বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:২১ পি.এম
নিউ জিল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার বিগ ব্যাশ লিগে খেলার একটি আকর্ষণীয় প্রস্তাব পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার দেশের ক্রিকেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের আর্থিক সুবিধার তুলনায় তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
সম্প্রতি নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে কেন্দ্রীয় চুক্তি ত্যাগ করে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তিতে যাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিগ ব্যাশসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। স্যান্টনারের জন্যও একই পথ খোলা ছিল। কিন্তু তিনি কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিগ ব্যাশের সময় নিউ জিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মৌসুম চলতে থাকে, ফলে দেশটির ক্রিকেটারদের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং জাতীয় দলের দায়িত্বের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। টিম সাইফার্ট, অ্যাডাম মিল্ন, লকি ফার্গুসন, ফিন অ্যালেন ও মার্ক চ্যাপম্যান ইতোমধ্যে ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তির দিকে অগ্রসর হয়েছেন। সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও একই ধরনের চুক্তিতে ছিলেন।
নিউ জিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আর্থিক আয় তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট অনেক ক্রিকেটারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে স্যান্টনার মনে করেন, দেশের ক্রিকেটে তার এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
স্যান্টনার নিউ জিল্যান্ড হেরাল্ডকে বলেন, বিগ ব্যাশের প্রস্তাবটি সত্যিই আকর্ষণীয় ছিল এবং তিনি বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহকারে ভেবেছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "মিথ্যা বলব না, প্রস্তাবটি ভালো ছিল। তারা জানত, চুক্তির শর্ত এবং সামনে যা কিছু আসবে, সবকিছু বিবেচনায় রেখেও প্রস্তাবটি আকর্ষণীয় হতে হবে। আমিও বিষয়টি নিয়ে ভেবেছিলাম। কিন্তু আমাদের সামনে যা কিছু আছে, সেদিকে তাকালে মনে হয়, টেস্টে আমি প্রতিটি ম্যাচ না খেললেও দলে আমার একটি ভূমিকা থাকবে।"
সাদা বলের অধিনায়কত্বও তার সিদ্ধান্তে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে। ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তিতে থেকেও নেতৃত্ব চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাব্য পথ নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। তবে স্যান্টনার সেটিকে উপযুক্ত মনে করেননি।
তিনি আরও বলেন, "অধিনায়কত্ব ছাড়তে চাই না আমি। আমার জন্য তাই সিদ্ধান্তটি নেওয়া সহজ ছিল। অবশ্য এমন আলোচনাও হয়েছিল যে, একটা পথ বের করা যেত। কিন্তু কেন্দ্রীয় চুক্তিতে না থেকে অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা এই পর্যায়ে ঠিক হতো কি না, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই।"
নিউ জিল্যান্ডের সামনে একটি ব্যস্ত সাদা বলের সূচি রয়েছে। আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং পরের বছর দেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। স্যান্টনার দুটি টুর্নামেন্টেই দলের নেতৃত্ব দিতে চান। তিনি বলেন, "আগামী বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপ আছে। তার পরের বছর নিউ জিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আমি এসবের অংশ হতে চাই। তখনও যদি দলের নেতৃত্ব দিতে পারি, তাহলে দারুণ হবে।"
তবে সতীর্থদের ‘ক্যাজুয়াল’ চুক্তি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন না স্যান্টনার। বরং নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটের আর্থিক বাস্তবতা তিনি বুঝতে পারছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের সময় একটি আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটে। এই দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সৈনিক নিহত হন এবং একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। বুধবার একটি ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় এই ঘটনা ঘটে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, আহত কর্মকর্তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের তেলুপিডে একটি যাত্রীবাহী গাড়ির সঙ্গে লরির সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে তেলুপিডের কাম্পুং গামবারন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
সাবাহ ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের অপারেশন সেন্টার জানায়, বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে সকাল ৭টা ২৮ মিনিটে জরুরি কল তাদের কাছে আসে। খবর পাওয়ার পর বেলুরান ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশনের সাতজন দমকলকর্মী ৯৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তবে, টেলিফোন নেটওয়ার্ক ও সরকারি ইন্টিগ্রেটেড রেডিও নেটওয়ার্কের সংযোগের অভাবে উদ্ধারকাজে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হয়।
দমকলকর্মী, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ এবং সিভিল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা গাড়িতে আটকে থাকা চারজনকে উদ্ধার করেন। পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চিকিৎসাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের পরিচয় এবং লিঙ্গ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেলুরান জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিনটেনডেন্ট হাসান মজিদ জানান, নিহতদের মধ্যে ৬৩ বছর বয়সী একজন স্থানীয় নাগরিক এবং তিনজন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। দুর্ঘটনায় ৪৪ বছর বয়সী লরি চালকও আহত হয়েছেন। সূত্র: মালয় মেইল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের একটি স্কুলে ঢুকে এক পুলিশ কর্মকর্তা তার শিক্ষিকা স্ত্রীর উপর গুলি চালিয়ে হত্যা করেছেন। বুধবার, কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাটি ব্যাঙ্ককের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত চোনবুরি প্রদেশের একটি কিন্ডারগার্টেনে ঘটে।তবে, কিন্ডারগার্টেনের সকল শিশু নিরাপদে রয়েছে।
স্ত্রীকে হত্যা করার পর, বন্দুকধারী দক্ষিণ-পূর্ব ব্যাঙ্ককের চোনবুরি প্রদেশে তার নিজ বাড়িতে ফিরে যান। সেখানে, পুলিশ তার আত্মসমর্পণের জন্য তার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিল। উল্লেখ্য, এক মাস আগে, দেশটিতে এক কিশোর তার দাদা-দাদিকে গুলি করার পর স্কুলের পাঁচজন কর্মী এবং এক ছাত্রকে হত্যা করে।
এরপর, ওই কিশোর নিজেও আত্মহত্যা করে।
এই অঞ্চলে থাইল্যান্ডে বন্দুকের মালিকানার হার অন্যতম সর্বোচ্চ। অতীতে বন্দুক আইন কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও, বারবার গোলাগুলির ঘটনা ঠেকানো সম্ভব হয়নি।
নং প্লা লাই উপ-জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সায়ান ক্লোমাওন এএফপিকে জানান, ‘বন্দুকধারী এলাকার একজন পুলিশ সদস্য।
তিনি স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে স্কুলে এসে তার স্ত্রীকে গুলি করেন। গুলি করার পূর্বে তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনাটি শ্রেণীকক্ষে ঘটেনি, তাই কোনো ছাত্রছাত্রী তা প্রত্যক্ষ করেনি। এরপর বন্দুকধারী বাড়ি চলে যান।’ চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং বলেন, ‘বন্দুকধারী যে বাড়িতে ছিল সেটি ঘিরে ফেলা হয়েছে এবং তার আত্মসমর্পণের জন্য আলোচনা চলছে।
তবে তার উদ্দেশ্যটি অস্পষ্টই রয়ে গেছে।’
ফেসবুকে একটি বিবৃতিতে, চোনবুরির গভর্নর নারিস নিরামাইওং নিশ্চিত করেছেন, ‘স্কুল থেকে তিনজন শিক্ষক ও অন্য তিনজন কর্মচারীসহ ৪৪ জন শিশুকেই নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’ গভর্নর রিস কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, ‘টনার প্রত্যক্ষদর্শী শিশু ও কর্মীদের মনস্তাত্ত্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে।’ উল্লেখ্য, এর আগে, বন্দুক ও ছুরি হাতে একজন প্রাক্তন পুলিশ সদস্য উত্তর থাইল্যান্ডের একটি নার্সারিতে হামলা চালিয়ে ২৪ জন শিশু ও ১২ জন প্রাপ্তবয়স্ককে হত্যা করে, যা ছিল দেশটির অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যাগুলোর একটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর কাছে বাস মালিক সমিতির করা আবেদন গ্রহণ করেনি হাইকোর্ট। আদালতের বক্তব্য হলো, যেসব বাস বিআরটিএ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে, কেবল সেসব বাসই মহাসড়কে চলাচল করতে পারবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের নেতৃত্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।
বিআরটিএর পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম। তিনি পরে জানান, স্লিপার বাস মালিক অ্যাসোসিয়েশন সড়কে এসব বাস চালানোর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল। শুনানির সময় তিনি আদালতকে অবহিত করেন, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৪০ ধারায় যানবাহনের কারিগরি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি নির্ধারিত কারিগরি বৈশিষ্ট্য লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে তা আইন অনুযায়ী ৮০ ও ৮৪ ধারায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২৮ ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রুট পারমিট ছাড়া কোনো গাড়ি সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
আইনজীবী মো. রাফিউল ইসলাম বলেন, ‘আদালত বলেছেন, শুধুমাত্র বিআরটিএ যেসব বাস চলাচলে পারমিশন দিয়েছে, সেগুলোই রাস্তায় চলাচল করবে। স্লিপার বাস চালানোর তো পারমিশন নেই। হাইকোর্টও পারমিশন দেয়নি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ