শুক্রবার, ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যের ব্যক্তিগত সচিবের (পিএস) বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অসহযোগিতা এবং রূঢ় আচরণের একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পেতে তারা নানা ধরনের ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। সম্প্রতি জকসুর এক প্রতিনিধির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর আরও কয়েকজন তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
অভিযোগকারীদের মতে, উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়ার সময় পিএসের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা তারা পাননি। কিছু শিক্ষার্থীর অভিযোগ, পিএস তাদের সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলেছেন এবং সাক্ষাতের বিষয়ে পরে জানানো হবে বলেও কোনো তথ্য প্রদান করা হয়নি।
আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের কিছু শিক্ষার্থীও ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি নিয়ে আগস্ট মাসের পর ডিন অফিস পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিতর্ক সংগঠনের সদস্য এক শিক্ষার্থী জানালেন, উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য সময় চাওয়ার জন্য তাকে প্রায় তিন সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়েছে। তার অভিযোগ, সাক্ষাতের বিষয়টি উপাচার্যের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি মনে করেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের আচরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকট ও সংস্কার সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলার জন্য তারা সাক্ষাতের উদ্যোগ নেন। প্রথমে জানানো হয়, চেয়ারম্যান ছাড়া দেখা করা যাবে না। পরে চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে সাক্ষাতের জন্য আবেদন করা হলে আবেদন গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এরপর আর সাক্ষাতের সময় বা এ বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির অভিযোগ, পিএসের আচরণে সাংবাদিকদেরও বিভিন্ন সময় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া কয়েকটি পোস্ট ও মন্তব্যে ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে ‘রূঢ়’, ‘বদমেজাজী’ ও ‘অসহযোগিতামূলক’ মন্তব্য করা হয়েছে।
সম্প্রতি জকসুর হল সংসদের সংস্কৃতি সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা ফেসবুকে একটি পোস্টে উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় পেতে গিয়ে অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেন। তার ভাষ্য, বার্ষিক ফেস্ট আয়োজনের বিষয়ে সময় চাইতে গেলে পিএস প্রথমে জানান, সাক্ষাতের সময় দেওয়ার দায়িত্ব তার নয়। পরে দায়িত্ব তার ওপর থাকার বিষয়টি স্বীকার করলেও নির্দিষ্ট দিনের সাক্ষাতের কথা উপাচার্যকে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
ফাতেমা তুজ জোহরা আরও অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে তাকে উপাচার্য আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়। সাক্ষাতের সময় জানার জন্য অনির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করা সম্ভব নয় জানিয়ে পরে সময়সূচি জানাতে অনুরোধ করলে পিএস উচ্চস্বরে কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি সময়সূচি দেবেন না বলেও জানান বলে অভিযোগ করেন ফাতেমা।
এসব অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার পদ্ধতি এবং উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্ধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পেশাদার ও সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অভিযোগের বিষয়ে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইচ উদ্দিনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না। আপনাদের সাংবাদিকদের কয়েকজনের মাধ্যমে মাত্রই বিষয়টি জানলাম। দ্রুতই তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পিএসের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী না।”
উল্লেখ্য, এর আগেও ওই কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অভিযোগ উঠেছিল। এসব অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপির সমালোচনা করে মন্তব্য করেছেন যে, তিনি রাশিয়ায় পালিয়ে থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন। আবু সাইদ চাঁদ বলেন, "আরে তোর বাপ তো একটা পিয়ন, লালমনিরহাটে ২০-৩০ টাকা আদায় করে খেত। আরে বাপের বেটা যদি হস, তোর কত বড় ক্ষমতা আছে, বাঘা-চারঘাট ও আড়ানীর মাটিতে এসে রাজনীতি কর।"
এ মন্তব্য তিনি বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আড়ানী মনোমোহিনী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আড়ানী পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে করেছেন।
আবু সাইদ চাঁদ আরও বলেন, "জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠা থেকে জনগণ পক্ষে আছে। কিন্তু আ.লীগ-জামায়াত ১৯৮৬ সালে এরশাদের কোলে চড়ে ভোট করেছিল। আমার নেতা বেগম খালেদা জিয়া ওই সময় বলেছিল, স্বৈরাচারের সঙ্গে কোনো আপস নেই। আমরা নির্বাচন বয়কট করলাম। স্বৈরাচারকে ঘরে ঢুকিয়ে নির্বাচন করব, আন্দোলন সংগ্রাম করে তাদের ঘরে ঢুকিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলাম। ওই সময় আ.লীগ-জামায়াত বিএনপির বিপক্ষে ছিল, এখনো আছে।"
তিনি উল্লেখ করেন, "আপনারা জানেন বিনা ভোটে শাহরিয়ার আলম এমপি হয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হয়েছিল। বাঘা-চারঘাট এলাকার আড়ানীতে সে বাড়ি করেছেন, এখানেও তার কোনো অস্তিত্ব নেই, কিন্তু সে ভোলাই হাজীর নাতীন জামাই বলে পরিচয় দেন। ভোলাই হাজীর একটি মাত্র ছেলে, তার নাম ইমাজ উদ্দীন। ভোলাই হাজীর বাড়িতে সব সময় ২০-৩০ জন ছেলে-মেয়ে লালন পালন করতেন। তাদের লালন পালন করে বিয়ে দিতেন। এলাকায় ভোলাই হাজীর এটাই ইতিহাস। কিন্তু শাহরিয়ার আলম এলাকায় তাকে পূঁজি করে এসে জনগণকে বিভ্রান্তি শুরু করে।"
এখন তিনি রাশিয়া থেকে ভাষণ দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্তি করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবু সাইদ চাঁদ। তিনি বলেন, "আরে তোর বাড়ি তো ভেঙে দিতাম। তুই এখনো ভাল আছিস। ২০১৪ সালে আ.লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছিলি। ওই সময় বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলায় দিয়ে ১৭ বছর হয়রানি করেছিস। পালিয়ে না থেকে চারঘাট-বাঘায় এসে রাজনীতি কর।"
তিনি আরও বলেন, "ডিসেম্বরে না-কি শেখ হাসিনা দেশে আসবে। আরে মিয়া কারে ভয় দেখাও, মোদির কাছে থেকে না-কি রাশিয়া থেকে, এতে আমরা ভয় করি না। ১৯৭৪ সালে শেখ মুজিব দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করেছিল। আবারও পায়তারা শুরু করেছ। এর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। দেশে আসো, তোমার জন্য ফাঁসি প্রস্তুত করে রেখেছি, তুমি আসলেই ফাঁসি কার্যক্রম শুরু করা হবে। আর শাহরিয়ার ফেসবুকের মাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে সাহস দিস, এ সাহস পাস কোথা থেকে। ২০১৪ সালে তোমরা ক্ষমতায় ছিলে, ওই সময় তোমাদের সাথে লড়াই সংগ্রাম করেছি, ওই সময় তোমরা কিছুই করতে পারনি। তাই রাশিয়া-ভারত থেকে জনগণকে বিভ্রান্তি করিস না।"
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আড়ানী পৌর বিএনপির সভাপতি তোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে আড়ানী পৌর ও ইউনিয়নের বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যানারসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও প্রতিনিধিদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদুল হক এবং জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক এসএম সালাউদ্দিন আহমেদ শামীম সরকার।
আড়ানী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ বিল্টুর সঞ্চালনায় এবং যুবদল নেতা মহিদুল ইসলাম জুয়েলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল, বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল হাসান বাবলু, সদস্য সচিব আশরাফ আলী মলিন, বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তফিকুল ইসলাম তফি, জেলা যুবদলের সদস্য জয়নাল আবেদীন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল ইসলাম রাসু প্রমুখ।
সংবর্ধনাকে অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে আগের দিন মাইকিং করে বুধবার বেলা ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আড়ানী পৌর বাজার ও স্টেশন বাজার বন্ধ রাখা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং সরকারদলীয় হুইপ মো: আখতারুজ্জামান মিয়া বলেছেন, "দিনাজপুরের মানুষ নিজেদের বঞ্চিত ভাবার সুযোগ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন, "আপনারা নিজেদেরকে কোথায় নিয়ে যেতে চান সেটা আপনাদেরকে ঠিক করতে হবে।"
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫ টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলা সমিতির নবীনবরণ ও বিদায়ী সংবর্ধণা অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
হুইপ আরও বলেন, "আমরা কোন জায়গায় আছি, কী করতে চাই, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, "প্রত্যেকটি মানুষের দেশের আইনের প্রতি যথাযথ সম্মান থাকতে হবে, আইন মানতে হবে। আমি মানুষ এবং মানুষের সাথেই আমার সবচেয়ে বড় সম্পর্ক থাকবে।"
তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "নবীন শিক্ষার্থীরা কী হতে চাও, সেটি আগে নির্ধারণ করতে হবে।" তিনি সকলকে সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য চেষ্টা করতে বলেন। "আমাদের সবাইকে কিছু না কিছু করতে হবে। নিজেদের মধ্যে চেষ্টার মানসিকতা থাকতে হবে সর্বোচ্চ। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞান সৃষ্টিকর্তা যতটুকু দান করেছেন, তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করব।"
এসময় দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাকও উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, "আমাদের প্রকৃত মানুষ হতে হবে। মানুষকে সেবা দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।" তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, "দিনাজপুর জেলা ছাত্র-কল্যাণ সমিতি যেন সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক একটি সংগঠন হয়। ব্যক্তির মতভেদ থাকলেও এই সংগঠনটি যেন সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে।"
এসময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের ডিরেক্টর মো. কামরুজ্জামান, দিনাজপুরস্থ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশের সক্ষমতা এবং বিভিন্ন পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে আপত্তিকর বক্তব্যের অডিও ছড়িয়ে পড়ার কারণে পুলিশ কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি যুগান্তরকে এই বিষয়টি জানান।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, "ছড়িয়ে পড়া অডিওর বিষয়ে চলমান অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।"
রাকিবুল হাসান, যিনি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্ব পালন করছিলেন, গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ফাঁস হয়। অডিওতে রাকিবুল হাসানকে সরকার, প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়। পুলিশের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অডিওটি প্রাথমিকভাবে রাকিবুল হাসানের বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অডিওতে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং পুলিশের সক্ষমতা নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায় রাকিবুল হাসানকে। তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আলোচনা করেন। পাশাপাশি পুলিশে বিভিন্ন পদে পদায়নে অর্থ লেনদেনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগও করেন।
এই অডিও রেকর্ডের আলোচনার মধ্যে বুধবার রাকিবুল হাসানকে ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে প্রত্যাহার করে ডিএমপির সদরদপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তার জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি বার্তায় উল্লেখ করেন, “উষ্ণ শুভেচ্ছার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আপনার সুন্দর শব্দ ও বক্তব্যের জন্য আমি আন্তরিকভাবে প্রশংসিত।”
শুভেচ্ছা বার্তায় তারেক রহমান লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের উষ্ণ শুভেচ্ছা। আপনার এই বিশেষ দিনটি বারবার ফিরে আসুক। ভারতের জনগণের প্রতি আপনার উৎসর্গীকৃত সেবা সর্বদা সুস্বাস্থ্য ও উচ্চ মনোবল সমৃদ্ধ হোক—এই কামনা করি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ