বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৯ পি.এম
দ্বীপ জেলা ভোলার উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে ভোলা-৪ আসনের নুরুল ইসলাম নয়নের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী একথা জানান।
তিনি বলেন, ‘ভোলার যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে সেই সম্পদ আমরা দেশের মানুষের জন্য যেমন ব্যবহার করতে চাই; পাশাপাশি ভোলার মানুষ যাতে উপকৃত হয় সেটিও আমাদের লক্ষ্য।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভোলা একটি দ্বীপ জেলা। এজন্য আমাদের প্রথম পরিকল্পনা এই জেলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা। সেতু নির্মাণ করে সড়ক যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা এটি করতে চাই। দ্বিতীয়ত ভোলায় ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাই। একই সঙ্গে একটি ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপন করতে চাই।’
ভোলায় শিল্পায়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের আমরা উৎসাহিত করছি। ইতোমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোক্তা সেখানে শিল্পকারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা আরও কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বলছি, যারা সেখানে কলকারখানা স্থাপন করবেন। এর মাধ্যমে আমরা ভোলাকে গড়ে তুলতে চাই। সেখানকার মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে চাই।’
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিকেল সাড়ে তিনটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রথম ৩০ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।
আজ প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন নির্ধারিত ছিল। এরমধ্যে তিনটি প্রশ্ন এবং সাতটি সম্পূরক প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট নগরীর ফাজিলচিশতের একটি ছড়ায় পয়ঃবর্জ্য ফেলার দায়ে ছয় বাসার মালিককে জরিমানা করেছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।
বুধবার সকালে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বজিৎ দেব এই জরিমানা করেন। এসময় সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম উপস্থিত ছিলেন।
সিসিক সূত্র জানায়, ওই ছয়টি বাসার মালিক সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ না করে পাইপের মাধ্যমে পয়ঃবর্জ্য সরাসরি ছড়ায় ফেলছিলেন। বিষয়টি নজরে আসলে সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিবেশ দূষণের দায়ে সংশ্লিষ্ট ৬ বাসার মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করে। এছাড়া তারা ভিবিষ্যতে ছড়া ও ড্রেনে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলা এবং দ্রুত সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের অঙ্গীকার করে মুচলেখা দেন।
এদিকে, অভিযান চলাকালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ফাজিলচিশত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পয়ঃবর্জ্য ছড়া-খাল ও ড্রেনে না ফেলার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য দিয়ে মালনীছড়া প্রবাহিত হয়েছে। ছড়ার পানি স্বচ্ছ থাকার কথা থাকলেও সেপটিক ট্যাংক না থাকায় অনেক বাসাবাড়ি থেকে পাইপের মাধ্যমে সরাসরি পয়ঃবর্জ্য ছড়া-খালে ফেলা হচ্ছে। এতে শুধু এলাকার পরিবেশই দূষিত হচ্ছে না, এর প্রভাব পুরো নগরীতে পড়ছে। ছড়ার পানি কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গেছে। এতে নগরবাসীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরে একটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়ক লাগানো ৩৫৫ কেজি নকল ঘি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের স্বত্তধিকারী নিপন চন্দ্র দাসকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের উত্তর মজুপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালায়।
অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ অভিযুক্ত ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া জব্দকৃত নকল ঘি বিনষ্ট করা হয়েছে।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত নিপন সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের রসুলগঞ্জ এলাকার ইন্দ্র চন্দ্র দাসের ছেলে ও পৌর শহরের উত্তর মজুপুর এলাকার প্রত্যয় ট্রেডার্সের স্বত্তধিকারী।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, পৌর শহরের উত্তর মজুরপুর এলাকায় প্রত্যয় ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান নকল ঘি বাজারে বিক্রি করে আসছিল। এনএসআইয়ের তথ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩৫৫ কেজি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোড়ক লাগানো নকল ঘি জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুমধু চক্রবর্তী ও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুল্লাহ হিল হাকিম প্রমুখ।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, নিপন চন্দ্র দাস বাজারে নকল ঘি সরবরাহ করে আসছিল। অভিযান চালিয়ে আমরা ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। নকল ঘি জব্দ করে পরে বিনষ্ট করা হয়েছে। জনস্বার্থে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত ১০ বছরে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ মোট ৮৪ হাজার ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয় করেছে। বুধবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের (কক্সবাজার-৩) লিখিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে বাংলাদেশ ১৯ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন কাঁচা পাট রফতানি করে ১২ হাজার ৬১২ কোটি ৭ লাখ টাকা আয় করেছে।
তিনি বলেন, একই সময়ে ৭০ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিক টন পাটজাত পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ ৭১ হাজার ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় করেছে।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করছে। এর মধ্যে কাঁচা পাট ৩০টি দেশে এবং পাটজাত পণ্য ১৩৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
তবে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে উৎপাদিত পাট বিদেশে রফতানি স্থগিত রয়েছে।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ চীন, ইরান, স্পেন, বেলজিয়াম, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, তুরস্ক, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্ক, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, নেপাল, তিউনিসিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, লাটভিয়া, মেক্সিকো ও সৌদি আরবসহ প্রায় ১৩৬টি দেশে কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে গভীর রাত পর্যন্ত খাতা মূল্যায়ন নিয়ে ওঠা বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার রাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রচলিত বিধি ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ফল পুনঃনিরীক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। সম্প্রতি পুনঃনিরীক্ষণ কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার ও প্রকাশ হয়েছে। বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড একটি জনগুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের বাধ্যবাধকতা থাকায় এবং আবেদনের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে অধিক হওয়ায় ও শিক্ষাবর্ষের কথা চিন্তা করে পরীক্ষা সংক্রান্ত, উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা জরুরি প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রয়োজনবোধে অফিস সময়ের পরেও অব্যাহত রাখা এ বোর্ডের একটি নিয়মিত ও রুটিন কাজের অংশ। জরুরি ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলার স্বার্থে রাতের বেলায় বোর্ডের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শিক্ষার্থীদের ফলাফল অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই কোনো শিক্ষার্থী যেন ভুল মূল্যায়নের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় বিষয়টি নিশ্চিত করাই বোর্ডের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
এতে আরও বলা হয়, রাতের বেলায় চলমান এই জরুরি ও রুটিনভিত্তিক প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে অন্য কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে বা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হচ্ছে। একইসাথে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সবসময় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সর্বসাধারণকে কোনো ধরনের গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ