মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৩ পি.এম
দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি দেখে ২২ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পাওয়া ইব্রাহিম আলী শেখের পাশে দাঁড়িয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর। সরকারী সহায়তা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে, হাইকোর্টে খালাস পাওয়ার পরও প্রায় আট বছর কারাগারে থাকার ঘটনায় রাষ্ট্রের কাছে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে এ ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি আদালতের আদেশ দ্রুত বাস্তবায়নে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর দাবিও করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অ্যানেক্স ভবনের ২৯ নম্বর কোর্টে বিচারক ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর আদালতে রিট পিটিশনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
বিষয়টি দৈনিক যুগান্তরকে নিশ্চিত করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ হাসান শহীদ কারুজ্জামান ও অ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
এর আগে যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই দুই আইনজীবী। পরে তার দীর্ঘ কারাবাস এবং খালাস পাওয়ার পরও কারাগারে থাকার বিষয়ে নথিপত্র সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে জনস্বার্থে আইনি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেওয়া আইনি নোটিশের সঙ্গে যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পেপার কাটিংও রেফারেন্স হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।
আইনজীবীরা রাষ্ট্রের ১২টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ প্রদান করেন। এর মধ্যে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, কারা অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বাগেরহাট ও নওগাঁর জেলা প্রশাসক, সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খুলনা পুলিশ সুপার এবং নওগাঁ জেলা কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৩ সালে ইব্রাহিমকে হত্যা ও বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৭ সালের ২০ জুলাই হাইকোর্ট বিভাগ তাকে খালাস দেন। কিন্তু খালাসের আদেশের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছাতে প্রায় আট বছর সময় লাগে। ফলে আদালতে খালাস পাওয়ার পরও ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে কারাগারে থাকতে হয়। নোটিশে এই অতিরিক্ত আটককে বেআইনি উল্লেখ করে তার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে।
নোটিশে ইব্রাহিমকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ, পূর্ণ পুনর্বাসন, বাসস্থান ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আট বছর বিলম্বের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও জবাবদিহির ব্যবস্থা এবং আদালত, পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের মধ্যে আদালতের আদেশ দ্রুত পৌঁছে দিতে বাধ্যতামূলক ডিজিটাল অর্ডার ট্রান্সমিশন ব্যবস্থা চালুর দাবি করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে সংবিধানের ১০২(২)(এ) অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট করার কথা জানানো হয়েছে।
এদিকে যুগান্তরে প্রকাশিত সংবাদ নজরে আসার পর বাগেরহাট জেলা প্রবেশন অফিসার শহিদুর রহমান ইব্রাহিমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তার বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে তাকে সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইব্রাহিমের চাহিদা অনুযায়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি পাকা ঘর ও একটি মুদির দোকানের ব্যবস্থা করার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ১৬ জুলাই দৈনিক যুগান্তরে ‘বিনা দোষে ২২ বছর কারাগারে ইব্রাহিম’, ‘জেল থেকে মুক্তি পাইছি, জীবনডা ফেরত পাই নাই’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এতে দীর্ঘ কারাজীবন শেষে মুক্তি পাওয়া ইব্রাহিমের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরা হয়। পরে ১৭ জুলাই ইব্রাহিমের ক্ষতিপূরণ ও পুণর্বাসনের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়ে সম্পাদকীয় প্রকাশ করা হয়।
মুক্তির পর ফকিরহাট উপজেলার লখপুর ইউনিয়নের ভবনা-খাড়িবুনিয়া গ্রামের মরাপশুর নদীর চরে খাসজমিতে অন্যের আশ্রয়ে জরাজীর্ণ ঘরে বৃদ্ধ মাকে নিয়ে বসবাস করছেন ইব্রাহিম। সংসার চালাতে মানুষের বাড়িতে কাজ করলেও দীর্ঘ কারাভোগের পর শারীরিক দুর্বলতার কারণে নিয়মিত কাজ করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। মুক্তির পর সরকারি সহায়তা ও পুনর্বাসনের আশায় বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরলেও এতদিন কার্যকর সহায়তা পাননি তিনি।
সহায়তার উদ্যোগ ও আইনি পদক্ষেপে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইব্রাহিম আলী শেখ বলেন, ‘জেল থেকে বের হওয়ার পর এক বছর ধরে মানবেতর জীবনযাপন করেছি। কিন্তু দৈনিক যুগান্তর আমার কষ্টের কথা প্রকাশ করায় অনেক মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছে। সমাজসেবা অফিস ও আইনজীবীরা সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন। এখন আবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) প্রথম সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সমাবর্তন আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের ১৫ ও ১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন।
সাক্ষাৎ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান উপস্থিত ছিলেন। এই সমাবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদ ও ২১টি বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হবে।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও ৪৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের বিষয় এবং চাকরির বাজারে চাহিদা রয়েছে এমন সাবজেক্ট খোলার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নয়ন নিয়ে তাঁরা দীর্ঘ আলোচনা করেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বলেন, "মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনের ব্যাপারে কথা বলেছি। তিনি এ ব্যাপারে আমাদেরকে সম্মতি দিয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চের ১৫ ও ১৬ তারিখে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানী তেলের দাম হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপকূলের জেলেরা এবং মৎস্য সংশ্লিষ্টরা। তারা দাবি করেছেন, জ্বালানী তেলের দাম কমিয়ে সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসা হোক। পটুয়াখালীর বৃহৎ মৎস্য বন্দর মহিপুর ও আলীপুরে বছরের অধিকাংশ সময় ইলিশের আকাল চলছিল। কাঙ্ক্ষিত ইলিশের অভাবে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা লোকসানে পড়েছেন।
ট্রলার মাঝি সুলতান মন্তব্য করেন, "ধার দেনায় জর্জরিত হয়ে পড়েছি। তার উপর হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে জ্বালানী তেলের দাম।" তিনি জানান, ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা বেড়ে গেছে। সুলতান বলেন, "এ যেন জেলেদের মরার উপর খড়ার ঘা।"
জেলে সোবাহান জানান, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে মাছ আহরণ, পরিবহন ও সংরক্ষণের খরচ বাড়বে। এতে মৎস্য খাতে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই ক্ষোভ প্রকাশের পাশাপাশি তিনি তেলের দাম কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে রাখা অথবা ভর্তুকির দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলায় ৭০ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। এর বাইরেও অনিবন্ধিত জেলের সংখ্যা অর্ধলক্ষের বেশি।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানিয়েছেন, জেলেদের দাবি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটের কারণে সউদী আরব এ বছরের লোহিত সাগর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (রেড সি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল) বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উৎসবটি বিশ্বের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র তারকাদের অংশগ্রহণের জন্য পরিচিত, যেখানে এমিলি ব্লান্ট, অ্যাড্রিয়েন ব্রডি, গুইনেথ প্যালট্রো ও মাইকেল কেইনের মতো হলিউডের তারকারা পূর্বে উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিবছর সউদী আরবের লোহিত সাগর তীরবর্তী জেদ্দা শহরে এই চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। চলতি বছরও ডিসেম্বর মাসে উৎসবটি আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। তবে আয়োজকরা জানিয়েছেন, উৎসবটি আগামী বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হবে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, উৎসবটি যেন ‘উপযুক্ত সময় ও সঠিক পরিস্থিতিতে’ অনুষ্ঠিত হতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই উৎসবে হলিউডের পাশাপাশি বলিউড ও আরব বিশ্বের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র তারকারাও অংশগ্রহণ করেন।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা সউদী আরবের বিভিন্ন তেল স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। শনিবার রিয়াদে হামলার দায়ও হুতিরা স্বীকার করেছে। ওই হামলার ফলে সউদী রাজধানীর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা ব্যাহত হয়েছে।
সংঘাতের বিস্তার ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে সউদী আরবের অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত রেড সি চলচ্চিত্র উৎসব স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।বকশীগঞ্জে সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
রাশেদুল ইসলাম রনি :
জামালপুরের বকশীগঞ্জে দৈনিক মানবকণ্ঠের উপজেলা প্রতিনিধি ও বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে বকশীগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ ও সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মোয়াজ্জেম হোসেন হিলারী দীর্ঘদিন ধরে বকশীগঞ্জে সংবাদকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করে আসছেন। বক্তাদের দাবি, এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, সাংবাদিক হিলারীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে বক্তাদের বক্তব্যে একটি জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টিও উঠে আসে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট দাগের জমির বি.আর.এস. রেকর্ড নুরুন্নাহার ওরফে কাপাশি বিবির নামে চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত ছিল। ১৯৯০ সালের দিকে ওই এলাকায় চলাচলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে সাংবাদিক হিলারীর দাদা-শ্বশুর হেকমত আলী, শ্বশুর লিয়াকত আলী ও ফুফু-শাশুড়িসহ তিনজন মিলে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছিলেন বলে দাবি করা হয়।
বক্তাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণের পর খতিয়ানের হোল্ডিং থেকে রাস্তার অংশ আলাদাভাবে কর্তন না হওয়ায় পরবর্তীতে ওই জমি নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, আবুল কাশেম কাশি কৌশলে রাস্তার জমি নিজের নামে খারিজ করে নেন এবং সাংবাদিক হিলারী ওই সম্পত্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত না থাকলেও তাকে মামলায় ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আবুল কাশেম কাশির বক্তব্য জানা যায়নি।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ইত্তেফাকের সাংবাদিক শাহীন আল আমিন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক আব্দুল লতিফ লায়ন, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম রনি, সমকালের সাংবাদিক মাসুদুল হাসান, আরটিভির প্রতিনিধি জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, প্রতিদিনের কাগজের প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান লিমন, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি এমদাদুল হক লালন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি আল মুজাহিদ বাবু,সাংবাদিক মারুফ হাসান, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি আশরাফুল হায়দার, আমার দেশের প্রতিনিধি রকিবুল হাসান বিদ্রোহী, দেশের কণ্ঠের প্রতিনিধি সালাম মাহমুদ, রূপালী বাংলাদেশের প্রতিনিধি মুস্তাফা গাজী, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি রাসেল রানা, সাংবাদিক হারুনুর রশিদ, রিপন রাজ, সকালের সময়ের প্রতিনিধি জামিল মিয়া, আজকের বসুন্ধরার প্রতিনিধি ইমরান মাহমুদ, প্রাইম টিভির প্রতিনিধি সাদিয়া ইসলাম, গণকণ্ঠের প্রতিনিধি ইমরান মিয়া, আমিনুল ইসলাম, তাহের, মনোহার আলীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ