত একটি ঐতিহাসিক নাগরিক সংগঠন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, গবেষণা, অ্যাডভোকেসি, ভিকটিম সাপোর্ট এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

সংগঠনটি মনে করে, জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত, যা রোড ক্র্যাশে নিহতদের স্মরণ, শিক্ষার্থী ও তরুণদের নিরাপত্তার অঙ্গীকার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঐতিহাসিক নাগরিক-শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ—এই তিনটি বিষয়কে প্রতিফলিত করে।

২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি গাড়ি রোড ক্র্যাশের শিকার হয়ে ৪৫ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ৪৩ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। সুতরাং, এই দিনটি শিক্ষার্থী, তরুণ ও নাগরিকদের নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে যে আন্দোলন শুরু হয়, তা দ্রুত দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক আন্দোলনে রূপ নেয় এবং বাংলাদেশের সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে জনসচেতনতা ও জবাবদিহিতার দাবি আরও জোরালো করে।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি আবদুল্লাহ মেহেদি দীপ্ত মন্তব্য করেন, “জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত সড়কে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার বিষয়টিকে সামনে রাখা। তাই দিবসটির তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমাদের দেশের সড়ক নিরাপত্তার ইতিহাস, রোড ক্র্যাশে নিহতদের স্মৃতি এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে গণমানুষের ঐতিহাসিক আন্দোলনকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।”

সংগঠনটি মনে করে, ১১ জুলাই অথবা ২৯ জুলাইয়ের যেকোনো একটি তারিখ জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হলে দিবসটি আরো অর্থবহ ও জনসম্পৃক্ত হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে, সংগঠনটি এ বিষয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, রোড ক্র্যাশে ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতিনিধি, নাগরিক সমাজ এবং সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কর্মরত সংগঠনগুলোর মতামত গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন আশা করে, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের তারিখ পুনর্নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবি শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি: প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


ইবি শিক্ষার্থীর বাঁচার আকুতি: প্রয়োজন ৩০ লাখ টাকা

জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমাতুজ্জোহুরা। তিনি বর্তমানে বিরল ও জটিল রোগ ‘টাকায়াসু আর্টারাইটিস’-এ আক্রান্ত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৩০ লাখ টাকা, যা তাঁর দরিদ্র পরিবার বহন করতে পারছে না।

ফাতেমার বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নে। তাঁর বাবা একজন সাধারণ ভ্যানচালক। মাত্র আট বছর বয়স থেকে অসুস্থতায় ভুগছেন ফাতেমা। কুষ্টিয়া ও রাজশাহীতে দীর্ঘ চিকিৎসার পরও প্রথমে তাঁর রোগ শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। অবশেষে ২০২০ সালে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে পরীক্ষার মাধ্যমে বিরল এ রোগটি ধরা পড়ে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টাকায়াসু আর্টারাইটিসের কারণে ফাতেমার শরীরের প্রধান রক্তনালীগুলো সংকুচিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্প্রতি পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাঁর কিডনিতে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী (Renal Artery) মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে, ফলে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

বর্তমানে ফাতেমার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় চিকিৎসকরা দ্রুত ‘স্টেন্টিং’ ও উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছেন। এজন্য তাঁকে ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তবে সেখানে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনেরা।

পড়াশোনা চালিয়ে সুস্থ হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর এবং পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখা ফাতেমা আজ জীবনের কঠিন লড়াইয়ে পরাজিত হতে বসেছেন। ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীদের সহযোগিতায় এ পর্যন্ত প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে পারলেও এখন প্রয়োজন বিপুল অর্থ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ল' এন্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, "ফাতেমা দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে ভুগছেন। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা তাঁর পরিবারের পক্ষে বহন করা অত্যন্ত কঠিন। আমরা কাছে থেকে দেখছি ফাতেমা অনেক স্ট্রাগল করে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। এই কঠিন সময়ে ফাতেমার পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব।"

আবেগপ্লুত কণ্ঠে ফাতেমা বলেন, "আমি বাঁচতে চাই, পড়াশোনা শেষ করে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। দেশবাসীর সামান্য সহযোগিতাই পারে আমাকে নতুন জীবন দিতে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লা কারাগার থেকে ২৭ কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


কুমিল্লা কারাগার থেকে ২৭ কিশোরকে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়া ২৫ কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এর আগে, গত ১৩ দিনে কুমিল্লা কারাগার থেকে মোট ২৭ জন কিশোরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে, যাদের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিও রয়েছে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান কালের কণ্ঠকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শাহ আলম খান জানান, রবিবার সকালে দুই কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে অপ্রতিম হত্যা মামলার দুই আসামিসহ পর্যায়ক্রমে আরও ২৫ কিশোরকে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।

জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা নগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাত পর্যন্ত ৫ দফায় ২ হাজার ৪২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যসহ মাদক ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮৩৩ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে এক হাজার ২০৯ জনকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের অধিকাংশই শিক্ষার্থী।

এদিকে, কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে জানা যায়, চলমান অভিযানের ফলে কারাগারে বন্দির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। দেড় হাজার বন্দির ধারণক্ষমতার কারাগারটিতে রবিবার সকালে বন্দির সংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে। ফলে প্রচণ্ড গরমে বন্দিরা গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

এ বিষয়ে কুমিল্লার সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান মন্তব্য করেন, "কষ্ট করে হলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে।" তিনি জানান, কারাগারে চারটি নতুন বহুতল ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। ভবনগুলো চালু হলে বন্দিদের থাকার সমস্যা সমাধান হবে।

এর আগে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ড. নাহিদা বেগমের ছেলে সপ্তম শ্রেণির ছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুই কিশোরকে গত ২১ সেপ্টেম্বর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%