ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই সুগম হবে : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী


মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর পথ শিগগিরই সুগম হবে : প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের আওতাধীন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনে বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

‘১৫ হাজার শিশু নিখোঁজ’ সম্পর্কে যে তথ্য জানাল পুলিশ

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য

র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি আইনের বিলটি উত্থাপনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়। কামিটিকে যাচাই-বাছাই শেষে আগামী দুই কর্মদিবসের মধ্যে সংসদে ফেরত পাঠাতে বলা হয়।

বিলে বলা হয়েছে, দেশের জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন এবং পুলিশ বাহিনীকে সহায়তার জন্য আধুনিক, পেশাদার, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রয়োজন। একইসঙ্গে এ বাহিনীর ক্ষমতা প্রয়োগে স্বচ্ছতা, তদারকি ও কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

বিলের ১ ধারায় বলা হয়েছে, এই আইন ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।

বিলের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, ‘পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট থাকবে।’

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

সরকার প্রয়োজনের নিরিখে পুলিশ বাহিনী, শৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্ধারিত সংখ্যক কর্মকর্তা, আর্মড পার্সোনেল বা কর্মচারী পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিট গঠন করবে। ইউনিটের সদর দফতর থাকবে ঢাকায়।

এসআরবি’র একজন মহাপরিচালক থাকবেন। তিনি বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত অন্যূন অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হবেন। মহাপরিচালক ইউনিটের প্রশাসনিক, আর্থিক ও অপারেশনাল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

যেসব দায়িত্ব পালন করবে এসআরবি

বিলের ১০ ধারায় এসআর-এর দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

আরও পড়ুন: হাসিনার পতনের আগে ইউনূসকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান করেন শফিকুল আলম

“জননিরাপত্তা রক্ষা’, ‘সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন’, ‘বেআইনি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার’ এবং ‘মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।”

এ ছাড়া নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার, অপহরণসহ মানবতাবিরোধী কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার দায়িত্বও থাকবে। আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শকের নির্দেশ অনুসারে এসব অপরাধের তদন্তও করতে পারবে ইউনিটটি।

তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা

বিলের ১২ ধারায় এসআরবি-কে কোনও স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে এসব ক্ষমতা ফৌজদারি কার্যবিধি ও বিদ্যমান অন্যান্য আইনের বিধান প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রয়োগ করতে হবে।

আরও পড়ুন: গার্মেন্টস শিল্পে এক সপ্তাহের মধ্যে মজুরি বোর্ড গেজেট প্রকাশের ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

১৩ ধারায় বলা হয়েছে, ‘তল্লাশি, আটক, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তার যে ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কার্যাবলি রয়েছে, পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিচে নন—এমন ইউনিটের কর্মকর্তা তা প্রয়োগ করতে পারবেন।’

তবে গ্রেফতার বা আলামত জব্দ করার পর তা এসআরবি-এর কাছে আটকে রাখা যাবে না। বিলের ১৪ ধারায় বলা হয়েছে, “গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে বা জব্দকৃত আলামত অনতিবিলম্বে নিকটবর্তী থানা কর্তৃপক্ষের হেফাজতে সোপর্দ বা হস্তান্তর করবেন।” একই সঙ্গে এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

ফৌজদারি মামলার তদন্ত করতে পারবে

আদালত, সরকার বা পুলিশ মহাপরিদর্শক যেকোনও সময় এসআরবি মহাপরিচালককে কোনও ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন। মহাপরিচালক পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর বা তার ঊর্ধ্ব পদমর্যাদার কোনও সদস্যকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারবেন।

আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী

তদন্তের সময় ফৌজদারি কার্যবিধি ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজনে এসআরবি-এর হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকার কথাও বিলে বলা হয়েছে।

সদস্যদের যেসব কাজ শৃঙ্খলা লঙ্ঘন

বিলের ১৭ ধারায় এসআরবি সদস্যদের বিভিন্ন শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে কর্তব্যরত অবস্থায় মাতাল বা নেশাগ্রস্ত থাকা, সহকর্মীকে আঘাত বা অসদাচরণ করা, অনুমতি ছাড়া গার্ড, চৌকি বা পেট্রোল ত্যাগ করা, আটক বা গ্রেফতার থেকে পালিয়ে যাওয়া এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসংগত আদেশ অমান্য করা রয়েছে।

এ ছাড়া দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বা সরঞ্জাম ক্ষতি বা হারানো, অসুস্থতার ভান করা, বলপূর্বক অর্থ আদায়, বেআইনিভাবে জমি দখল, সম্পদ চুরি বা ধ্বংস, অপরাধীকে আটক করতে ব্যর্থ হওয়া এবং জুয়া বা অবৈধ মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকাকেও শৃঙ্খলা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

১৫ দিনের বেশি আটক থাকলে প্রতি ৭ দিনে প্রতিবেদন

কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগ বা আশঙ্কার যৌক্তিক কারণ থাকলে তাকে আটক করার ক্ষমতা রাখা হয়েছে। তবে আটকাদেশ প্রদানকারী কর্মকর্তাকে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে এবং আটক সদস্যকে লিখিতভাবে কারণ জানাতে হবে।

কোনও সদস্য ১৫ দিনের বেশি আটক থাকলে প্রতি সাত দিন অন্তর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দিতে হবে। আর “আটককৃত সদস্যের বিরুদ্ধে প্রাথমিক কোনও প্রমাণ না থাকিলে তাহাকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হইবে।”

শাস্তি হিসেবে বরখাস্ত, অপসারণ, অবসর ও পদাবনতি

এসআরবি সদস্যদের শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের জন্য গুরুদণ্ড ও লঘুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে বরখাস্ত, অপসারণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অব্যাহতি, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পদাবনতি, পদোন্নতি বন্ধ, সর্বোচ্চ এক বছরের জ্যেষ্ঠতা বা বেতন-ভাতা বাজেয়াপ্ত এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করার বিধান রয়েছে।

লঘুদণ্ড হিসেবে অনূর্ধ্ব এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ জরিমানা, তিরস্কার, অনূর্ধ্ব ৩০ দিনের জন্য কোয়ার্টার গার্ডে আটক, অনূর্ধ্ব ৩০ দিনের জন্য ব্যাটালিয়নে আটক রেখে অতিরিক্ত ড্রিল, গার্ড বা অন্য দায়িত্ব এবং দৈনিক দুই ঘণ্টা করে সর্বোচ্চ ১৪ দিনের জন্য শাস্তিমূলক ড্রিলের বিধান রাখা হয়েছে।

তবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কোনও সদস্যকে এসব শাস্তি দেওয়া যাবে না।

শাস্তির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল

বিভাগীয় কার্যধারায় দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের আদেশের বিরুদ্ধে মহাপরিচালক বা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অতিরিক্ত মহাপরিচালকের কাছে এবং মহাপরিচালকের আদেশের বিরুদ্ধে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে আপিল করা যাবে। আপিলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেল বাস্তবায়নে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


পে-স্কেল বাস্তবায়নে মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যস্ফীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর বেতন সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যৌক্তিক। তবে নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ সময় বেতন সমন্বয় না হওয়ার কারণে সরকারি কর্মচারীদের আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাই পে-স্কেল সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হবে না। এর ফলে পে-স্কেলকে কেন্দ্র করে পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।

মন্ত্রী জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেতন ছাড়াও বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের দামের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ভোজ্যতেলের দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, সয়াবিন তেল প্রায় পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজভাড়া, খালাস, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহন ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ যোগ করে স্থানীয় দাম নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের লোকসানের ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ওএমএস কার্যক্রম এবং আমদানির এলসি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে।

এদিকে, চামড়া শিল্পে সংস্কার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সাভারে নতুন বিশ্বমানের সিইটিপি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বড় ট্যানারিতে নিজস্ব ইটিপি এবং ছোট ট্যানারিকে কেন্দ্রীয় সিইটিপির আওতায় এনে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হবে। এলডব্লিউজি সনদ অর্জন এবং উচ্চমূল্যের চামড়াজাত পণ্য রফতানির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওয়াশিংটনের একতরফা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান চীনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


ওয়াশিংটনের একতরফা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান চীনের

ইরানে নতুন করে হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ওয়াশিংটনের ভুল পদক্ষেপ অবিলম্বে সংশোধনের জন্য বেইজিং আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করেছে তেহরানের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়াং লিং নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, চীন বারবার তাদের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে আসছে যে, আন্তর্জাতিক আইনে কোনো ভিত্তি নেই এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনও নেই এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে।

মুখপাত্র উল্লেখ করেন, চীনের পক্ষ থেকে বারবার বিষয়টি তুলে ধরা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একাধিকবার চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেইজিং এ ধরনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ ও দৃঢ় বিরোধিতা প্রকাশ করেছে।

হুয়াং লিং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা নিষেধাজ্ঞা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক আদান-প্রদানে অন্যায্যভাবে হস্তক্ষেপ করে। একই সঙ্গে, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।

হুয়াং আরও জানান, চীন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভুল কার্যক্রম অবিলম্বে সংশোধন এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছে। এছাড়া, নিজেদের কোম্পানি ও নাগরিকদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান।

সূত্র: সিনহুয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে হত্যা মামলায় দেবর-ভাবির যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


ফরিদপুরে হত্যা মামলায় দেবর-ভাবির যাবজ্জীবন

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন, “জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথ আরো প্রশস্ত হচ্ছে।”

এ মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের পাইনার খালে রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে করেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকের উৎপাদন ধরে রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ অপরিহার্য। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষিকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি বলেন, কৃষিতে গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল এবং বিদেশে খাদ্য রপ্তানিও সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও খাল খনন শুরু হয়েছে। এতে দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে। এর জন্য কৃষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়। এ কর্মসূচির আয়োজন করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদার, সদস্যসচিব সামিউল্লাহ, ঢাকা জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় নতুন করে সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা নেই: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


রাশিয়ায় নতুন করে সেনা নিয়োগের পরিকল্পনা নেই: পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নতুন করে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন সেনা নিয়োগ বা সামরিক সমাবেশের (মোবিলাইজেশন) পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনা ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

এই মন্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার ভ্লাদিভস্তকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে করেছেন।

পুতিন আরও বলেন, বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই, যার কারণে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি দাবি করেছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার মতে, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে ‘শত্রুপক্ষের অপপ্রচার অভিযান’ চলছে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

তবে, পুতিনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে কিয়েভ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য আসেনি।

এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জুলাই মাসে বলেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর মস্কো শরতে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ব্যর্থতার পর পুতিন সর্বশেষ রিজার্ভ সেনাদের ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’ এর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ক্রেমলিন জানিয়েছিল, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় ওই নির্দেশের আওতায় ৩ লাখ মানুষ ছিলেন। এই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সামরিক বয়সী অনেক রুশ পুরুষ দেশ ছেড়ে চলে যান। সূত্র:

আরব নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%