ঢাকা শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ০৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩২বাং

বিএনডিএস’র যাত্রা শুরু, যুক্তিভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে


বিএনডিএস’র যাত্রা শুরু, যুক্তিভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে

সুস্থ, শালীন, জ্ঞানভিত্তিক ও যুক্তিনির্ভর সমাজ বিনির্মাণের দৃপ্ত শপথে জাতীয় আঙিনায় আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে বিতর্ক সংগঠন ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিবেটিং সোসাইটি (বিএনডিএস)’।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর একটি হলরুমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ, পরিচালক পর্ষদ এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক জাতীয় টেলিভিশন বিতার্কিক ও সংগঠক মো. শরীফুল ইসলাম। সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন জাতীয় টেলিভিশন বিতার্কিক শাহনূর কিবরিয়া সুজন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড

প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন আরীফ হোসেন, রিফাক আহম্মেদ, গোলাম কিবরিয়া, কাইয়ূম হোসেন, মো. ইস্রাফিল, মো. শরীফুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ূম (শিপন), আব্দুল কাদির (তারেক) এবং শাহনূর কিবরিয়া (সুজন)।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা উল্লেখ করেন, বিতর্ক কেবল মঞ্চে দাঁড়িয়ে সুন্দর কথা বলার বা ট্রফি জেতার বিষয় নয়। এটি হলো সুশৃঙ্খলভাবে চিন্তা করার এবং অন্যের মতকে সম্মান করার একটি প্রক্রিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীন আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীন আর নেই

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সিনিয়র সাব এডিটর তানভীর আলাদিনের পিতা কাজী গোলাম মাইন উদ্-দীন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৯৪ বছর।

শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে বার্ধক্যজনীত জটিলতার কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তিনি তিন ছেলে, দুই মেয়ে, দুই ভাই, তিন বোন, নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা আজ শনিবার বাদ ফজর ঢাকার আফতাব নগরের এইচ ব্লকের বায়তুস সালাহ্ জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বাদ জোহর ফেনীর মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরহুমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

তিনি একাধিকবার ফেনী জেলা কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি লায়ন্স ক্লাব ফেনীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফেনী 'ল' কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।

তার প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে- ডাক্তারের ঘোড়ার ডাক, তাসের ঘরে মাধবীলতা, খাজু উকিলের ডায়েরি ও ইউরেকা আমার আমেরিকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন দূতাবাসের ভিসার অপব্যবহার নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ এম


মার্কিন দূতাবাসের ভিসার অপব্যবহার নিয়ে কঠোর সতর্কবার্তা

ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস মার্কিন ভিসাধারীদের জন্য একটি সতর্কতা জারি করেছে। এই সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভিসার অপব্যবহার বা অনুমোদিত সময়ের সীমা অতিক্রম করলে ভবিষ্যতে ভ্রমণের জন্য স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে হতে পারে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিসাসংক্রান্ত একটি বার্তায় দূতাবাস এই সতর্কতা প্রকাশ করে।

ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, তারা ভিসায় উল্লেখিত শর্তাবলী মেনে চলবেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ করবেন। ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন করার ফলে ভবিষ্যতে নতুন ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অথবা সংশ্লিষ্ট দেশে প্রবেশের ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

দূতাবাস জানায়, "আপনার ভিসা সঠিকভাবে ব্যবহার করা আপনার দায়িত্ব।" ভিসার অপব্যবহার বা অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে ভবিষ্যতে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনা কৃষিখাতকে সহায়তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনা কৃষিখাতকে সহায়তা ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পানি নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও জলপথ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ কৃষিখাতকে সহায়তা করবে এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি করবে। আজ শনিবার বে অব বেঙ্গল কনফারেন্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬" আয়োজনের জন্য সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজকে ধন্যবাদ জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বিপুল জনম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশে একটি নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জনগণের সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে। অগ্রাধিকারগুলো হলো জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা, নীতিমালার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। তিনি বলেন, "আমরা এখন প্রতিশ্রুতি থেকে সরাসরি বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।"

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। দেশকে শক্তিশালী উৎপাদন ও বিনিয়োগের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। উৎপাদন, সেবা, রপ্তানিসহ সকল খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য নীতিগত নিশ্চয়তা অপরিহার্য, আর দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালার ধারাবাহিকতা সেই নিশ্চয়তা প্রদান করবে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা অগ্রাধিকার পান। "ফ্যামিলি কার্ড" এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের মায়ের হাতে আর্থিক সহায়তা পৌঁছাবে, যা দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে শুরু হবে। "কৃষক কার্ড" কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা, কৃষি সেবা ও বাজার ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করবে। "হেলথ কার্ড" নিশ্চিত করবে সবার জন্য চিকিৎসাসেবা। চূড়ান্তভাবে, "ইউনিভার্সেল কার্ড" নাগরিকদের এক ছাতার নিচে সমন্বিত সরকারি সেবাসমূহ গ্রহণের সুযোগ দেবে।

স্বাস্থ্যসেবা প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবাকর্মী নিয়োগের কাজ চলছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হবেন। তাঁরা তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবা প্রদান করবেন। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের সনদের জন্য নয়, বরং বাস্তব জীবনের জন্য তৈরি করবে। আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। পাঠ্যক্রমে সংস্কৃতি, খেলাধুলা, মূল্যবোধ ও নৈতিকতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি তৃতীয় ভাষা শেখার সুযোগও থাকবে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে। সরকার প্রথম শ্রেণি থেকেই বিনামূল্যে ইউনিফর্ম, স্কুলব্যাগ, মিড-ডে মিল ও বৃত্তি প্রদান করবে। স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার পরিধি সম্প্রসারিত করা হবে।

বাংলাদেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী জাতীয় অগ্রগতির এক অনন্য চালিকাশক্তি। এই জনমিতিক সুবিধা কাজে লাগাতে প্রয়োজন দক্ষতা ও উপযুক্ত কর্মসংস্থান। ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি প্রযুক্তিগত রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে গ্রহণ করা হচ্ছে। উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং স্টার্ট-আপগুলোকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তরুণদের বিশ্বমঞ্চে প্রতিযোগিতার সুযোগ করে দেওয়া হবে এবং ব্রেইন ড্রেনকে ব্রেইন সার্কুলেশন এ রূপান্তর করা হবে।

অর্থনীতির মূল ভিত্তি কৃষিখাত। প্রযুক্তি, সেচ, কৃষি অর্থায়ন ও কৃষিপণ্যের বাজার সংযোগ সহজলভ্য করা হচ্ছে। মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। খাদ্য নিরাপত্তার পরিপূরক হিসেবে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষি রপ্তানি শিল্পকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, শক্তিশালী গ্রামীণ অর্থনীতিই গড়ে তুলতে পারে শক্তিশালী বাংলাদেশ।

পরিবেশ রক্ষায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বর্জ্য পুনর্ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব গ্রিন ফ্যাক্টরি স্থাপনে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি লিড সার্টিফাইড ফ্যাকটরির মধ্যে ৫৩টি বাংলাদেশে অবস্থিত। পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তোলার মাধ্যমে বর্জ্য হ্রাস, জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন এবং দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সম্ভব।

উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অপরিহার্য। প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সুদৃঢ় করা হচ্ছে। মানবাধিকার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত রাখতে হবে। আইনের শাসন প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তুলব, যেখানে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে।

বাংলাদেশ একই সাথে একটি বড় বৈশ্বিক দায়িত্ব পালন করে চলেছে। প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। প্রধান লক্ষ্য হলো মিয়ানমারে তাদের দ্রুত, স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা। এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত রাজনৈতিক সমর্থন এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়ন প্রয়োজন। সংকটের মূল কারণগুলোর সমাধান করাও জরুরি; যে সংকটের উৎপত্তি মিয়ানমারে, তার সমাপ্তিও মিয়ানমারেই হতে হবে।

বঙ্গোপসাগর প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভাগ্য নির্ধারণ করে চলেছে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানের কারণে সমুদ্রবন্দর, নৌপথ ও উপকূলীয় অর্থনীতি পুরো বিশ্বের সাথে যুক্ত হতে পারে। জাহাজ চলাচল, মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, জ্বালানি এবং আঞ্চলিক সরবরাহ চেইনে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আঞ্চলিকভাবে অভিন্ন ভৌগোলিক অবস্থানকে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে রূপান্তর করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন আরও গভীর দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততা।

বাণিজ্য, জ্বালানি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, জলবায়ু ও সমুদ্র খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারিত করা সম্ভব। নতুন বাজার উন্মুক্ত করা এবং তরুণদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে। সমতা, ন্যায্যতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে শক্তিশালী সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা সম্ভব। ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের একত্রিত করেছে; জনগণের সাথে নিবিড় সম্পর্ক আমাদের আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

বাংলাদেশ সংলাপ, অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে বিশ্বাসী। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা হবে। একই সাথে, সকল আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারদের সাথে ইতিবাচকভাবে কাজ করা হবে। কারণ শান্তি ও সম্প্রীতি যৌথ সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের মূল ভিত্তি।

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলটি এমন একটি এলাকায় পরিণত হবে যেখানে প্রতিটি রাষ্ট্র একসাথে বিকশিত হবে, পারস্পরিক সমান সুবিধা গ্রহণ করবে এবং নাগরিকরা অর্থবহ সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে। বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে তার যথাযথ ভূমিকা পালনে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। প্রধানমন্ত্রী সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং শুভ দিন কামনা করেন। আল্লাহ হাফেজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যালন ডি’অর সম্পর্কে কুকুরেয়ার মজার মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


ব্যালন ডি’অর সম্পর্কে কুকুরেয়ার মজার মন্তব্য

স্পেনের সংবাদ সম্মেলনে ব্যালন ডি’অর নিয়ে হাস্যরসাত্মক মন্তব্য করেছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া। সম্ভাব্য বিজয়ী সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি রসিকতা করে বলেন, ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে নিজেকেই ভোট দিতেন। তবে পুরস্কার জয়ের দৌড়ে থাকা সতীর্থদের সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্যও করেছেন তিনি।

কুকুরেয়া স্পেনের আসন্ন উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। এ সময় ব্যালন ডি’অরের সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে প্রশ্ন আসলে তিনি জানান, "আমাকে যদি ভোট দিতে হতো, আমি নিজেকেই ভোট দিতাম।"

তবে নিজের এই রসিকতার পর তিনি বিষয়টি পরিষ্কার করেন। মনোনীতদের মধ্যে তার দুই ক্লাব সতীর্থ থাকায় বিজয়ী যে-ই হোন, তাতে তার আপত্তি নেই বলে জানান তিনি। কুকুরেয়ার ভাষায়, "সৌভাগ্যবশত, সত্যি বলতে মনোনীতদের মধ্যে দুজন আমার সতীর্থ। যে যোগ্য, সে-ই জিতুক। যেই জিতুক, আমি খুশি হব। যারা ভোট দেন, সিদ্ধান্তটা তাদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি।"

সতীর্থদের প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি পুরস্কার জিতলে তাঁদের কাছ থেকে ছোটখাটো উপহার পাওয়ার আশাও মজার ছলে প্রকাশ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে কুকুরেয়ার জনপ্রিয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। স্প্যানিশ সমর্থকদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন এই ডিফেন্ডার। তবে মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাঁর ব্যতিক্রমী চেহারাও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে, জাতীয় দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স করলেও ক্লাব ফুটবলে নিজের সেরা ছন্দে ফিরতে আরও সময় প্রয়োজন বলে স্বীকার করেছেন কুকুরেয়া। নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া এবং সতীর্থদের সঙ্গে বোঝাপড়া বাড়ানোকে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

কুকুরেয়া বলেন, "জাতীয় দলে আমি অনেক ম্যাচ খেলেছি। অন্যদিকে, মাদ্রিদ আমার জন্য নতুন একটি ক্লাব এবং আমরা প্রায় কোনো প্রাক-মৌসুমও পাইনি। আমি ১০টিরও কম ম্যাচ খেলেছি।"

তিনি আরও বলেন, "অবশ্যই এমন কিছু বিষয় আছে, যেগুলো আমাকে উন্নত করতে হবে এবং সতীর্থদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। তবে আমি নিজের সেরাটা দিতে ও কঠোর পরিশ্রম করতে চাই, যাতে জাতীয় দলে যে কুকুরেয়াকে দেখা যায়, রিয়াল মাদ্রিদেও যেন সেই সংস্করণটিই দেখা যায়।"

সূত্র: গোল ডটকম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৪
মাগরিব ০৫:৩২
ইশা ০৬:৪৩
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%