ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

চমেকে টানা দ্বিতীয় দিন কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা


চমেকে টানা দ্বিতীয় দিন কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন।

পুনরায়, সোমবার ক্যাম্পাসে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে। তাছাড়া, গতকাল থেকে তাদের কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বেসরকারি ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও কর্মবিরতি শুরু করেছেন। যদিও ছয় দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনির্দিষ্টকালের এ কর্মসূচি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের দফতর সম্পাদক ইরফানুর রহমান বলেন, "আমরা যে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি শুরু করেছি, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে।" দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় গেছে। তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। আলোচনার পর কর্মসূচির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসবে।

আরও পড়ুন: কেরানীগঞ্জে এসআরবি-২-এর অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ চক্রের ৬ সদস্য আটক

তিনি বলেন, "জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং ওয়ার্ডগুলোতে সেবা চালু আছে। যেহেতু আমরা কর্মবিরতিতে আছি, তাই সেবায় বিঘ্ন ঘটা স্বাভাবিক।"

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ছয় দফাগুলো হলো- স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের গত ১৯ মে জারি করা এফসিপিএস প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নতুন নির্দেশনা দেওয়া, স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং সরকারি চিকিৎসকদের জন্য পৃথক বেতনকাঠামো প্রণয়ন, বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৪ বছর নির্ধারণ, বিএমডিসি অধ্যাদেশকে আইন রূপান্তর এবং ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং বিএমডিসি ও বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সব ভর্তি পরীক্ষার ফি এক হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা।

চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন এসব দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (NCP) যোগদান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্প সত্যিই কি পারবেন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে: বিশ্লেষণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


ট্রাম্প সত্যিই কি পারবেন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে: বিশ্লেষণ

ইরান ও ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিত করার ঘোষণা করেছে।

সোমবার, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধের পর ইসরায়েল ইরানে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেয়, পরে তেহরানও একই নির্দেশনা দেয়। এই অবস্থায় প্রশ্ন ওঠে- ট্রাম্প কি সক্ষম হবেন নেতানিয়াহুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে?

এ বিষয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ইসরায়েলের নেতানিয়াহু সরকারের ওপর কেবল টেলিফোনে আলোচনা বা কূটনৈতিক কথাবার্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়- এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক নীতিবিষয়ক বিশ্লেষকরা। তবে, ভবিষ্যতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের যুদ্ধনীতি নিয়ন্ত্রণে কতটা কার্যকর চাপ প্রয়োগ করবেন, সে সম্পর্কে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান।

আন্তর্জাতিক সংকট বিশ্লেষণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশ্লেষক ডেভিড উডস জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে ইসরায়েলের ওপর প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা সাধারণ কূটনৈতিক বার্তা বা ফোনালাপের বাইরে। বরং এই প্রভাবের পরিধি অনেক বিস্তৃত ও কৌশলগত।

ডেভিড উডস বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত প্রভাবের ক্ষেত্র হলো বাস্তবিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা- যা শুধুমাত্র অস্ত্র বিক্রি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং প্রয়োজন হলে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি সীমিত করা অথবা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় অংশগ্রহণ না করার মতো সিদ্ধান্তও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই ধরনের ‘বাস্তবিক লিভারেজ’ বা কার্যকর চাপ ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল একটি বিষয়। কারণ সামরিক ও গোয়েন্দা সহযোগিতার ওপর ইসরায়েলের নিরাপত্তা কাঠামো অনেকাংশে নির্ভরশীল।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই এমন কঠোর পদক্ষেপ নেয়, তাহলে তা ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত পরিকল্পনায় সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ধরনের কঠোর অবস্থানে যাবেন কিনা, তা এখনো পরিস্কার নয়।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমন্বয় এবং চাপ-প্রতিক্রিয়ার ভারসাম্য আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত নীতি-প্রভাব কেবল বিবৃতিতে নয়, বরং সামরিক সহায়তা, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের মতো বাস্তব উপাদানের ওপর নির্ভর করে। সুতরাং, ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন কতটা কঠোর অবস্থান নেয়, সেটিই ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের নতুন দিক নির্ধারণ করবে।

তবে, ইসরায়েল ও ইরানের সর্বশেষ সংযম কত সময় স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেছে। কারণ রবিবারেও ট্রাম্প বলেছিলেন যে, ইসরায়েল এই মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা পরিচালনা করবে না। তবে, সোমবার ইসরায়েল ইরানে হামলা চালায়।

সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইন প্রতিরোধে ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


পুশইন প্রতিরোধে ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি

বাংলাদেশের দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২৯ ব্যাটালিয়ন সম্ভাব্য পুশইন প্রচেষ্টা প্রতিরোধের জন্য কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় বিভিন্ন সীমান্ত এলাকার মাধ্যমে বাংলা ভাষাভাষী কিছু মানুষকে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ধরনের পুশইনের চেষ্টা যে ঘটে গিয়েছে তা দিনাজপুরের হিলি, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ কয়েকজনের ক্ষেত্রে ঘটে। তবে বিজিবির সক্রিয় তৎপরতার ফলে সেই প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

এই পরিস্থিতির মধ্যে ফুলবাড়ী সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে কোন প্রকার অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটতে না পারে। এর পাশাপাশি, স্থানীয় গ্রামবাসীর সহযোগিতায় রাতভর পাহারাও বেশ জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, তারা সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ও পুশইন প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। ২৯-bিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আরিফ-উজ-জামান বলেছেন, বিজিবি সীমান্তে সর্বদা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো বিদেশি নাগরিক যাতে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানও চলমান রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্রুতিতে বিশ্বকাপে দ্যুতিময় যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


দ্রুতিতে বিশ্বকাপে দ্যুতিময় যারা

কিক অফের সুর বাজানোর সাথে সাথে গোল! ফুটবল বিশ্বকাপে এমন একটি ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না বলা যায়। কিন্তু বিশ্বমঞ্চের ইতিহাসে খুঁটে দেখা গেলে, প্রথম ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ানোর কীর্তি রয়েছে মোট পাঁচটি। যেখানে তুরস্কের হাকান সুকুর দ্রুততম গোলের রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখে শীর্ষে অবস্থান করছেন। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ম্যাচের বয়স ছিল মাত্র ১১ সেকেন্ড, ঠিক তখনই লক্ষ্যভেদ করে ইতিহাস গড়েছিলেন এই তুর্কি স্ট্রাইকার।

সেই ম্যাচে, ঘরের মাঠে প্রথম দিকে কিক অফ নিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের ঠিক সামনেই অসাধারণ দক্ষতার সাথে বল কেড়ে নেন তুরস্কের ইলহান মানসিজ। তার বাড়ানো পাস থেকেই দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান সুকুর। এই গোলটি এখনো বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোল হিসেবে অমর হয়ে আছে।

সুকুরের এই অতিমানবীয় কীর্তির প্রায় ছয় দশক আগে দ্রুততম রেকর্ডের মালিক ছিলেন ভাচলাভ মাসেক, যিনি ১৫ সেকেন্ডে গোল করে ছিলেন। ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরুতেই এই কীর্তি গড়েছিলেন তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার এই স্ট্রাইকার। মাসেক মূলত ভেঙেছিলেন জার্মানির আর্নেস্ট লেনারের রেকর্ড। তারও আগে ১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা শুরুর ২৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেছিলেন লেনার।

বিশ্বকাপে ৩০ সেকেন্ড বা তার চেয়ে কম সময়ে gol করার বাকি দুটি ঘটনাও বেশ রোমাঞ্চকর। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সের রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দিয়ে ম্যাচের ২৮ সেকেন্ডেই ইংল্যান্ডের হয়ে জাল খুঁজে নিয়েছিলেন ব্রায়ান রবসন। আর এই তালিকায় সবশেষ সংযোজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিন্ট ডেম্পসি। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে ঘানার বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর ঠিক ৩০ সেকেন্ডে বল জালে পাঠিয়ে এই এলিট ক্লাবে নিজের নাম প্রবেশ করান তিনি। বিশ্বমঞ্চের গতি এবং রোমাঞ্চের গল্পে এই দ্রুততম গোলগুলো ফুটবলপ্রেমীদের কাছে সবসময়ই একটি বিশেষ আকর্ষণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে অনুশীলনে ইরানের ফুটবলাররা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০২ পি.এম


মেক্সিকোতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে অনুশীলনে ইরানের ফুটবলাররা

কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের বেস ক্যাম্প মেক্সিকোর তিজুয়ানায় প্রথম অনুশীলন করেছে ইরান জাতীয় ফুটবল দল। সোমবার, দলের এই প্রথম অনুশীলনকে ঘিরে ছিল নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

উল্লেখযোগ্যভাবে, টুর্নামেন্টের অন্যতম আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বর্তমান উত্তেজনার কারণেই তাদের ঘিরে এমন বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ইরানের এই হাই-প্রোফাইল অনুশীলন সেশনটি সাধারণ দর্শক ও মিডিয়ার জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ দরজার আড়ালে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এর পরও স্থানীয় ফুটবল অনুরাগী ও মেক্সিকান ভক্তরা ইরানের ফুটবলারদের এক নজর দেখার উদ্দেশ্যে ট্রেনিং সেন্টারের আশেপাশে ভিড় জমান।

অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর বেশ কিছু সমর্থক খেলোয়াড়দের কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। সেখানে ভক্তদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন পর্তুগিজ ক্লাব পোর্তোর সাবেক তারকা ফরোয়ার্ড মেহেদি তারেমি। তিনি হাসিমুখে উপস্থিত ভক্তদের অটোগ্রাফ দেন এবং তাদের সঙ্গে থাকা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামে স্বাক্ষর করেন।

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্বের শুরু থেকেই ইরান দলের ওপর বিশেষ নজর ছিল ফুটবল মহলে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইরান দলের মূল বেস ক্যাম্প হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে। কিন্তু যাতায়াত ও লজিস্টিক প্রক্রিয়া গোছানোর মাঝপথেই সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। ফলে অ্যারিজোনার প্রকল্প বাদ দিতে হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রাপ্তি এবং টুর্নামেন্টের অন্যান্য লজিস্টিক জটিলতার সুরাহা হওয়ার আগ পর্যন্ত, ইরান দল অন্তর্বর্তীকালীন সময় হিসেবে তুরস্কে একটি বিশেষ প্রস্তুতি ক্যাম্প পরিচালনা করেছিল। পরে তুরস্ক থেকেই ইরান দলকে মেক্সিকোর ভিসা দেওয়া হয়। দলটি তুরস্ক থেকে স্পেনে যাত্রাবিরতি দিয়ে গতকাল মেক্সিকোতে পৌঁছায়।

এর মধ্যেই, ইরানের ফুটবলার, কোচ ও কয়েকজন সাপোর্ট স্টাফকে বিশ্বকাপ খেলার ভিসা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দলের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভিসা দেয়নি ট্রাম্পের সরকার। এ নিয়ে দুদেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে ফিফার কাছে চিঠিও দিয়েছে ইরান।

বিশ্লেষকদের মতে, শেষ মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে মেক্সিকোর সীমানায় মূল বেস ক্যাম্প স্থাপনের এই সিদ্ধান্তটি মূলত তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যকার রাজনৈতিক বৈরী সম্পর্কের প্রভাব এড়ানোর একটি কৌশলগত বিকল্প। এর ফলে, ইরান দল লজিস্টিক ও পরিচালনাগত ঝামেলা অনেকটাই কমিয়ে শান্তিতে মাঠের খেলায় মনোযোগ দিতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%