ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

কেরানীগঞ্জে এসআরবি-২-এর অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ চক্রের ৬ সদস্য আটক


কেরানীগঞ্জে এসআরবি-২-এর অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধসহ চক্রের ৬ সদস্য আটক

 

রাজধানীর পার্শ্ববর্তী কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক ভেজাল ওষুধসহ একটি ভেজাল ওষুধ প্রস্তুতকারী চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে এসআরবি-২।

অভিযানে ভেজাল ওষুধ প্রস্তুত ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ভেজাল ওষুধ তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সিলেটে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী নুরুল ইসলামের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এমন ভেজাল ওষুধের অবৈধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ ঘটনায় আটক ৬ জনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

তবে অভিযানে উদ্ধার হওয়া ওষুধের সুনির্দিষ্ট পরিমাণ, আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় এবং চক্রটির কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তী সময়ে জানা যাবে।

আরও পড়ুন: ইসলামী ছাত্র মজলিস ফতুল্লা থানা শাখা পুনর্গঠন সম্পন্ন -

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ-সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ-সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ

বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা থেকে শুরু করে আইনি ও ডিজিটাল নানা ধরনের তীব্র ঝুঁকির মুখে পড়তে হচ্ছে।সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

গত ৪ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ঢাকার সাভারের হেমায়েতপুরের পদ্মার মোড়ে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনজন সাংবাদিক শারীরিক হামলার শিকার হন।

আক্রান্ত সাংবাদিকরা হলেন:
* আহমদ সোহান সিরাজী (স্টার নিউজ ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট)
* রায়ান বিন আমিন (একাত্তর টিভির সাভার প্রতিনিধি)
* মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন (একাত্তর টিভির ক্যামেরা পারসন)

ঘটনার বিবরণ:
* সকালে শ্রমিক ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং কিছু শ্রমিকের বক্তব্য নেন।
* পরে ফুটেজ নেওয়ার সময় আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে একদল মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের ওপর লাঠিসোটা ও ইট নিয়ে হামলা চালায়।
* স্থানীয় কয়েকজন মানুষের হস্তক্ষেপে তারা রক্ষা পান। সাভার মডেল থানার পুলিশ এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন কর্তৃক জাতীয় দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ঘটনার বিবরণ ও প্রতিক্রিয়া:

* ঘটনা: তাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের জেরে গত শনিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক লাইভে এসে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার একটি কপি ছিঁড়ে ফেলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।

প্রকাশ্যে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ। সংগঠনটি বলেছে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির এমন আচরণ স্বাধীন গণমাধ্যম, মতপ্রকাশের অধিকার ও গণতান্ত্রিক সহনশীলতার পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

এক বিবৃতিতে সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া জানায়, প্রকাশিত সংবাদ, সম্পাদকীয় অবস্থান কিংবা রাজনৈতিক বিশ্লেষণের সঙ্গে কারো দ্বিমত বা আপত্তি থাকতেই পারে। গণতান্ত্রিক সমাজে সেই দ্বিমত প্রকাশ, সমালোচনা ও প্রতিবাদের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে। তবে মতপার্থক্য প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বজায় রাখা জরুরি।

সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির প্রকাশ্যে একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা দায়িত্বশীল আচরণের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কোনো সংবাদমাধ্যমের বক্তব্য বা অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত থাকলে তা যুক্তি, তথ্য ও পাল্টা বক্তব্যের মাধ্যমে তুলে ধরার সুযোগ রয়েছে। একইভাবে সংবাদমাধ্যমের সমালোচনা করার অধিকারও সবার রয়েছে। তবে কোনো পক্ষেরই এমন আচরণ করা উচিত নয়, যা স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে সংকুচিত করে।

সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া আরও জানায়, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে সমালোচনার ঊর্ধ্বে থাকা নয়; বরং স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশ, মতামত তুলে ধরা এবং সমালোচনার জবাব দেওয়ার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকেও সংযত ও গণতান্ত্রিক আচরণ প্রত্যাশিত।

বিবৃতিতে ,সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মির্জা সোবেদ আলী রাজা বলেছেন, গণমাধ্যমের কোনো প্রতিবেদনে কেউ সংক্ষুব্ধ হলে প্রতিকার পাওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।এ ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের মতে, এ ধরনের কার্যকর প্রতিকারব্যবস্থা থাকলে অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হতো।

সম্প্রতি দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে ককটেল হামলার ঘটনায়ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক যাতে ভয়ভীতি, হামলা কিংবা চাপের মুখে পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত না হন,তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল স্বাধীন গণমাধ্যম, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক পরিচয় ও মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে (জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) বাংলাদেশে মোট ২৮৮টি হামলার ঘটনা ঘটে। এসব হামলায় মোট ৫১৮ জন সাংবাদিক assaulted (আক্রান্ত) বা হয়রানির শিকার হন এবং ২৯৭ জন সাংবাদিক শারীরিক আঘাত বা হামলার শিকার হন।

এছাড়াও আলাদা মাসিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী:

* অক্টোবর মাসে শুধু শারীরিক হামলা ও আঘাতের শিকার হয়েছেন ১৮ জন সাংবাদিক (যাদের মধ্যে একজন প্রাণ হারিয়েছেন)।

* সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী বছরের প্রথম নয় মাস পর্যন্ত মোট ২৯৭ জন সাংবাদিক শারীরিক আঘাতের শিকার হয়েছেন।

গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশে অন্তত ২৮ জন সাংবাদিক বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজন হত্যার শিকার হয়েছেন। শারীরিক হামলা ও আঘাতের শিকার হয়েছেন ১৮ জন। এ ছাড়া আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন ৯ জন।

সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ(জেপিসি)দের অক্টোবর মাসের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। সোমবার সংগঠনটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সদ্য বিদায়ী অক্টোবর মাসে দেশের সাংবাদিকদের কর্মপরিবেশ ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকেরা শারীরিক হামলা, গ্রেপ্তার, আইনি হয়রানি, হত্যা ও প্রাণনাশের হুমকির শিকার হয়েছেন। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং সংগঠনের নিজস্ব সূত্র থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া গ্রামে একটি চায়ের দোকানে অবস্থানকালে মোটরসাইকেলে আসা দুই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীর হামলায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নিহত হন। সহকর্মীদের দাবি, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানী লেখালেখির কারণে তাঁকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

১৮ সাংবাদিকের ওপর শারীরিক হামলা

প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও সন্ত্রাসীদের হাতে অন্তত ১৮ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হামলায় চার সাংবাদিক আহত হন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে রামদা,চাপাতি, হকিস্টিক ও ব্যাট হাতে মিছিল থেকে আসা নেতা-কর্মীরা অস্ত্রের ভিডিও ধারণ করতে যাওয়া সাংবাদিকদের মারধর করেন।এতে একজন সাংবাদিকের মাথা ফেটে যায়।এ সময় আহত সাংবাদিকদের উদ্ধারে এগিয়ে আসা অন্য সাংবাদিকদেরও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গাজীপুরের টঙ্গীতে এক সাংবাদিককে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। ওই সাংবাদিকের দাবি, মোটরসাইকেলে আসা ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যক্তি তাঁর চোখ-মুখ বেঁধে তুলে নিয়ে যান। পরে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক নারীর সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। মাজার বস্তির মাদকের সংবাদ প্রকাশ করলে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে তাঁকে ফেলে যাওয়া হয়।

আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার ৯ সাংবাদিক:

প্রতিবেদনে বলা হয়, অক্টোবর মাসে অন্তত ৯ জন সাংবাদিক আইনি হয়রানি ও হুমকির শিকার হয়েছেন।এর মধ্যে ঝিনাইদহ কলেজের অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার হন।সাংবাদিকদের অভিযোগ,কলেজের ইট বিক্রির অনিয়ম আড়াল করতে অধ্যক্ষের মদদে বহিরাগত ব্যক্তিরা তাঁদের রড দিয়ে পেটান।পরে মিথ্যা মামলায় তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।পরিবারের দাবি, ডিবি পুলিশের মাদক-সংশ্লিষ্টতার সংবাদ প্রকাশের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে।

এ ছাড়া মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক চিকিৎসক সিলেট সাইবার নিরাপত্তা আদালতে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে মৃত নারীদের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় এক সাংবাদিক প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন।ওই সাংবাদিকের করা জিডিতে মর্গের সাবেক এক সহকারীকে হুমকিদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী,তিনি ফোন করে ভয় দেখান এবং ‘কোর্টে দেখে নেওয়ার’ বার্তা পাঠান।

সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও আইনি হয়রানির এসব ঘটনাকে মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করে সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদ(জেপিসি)।সংগঠনটির মতে, রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভূইঁয়া অবিলম্বে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত,দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্ম স্থান তৈরি হয়নি এটাই সবচেয়ে হতাশার। তাই সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের যে দাবি দাওয়া বতর্মান সরকারের কাছে পেশ করেছেন তা মেনে নিয়ে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন করা হউক।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া প্রধান ও চলমান নিরাপত্তা ঝুঁকিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. শারীরিক আক্রমণ ও সহিংসতা

* ভৌত হামলা: দুর্নীতি, অনিয়ম, পরিবেশদূষণ বা ক্ষমতার অপব্যবহারের সংবাদ প্রকাশ বা সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা নানা স্থানে হামলা ও মারধরের শিকার হচ্ছেন।

* প্রতিবাদস্থলে ঝুঁকি: রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন বা সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা বিক্ষোভকারী উভয় পক্ষ থেকেই অনেক সময় সাংবাদিকরা আক্রান্ত হন।

২. আইনি ও বিচারিক হয়রানি (Lawfare)

* আইনের অপব্যবহার: মানহানি বা সাইবার সুরক্ষা আইনসহ বিভিন্ন নিবর্তনমূলক আইন ব্যবহার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানি ও গ্রেপতারের প্রবণতা দেখা যায়।

* বিচারহীনতা: অতীতে সাংবাদিকদের ওপর হওয়া বেশিরভাগ হামলার বিচার বা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় অপরাধীরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।

৩. ডিজিটাল ও অনলাইন ঝুঁকি

* সাইবার আক্রমণ: স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে নজরদারি, হ্যাকিং এবং যোগাযোগ মাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

* অনলাইন হেনস্থা: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রোলিং, সাইবার বুলিং, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য এবং বিশেষ করে নারী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা ও অনলাইন হুমকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

৪. পেশাগত ও আর্থ-সামাজিক অনিশ্চয়তা

* ন্যায়সংগত পরিবেশের অভাব: অনেক সংবাদকর্মী বিশেষ করে মফস্বল বা জেলা-উপজেলায় পর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা, বিমা ও ন্যায্য কর্মপরিবেশ ছাড়াই কাজ করতে বাধ্য হন।

* আত্মনিয়ন্ত্রণ (Self-censorship): লাগাতার হুমকি, নিরাপত্তা হীনতা ও আইনি চাপের কারণে অনেক সময় সত্য প্রকাশে সাংবাদিকদের মাঝে এক ধরণের আত্মনিয়ন্ত্রণ বা ভয় কাজ করে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম দিনেই ‘রামায়ণ’র আয় ৬৫ কোটি, ছাড়াল ‘অ্যানিমেল’র রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


প্রথম দিনেই ‘রামায়ণ’র আয় ৬৫ কোটি, ছাড়াল ‘অ্যানিমেল’র রেকর্ড

বিশ্বজুড়ে বিপুল প্রত্যাশা ও প্রচারণার মধ্যে মুক্তি পেয়েছে নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রামায়ণ’। দীপাবলির প্রাক্কালে, গত ৫ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সিনেমাটি, যেখানে রণবীর কাপুর ও সাই পল্লবী অভিনয় করেছেন। তবে মুক্তির প্রথম দিনে দর্শকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া সিনেমাটি আয়ের দিক থেকে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বাণিজ্য বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল, মুক্তির প্রথম দিনে ভারতীয় বক্স অফিসে সিনেমাটির আয় ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু প্রথম দিনে সব ভাষা মিলিয়ে ভারতে সিনেমাটির নেট আয় দাঁড়িয়েছে ৬৪ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। অন্যদিকে, বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির মোট আয় হয়েছে ১২৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

ভারতীয় বক্স অফিসের আয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে হিন্দি সংস্করণ, যা আয় করেছে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

ভাষাভিত্তিক আয়ের হিসাব

বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে ভারতে ২৫ হাজার ২০০টি প্রদর্শনী থেকে ‘রামায়ণ’র নেট আয় হয়েছে ৬৪ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। ভাষাভিত্তিক আয়ের হিসাবে হিন্দির পর রয়েছে কন্নড় সংস্করণ, যা ১ হাজার ১৯৭টি প্রদর্শনী থেকে আয় করেছে ৭ কোটি ২৫ লাখ রুপি।

এছাড়া, ১ হাজার ৭৭৬টি প্রদর্শনী থেকে তেলুগু সংস্করণের আয় ৬ কোটি রুপি, ৯৯২টি প্রদর্শনী থেকে তামিল সংস্করণের আয় ২ কোটি ৬০ লাখ রুপি এবং ৫৫৭টি প্রদর্শনী থেকে মালয়ালম সংস্করণের আয় ১ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

সব মিলিয়ে ভারতে সিনেমাটির মোট গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ৫০ কোটি রুপি। ফলে বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনের গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১২৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

রণবীর কাপুরের আগের সিনেমা ‘অ্যানিমেল’-এর প্রথম দিনের আয়ের রেকর্ডও ছাড়িয়েছে ‘রামায়ণ’। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যানিমেল’ প্রথম দিনে ভারতে ৬৩ কোটি ৮০ লাখ রুপি আয় করেছিল। তবে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-এর ৫৭ কোটি রুপি উদ্বোধনী আয় ছাড়িয়ে গেলেও ‘জওয়ান’-এর ৭৫ কোটি রুপি রেকর্ড ভাঙতে পারেনি সিনেমাটি।

সমালোচকদের চোখে ‘রামায়ণ’

মুক্তির পর সিনেমাটি নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। এনডিটিভির চলচ্চিত্র সমালোচক শৈবাল চট্টোপাধ্যায় তার পর্যালোচনায় সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। তার মতে, সিনেমার প্রতিটি দৃশ্য দর্শকদের মুগ্ধ করার মতো হলেও পরিচিত চরিত্রগুলোর উপস্থাপনায় প্রাণের অভাব রয়েছে।

সিনেমায় রাম ও রাবণের চরিত্রে অভিনয় করেছেন যথাক্রমে রণবীর কাপুর ও যশ। সমালোচকের মতে, রামের চরিত্রে রণবীরের অভিনয়ে আন্তরিকতা ও সংযম রয়েছে। অন্যদিকে, বলিউডে প্রথম সিনেমায় অভিনয় করতে এসে রাবণের চরিত্রে যশ নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

চার হাজার কোটি রুপির বিশাল আয়োজন

প্রায় ৪ হাজার কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত ‘রামায়ণ’কে ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম উচ্চাভিলাষী প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ব্যাপক প্রচারণাও চালিয়েছে সিনেমাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। গত ২৭ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে সিনেমাটির বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

নীতেশ তিওয়ারির পরিচালনায় সিনেমাটিতে রণবীর কাপুর, সাই পল্লবী ও যশ ছাড়াও অভিনয় করেছেন সানি দেওল, রবি দুবে, লারা দত্তসহ আরও অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে ১৬ কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে ১০ মাসে অগ্রগতি ৪ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে ১৬ কোটি টাকার সড়ক সংস্কারে ১০ মাসে অগ্রগতি ৪ শতাংশ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর ও হায়দরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পৌরসভা অংশের নর্দমা পর্যন্ত দুই কিলোমিটারসহ তিনটি রাস্তার সংস্কার কাজের কার্যাদেশ ১০ মাস পার হতে চললেও ঢাকার এক ঠিকাদার প্রকল্পের কাজ মাত্র ৪ শতাংশ সম্পন্ন করেছেন। এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে কি না, তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। স্থানীয়দের মধ্যে এই সড়কের সংস্কারকাজের ধীরগতির কারণে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাড়ে ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন।

পৌরসভা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এডিবি, এএফডি ও সরকারি অর্থায়নে হায়দরগঞ্জ সড়কে ১৯৬০ মিটার, উপজেলা পরিষদের ভেতরে পুকুরের চারদিকে ৩০০ মিটার, টিসি সড়কের প্রস্তাবিত পৌর শিশুপার্কের ৮৬০ মিটার ও মেস্তরী বাড়ীর ১০০ মিটার সড়কসহ মোট ৪টি সড়কে ১৬ কোটি ৫৭ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে পৌরসভা। কাজের দায়িত্ব পেয়েছে ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস। ২০২৬ সালের ৪ এপ্রিল স্থানীয় এমপি আবুল খায়ের ভুঁইয়া কাজটি উদ্বোধন করেন। কিন্তু ২০২৭ সালের ৪ এপ্রিলের মধ্যে সংস্কার ও উন্নয়নকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও ১০ মাস পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। প্রথম চুক্তির মেয়াদে মাত্র ৫ মাস বাকি রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজের গতি অত্যন্ত হতাশাজনক। দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্ভোগের কারণে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার না হওয়ায় যাতায়াতে সময় ও অর্থের অপচয় হচ্ছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রকল্পের কাজের ধীরগতির কারণে সড়কজুড়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা নানা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ও পথচারীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। খানাখন্দ, সড়কের বেহাল অবস্থা এবং নির্মাণকাজের ধীরগতির কারণে স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রোগী বহনকারী যানবাহন, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

নতুনবাজার এলাকার ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন, মিন্টু ও জসিম উদ্দিনসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এক বছরের সময়সীমার ১০ মাস ইতোমধ্যে অতিবাহিত হয়ে গেছে। কাজের মাত্র ৪ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। কাজের এই ধীরগতির কারণে ৫-৬ জন শ্রমিক দিয়ে কাজ করলে তিন বছরে কাজ শেষ হবে কিনা, তা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শুধু আশ্বাসই দেন, কিন্তু দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। কারণ নিয়মিত তদারকি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহি নেই এই পৌরসভায়।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মালিক দুলাল দে মোবাইল ফোনে জানান, বিভিন্ন কারিগরি ও অর্থ সমস্যার কারণে কাজের অগ্রগতি কিছুটা ধীর হয়েছে। হায়দরগঞ্জ সড়কে আধা কিলোমিটার সড়কে ড্রেনের কাজ হয়েছে, শিশুপার্কের রাস্তার কাজে বালু ফেলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদের ভেতরে পুকুরপাড়ে কাজ শুরু হয়নি এবং মেস্তরী বাড়ীর রাস্তা কিছুটা করা হয়েছে। তিনি জানান, ডিসেম্বরে কাজ শুরু করবেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

রায়পুর পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাহামুদুন্নবি বলেন, প্রকল্পের কাজের ধীরগতির বিষয়টি আমাদের নজরে রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের গাফিরতির কারণে তদারকির পরও নির্ধারিত সময়ে ৫০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হোটেল মালিক ওয়াদুদ বিশ্বাসের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২১ পি.এম


ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে হোটেল মালিক ওয়াদুদ বিশ্বাসের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশ ওয়াদুদ বিশ্বাস (৫৫) নামের একজন হোটেল ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে শহরের নতুন বাজার এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত ওয়াদুদ আড়পাড়া গ্রামের নদীপাড়া এলাকার মতিয়ার বিশ্বাসের পুত্র ছিলেন। তিনি শহরের নতুন বাজার এলাকায় ভাতের হোটেলের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শহরের নতুন বাজার এলাকার ছাগল হাঁটার একটি চৌরি (চারদিক খোলা) ঘরে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী জানান, খবর পাওয়ার পর সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা এখনই নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%