ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ডাকযোগে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকি


স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে ডাকযোগে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকি

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ডাকযোগে একটি চিঠি পাঠিয়ে মোহাম্মদ সবুজ নামের স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২২ জুন) দুপুরের সময় মোহাম্মদ সবুজ তার ফেসবুক আইডিতে চিঠির ছবি প্রকাশ করে হুমকির বিষয়টি জানান।

হুমকির শিকার মোহাম্মদ সবুজ ইসলামপুর উপজেলার ৩ নম্বর চিনাডুলী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি ঐ ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

চিঠির খামের ওপর প্রাপকের ঠিকানায় লেখা রয়েছে, মোহাম্মদ সবুজ, পিতা জাহাঙ্গীর আলম। খামের বাম পাশে মুজিব শতবর্ষের লোগো এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি বিশিষ্টভাবে প্রদর্শিত রয়েছে।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

বিষয়টি আরো উদ্বেগজনক, কারণ চিঠিতে লেখা হয়, ‘তুই নিজেকে অনেক বড় নেতা ভাবিস। অপেক্ষা করতে থাক। তুই পুলিশকে নিয়ে বড়াই করিস। আমরা পুলিশ ব্যবহার করব না, তোকে গাছের সঙ্গে লটকিয়ে মারব, ইনশাআল্লাহ। অপেক্ষা করতে থাক। তোর কোন বাপ আছে, তোকে বাঁচাবে না।’

মোহাম্মদ সবুজ বলেন, ‘আমি তখন বাড়ির বাইরে ছিলাম। পরে শুনতে পাই, আবু তালেব নামের এক ব্যক্তি আমাদের বাড়ির সামনে এসে চিঠিটি ফেলে চলে যায়। পরে ডাকঘরে গেলে তারা জানায়, চিঠিটি ইসলামপুরে এসেছে এবং ঠিকানামতো দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরো যোগ করেন, ‘বিএনপি বা আওয়ামী লীগের কারো সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত শত্রুতা নেই। কে বা কারা এ চিঠিটি পাঠিয়েছে, তা বলতে পারছি না। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো সাধারণ ডায়েরি করিনি।’

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ূম গাজী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় বিশেষ অভিযান, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেফতার ৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


খুলনায় বিশেষ অভিযান, অস্ত্র-গোলাবারুদসহ গ্রেফতার ৫

খুলনা মহানগরীতে চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে চলমান বিশেষ অভিযানের একটি অংশ হিসেবে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।

রোববার (২১ জুন) রাতে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারে অভিযুক্তরা হলেন: মো. আবরার ফয়সাল, মো. আল-আমিন, মো. তুষার শিকদার, মো. আসিফ এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির। তাদের সম্পর্কে দাবি করা হয়েছে যে, তারা খুলনার চিহ্নিত ‘বি কোম্পানি’সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য।

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা মহানগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এই পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্যমতে, তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, এবং চাঁদাবাজিসহ একাধিক গুরুতর মামলার তথ্য রয়েছে, এবং তারা দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিল।

গ্রেফতারদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে।

উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে: একটি বিদেশি পিস্তল (ম্যাগাজিন সংযুক্ত), একটি রিভলভার, এবং ৭.৬৫ বোরের দুই রাউন্ড তাজা গুলি। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয়ে খুলনা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, গ্রেফতারদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা মহানগরীতে সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস শনাক্তে আরও অভিযান চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মহানগরীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ বা মাদক কারবারিকে ছাড় দেয়া হবে না।’ গ্রেফতারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা মহানগরীতে সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস শনাক্তে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ সালের পর প্রাথমিকে কোনো অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪২ পি.এম


২০২৮ সালের পর প্রাথমিকে কোনো অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকবেন না : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

২০২৮ সালের মধ্যে সারা দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষককে নিশ্চিত করার বিষয়টি জানিয়েছেন ববি হাজ্জাজ, যিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

তিনি মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে সম্ভব নয়। এটি জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, যুগোপযোগী কারিকুলাম এবং শিশুদের জন্য আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে। এমন ধরনের শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যা শেখা তাদের কাছে বোঝা না হয়ে বরং আনন্দের বিষয় হয়ে উঠে।

সোমবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত আইইউবি এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে।

এ সময় ববি হাজ্জাজ এনসিটিবিকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগতভাবে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন।

তিনি এক্ষেত্রে আরো বলেন, শিক্ষকের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন কখনো সম্ভব নয়। একজন শিক্ষক যদি আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে সম্মানজনক জীবনযাপন করতে না পারেন, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কখনোই অর্জন করা যাবে না।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ওয়ান-শিফটে রূপান্তর করার বিষয়টি সম্পর্কে বলার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, দুই শিফটের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ পাচ্ছে না।

সুতরাং, পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ওয়ান-শিফট স্কুলে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টিকে উল্লেখ করতে গিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০২৮ সালের পর দেশের কোনো প্রাথমিক শ্রেণীকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না। এই নীতি সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন কিংবা ইংরেজি মাধ্যম সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য হবে।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম.তামিমের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের উন্নয়নে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত তথ্য-উপাত্ত অপরিহার্য : জোনায়েদ সাকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


দেশের উন্নয়নে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত তথ্য-উপাত্ত অপরিহার্য : জোনায়েদ সাকি

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। এ সময় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, তথ্য ও উপাত্ত ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের জন্য তথ্যভান্ডারকে অধিকতর উন্মুক্ত করতে কাজ করছে সরকার। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য এবং মানসম্মত তথ্য-উপাত্ত অপরিহার্য।’

আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে কার্যক্রমটি অনুষ্ঠিত হতে থাকে, যেখানে পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘স্টেকহোল্ডার সেনসিটাইজেশন ওয়ার্কশপ অন মাইক্রোডাটা অ্যানালাইসিস ল্যাব অব বিবিএস’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কোরিয়া ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (কোইকা) সমর্থিত ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস বেইজড অন প্ল্যাটফর্ম (সিবিএসএসপি)’ প্রকল্পের আওতায় কর্মশালাটি আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিবিএসের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) নবপ্রতিষ্ঠিত ‘মাইক্রোডাটা অ্যানালাইসিস ল্যাব’ গবেষণা, প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন এবং সরকারি পরিসংখ্যানের প্রতি জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি কথা বলেন, এর মাধ্যমে বিবিএস শুধু তথ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং আধুনিক ডাটা সার্ভিস প্রদানকারী জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তথ্য ও উপাত্তের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে অতীতে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে সরকার এমন একটি তথ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কারসাজির সুযোগ থাকবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘জিডিপি, দারিদ্র্যের হার, জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক শুমারি এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রভাব মূল্যায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য অপরিহার্য। তথ্যের ভিত্তি দুর্বল হলে উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রকৃত অগ্রগতি মূল্যায়নও কঠিন হয়ে পড়ে।’

জোনায়েদ সাকি আরও যোগ করেছেন, সরকার দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর করে তুলতে চায়। এজন্য কোথা থেকে যাত্রা শুরু হচ্ছে, কী পরিমাণ অগ্রগতি হচ্ছে এবং কোথায় নীতিগত সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে-এসব নির্ধারণে মানসম্মত তথ্যের কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফি থাকতে পারে, তবে শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বা বিনামূল্যে তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রাখার বিষয়েও সরকার বিবেচনা করছে।

তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তথ্য উন্মুক্ত করা হবে জানাতে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা হলেও ব্যক্তিগত পরিচয় বা সংবেদনশীল তথ্য সুরক্ষিত রাখা হবে। তিনি শেষেও বলেন, ‘যত বেশি গবেষণা হবে এবং তথ্যের ব্যবহার বাড়বে, ততই দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা আরও কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার বলেন, বিবিএসের তথ্য সেবাকে আধুনিক, নিরাপদ ও ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক করার ক্ষেত্রে মাইক্রোডাটা অ্যানালাইসিস ল্যাব একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওবায়দুল ইসলাম বলেন, মাইক্রোডাটা অ্যানালাইসিস ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, গবেষক, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের জন্য সরকারি মাইক্রোডাটা ব্যবহারের একটি নিরাপদ ও সুশাসিত ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়েছে। কোইকা বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জিহুন কিম বলেন, বিবিএসের সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডাটা ব্যবস্থাপনার আধুনিকীকরণ এবং সিবিএসএসপি প্রকল্পের আওতায় চলমান সহযোগিতা বাংলাদেশের সরকারি পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব করতে সহায়তা করবে। কর্মশালায় অংশ নেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, বিবিএস এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১২৫

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ঘটে গেছে, এবং হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১,১২৫ শিশু।

দেশের বিভিন্ন স্থানে সোমবার (২২ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়ে এক হাজার ১২৫ শিশু হাসপাতালে এসেছে।

সোমবার (২২ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতর হাম-বিষয়ক একটি হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এর ফলে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৫৯০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৩টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৫। এই একই সময়ে ৮৮৪টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে এক হাজার ১৩৬টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য জানাচ্ছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৩ হাজার ৭৫৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ১৭১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৭ হাজার ৭৪৩ রোগী, তাদের মধ্যে ৭৩ হাজার ৯৮৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%