মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৬ পি.এম
রাজধানী ঢাকাসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একসঙ্গে ‘ডাবল শিফট’ চালু করার পরিকল্পনা সরকারের নেই। প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদন এবং বাস্তব সক্ষমতা যাচাই-বাছাই করে এই সিদ্ধান্তটি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান। এদিন সংসদ অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে ও জেলা পর্যায়ে চাহিদা অনুসারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুই শিফট চালু করে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না। যদি থাকে, তবে কবে নাগাদ তা বাস্তবায়ন করা হবে?
শিক্ষামন্ত্রী সংসদে প্রশ্নের লিখিত উত্তরে জানান, শিক্ষার্থীর চাপ এবং স্থানীয় চাহিদা বিবেচনায় প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী দুই শিফট চালুর সুযোগ রয়েছে।
তবে সরকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একযোগে দুই শিফট চালু করে না; বরং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আবেদন ও বাস্তব সক্ষমতা যাচাই করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দুই শিফট চালুর প্রস্তাব এলে তা পর্যালোচনা করার বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরেন মন্ত্রী।
এ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- সংশ্লিষ্ট এলাকায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং অতিরিক্ত আসনের চাহিদা; প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ, আসবাবপত্র, স্যানিটেশন এবং অন্যান্য অবকাঠামোর সক্ষমতা; প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক ও কর্মচারীর প্রাপ্যতা; উভয় শিফটে নির্ধারিত পাঠঘণ্টা ও পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করার সক্ষমতা; প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ফলাফল এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা; শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত আর্থিক সংশ্লেষ এবং দুই শিফট চালুর ফলে শিক্ষার গুণগত মান বজায় থাকবে কি না।
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুপারিশ পাওয়া গেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় দুই শিফট চালুর বিষয়টি বিবেচনা করবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানটি নির্ধারিত শর্ত অনুসরণ করে পরবর্তী উপযুক্ত শিক্ষাবর্ষ থেকে দ্বিতীয় শিফট চালু করতে পারবে।
দেশব্যাপী এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের সময়সীমা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেহেতু এটি প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আবেদন, যাচাই এবং অনুমোদনসাপেক্ষ প্রক্রিয়া, তাই দেশব্যাপী বাস্তবায়নের জন্য কোনো অভিন্ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাওয়া গেলে প্রচলিত নীতিমালা এবং নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, নিজেদের ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশপাশে কোথাও যেন পানি জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।"
মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে নেত্রকোনার কলমাকান্দা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা করার এবং প্রাণী ও জীবজন্তুর প্রতি যত্নশীল হওয়ার পরামর্শও দেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ তথ্য জানান।
পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস নিজের পরিবার থেকেই শুরু করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "তোমরা নিজেরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে এবং পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও প্রতিবেশীদেরকেও সচেতন করবে। তোমাদের ছোট ছোট উদ্যোগই একটি পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।"
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন। তারা কোন শ্রেণিতে পড়ে, কীভাবে পড়াশোনা করছে এবং ভবিষ্যতে কী হতে চায়; এসব বিষয়েও তাদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "শুধু পাঠ্যবইয়ে মনোযোগ দিলেই হবে না; সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চা করতে হবে। সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে হবে এবং নিজেদের ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।"
মানুষের পাশাপাশি প্রাণী ও জীবজন্তুর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমাদের চারপাশের অসহায় ও অবলা প্রাণীদের প্রতিও যত্নবান হতে হবে। কোনো প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করা যাবে না। জীবজন্তুর প্রতি মমতা ও দায়িত্ববোধ মানবিক সমাজের পরিচয়।"
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ৪২ জন শিক্ষার্থী আজ জাতীয় সংসদের অধিবেশন দেখতে সংসদ ভবনে আসেন।
তাদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষক এবং পরিচালনা কমিটির দু’জন সদস্যও ছিলেন। সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার একপর্যায়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পরামর্শ নিজেদের জীবনে অনুসরণ করার পাশাপাশি পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্ট দুইজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রেখেছে এবং চারজনের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করেছে। এছাড়া, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জনকে খালাস দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার ১১২ পৃষ্ঠার এই রায় প্রকাশিত হয়। এর আগে ২৪ আগস্ট বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেন।
মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা দুই আসামির মধ্যে রয়েছেন, সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম (২০)। যাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, নূর উদ্দিন, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জুবায়ের এবং উম্মে সুলতানা ওরফে পপি।
খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, কামরুন নাহার মনি, হাফেজ আব্দুল কাদের, মোহাম্মদ শামীম, মহিউদ্দিন শাকিল, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, আব্দুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সভাপতি ও মাদ্রাসার সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, আবছার উদ্দিন এবং তৎকালীন কাউন্সিলার ও সোনাগাজী পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম ওরফে মোকসুদ কাউন্সিলার।
২০১৯ সালের ২৭ মার্চ, নুসরাতের মা শিরীন আখতার সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ-উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এই মামলার পর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরে, অধ্যক্ষের অনুগত কিছু ক্যাডার জনমত গঠন করে সিরাজকে জেল থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করে। ৩ এপ্রিল, খুনিরা সিরাজের সঙ্গে কারাগারে পরামর্শ করে ৪ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ৬ এপ্রিল নুসরাত মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা দিতে গেলে পরিকল্পিতভাবে সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে নুসরাতকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে নুসরাতকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে, তাকে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে, নুসরাতকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল নুসরাত মারা যান।
এ ঘটনায়, নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৮ মে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর ২০ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত রায়ের জন্য ২৪ অক্টোবর নির্ধারণ করে। মামলাটিতে মাত্র ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক গ্রহণ করা হয়। এরপর, একই বছরের ২৪ অক্টোবর আদালত ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ প্রদান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা করেছেন জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম, চলমান উন্নয়ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় সভায় আলোচনা করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান এবং গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনসেবা নিশ্চিতকরণ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার ৪ নম্বর পার্বতীপুর ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী ‘পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম হাফিজিয়া কেরাতিয়া ও নূরানী মাদ্রাসা’-য় নতুন শিক্ষাবর্ষে সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম মহাসমারোহে শুরু হয়েছে। কোলাহলমুক্ত ও শান্ত নিবিড় পরিবেশে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার এক অনন্য সমন্বয় ঘটিয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
এখানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত আবাসিক ও অনাবাসিক—উভয় শাখায় ছাত্র ভর্তি নেওয়া হচ্ছে।
পড়াশোনার প্রধান বিভাগসমূহ
নূরানী বিভাগ (শিশু শ্রেণি হতে ৩য় শ্রেণি)
নাজেরা বিভাগ
হিফজুল কুরআন বিভাগ
হিফজ রিভিশন (দৌড়) বিভাগ
কেন বেছে নেবেন এই প্রতিষ্ঠানটি?
দ্রুত ও শুদ্ধ হিফজ: সঠিক তাজবীদ, মাখরাজ ও সিফাত অনুসরণ করে সুশৃঙ্খল নিয়মে দ্রুততম সময়ে কুরআন হিফজ সম্পন্ন করার বিশেষ ব্যবস্থা।
দক্ষ শিক্ষক মণ্ডলী: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দেশবরেণ্য অভিজ্ঞ হাফেজ ও ক্বারীগণ দ্বারা সার্বক্ষণিক নিবিড় পাঠদান।
সমন্বিত শিক্ষা: আরবি ও দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে সমান গুরুত্ব প্রদান। নিয়মিত ইংরেজি ও আরবি ভাষায় কথা বলা এবং লেখার বিশেষ অনুশীলন করানো হয়।
ব্যক্তিগত পরিচর্যা: দুর্বল ও অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের পড়া আদায়ে রয়েছে আলাদা যত্ন ও নজরদারির সুব্যবস্থা।
প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি: সঠিক লাহানে তেলাওয়াতের মাশকের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়।
বিশেষ সুযোগ-সুবিধা: গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ ছাড় এবং আবাসিক ছাত্রদের জন্য সুসংগঠিত লজিং/জাগির খাওয়ার ব্যবস্থা।
দিনের পর দিন শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে শুধু স্থানীয়ই নয়, দূর-দূরান্ত থেকেও অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে এখানে ভর্তি করাচ্ছেন। ইলম, আমল ও উত্তম আখলাকের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই এই মাদ্রাসার মূল লক্ষ্য।
আজই যোগাযোগ করুন:
আপনার সন্তানের উজ্জ্বল ও দ্বীনি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সরাসরি যোগাযোগ করুন নিচে দেওয়া নম্বরগুলোতে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ