মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১১ এম
ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে। তেহরান আশা করছে, আগামীকাল তারা এই জবাব পাবে। এদিকে, ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই নিউজ জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নতুন যোগাযোগ হয়েছে।
সোমবার স্থানীয় সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে। আলজাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরাগচি বলেন, গত সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে ইরানের অবস্থান তুলে ধরা। তিনি উল্লেখ করেন, সংকটের সমাধান এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরান একটি ‘ন্যায্য ও যৌক্তিক’ পরিকল্পনা দিয়েছে। তবে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। আরাগচি বলেন, ইরানের দায়িত্ব ছিল এসব শর্ত যুক্তরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের কাছে তুলে ধরা। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে জানানো হয়েছে যে, সংকট সমাধানে ইরানের একটি পরিকল্পনা রয়েছে।
আরাগচি জানান, সাম্প্রতিক বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য কমানোর জন্য কিছু নতুন প্রস্তাব দিয়েছেন। একই সঙ্গে, ইরানের দেওয়া পরিকল্পনা কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয় এখন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ এবং বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে। তবে, ইরানের নতুন প্রস্তাবের কারণে এই যোগাযোগ এখন আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জানান, ইরান ইস্যুতে মার্কিন কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে সোমবার আলোচনা করেছেন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ তথ্য জানান। তবে, আলোচনায় কী বিষয়ে কথা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প।
আলজাজিরার প্রতিবেদনের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, নিউইয়র্কে আব্বাস আরাগচির মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা ছিল। সেখানে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব এবং তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান পরিস্থিতির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত চলার মধ্যেই এই আলোচনা হচ্ছে। এর কয়েক দিন আগে, ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। গত সপ্তাহে কাতারের একটি প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্র সফর করে। তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের প্রস্তাব মার্কিন কর্মকর্তাদের কাছে তুলে দেয়। এর বিনিময়ে ইরান অর্থনৈতিক সুবিধা চেয়েছিল বলে জানা গেছে। জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে গত সপ্তাহে আরাগচি সাত দিনের একটি প্রস্তাব দেন। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলে ইরান হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেবে।
ইরান জানিয়েছিল, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটিতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সঙ্গে কয়েকটি শর্ত যুক্ত করা হয়। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপ কমানোর মতো পদক্ষেপও ছিল। তবে রবিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তার দাবি, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরুর আগেই ইরান নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় এবং ‘বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের জব্দ সম্পদে’ প্রবেশাধিকার চেয়েছিল। ওয়াল্টজ বলেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সঙ্গে কোনো ধরনের সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, ট্রাম্প সব বিকল্প খোলা রাখবেন। তবে ওয়াল্টজের বক্তব্যের বিরোধিতা করেছেন আরাগচি। তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ইরানের দেওয়া প্রস্তাবটি দেখেননি।
আরাগচি আরো বলেন, ইরান কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে তা মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত রয়েছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি বলেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইরান তার মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তার ভাষ্য, নতুন কোনো আগ্রাসন হলে ইরান শক্তভাবে প্রতিরোধ করবে, এমনকি পরিস্থিতি বড় ধরনের যুদ্ধে পরিণত হলেও। আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে ইরান চিন্তিত নয়। তেহরানের মূল লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা। একই সঙ্গে কূটনীতির পথও খোলা রয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব এখন ট্রাম্পের বলে মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধে হরমুজ প্রণালি এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইরান বলছে, একটি চুক্তির অংশ হিসেবে তারা এই নৌপথ আবার খুলে দিতে প্রস্তুত। তবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। এ অবস্থায় সোমবার নিউইয়র্কে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে দেওয়া ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাব এবং দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তরের জেলা গাইবান্ধার সাঘাটায় প্রকৃতিতে বইতে শুরু করেছে হেমন্তের হাওয়া, যা জানান দিচ্ছে শীতের আগাম আগমনী বার্তা। ভোরের আলো ফোটার পরপরই দিগন্তজোড়া সবুজ ফসলের মাঠে জমা হওয়া শুভ্র শিশিরবিন্দু আর হালকা কুয়াশার চাদর ঢেকে দিচ্ছে চারপাশ।
আজ মঙ্গলবার সকালে সাঘাটার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, সবুজে ঘেরা আমন ধানের শীষ ও দূর্বাঘাসের ডগায় মুক্তোর মতো জমে আছে ভোরের শিশির। পুব আকাশে উদিত সূর্যের রক্তিম আভা যখন ঘাসের ছোঁয়ায় নেমে আসে, তখন চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য এক অপরূপ সৌন্দর্যে রূপ নেয়।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, কদিনের তীব্র গরমের পর এখন শেষরাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। ফলে বাসাবাড়িতে রাতে বৈদ্যুতিক পাখার প্রয়োজন কমে এসেছে । একইসঙ্গে শীতকে লক্ষ্য করে সাঘাটার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের কৃষকরা আগাম শীতকালীন শাক-সবজি চাষ এবং রোপিত ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
হালকা কুয়াশা ও শিশিরভেজা এ পরিবেশ যেমন পথচারী ও পথচলা মানুষকে মুগ্ধ করছে, তেমনি প্রকৃতিপ্রেমীদের মন জুড়িয়ে দিচ্ছে প্রকৃতির এই স্নিগ্ধ রূপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ মেঘলা থাকতে পারে, তবে আগামী কয়েক ঘণ্টায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আজ সকাল ৯টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়নি। আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে, আগামীকাল সূর্যোদয় সকাল ৫টা ৪৮ মিনিটে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক ঘণ্টায় বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপান সিরিয়ার ১৬টি সরকারি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তেল, ব্যাংকিং ও টেলিযোগাযোগ খাতের সংস্থাগুলি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং এসব সংস্থার ওপর থাকা সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে জানায়, সিরিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তালিকায় সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের তালিকায় সিরীয় পেট্রোলিয়াম কোম্পানি, সিরিয়া ট্রেডিং অয়েল কোম্পানি, সিরিয়ার বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সিরিয়াটেলসহ বিভিন্ন সংস্থা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দের ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হবে।
এর আগে ২০২৫ সালে জাপান সিরিয়ার কয়েকটি ব্যাংকের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছিল। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা ব্যাংকগুলোর মধ্যে ছিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যাংক, পপুলার ক্রেডিট ব্যাংক, সেভিং ব্যাংক এবং অ্যাগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ ব্যাংক।
তবে উল্লেখযোগ্য যে, জাপানের নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। তাসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৫৯ ব্যক্তি ও ১৮টি সিরীয় প্রতিষ্ঠান এখনও জাপানের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।
সিরিয়ার ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রক্রিয়া গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন দেশ ও জোটের মধ্যে অগ্রসর হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ২০২৫ সালের জুলাই থেকে সিরিয়ার ওপর থাকা বিস্তৃত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে, যদিও বাশার আল-আসাদ এবং কিছু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে। তথ্যসূত্র: তাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের নানটাকেট দ্বীপে ভয়াবহ ঝড়ের পর সমুদ্রসৈকতে ভেসে উঠেছে প্রায় ১৪২ বছর আগে ডুবে যাওয়া একটি জাহাজের কাঠের অংশ। ইতিহাসবিদদের ধারণা, কাঠের এই অংশটি ‘ওয়ারেন সয়্যার’ নামের একটি তিন মাস্তুলের পালতোলা জাহাজের ধ্বংসাবশেষ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।
১৮৬৯ সালে নির্মিত জাহাজটি ১৮৮৪ সালের ২২ ডিসেম্বর নানটাকেট দ্বীপের কাছে ডুবে যায়। ওই সময় জাহাজটি নিউ অরলিন্স থেকে বোস্টনের দিকে যাচ্ছিল। এতে এক হাজার ১১৫টির বেশি তুলার গাঁট এবং ২৮ টন লোহার ভাঙা অংশ ছিল।
ম্যাসাচুসেটসের পানির নিচের প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ বিষয়ক সংস্থার পরিচালক ও প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক ডেভিড রবিনসন জানিয়েছেন, উনিশ শতকে পণ্য পরিবহনের জন্য জাহাজটি ব্যবহৃত হতো। সে সময় এটি বর্তমান সময়ের বড় পণ্যবাহী যানবাহনের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
সাম্প্রতিক ঝড়ের পর নানটাকেটের সমুদ্রসৈকতে পচে যাওয়া কাঠের তক্তা ও কাঠামোর বেশ কিছু অংশ দেখা যায়। এসব কাঠের অংশে এখনও অসংখ্য পেরেক রয়েছে। ঢেউয়ের আঘাতে ধ্বংসাবশেষগুলো বারবার নড়াচড়া করছিল।
স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতে, একই এলাকায় ২০২২ ও ২০২৩ সালেও ওই জাহাজের আরও কিছু ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছিল। ফলে এবারের পাওয়া কাঠের অংশটিও ‘ওয়ারেন সয়্যার’-এর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৮৮৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে জাহাজটির দুর্ঘটনার ভয়াবহ বিবরণও প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, বিশাল ঢেউয়ের আঘাতে জাহাজটির পেছনের একটি বড় অংশ ভেঙে যায় এবং সাগরের প্রচণ্ড ঢেউয়ের সামনে জাহাজের ভেতরের অংশ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
নানটাকেটকে ঐতিহাসিকভাবে ‘আটলান্টিকের জাহাজকবরস্থান’ বলা হয়। উনিশ শতকে প্রতিদিন শত শত জাহাজ এই ছোট দ্বীপটির পাশ দিয়ে চলাচল করত। ঝড় ও সমুদ্রের অগভীর বালুচরের কারণে দ্বীপটির আশপাশের পানিতে প্রায় ৭০০টি জাহাজডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে নানটাকেট জাহাজডুবি ও জীবনরক্ষা জাদুঘর।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ