ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন


বান্দরবানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন

বান্দরবান, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবানে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী।

সোমবার সকালে বান্দরবান রাজার মাঠে কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।

এ সময় ডিআইজি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজার সার্বিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

আরও পড়ুন: এমপির হস্তক্ষেপের পরও কমেনি ডাকাতি, নাসিরনগরের আনন্দপুরে ফের ডাকাতি আজ ভোররাতে আবারও ডাকাতির ঘটনা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

মতবিনিময়কালে আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, বান্দরবানের পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতিটি পূজামণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি আরও বলেন, এবার চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি জেলায় জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজার আয়োজন সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ, বান্দরবান কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিপ্লব দাশ রাজেশ্বর, সাধারণ সম্পাদক তপন কান্তি দাশ, বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চু, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ।

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমী উপলক্ষে দিনব্যাপী রাজার মাঠের কেন্দ্রীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ক্যাম্পে চর্ম, চক্ষু, দন্ত ও মেডিসিনসহ বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিবেন। পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধও বিতরণ করা হবে।

আরও পড়ুন: মহেশপুরে শ্বশুরের বিরুদ্ধে জামাই আব্দুর রহমান হত্যার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্যারিসের বিশৃঙ্খলায় মেসির দুটি অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন চুরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


প্যারিসের বিশৃঙ্খলায় মেসির দুটি অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন চুরি

প্যারিসের বিক্ষোভ ও অস্থিরতার মাঝে লিওনেল মেসির সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি মূল্যবান স্মৃতিচিহ্ন চুরি হয়েছে। মুখোশ পরিহিত কয়েকজনকে মেসির স্বাক্ষর করা একটি বার্সেলোনার জার্সি এবং অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনীসহ দুটি বাঁধানো ফ্রেম নিয়ে রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে। এই ঘটনা ঘটে ১৭ অক্টোবরের অস্থিরতার সময়। একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্যারিসের একটি ফুটবল জাদুঘর বা ক্রীড়া সংগ্রহশালা থেকে এসব সামগ্রী চুরি করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে সামগ্রীর উৎস দেখা যায়নি।

চুরি হওয়া জার্সিটিতে বার্সেলোনার ১০ নম্বর এবং মেসির স্বাক্ষর ছিল। অন্য ফ্রেমে মেসির স্বাক্ষর করা অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী ছিল, যেখানে ম্যাচ চলাকালে সেটি পরা মেসির একটি ছবি অন্তর্ভুক্ত ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে কালো পোশাক ও মুখ ঢাকা কয়েকজনকে এসব সামগ্রী বহন করতে দেখা যায়।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে লুটের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। তবে মেসির স্মৃতিচিহ্নগুলো কোথা থেকে নেওয়া হয়েছিল এবং সেগুলো বর্তমানে কোথায় রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এগুলো ফুটবল জাদুঘর থেকে চুরি হয়েছে, অন্যদিকে কিছু প্রতিবেদনে শুধুমাত্র একটি সংগ্রহশালা বা প্রতিষ্ঠানে লুটের কথা বলা হয়েছে। ফলে ঘটনার সবিস্তার পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়।

মেসির বার্সেলোনা অধ্যায়ের স্মৃতিচিহ্ন হওয়ায় সামগ্রীর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক। স্বাক্ষর করা জার্সি ও ম্যাচে ব্যবহৃত অধিনায়কত্বের বাহুবন্ধনী সংগ্রাহকদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। তবে চুরি হওয়া সামগ্রী দুটির নির্দিষ্ট আর্থিক মূল্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে মেসি নিজে এসব সামগ্রীর মালিক ছিলেন কি না বা তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনো ক্ষতির মুখে পড়েছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত নিশ্চিতভাবে বলা যায়, মেসির স্বাক্ষরযুক্ত দুটি বাঁধানো স্মৃতিচিহ্ন প্যারিসের অস্থিরতার সময় মুখোশধারীদের হাতে দেখা গেছে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থান অজানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণে মামলা গ্রেপ্তার নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


বরিশালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণে মামলা গ্রেপ্তার নেই

বরিশাল নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৭৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ। মামলায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে মামলা দায়েরের পরও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বরিশাল নগরের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি করা হয়। নগরীর বাংলাবাজার এলাকায় সংঘটিত ওই মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সকালে বাংলাবাজার এলাকায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র অবস্থায় মিছিল করেন। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল ও বিস্ফোরণের ঘটনায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এরই ধারাবাহিকতায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, বিস্ফোরণের প্রকৃতি এবং ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এদিকে, নগরীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সশস্ত্র মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন জাফর আহাম্মেদ। তাঁর অভিযোগ, পুলিশের দুর্বল ভূমিকার কারণে আওয়ামী লীগের সাবেক নেতাকর্মীরা এ ধরনের সশস্ত্র মিছিল করার সাহস পাচ্ছেন।

তবে পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের কথা জানানো হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।


মামলা দায়ের হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নগরীর একটি এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র মিছিল ও একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠার পরও জড়িত ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন স্থানীয়রা।

এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্তদের শনাক্তকরণ এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্‌ঘাটন করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে।

বরিশাল নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মামলাটির তদন্ত কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়। পুলিশের পক্ষ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর কথা জানানো হলেও অভিযানের অগ্রগতি কিংবা সম্ভাব্য গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে মিছিলের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয়, ককটেল বিস্ফোরণের প্রকৃত ঘটনা এবং সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দরে ২০০ লাগেজ ট্রলি হস্তান্তর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দরে ২০০ লাগেজ ট্রলি হস্তান্তর

প্রবাসী কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২০০টি লাগেজ ট্রলি হস্তান্তর করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই ট্রলিগুলো হস্তান্তর করেন। একই অনুষ্ঠানে তিনি জাপানের সঙ্গে সদ্য স্বাক্ষরিত প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা সংক্রান্ত একটি যুগান্তকারী চুক্তির বিষয়টিও তুলে ধরেন।

​

পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে মন্ত্রী বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শন করেন। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি জানান, বিমানবন্দরের কর্তৃপক্ষের কাছে ২০০টি ট্রলি হস্তান্তর করা হয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। তিনি আরো জানান, যাত্রীদের সুবিধার্থে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সিভিল এভিয়েশন বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগেও আরও পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রলি যুক্ত করা হবে।

জাপানের সাথে নতুন চুক্তিতে যেসব সুবিধা থাকছে।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে জাপানের সাথে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির (MoC) বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অন্যান্য চুক্তির তুলনায় এবারের চুক্তিতে বেশ কিছু ভিন্নতা ও প্রবাসী কর্মীদের জন্য বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এই চুক্তির আওতায় কর্মীরা জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা পাবেন। এর ফলে কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, তারা উচ্চ বেতন পাবেন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুবিধা পাবেন।

চুক্তিতে নারী কর্মীদের সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কর্মক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সমান সুযোগ পাবেন। গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো নারী কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না বা তার সাথে কোনো বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না। এমনকি গর্ভধারণের বা সন্তান প্রস্তুতির কারণে কাউকে জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আটকে পড়া যাত্রীদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন ফ্লাইট সংকটের কারণে যারা আটকে আছেন, তাদের অন্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন। ইতিমধ্যে আটকে পড়া যাত্রীদের মধ্যে বগুড়া ও কুমিল্লার দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে মিশনগুলো নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতিষ্ঠার ১৮ বছরেও বেরোবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে রিডিং রুম নেই, বারান্দায় পড়েন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


প্রতিষ্ঠার ১৮ বছরেও বেরোবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে রিডিং রুম নেই, বারান্দায় পড়েন শিক্ষার্থীরা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে ১৮ বছর পূর্ণ হলেও আলাদা রিডিং রুমের অভাব রয়েছে। এর ফলে চাকরির প্রস্তুতির বই বা নিজেদের সংগ্রহের বই নিয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই লাইব্রেরির বারান্দায় বসে পড়াশোনা করছেন। এতে রোদ-বৃষ্টি ও অন্যান্য প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তাদের ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় বইয়ের অভাব এবং লাইব্রেরির অটোমেশন ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় পাঠকসেবার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটি দুই তলাবিশিষ্ট। নিচতলায় কম্পিউটার ল্যাব ও আর্কাইভ রয়েছে, এবং দ্বিতীয় তলায় অনুষদভিত্তিক পাঠকক্ষ ও জার্নাল কর্নার অবস্থিত। তবে চাকরির প্রস্তুতির বই বা নিজস্ব বই নিয়ে পড়াশোনার জন্য আলাদা রিডিং রুম নেই। এ কারণে লাইব্রেরির বারান্দায় বসে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

লাইব্রেরির অভ্যন্তরে তুলনামূলকভাবে কম সংখ্যক শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা করতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, বিভাগভিত্তিক প্রয়োজনীয় বইয়ের অভাব রয়েছে। নতুন সংস্করণের বই না থাকার কারণে একাডেমিক পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।

অন্যদিকে, লাইব্রেরির বাইরের বারান্দায় তুলনামূলকভাবে বেশি শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা করতে দেখা যায়। কিছু শিক্ষার্থী চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন, আবার কেউ একাডেমিক পড়াশোনায় ব্যস্ত রয়েছেন। তবে সেখানে পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা না থাকার কারণে এবং রোদ-বৃষ্টির কারণে স্বাচ্ছন্দ্যে পড়াশোনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সন্ধ্যা সাতটার পর লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে গেলে বারান্দায় পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের শৌচাগার ব্যবহারের জন্য ক্যাফেটেরিয়া এলাকা কিংবা আবাসিক হলে যেতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের দাবিতে তারা একাধিক বার আন্দোলন করেছেন। এমনকি উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

তবে লাইব্রেরির পরিসর সম্প্রসারণ, সাইকেল রাখার গ্যারেজ নির্মাণ এবং পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে টিউবওয়েল সংস্কারের মতো বিষয়গুলো এখনো সমাধান হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। এর ফলে লাইব্রেরিতে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর পরও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে অটোমেশন ব্যবস্থা চালু হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সার্ভার কেনা হলেও সেটি এখনো ব্যবহার করা হচ্ছে না। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাবেরা শাপলা বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অন্যতম প্রধান জায়গা। কিন্তু বাইরে থেকে বই নিয়ে লাইব্রেরির ভেতরে পড়তে দেওয়া হয় না। আবার আলাদা রিডিং রুম না থাকায় চাকরির প্রস্তুতি কিংবা নিজস্ব বই নিয়ে পড়াশোনা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। বাধ্য হয়ে বারান্দায় বসে পড়তে হয়। রোদ-বৃষ্টির সময় সেখানে পড়াশোনা করাও কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে দ্রুত একটি রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা হোক।"

অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী মমিন ইসলাম বলেন, "লাইব্রেরিতে প্রয়োজনীয় অনেক বই ও নতুন সংস্করণের বই পাওয়া যায় না। অটোমেশন ব্যবস্থাও চালু হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার সমাধান না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, লাইব্রেরির পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বই সরবরাহ, অটোমেশন চালু এবং শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হোক।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারের গ্রন্থাগারিক ড. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "লাইব্রেরিতে আমরা অনেক উন্নয়নকাজ করছি। যেমন, শৌচাগার নির্মাণ করা হচ্ছে এবং লাইব্রেরি আধুনিকায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। আর আমার সাথে সরাসরি কথা বলবেন। সরাসরি কথা বলা ছাড়া এসব বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%