সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৫৪ পি.এম
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সুবিধা ও বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। 'দ্য পাসপোর্ট ইনডেক্স গ্লোবাল র্যাঙ্কিং ২০২৬'-এ মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শক্তিশালী পাসপোর্টের মর্যাদা লাভ করেছে। এই তালিকায় সিঙ্গাপুরের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থান (সিলভার টিয়ার) দখল করেছে মালয়েশিয়া।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মাইলফলক সম্পর্কে নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মালয়েশিয়ার পাসপোর্টের সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা ও সুদৃঢ় সম্পর্কের ইতিবাচক প্রতিফলনের কারণেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। গত বছরে মালয়েশিয়ার অবস্থান ছিল তৃতীয় স্থানে।
পাসপোর্ট ইনডেক্সের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া পাসপোর্টধারীদের জন্য ভ্রমণ সুবিধার বিস্তারিত নিম্নরূপ: মোট প্রবেশযোগ্য গন্তব্য: ১৭৫টি দেশ ও অঞ্চল। অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা: ৪৬টি দেশে। ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার: ১২৯টি দেশে। পূর্বানুমতি বা ভিসা প্রয়োজনীয় গন্তব্য: মাত্র ২৩টি দেশে।
'দ্য পাসপোর্ট ইনডেক্স'-এর তথ্যানুসারে, তালিকার শীর্ষস্থান অর্থাৎ এক নম্বরে অবস্থান করছে যুক্ত আরবাত্রি (ইউএই)। যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের পর তৃতীয় স্থানে রয়েছে স্পেন। অন্যদিকে, বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, জার্মানি, সুইডেন, ইতালি, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া ও নরওয়ের মতো বিশ্বের ১৬টি দেশ যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ মনে করছে, এই অর্জন দেশের নাগরিকদের জন্য বিশ্বমঞ্চে যাতায়াতকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলবে। উল্লেখ্য, তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম। ভারত ও পাকিস্তানের অবস্থান যথাক্রমে ৭১ ও ৯৬ তম। তালিকায় সবার শেষে রয়েছে আফগানিস্তান (৯৯)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুর সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও মশক নিধনে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা কলেজের ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। ফগার মেশিন হাতে নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল এলাকায় মশার ওষুধ ছিটিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন তারা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আলফাডাঙ্গা থানা চত্বরে ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটানোর মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে আলফাডাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, উপজেলা পরিষদ চত্বর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে সচেতন করেন।
ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল জিসান মিয়া ও ছমাহফুজুর রহমান সোহানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে আলামিন শেখ, ফাহিম আহমেদ, আব্দুল্লাহ আল ফয়সালসহ অন্যান্য তরুণ নেতাকর্মী অংশ নেন।
এ সময় আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল সরোয়ার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান খসরু, প্রচার সম্পাদক নিয়ামত হোসেন পারভেজ, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব আরব আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রদল নেতারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনসচেতনতা ও সামাজিক অংশগ্রহণ জরুরি। ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং তারেক রহমানের ঘোষিত কর্মসূচি ও আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তরুণদের সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান তীব্র সামরিক সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহী জাহাজের চলাচল নতুন করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা ও জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য নির্দেশ করে, গত এক সপ্তাহে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থা ‘কাতার-এনার্জি’ (QatarEnergy)-এর সাথে যুক্ত একাধিক এলএনজি ট্যাঙ্কার নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এই জলসীমা অতিক্রম করেছে।
শিপিং ডেটা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান 'কপলার' (Kpler) এবং 'এলএসইজি' (LSEG)-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আগস্ট মাসে ইরানি হামলার আশঙ্কায় কাতার বা কাতারের রাস লাফান (Ras Laffan) গ্যাস টার্মিনাল থেকে আসা কোনো এলএনজি জাহাজের দৃশ্যমান উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, সংঘাতের কারণে ওই সময়ে অনেক জাহাজ তাদের অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) বা ট্র্যাকিং ডিভাইস বন্ধ রেখে গোপন যাত্রা বা "ডার্ক ট্রানজিট" (Dark Transits) সম্পন্ন করেছিল।
তবে চলতি মাস থেকে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করা এসব জাহাজের অবস্থান পুনরায় ট্র্যাকিং সিস্টেমে দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কাতারের রাস লাফান থেকে এলএনজি কার্গো নিয়ে রওয়ানা হওয়া ‘গ্যাসলাগ স্কেগেন’ (GasLog Skagen) নামক একটি বিশালাকার এলএনজি ট্যাঙ্কার রোববার শ্রীলঙ্কা উপকূলে পুনর্দৃশ্যমান হয়েছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম প্রধান জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত, যার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশ) পরিবাহিত হয়ে থাকে। চলমান যুদ্ধের কারণে এ প্রণালীতে বাধার সৃষ্টি হলেও, কৌশলগত ঝুঁকি এড়াতে রাডার ট্র্যাকিং বন্ধ রেখে বা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ এড়িয়ে জাহাজ চালানো অব্যাহত রেখেছিল অনেক পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার এই লক্ষণকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্ব পর্যবেক্ষকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ড, যা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, সেখানে জরুরি মানবিক সহায়তা এবং ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির পক্ষ থেকে জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বার্লিনে অনুষ্ঠিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জোসেফ হিন্টারসেহার এই আহ্বান জানান।
জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “একটি দখলদার শক্তি হিসেবে অবরুদ্ধ অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছানো নিশ্চিত করা ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক ও আইনি দায়িত্ব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গাজার মানবিক পরিস্থিতিতে সামান্য উন্নতি দেখা গেলেও, সামগ্রিক অবস্থা এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে পুনর্নির্মাণের কাজ ত্বরান্বিত করার বিষয়টি এখনও সমাধান হয়নি।
শীতকাল ঘনিয়ে আসার আগে গৃহহীনদের আবাসন সংস্থানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে হিন্টারসেহার ইসরায়েলকে অনুরোধ করেন যে, তারা যেন 'ইরেজ' (Erez) ক্রসিংয়ে জার্মানির প্রদান করা মিলিটারী কার্গো স্ক্যানারগুলো ব্যবহার করে। তিনি জানান, বেসামরিক ও সামরিক উভয় কাজে ব্যবহারযোগ্য (Dual-use) পুনর্নির্মাণ সামগ্রী দ্রুত ও নিরাপদে গাজায় পাঠাতে এ স্ক্যানারগুলো অত্যন্ত সহায়ক হবে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া অব্যাহত ইসরায়েলি বিমান ও সামরিক অভিযানে অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের অবকাঠামো প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আশঙ্কা করছে যে, অবিলম্বে প্রয়োজনীয় নির্মাণসামগ্রী ও ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছালে আসন্ন শীতে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত কলেজগুলোতে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদানকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ৯০০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করবে। এই মাস্টার ট্রেইনারদের প্রশিক্ষণের জন্য ৯০ জন কোর ট্রেইনার প্রস্তুত করা হবে। কোর্সটির কারিকুলাম ও প্রশিক্ষণসামগ্রী ভ্যালিডেশন সম্পন্ন হওয়ার পর মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে এ বিষয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের রোলআউট পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ ক্যালেন্ডার ও সময়সূচি, প্রশিক্ষক নির্বাচন, বাজেট, প্রশিক্ষণ এলাকা নির্ধারণ এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ‘Applied ICT Master Trainer’ ও ‘In-House Teacher Training’-এর কনসেপ্ট নোট নিয়েও আলোচনা করা হয়।
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের অনলাইন কোর্স সম্পন্ন করার পর পাঁচ দিনব্যাপী সরাসরি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হবে।
ইতোমধ্যে প্রথম বর্ষে ৯০ জন কোর ট্রেইনার ও ৮৪০ জন মাস্টার ট্রেইনার তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া ইন-হাউস প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২ হাজার ৫০০ শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় ইন-হাউস প্রশিক্ষণের সম্ভাব্য বাজেট, কোর ও মাস্টার ট্রেইনারদের চূড়ান্ত তালিকা এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সহজভাবে পরিচালনার জন্য বিভিন্ন জোন ও ম্যাপিং এলাকা নির্ধারণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘অ্যাপ্লাইড আইসিটি’ কোর্সের পাঠদানকে আরও কার্যকর করতে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এই প্রশিক্ষণ কলেজ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এতে শিক্ষকেরা প্রযুক্তিনির্ভর পাঠদানে আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন এবং শিক্ষার্থীরাও শ্রেণিকক্ষে অ্যাপ্লাইড আইসিটির ব্যবহারিক দিকগুলো ভালোভাবে শেখার সুযোগ পাবে।
সভায় ইউনিসেফের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট ফাহমিদা শবনম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, স্নাতকোত্তর শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. ফকির রফিকুল আলম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক ড. আশেক কবির চৌধুরী, কারিকুলাম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. এ এইচ এম রুহুল কুদ্দুস এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ দপ্তরের পরিচালক সালমা পারভীনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ