শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩১ পি.এম
প্রেমের টানে চীন থেকে দিনাজপুরের হিলিতে এসেছেন পংফং (৩৭) নামে এক চীনা নাগরিক, যিনি বাংলাদেশি তরুণী রাইসা আক্তারের (২১) প্রেমে পড়েন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি মোহাম্মদ আলী নাম ধারণ করেন। এরপর রাইসাকে বিয়ে করে হিলিতে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছেছেন এই নবদম্পতি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হাকিমপুর (হিলি) পৌরসভার মাঠপাড়া এলাকায় রাইসার বাড়িতে নবদম্পতি আসার পর বিষয়টি জানাজানি হয়। চীনা নাগরিককে একনজর দেখার জন্য রাইসার বাড়িতে ভিড় করেন স্থানীয় উৎসুক মানুষ।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, পংফং ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসেন। পরে গাজীপুর আদালতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মোহাম্মদ আলী নাম ধারণ করেন। বিয়ের পর বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হিলিতে শ্বশুরবাড়িতে আসেন তিনি।
নবদম্পতিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। দূরদেশ থেকে এসে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করায় তাদের দেখতে রাইসার বাড়িতে ভিড় করছেন অনেকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০০৪ সালে মুক্তি পায় ফারাহ খান পরিচালিত ‘ম্যায় হুঁ না’। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাও অভিনীত এই সিনেমাটি দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিল, এবং দুই দশক পরেও এর জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং, সিনেমাটি যখনই টেলিভিশনে প্রচারিত হয়, তখনই দর্শকদের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি, সেই পুরোনো উন্মাদনাকে নতুন করে উসকে দিয়েছেন পরিচালক ফারাহ খান নিজেই।
ফারাহ কি সত্যিই ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল তৈরির পরিকল্পনা করছেন? এই প্রশ্ন বর্তমানে বলিউডে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। এই জল্পনার সূত্রপাত ঘটে অভিনেতা অর্জুন কাপুরের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে।
সম্প্রতি, একটি হোটেলের ঘরে বসে ‘ম্যায় হুঁ না’ দেখছিলেন অর্জুন। সিনেমাটির একটি অংশের ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘অলটাইম ফেভারিট।’ অর্থাৎ, এটি তার সবসময় পছন্দের সিনেমা। অর্জুন শুধু প্রশংসা করেই থামেননি, ফারাহ খানকে ট্যাগ করে সিক্যুয়ালের আবদারও জানিয়েছেন।
অর্জুন লেখেন, ‘উই নিড আ সিক্যুয়াল অ্যাসাপ।’ অর্জুনের পোস্টের জবাব দিতে গিয়ে ফারাহ খান যেন রহস্য আরও বাড়িয়ে দেন। তিনি লেখেন, ‘যদি কোনও কিছু অন্তর থেকে চাও... অর্জুন কাপুর, অনেক ভালোবাসি।’
ফারাহর এই উত্তরের পর নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কারণ, তার কথার সঙ্গে অনেকেই ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার একটি বহুল আলোচিত সংলাপের মিল খুঁজে পেয়েছেন, যা হলো ‘কেহতে হ্যায়, আগার কিসি চিজ কো দিল সে চাহো, তো পুরি কায়ানত উসসে তুমসে মিলানে কি কোশিশ মে লাগ যাতে হ্যায়।’
ফলে, ফারাহর এই মন্তব্যকে নিছক মজার ছলে দেওয়া উত্তর হিসেবে দেখছেন না অনেকেই। বরং, অনুরাগীরা এটি ‘ম্যায় হুঁ না’র দ্বিতীয় কিস্তি নিয়ে সম্ভাব্য পরিকল্পনার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। বিশেষ করে শাহরুখ খানের ভক্তদের মধ্যে নতুন কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
‘ম্যায় হুঁ না’ দিয়েই পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয়েছিল ফারাহ খানের। শাহরুখ খান, সুস্মিতা সেন, জায়েদ খান ও অমৃতা রাওকে নিয়ে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্য অর্জন করার পাশাপাশি দর্শকদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সিনেমাটির গান, সংলাপ ও চরিত্রগুলো এখনো হিন্দি সিনেমাপ্রেমীদের নস্টালজিয়ার অংশ।
অনেক দিন ধরেই ‘ম্যায় হুঁ না’র সিক্যুয়াল নিয়ে বলিউডে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় কিস্তির ঘোষণা দেননি ফারাহ খান বা সিনেমাটির সংশ্লিষ্ট কেউ।
অতএব, অর্জুনের আবদারের জবাবে ফারাহর এই রহস্যময় মন্তব্য সত্যিই নতুন সিনেমার ইঙ্গিত কি না, নাকি শুধুই ভক্তের আবেগে সাড়া—তার উত্তর মিলবে সময়ের সঙ্গে। তবে আপাতত একটি বিষয় নিশ্চিত, ফারাহর ওই এক মন্তব্যেই দুই দশক পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ‘ম্যায় হুঁ না’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়া কৃষি শ্রমিকদের দ্রুত ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আসন্ন ফসল কাটার মৌসুম সামনে রেখে। সরকার জানিয়েছে, কড়াকড়ির মধ্যেও যেসব বিদেশি শ্রমিকের কৃষি কাজের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে, তাদের অগ্রাধিকার প্রদান করা হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে শ্রমিক সংকটের যে ভয় তৈরি হয়েছিল, তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে। এতে খামার মালিক এবং কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
অস্ট্রেলিয়া গম, বার্লি ও ক্যানোলা রপ্তানিতে বিশ্বের অন্যতম বড় দেশ। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মাঠ থেকে ফসল তোলার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
প্রতি বছর এই সময়ে বিদেশি মৌসুমি শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। তবে সম্প্রতি সরকার সার্বিক অভিবাসী সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে ভিসা প্রসেসিংয়ের গতি ধীর হয়ে যায়। আগে কয়েক দিনে ভিসা পাওয়া সম্ভব হলেও, বর্তমানে কয়েক মাস সময় লাগছে।
কৃষকদের বিপদের কথা বিবেচনা করে সরকার বিশেষ সুযোগ প্রদান করেছে। এখন থেকে কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন সংস্থা জরুরি প্রয়োজন দেখিয়ে শ্রমিকদের ভিসার জন্য দ্রুত আবেদন করতে পারবে।
দেশটির কৃষক সংগঠনের নেতারা সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, নতুন এই ব্যবস্থার ফলে ফসল তোলার সঠিক সময়ে বিদেশি শ্রমিকদের সহজে পাওয়া সম্ভব হবে।
স্বরাষ্ট্র বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেসব বিদেশি শ্রমিকের কৃষি কাজের বিশেষ দক্ষতা রয়েছে এবং ইতিমধ্যেই কোনো খামার মালিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, তাদের ভিসা দেওয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরসরাই ইকোনমিক জোনের বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এলাকা থেকে চুরি হওয়া ২৫ মিটার জায়ান্ট ইলেকট্রিক কেবল চুরির মাত্র ৩ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে জোরারগঞ্জ থানাধীন ইকোনমিক জোনের নির্মাণাধীন ‘ইনভেস্টর ক্লাব’ থেকে হাইড্রোলিক স্ট্যাটিক পাইল ড্রাইভার মেশিনে ব্যবহৃত ২৫ মিটার (ফাইভ ফেস ১২০ আরএম) ইলেকট্রিক কেবল চুরি হয়।
সংবাদ পেয়েই জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ও চরশরৎ ক্যাম্প পুলিশের একটি চৌকস দল ইকোনমিক জোনের আশপাশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। পুলিশের তাড়া খেয়ে চোরচক্রের সদস্যরা কেবলটি ইকোনমিক জোনের জঙ্গল দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে জঙ্গলাকীর্ণ পথ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় চোরাই কেবলটি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত কেবলের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ টাকা।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, চোরচক্রকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় যানজট কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করেছে। এর পাশাপাশি, সড়কে কাজ শুরু করার আগে ট্রাফিক বিভাগের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের সময়সীমা অতিক্রম হলে জরিমানা আরোপের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়েছে।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় অবৈধ চার্জিং পয়েন্টের তালিকা প্রস্তুত করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং ঢাকা মহানগরীর যেসব এলাকায় বৈদ্যুতিক লাইন থেকে হুকের মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ নিয়ে চার্জিং করা হচ্ছে, সেসব স্থানে ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসাথে, যানজট কমানোর লক্ষ্যে রাস্তা খননে ট্রাফিক বিভাগের অনুমোদন নেওয়া এবং রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়াও, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে অবৈধভাবে পরিচালিত বিভিন্ন কারখানা ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভায় উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক সময় উন্নয়ন সংস্থাগুলো কাজ শুরু করার মাত্র দুই-তিন দিন আগে ট্রাফিক বিভাগকে জানায়। আবার কখনো অনুমতি ছাড়াই খননকাজ শুরু করা হয়, যা বিশেষ করে শাখা ও সার্ভিস সড়কে যানজট ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে।
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কোনো সংস্থার কাছ থেকে রাস্তা খননের অনুমতি নেওয়ার আগে ট্রাফিক বিভাগের মতামত গ্রহণ করতে হবে। আবেদনের সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, কাজের সময়সূচি ও ট্রাফিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হবে। কাজ শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মাণস্থল পরিদর্শন করতে হবে। প্রধান সড়কে কাজ শুরুর আগে ডিটিসিএর অনুমোদন নিয়ে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগকে অবহিত করতে হবে।
যানজট কমানোর জন্য কর্মদিবসে রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত নির্মাণকাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শুক্র ও শনিবার অধিক জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে ২৪ ঘণ্টা কাজ চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা ও জরিমানা আরোপ করা হবে। ভবিষ্যতে ঠিকাদার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ডিএমপির প্রতিবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
যান চলাচলে প্রভাব ফেলে এমন প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প শুরুর আগে ট্রাফিক প্রভাব মূল্যায়ন (টিআইএ) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকার করিডর ছাড়াও পুরো ঢাকা সড়ক নেটওয়ার্কের ওপর প্রকল্পের প্রভাব বিশ্লেষণ করতে হবে। একাধিক বিকল্প ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি ও তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে কার্যকর পরিকল্পনা নির্বাচন করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও ডাইভারশন পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। এরপর ডিটিসিএর অনুমোদন নিতে হবে।
নির্মাণস্থলে যানজট ও দুর্ঘটনা কমানোর জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক প্রশিক্ষিত ট্রাফিক সিগন্যালম্যান রাখতে হবে। উভয় পাশে অন্তত ৫-৬ ফুট উচ্চতার কংক্রিট বা স্টিলের ব্যারিয়ার স্থাপন করতে হবে। চলাচলযোগ্য লেন বা ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী, বালু কিংবা যন্ত্রপাতি রাখা যাবে না। সাইটে পানির ট্যাংক, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের জরুরি নম্বরসংবলিত সাইনবোর্ড রাখতে হবে। কাজ শুরুর আগে মাইকিং বা প্রচারণার মাধ্যমে এলাকাবাসীকে জানাতে হবে।
পর্যাপ্ত নির্মাণসামগ্রী ছাড়া রাস্তা খনন করে দীর্ঘদিন কাজ ফেলে রাখা যাবে না। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্মাণকাজের কারণে বিকল্প সড়কে তৈরি হওয়া ছোট গর্ত দ্রুত সংস্কার করতে হবে। ঢাকা বিমানবন্দর ফ্লাইওভারসংলগ্ন এলাকায় রাস্তার পাশে থাকা মাটি ও নির্মাণসামগ্রী দ্রুত সরিয়ে সড়ক চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা বন্ধ থাকার কারণ চিহ্নিত করে জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে।
উন্নয়নকাজের অগ্রগতি ও জনদুর্ভোগ নিয়ে প্রতি মাসে যৌথ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক), ডিএমপির সভাপতিত্বে সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সংস্থা ও ঠিকাদারদের নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ যানজট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে। পাবলিক পরীক্ষা চলাকালে স্কুল-কলেজসংলগ্ন সড়ক ও হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটানো এবং শব্দদূষণ আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর উন্নয়নকাজে সমন্বয় বাড়ানোর জন্য ডিটিসিএকে আহ্বায়ক করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ