০৬:৫২ এম
মিয়ানমার উপকূলের কাছে রোহিঙ্গা শরণার্থী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো এই ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করা হয়নি, কিন্তু জাতিসংঘ বলছে, এই নৌকাডুবি সংঘাত ও নির্যাতনের কারণে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখোমুখি হওয়া ভয়াবহ মানবিক সংকটের আরেকটি উদাহরণ।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জানান, ৫০০ জনেরও বেশি আরোহী নিয়ে দুটি নৌকা মিয়ানমারের উপকূলে ডুবে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, দুটি নৌকাই জুন মাসের শেষের দিকে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আরোহীদের অধিকাংশ ছিলেন রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাদের মধ্যে কেউ কেউ বাংলাদেশে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির থেকে এই ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন।
জাতিসংঘের দুই সংস্থা জানায়, ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা আছে, যদিও হতাহতের সঠিক সংখ্যা ও ঘটনার বিস্তারিত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।
প্রথম নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন আরোহী ছিলেন। মিয়ানমার ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্যদিকে, দ্বিতীয় নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াডি উপকূলের কাছে ডুবে যায়।
যৌথ বিবৃতিতে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম উল্লেখ করেছে, ‘ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও, এত বিপুল প্রাণহানির আশঙ্কা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করেছে।’
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
নৌকায় থাকা ব্যক্তিদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা জানতে উদ্ধার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন