ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের, শোকের ছায়া আলফাডাঙ্গার পবনবেগে


ঢাকায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাবা-মেয়ের, শোকের ছায়া আলফাডাঙ্গার পবনবেগে

পরিবার নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ও তাঁর ছয় বছরের শিশুকন্যা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গ্যাড়াখোলা ব্রিজ এলাকায় মাছবোঝাই একটি পিকআপভ্যানের ধাক্কায় তাঁদের বহনকারী অটোভ্যান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে একই পরিবারের দুই সদস্যের মৃত্যুতে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পবনবেগ গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের পবনবেগ গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম রঞ্জু (৪৫) ও তাঁর ছয় বছরের মেয়ে সামিরা আক্তার। সাইফুল ইসলাম রঞ্জু একই গ্রামের হেমায়েত মোল্লার ছেলে।

আরও পড়ুন: গোমস্তাপুরে রাতে গোয়াল থেকে গরু চুরি, আড্ডাবাজারে হাতেনাতে আটক চোর

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে সাইফুল ইসলাম রঞ্জু স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুকসুদপুর উপজেলার গ্যাড়াখোলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে গোপালগঞ্জগামী মাছবোঝাই একটি দ্রুতগতির পিকআপভ্যান বিপরীত দিক থেকে এসে তাঁদের বহনকারী অটোভ্যানটিকে চাপা দেয়। এরপর পিকআপভ্যানটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।
দুর্ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাইফুল ইসলাম রঞ্জুর ভাই তাহের আহমেদ শুভ জানান, পরিবার নিয়ে ঢাকায় যাওয়ার পথে এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় তাঁর ভাই ও ভাতিজিকে হারিয়েছেন তাঁরা। পরিবারের অন্য সদস্যরা আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, নিহত বাবা-মেয়ের মরদেহ বাড়িতে আনা হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় পবনবেগ মাদ্রাসায় জানাজা শেষে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

গোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান সাইফুল ইসলাম এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, একই পরিবারের বাবা ও শিশুকন্যার এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তাঁদের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। পাশাপাশি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

আরও পড়ুন: ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্বের কবল থেকে মুক্তি চায় উপজেলাবাসী

এদিকে, বাবা ও মেয়েকে হারিয়ে শোকাহত পরিবারটির প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছেন স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পবনবেগ গ্রামসহ আশপাশের এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত আন্দোলন করেও কিছু করার সক্ষমতা রাখে না, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি এনসিপির নতুন রাজনীতিকে 'সুবিধাবাদী জিন্দাবাদের রাজনীতি' হিসেবে অভিহিত করেছেন।

আজ রবিবার, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাশেদ খান এই মন্তব্যগুলো করেন।

ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে, পদত্যাগের ঠিক আগের রাতে আসিফ মাহমুদ বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে বিএনপিতে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন এবং 'ধানের শীষ' প্রতীকে নির্বাচন করার কনফার্মেশন চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে মাহফুজ আলমও বিএনপিতে নির্বাচন করতে আগ্রহী ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বিএনপি শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের কাউকে নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করাতে রাজি না হওয়ায় আসিফ মাহমুদ বাধ্য হয়ে এনসিপিতে যোগ দেন। বর্তমানে আসিফ দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের কোণঠাসা অবস্থায় আছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান।

পোস্টে রাশেদ খান বলেন, বেশি আসন সমঝোতার আশায় এনসিপির শীর্ষ নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় ধরনা দিলেও বিএনপি তাদের মাত্র চারটি আসন ছাড়তে রাজি হয়। পরবর্তীতে অধিক আসন ও নির্বাচনী খরচের আশায় দলটি জামায়াত জোটে ভিড়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।

রাশেদ খান বলেন, এনসিপির নতুন রাজনীতি হলো সুবিধাবাদী জিন্দাবাদের রাজনীতি। এখন হয়তো আলাদা কোনো সুবিধা পেতে কিংবা জামায়াতের পরামর্শে বিএনপিকে চাপের রাখার কৌশল হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পেইন শুরু করেছে এনসিপি।

এনসিপির এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেও এনসিপির কিছু করার সক্ষমতা নেই। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো সুযোগে নেতা বনে যাননি। দীর্ঘ সংগ্রাম, মেধা ও যোগ্যতার কারণেই তার আজকের এই পজিশন।

তার দাবি, জামায়াত ও এনসিপির ৯০ জন এমপির মেধা, যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এটাতো কারো না বোঝার কথা নয় যে, তাদের যন্ত্রণাটা ঠিক এখানেই। তারা মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করে বিএনপিকে চাপে রাখতে পারলে বিরিয়ানির ভাগ আদায় করা যাবে। কিন্তু বিএনপি বিরিয়ানি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করে না। বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের রাজনীতি করে। সুতরাং বিএনপির কাছ থেকে জামায়াত-এনসিপি বিরিয়ানির ভাগ চাইলেও পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমের জেরে ব্যবসায়ী হত্যা

কুমিল্লার মুরাদনগরে একই নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মাসুদ মিয়া (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন ভাগিনার বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত মিলন মিয়া ওরফে শিপন মিয়াকে (২৩) গ্রেফতার করেছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন কোড়েরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন সুফিয়া বেগম (৪২) বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত মাসুদ মিয়া কোড়েরপাড় গ্রামের মৃত হাসন আলীর ছেলে। তিনি নিজ গ্রামে ভাঙ্গারির ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত শিপন মিয়া একই উপজেলার কুরবানপুর গ্রামের আনিস মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১০টার দিকে মাসুদ মিয়া তার দোকানের পাশের একটি মুদি দোকানে গেলে ভাগিনা শিপন তাকে সেখান থেকে ডেকে নিয়ে যায়। দোকান থেকে কিছু দূরে নিয়ে গিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত শুরু করে। এ সময় দুজনের ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে শিপন পালিয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই মাসুদ মিয়ার মৃত্যু হয়।

নিহতের বড় ভাইয়ের স্ত্রী দেলোয়ারা বেগম জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে মাসুদ মিয়ার স্ত্রী তিন সন্তান রেখে তাকে ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি নিজের ভাঙ্গারির দোকানেই রাত কাটাতেন। প্রায় তিন বছর আগে একই উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের দুই সন্তানের জননী এক বিধবা নারীর সঙ্গে মোবাইলে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

দেলোয়ারা বেগমের দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে কৌশলে মামার কাছ থেকে ওই নারীর মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন শিপন। পরে তিনিও ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে মামা-ভাগিনার মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।

পরিবারের দাবি, গত ১৫ দিন আগে ওই নারীর সঙ্গে নিজের সম্পর্ক আরও গভীর করার উদ্দেশে শিপন তার মামা মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে গত ২০ অক্টোবর শিপনকে মারধর করেন মাসুদ মিয়া। এরপর থেকে শিপন বিভিন্ন জনের কাছে ওই নারীকে পাওয়ার জন্য মামাকে সরিয়ে দেওয়ার কথা বলতেন বলে দাবি করেছেন নিহতের পরিবারের সদস্যরা। তাদের ধারণা, সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা থেকে অভিযুক্ত শিপনকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, একই নারীর সঙ্গে মামা-ভাগিনার প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে শনিবার রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। গ্রেফতার আসামিকে সোমবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মীরসরাইয়ে হাসপাতালের লাইনে দাঁড়িয়ে স্বর্ণালংকার চুরির চক্রের ৭ নারী গ্রেফতার, স্বর্ণ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাকিব চৌধুরী চট্টগ্রাম

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


মীরসরাইয়ে হাসপাতালের লাইনে দাঁড়িয়ে স্বর্ণালংকার চুরির চক্রের ৭ নারী গ্রেফতার, স্বর্ণ উদ্ধার

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানাধীন মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর ছদ্মবেশে লাইনে দাঁড়িয়ে অভিনব কায়দায় স্বর্ণালংকার চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের ৭ জন নারী সদস্যকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
রবিবার (২৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোর টিকেট কাউন্টারে এই চুরির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল অনুমান ১১টা ১০ মিনিটের দিকে মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউটডোরের টিকেট কাউন্টরের সামনে সাধারণ চিকিৎসা সেবা প্রার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট নিচ্ছিলেন। এ সময় রোগী বা সেবাপ্রার্থীর ছদ্মবেশে ১০-১১ জন নারী লাইনে দাঁড়িয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে ভিড় ও ঠেলাঠেলি শুরু করে। এই হট্টগোলের সুযোগে তারা চিকিৎসা নিতে আসা তিন নারীর গলায় পরিহিত ৩টি স্বর্ণের চেইন (ওজন অনুমান ১৭ আনা ২ রতি ১ পয়েন্ট) কেটে চুরি করে নিয়ে যায়।
ঘটনার তাৎক্ষণিক সংবাদ পেয়ে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় ৭ জন নারী চোরকে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৬ আনা ২ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন:
১. আমেনা খাতুন (২৫), স্বামী- জুয়েল মিয়া, সাং- ধরমন্ডল (৮নং ওয়ার্ড), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
২. সালমা প্রঃ তানিয়া বেগম (২৫), স্বামী- মোঃ আমির হোসেন, সাং- ধরমন্ডল (নিরাবদা পাড়া), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৩. অজুফা বেগম (২৫), স্বামী- মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, সাং- ধরমন্ডল (নিরাবদা পাড়া), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৪. মোসাঃ হালিমা (৩০), স্বামী- মোঃ জুনাইদ, সাং- ধরমন্ডল (আগলা বাড়ী), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৫. মোছাঃ শানজিলা প্রঃ সাদিয়া (২৩), স্বামী- বাবু মিয়া, সাং- ধরমন্ডল (মোল্লা বাড়ী), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৬. তাহমিনা আক্তার (২০), স্বামী- মোঃ রাজু, সাং- ধরমন্ডল (৮নং ওয়ার্ড), থানা- নাসিরনগর, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
৭. আমিনা খাতুন (৩৬), স্বামী- ফজলুল হক, সাং- হাছন ফাতেমাপুর (বরকত উল্লাহ বাড়ী), মীরপুর ইউপি, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা- সুনামগঞ্জ।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তারা একটি সংঘবদ্ধ ও পেশাদার স্বর্ণালংকার চোর চক্রের সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে তারা দেশের বিভিন্ন এলাকার মেলা, হাটবাজার ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ভিড়কে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার চুরি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় দণ্ডবিধির ৩৭৯/৪১১/৩৪ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা (নম্বর-২৫, তারিখ- ২৫/১০/২০২৬ খ্রি.) রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে ৬ মাদক কারবারি সহ গ্রেফতার ২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


রাজশাহীতে ৬ মাদক কারবারি সহ গ্রেফতার ২০

 রাজশাহী নগরীতে পৃথক অভিযানে নারীসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসব অভিযানে এসকাফ সিরাপ, ইয়াবা ও ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির নগদ টাকাও জব্দ করেছে পুলিশ। এদিকে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ আরও ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
রবিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ বড় পুকুরিয়া এলাকা থেকে ১০ বোতল এসকাফ সিরাপ সহ মোঃ কালু (৪৪) ও তাঁর স্ত্রী শরিফা বেগমকে (৪০) গ্রেফতার করে।
একই দিন সন্ধ্যায় চন্দ্রিমা থানা পুলিশ খড়খড়ি বাইপাস মোড় থেকে সাত পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ১ হাজার ৮৩০ টাকা নুর ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত সাতটি ও জুয়া আইনে একটি মামলা রয়েছে।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরচণ্ডী উত্তরপাড়া থেকে নয় পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ পাভেলকে (২৯) গ্রেফতার করা হয়। এদিন রাতে দুই পিস ইয়াবাসহ বোয়ালিয়া থানা পুলিশ রামচন্দ্রপুর বৌবাজার এলাকা থেকে শাহিন আলী ওরফে সদাকে (৩৫) গ্রেফতার করে। একই রাত সোয়া ১টার দিকে ডিবি পুলিশ মেহেরচণ্ডী কড়াইতলা এলাকা থেকে ১০পিস ইয়াবাসহ রবিউল ইসলাম মানিককে (৩০) গ্রেফতার করে। এছাড়া পৃথক অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জনের মধ্যে সাতজন ওয়ারেন্টভুক্ত, চারজন মাদক মামলার আসামি এবং তিনজন অন্যান্য মামলার আসামি।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা করা হয়েছে।
রবিবার সকালে সকল আসামীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%