শিবচর (মাদারীপুর) মোঃআসাদুজ্জামান প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৫ পি.এম
খাবারে ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে মাদারীপুরের শিবচরে বিভিন্ন দোকানে দোকানে সর্তক বার্তা ও সতেরো হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা এগারোটার দিকে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের চান্দেরচর বাজারে ও শিবচর পৌরসভা বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচ.এম.ইবনে মিজান,জাতীয় ভোক্তা অধিকার মাদারীপুর জেলার সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল,মাদারীপুর জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম,কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া ও এএসআই আনিসুর রহমানের নের্তৃত্বে পুলিশের একটি টিম।
উপজেলার চান্দেরচর বাজারে বিভিন্ন খাবার দোকানে অভিযানে সর্তকমূলক বার্তা পৌছে দেওয়া হয় এবং ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য দুই বয়বসায়ীকে চার হাজার জরিমানা এবং ফুটপাত দখল মুক্ত করা হয়।ফুটপাত দখলের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল ও গাড়ী চলতে বেশ সমস্যা হচ্ছিল অনেক দিন,তা আজ উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দখল মুক্ত হলো।
এছাড়াও শিবচর পৌরসভার টিএন্ডটি মোড়ে বিভিন্ন খাবারে মেশানো স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি রাসায়নিক দ্রব্য যার কোন লেভেল নেই এবং উৎপাদিত পণ্যের উৎপাদন তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের স্টিকার না থাকায় বিসমিল্লাহ লাইফ বেকারীকে দশ হাজার টাকা এবং ঢাকা বাকর খানিকে তিন হাজার টাকা জরিমানা ও সর্তক করা হয়।সবজি ও মুদি বাজারে সকল দোকানদারদের পণ্যের দাম লিখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে জানতে চাইলে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এইচ.এম.ইবনে মিজান বলেন,‘নিরাপদ খাদ্য অফিসা,ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তা ও কৃষি বিপণন অফিসার নিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।অভিযানে কিছু দোকানে সর্তকমূলক জরিমানা করা হয়েছে।এই অভিযান চলমান থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ২০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের নীতিমালায় পরিবর্তন এনেছে। এ স্কিমের কার্যক্রমে গতি আনতে ঋণের নাম পরিবর্তন, ঋণগ্রহীতার যোগ্যতা যাচাই এবং পুনঃঅর্থায়নের আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমাসহ একাধিক বিষয়ে নতুন নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। নতুন নাম হবে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’। পূর্বে এটি ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ হিসেবে পরিচিত ছিল।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, অবিলম্বে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, পূর্বে জারি করা বিআরপিডি-১ সার্কুলার নং-১৩, ৪ জুন ২০২৬; বিআরপিডি-৩ সার্কুলার লেটার নং-০১, ৭ জুলাই ২০২৬ এবং বিআরপিডি-১ সার্কুলার লেটার নং-৩২, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর কিছু নির্দেশনা সংশোধন করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনায় ঋণগ্রহীতার যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এ স্কিমের আওতায় ঋণ নিতে আগ্রহী গ্রাহককে আগে অর্থপাচার, জালিয়াতি, তহবিল স্থানান্তর বা ঋণের অর্থের অপব্যবহার করেননি— এ মর্মে ব্যাংকের কাছে একটি ঘোষণাপত্র দিতে হবে। অর্থাৎ ঋণ অনুমোদনের আগে গ্রাহকের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকার বিষয়ে ব্যাংককে লিখিত ঘোষণা নিতে হবে।
এছাড়া ঋণের অর্থ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যে ব্যাংক থেকে কোনো গ্রাহক প্রকল্প ঋণ গ্রহণ করছেন, সেই ব্যাংক থেকেই এ স্কিমের আওতায় ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। একই সঙ্গে স্কিমের আওতায় দেওয়া ঋণ বা বিনিয়োগের সব ধরনের লেনদেন গ্রাহকের এসক্রো অ্যাকাউন্ট অথবা রেভিনিউ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। অ্যাকাউন্টের নাম যা-ই হোক না কেন, প্রকল্পের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা মানতে হবে।
প্রকল্পের আয় হিসাব খোলার বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রেও আগের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার নং-০১-এর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
পুনঃঅর্থায়নের আবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ অথবা পর্ষদ কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে পর্ষদের নির্বাহী কমিটির অনুমোদনক্রমে ঋণ মঞ্জুর ও বিতরণের পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্রসহ নির্ধারিত ছকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-৩-এর পরিচালকের কাছে পুনঃঅর্থায়নের আবেদন করতে হবে।
তবে কোনো কারণে ওই এক সপ্তাহের মধ্যে আবেদন জমা দিতে ব্যর্থ হলে উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে পরবর্তী আরও ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করা যাবে। ফলে ব্যাংকগুলোর জন্য পুনঃঅর্থায়নের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা ও অতিরিক্ত সুযোগ নির্ধারণ করা হয়েছে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, আগের নির্দেশনাগুলোতে যেখানে ‘প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে, সেখানে এখন থেকে ‘পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি সংশোধিত নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত অংশগ্রহণকারী চুক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারের অন্যান্য নির্দেশনাও সংশোধিত বলে গণ্য হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় উৎপাদন ও সেবামূলক কার্যক্রমে ফিরিয়ে আনতে ২০ হাজার কোটি টাকার এ স্কিম গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়নের সুযোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। নতুন নির্দেশনার ফলে ঋণ বিতরণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়ন পাওয়ার প্রক্রিয়ায় ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব ও সময়সীমা আরও স্পষ্ট হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন, যা নগরীতে বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়ক হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য আগাম সতর্কবার্তা প্রচার, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং কমিউনিটি পর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদারে প্রশিক্ষিত তরুণদের সম্পৃক্ত করা আবশ্যক। স্থানীয় সরকারের নিয়মিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে তাদের কার্যক্রম যুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রামের হোটেল রেডিসন ব্লুতে ‘আগাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তরুণদের কণ্ঠস্বর ও নেতৃত্বকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সংলাপের আয়োজন করেছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় শুধু তাৎক্ষণিক উদ্ধার কার্যক্রমই নয়, বরং আগাম প্রস্তুতি ও সতর্কতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন মন্তব্য করেন, নিরাপদ, পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব চট্টগ্রাম গড়ে তোলা কোনো একক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, নগরবাসী এবং তরুণ সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. আল আমিন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মিনাক্ষী, ইপসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. আরিফুর রহমান এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের ম্যানেজার জাবেদ মিয়াদাঁদ।
সংলাপে চট্টগ্রাম নগরের জন্য একটি সমন্বিত ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবক ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব গুরুত্ব পায়। এই ডেটাবেজে স্বেচ্ছাসেবকদের অবস্থান, যোগাযোগের তথ্য, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার বিবরণ সংরক্ষণ করা হবে, যা দুর্যোগের সময় দ্রুত তাদের শনাক্ত করে কাজে লাগানোর জন্য সহায়ক হবে। পাশাপাশি মেট ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আবহাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নেতৃত্ব বিকাশের উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম ও বাঁশখালী উপজেলার ১০৪ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ স্বেচ্ছাসেবকের মধ্যে সনদ ও পরিচয়পত্র বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের হিসাব-নিকাশ, উৎপাদন ও কর্মী ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে অতিথি অভ্যর্থনা এবং তথ্যের নিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়া লিমিটেড চারটি নতুন প্রযুক্তি উন্মোচন করেছে এআইনির্ভর।
নতুন সমাধানগুলোর মধ্যে রয়েছে এআইভিত্তিক ব্যবসা ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ‘বিজনেস ব্রেইন’, এআই রিসেপশনিস্ট ‘জয়া’, নিজস্ব এআই এজেন্ট ‘বেটো’ এবং ইনফারেন্স ক্লাউড ‘কিউসর’। এসব প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনা, অতিথি অভ্যর্থনা, তথ্য সংরক্ষণ ও এআই মডেল পরিচালনার কাজ একই প্রযুক্তিগত পরিসরে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
‘বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬’-এ নতুন প্রযুক্তিগুলো প্রদর্শন করা হয়, যা বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করে।
বিটোপিয়ার প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন চারটি সমাধানের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রমে এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানো এবং ব্যবস্থাপনার একাধিক কাজ একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয় কমানো, কাজের গতি বাড়ানো এবং তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
নতুন সমাধানগুলোর মধ্যে ‘বিজনেস ব্রেইন’ মূলত এআই এজেন্টনির্ভর একটি এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) ব্যবস্থা। সাধারণত একটি প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়, উৎপাদন, ক্রয়, সরবরাহব্যবস্থা, হিসাব, মজুত ও কর্মী ব্যবস্থাপনার তথ্য বিভিন্ন বিভাগে আলাদাভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিজনেস ব্রেইনের মাধ্যমে এসব তথ্য একটি প্ল্যাটফর্মে সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যাবে। প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত তথ্য পর্যালোচনা করে এআই এজেন্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি, সম্ভাব্য সমস্যা এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানের অভ্যর্থনা ও অতিথি ব্যবস্থাপনার কাজ সহজ করতে আনা হয়েছে ‘জয়া’ নামের এআই রিসেপশনিস্ট। এটি প্রতিষ্ঠানে আগত দর্শনার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান, অতিথি নিবন্ধন এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের কাজ করতে সক্ষম। ফলে অভ্যর্থনাকেন্দ্রে নিয়মিত যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হয় কিংবা অতিথিদের প্রাথমিক তথ্য ও সেবা দিতে হয়, সেসব কাজ প্রযুক্তির মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। করপোরেট অফিসের পাশাপাশি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্যাংক, হোটেল, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি দপ্তরেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিটোপিয়া।
প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তথ্যের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তৈরি করা হয়েছে নিজস্ব এআই এজেন্ট ‘বেটো’। বিটোপিয়ার দাবি, এটি ঢাকায় স্থাপিত নির্দিষ্ট গ্রাফিকস প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) অবকাঠামোয় পরিচালিত হয়। ফলে ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য দেশের ভেতরেই সংরক্ষণের সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্লাউড বা সার্ভারেও এ ধরনের এআই এজেন্ট পরিচালনা করা যাবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, কোনো গ্রাহকের সরবরাহ করা তথ্য অন্য গ্রাহকের এআই মডেল প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করা হয় না। এতে সংবেদনশীল ব্যবসায়িক তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও গোপনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ তৈরি হবে।
এদিকে এআই মডেল পরিচালনার জন্য উন্মোচন করা হয়েছে ‘কিউসর’ নামের ইনফারেন্স ক্লাউড। এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সফটওয়্যার ডেভেলপারকে নিজস্ব জিপিইউ সার্ভার স্থাপন না করেই ক্লাউডভিত্তিক অবকাঠামোয় ওপেন সোর্স এআই মডেল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে। ব্যবহারের পরিমাণ অনুযায়ী খরচ নির্ধারণের পাশাপাশি ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে মডেল ব্যবহারের পরিমাণ ও ব্যয়ের হিসাব দেখা যাবে। এপিআইয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, চ্যাটবট ও এআই এজেন্টের সঙ্গেও এটি যুক্ত করা সম্ভব। বিটোপিয়ার তথ্য অনুযায়ী, কিউসরের সার্ভারও দেশের ভেতরে স্থাপিত।
প্রযুক্তি খাতে প্রায় ১৪ বছর ধরে কাজ করছে বিটোপিয়া লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং এআইভিত্তিক নতুন সমাধান উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তি খাতে নিজেদের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি সপ্তাহে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দ্বিতীয়বারের মতো একাধিক যাত্রীবাহী বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার অন্তত ১০টি ফ্লাইটে এ ধরনের হুমকি পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইটের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে।
চেক প্রজাতন্ত্রের পুলিশ জানায়, বোমা থাকার হুমকি পাওয়া চারটি বিমানে তল্লাশি চালানো হয়, কিন্তু কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ইতালির বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানের পাহারায় একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজকে রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করানো হয়। একইভাবে, নিরাপত্তা হুমকির কারণে ওয়ারশ থেকে ব্রাসেলসগামী একটি ফ্লাইটও নিরাপদে অবতরণ করে। তবে উড়োজাহাজ দুটির কোনোটিতেই সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডাবলিন থেকে রোমগামী একটি ফ্লাইটকেও সম্ভাব্য বোমা হামলার হুমকির বিষয়ে সতর্ক করেছিল বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
এর আগে মঙ্গলবারও ইউরোপের অন্তত সাতটি ফ্লাইটে একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তবে সেসব উড়োজাহাজেও কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ