সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৪ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নাগরিকদের দ্রুত পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে থানার সংখ্যা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। বর্তমানে চারটি থানা নিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও ভবিষ্যতে আরও চারটি থানা স্থাপনের মাধ্যমে এ সংখ্যা আটটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বিএমপি কমিশনার মো. আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নগরীর বান্দ রোডে বিএমপির নিজস্ব কার্যালয়ে সংস্থাটির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
বিএমপি কমিশনার বলেন, নগরবাসীর কাছে পুলিশি সেবা আরও সহজলভ্য করা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে নতুন চারটি থানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মহানগরে পুলিশের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষ তুলনামূলক দ্রুত সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
২০০৬ সালের ২৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। দীর্ঘ দুই দশক ধরে মহানগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ দমন এবং জনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করে আসছে সংস্থাটি। বর্তমানে চারটি থানার মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
প্রায় ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ মহানগরে জনসংখ্যা, যানবাহন ও নাগরিক চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে পুলিশের দায়িত্বও বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে থানা বাড়ানোর পরিকল্পনাকে নগরীর নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার সম্ভাব্য পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটিতে বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৮০০ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তবে নতুন চারটি থানা কোথায় স্থাপন করা হবে, কবে নাগাদ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং এর জন্য কী পরিমাণ জনবল ও অবকাঠামো প্রয়োজন হবে—সে বিষয়ে অনুষ্ঠানে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বিএমপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, পরিবর্তিত নগর বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। পাশাপাশি নিরাপদ নগর গড়ে তুলতে পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে নগরবাসীর সহযোগিতাও জরুরি।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো, অভিযোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়া সহজ করা এবং অপরাধ মোকাবিলায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন থানা স্থাপনের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর সুফল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় জনবল, পরিবহন, কার্যালয় ও অন্যান্য অবকাঠামোগত প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ।
সব মিলিয়ে, বরিশাল মহানগরে থানার সংখ্যা চার থেকে আটটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নগর পুলিশের সেবা সম্প্রসারণের একটি সম্ভাবনাময় উদ্যোগ। এখন পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের সময়সূচি, নতুন থানার অবস্থান এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন নগরবাসী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বিল্লাল হোসেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি যুবদলের সর্বস্তরের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে সংগঠনের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, গৌরবোজ্জ্বল আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় মোঃ বিল্লাল হোসেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, "বর্তমান প্রেক্ষাপটে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে।" তিনি সংগঠনের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও সুসংহত করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দলের আদর্শ ও মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে যুবদল সর্বদা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো রাজপথের লড়াইয়ে ও সাধারণ মানুষের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে দাঁড়াতে যুবদল প্রস্তুত থাকবে।
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ভিত্তি মজবুত করার তাগিদ দিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুবদলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সুদৃঢ় ঐক্য বজায় রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি দেশ ও জনগণের কল্যাণে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সংগঠনের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে নরসিংদী জেলা যুবদলের এই নেতা যুবদলের উত্তরোত্তর সাফল্য, রাজনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সরকারি রাস্তার পাশের বন বিভাগের গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রির মামলায় ১ নম্বর আসামি মো. হাবিবুর রহমান ডাকুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হাবিবুর রহমান ডাকুয়া উত্তর ভিটাবাড়িয়া গ্রামের মৃত সুলতান ডাকুয়ার ছেলে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, উত্তর ভিটাবাড়িয়া এলাকায় সরকারি রাস্তার পাশের বন বিভাগের ১৩টি গাছ অবৈধভাবে বিক্রি ও কেটে নেওয়ার অভিযোগে ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আল মাসুদ বাদী হয়ে ভাণ্ডারিয়া থানায় মামলা করেন। মামলায় হাবিবুর রহমান ডাকুয়া, বেলাল হোসেন আকন, মো. হালিম ও আঃ আলিম কে আসামি করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা গাছগুলো আব্দুল আলিম নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) গাছ কাটার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসান অভিযান চালিয়ে কাটা গাছগুলো জব্দ করেন। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক ছিলেন।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, সরকারি গাছ কাটার মামলায় এক নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের শ্রীবরদীর শালমারা গ্রামে দাফনের জন্য আলাদা জায়গা না থাকায় বসতঘরের ভেতরেই কবর দেওয়া হয়েছে ৭০ বছর বয়সী করিম মিয়াকে। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে মারা যান তিনি। আজ সোমবার সকাল ১০টায় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়। এখন ওই ঘরের এক পাশে তাঁর কবর, অন্য পাশে বসবাস করছেন স্ত্রী সাজেদা খাতুন (৬০)।
করিম মিয়া শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার তাতিহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শালমারা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় মেয়ে কোতুলী বেগম জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়ে ঘরে পড়ে ছিলেন। চিকিৎসার খরচ জোগাতে বাবার থাকার ঘরসহ তিন শতাংশ জমি ফুফুর কাছ থেকে কিনে নেন তিনি। জমিটি কেনার পরও ঘরটি তাঁর বাবা-মায়ের বসতবাড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল।
কোতুলী বেগম বলেন, ‘আমরা দুই ভাই-বোন ঢাকায় বাসাবাড়িতে কাজ করি। বাবাকে কবর দেওয়ার মতো কোনো জায়গাজমি আমাদের নেই। তাই বাধ্য হয়ে ঘরের ভেতরে কবর দিতে হয়েছে। সরকারি কবরস্থান থাকলে সেখানে দাফন করতে পারতাম। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।’
স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ মিয়া জানান, একসময় করিম মিয়ার জায়গাজমি ও প্রতিপত্তি ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাঁকে জমি বিক্রি করতে হয়।
করিম মিয়ার দুই মেয়ে ও এক ছেলে। এক মেয়ে ও ছেলে ঢাকায় থাকেন, অন্য মেয়ে থাকেন স্বামীর বাড়িতে। তাঁর স্ত্রী সাজেদা খাতুন এখনো ওই ঘরেই বসবাস করছেন। ঘরের এক পাশে স্বামীর কবর, অন্য পাশে তাঁর থাকার জায়গা।
পরিবারের ভাষ্য, এলাকায় সরকারি কবরস্থানের ব্যবস্থা থাকলে করিম মিয়াকে সেখানে দাফন করা সম্ভব হতো।
‘কাকে ভোট দিলাম’ বলে লাইভে ক্ষোভ, সেই নারী কারাগারে ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ