১১:৪০ এম
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) প্রথম বই ভিত্তিক সংগঠন "বই বৃন্ত" এর কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসিফ হোসেন অপি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দ ওয়ালিদ হাসান।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের সম্পা মালো (২৩ ব্যাচ) এবং গণিত ডিসিপ্লিনের সাদিয়া তাবাসসুম (২২ ব্যাচ)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা ডিসিপ্লিনের সুমাইয়া খাতুন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে রয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের জাকিয়া ফারহানা চৌধুরী মাধুরী। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসিই ডিসিপ্লিনের আব্দুল কাদের নিহাজ এবং বাংলা ডিসিপ্লিনের মো. শাহারিয়া সাহাদ মাহিন।
অর্থ সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের মীর্জা নাজমুস সাদাত এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের আঁখি আনিস। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইংরেজি ডিসিপ্লিনের আব্দুর রহমান, ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের আজিজুর রহমান এবং এসডব্লিউই ডিসিপ্লিনের প্রজ্ঞা লাবনী পাল।
আরও পড়ুন: দুই হাতের আঙুল নেই, পা দিয়ে লিখে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৩.৫০ অর্জন কলি রানীর
প্রচারণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এস এম সাহেবী ইকরাম রেদোয়ান, লাবণী অধিকারী, মো. শিহাব হোসেন শান, এস এম আনহাজুর রহমান, কে এম রাউফুল আলম অর্ণব, আনিকা শারমিলা এবং জাফিয়া সুলতানা নিস্পা।
সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোছা. তাসলিমা জান্নাত মিথিলা, রওনক জাহান লিমা, আয়েশা রহমান সারাহ, আনিকা হোসেন, মুহিব আহমেদ এবং চন্দ্রিকা সানা। প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন প্রান্ত মন্ডল, মো. রিমন মিয়া এবং মো. মেহেদী হাসান। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসিই ডিসিপ্লিনের মো. ইয়াসিন হাসান।
এছাড়াও ২৫ ব্যাচ থেকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঋতিকা কর্মকার, সাবরিনা নওশীন সিমু, তাসমিয়া রহমান অর্থী, খালিদ হোসেন শাওন, ইয়াসির আরাফাত, মো. তানভীর ইসলাম, মনামী সুলতানা উর্মি, শেখ তাসনিয়া তন্নি, মো. মশিউর রহমান খালিদ, সুবাইতা হাবিব সুহা, মাসুম বিল্লাহ, সাইদুল ভূঁইয়া, মোতাসাদ্দিক আহম্মেদ, সাবিহা সুলতানা জেবা এবং উর্যসী হাসান।
নব গঠিত সংগঠনের সভাপতি আসিফ হোসেন অপি মন্তব্য করেন, "সুস্থ সাহিত্য চর্চা দ্বারা একটি জনগোষ্ঠির মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন সম্ভব। পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি ও সাহিত্য চর্চার প্রসারে বই-বৃন্ত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী। বই হোক বন্ধু প্রত্যয়ে আমাদের এই পথ চলা। বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি এবং সুস্থ সাহিত্য চর্চার উদ্দেশ্যে এই ক্লাবটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র সৃষ্টি।"
আরও পড়ুন: ভোলাহাটে জিপিএ-৫ পাওয়া সাতজন শিক্ষার্থী, ছয়জন মাদ্রাসার ছাত্রী
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়ালিদ হাসান বলেন, “বই শুধু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই পাঠচর্চাকে আরও বিস্তৃত ও প্রাণবন্ত করতেই ‘বই-বৃন্ত’-এর যাত্রা। আমরা চাই, বই-বৃন্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বই পড়া, বই নিয়ে আলোচনা ও নিজেদের চিন্তা প্রকাশের সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার প্রত্যাশা, বই-বৃন্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বইয়ের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ ও ইতিবাচক বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন