০৬:৩৩ এম
শেরপুরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে শুক্রবার পর্যন্ত ৪০ জন রোগী ডেঙ্গু পজিটিভ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন। এছাড়া, ডেঙ্গু ও হাম উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন আরও ৬৫ জন। অন্যদিকে, প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা নিতে আসা বিপুলসংখ্যক রোগী চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়ছেন।
অনেকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন, এমন অভিযোগ উঠেছে। সীমিত বেডের কারণে প্রায় শতাধিক ডেঙ্গু ও হাম রোগী হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসা নিচ্ছেন, যা রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। রোগীদের স্বজনরা এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।
অনেকে মশারী না পেয়ে ডেঙ্গু আক্রান্তদের ঝুঁকিপূর্ণভাবে বারান্দা অথবা খোলা জায়গায় বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন। মেডিসিন হাম ও ডেঙ্গু ওয়ার্ডের জন্য আড়াইশো ভর্তিরোগীর বিপরীতে মাত্র দুজন নার্স সেবা প্রদান করছেন।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন তথ্য দিলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত জুলি বিশপ
এত সংখ্যক রোগীর কাছে কর্তব্যরত নার্সরা যথাযথ সেবা দিতে পারছেন না। রোগী স্বজনদের অভিযোগ, ফলে তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা দৈনিক ইনকিলাবকে জানিয়েছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে শেরপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
এ কারণে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। চিকিৎসক সংকট এবং স্বল্প লোকবল নিয়ে চিকিৎসা দিতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। রোগীদের দুর্ভোগও বাড়ছে। অপরদিকে, ডাঃ প্রেমা, কর্তব্যরত ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার, রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। উপজেলা হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে কি পরিমাণ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন, তার হিসাব পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন