ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার


গোড়ালির চোটে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন জার্মান ডিফেন্ডার

জার্মানির ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক এবারের বিশ্বকাপে আর মাঠে দেখা যাবে না। ছবি: ফিফা

দলটি টানা দুই জয়ে ১২ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে। কিন্তু সমর্থকেরা যখন বড় কিছু প্রত্যাশা করছে, তখনই এল দুঃসংবাদ।

গোড়ালির চোটের কারণে বিশ্বকাপের বাকি অংশ থেকে ছিটকে গেলেন ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। জার্মান ফুটবল ফেডারেশন (ডিএফবি) আজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি’: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

গত শনিবার (২০ জুন) আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ের ম্যাচে খেলতে নেমেছিলেন শ্লটারবেক। প্রসঙ্গত, সেই ম্যাচের ১৩ মিনিটে তিনি প্রতিপক্ষের সঙ্গে বল দখলের লড়াইয়ে বাঁ গোড়ালি মচকে ফেলেন।

প্রাথমিকভাবে তিনি খেলতে চাইলেও বিরতির সময় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন।

শ্লটারবেকের গোড়ালির লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে। ছবি: ফিফা

বিপরীতে স্ক্যান রিপোর্টের পর ডিএফবি নিশ্চিত করেছে যে, তার বাঁ গোড়ালির ভেতরের লিগামেন্ট ছিঁড়ে গেছে। এই চোট থেকে সেরে উঠতে প্রায় দুই মাস সময় লাগবে।GERMANY PLAYER

আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দুঃখজনক, পর্যালোচনা চলবে : আইনমন্ত্রী

এমতাবস্থায়, বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ২৬ বছর বয়সী এই সেন্টার ব্যাকের বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নেই।

শ্লটারবেকের বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই হতাশ জার্মানির কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান। তিনি মন্তব্য করে বলেন, 'শ্লোটি (শ্লটারবেক) একজন অসাধারণ ডিফেন্ডার। তার অনুপস্থিতি আমাদের জন্য একটি বিশাল ক্ষতি। বিশেষ করে কেলা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার দক্ষতা আমরা মিস করব।'

তিনি আরও বলেন, 'এই বিশ্বকাপটা তার হতে পারত। তবে সে খুবই ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ। তিনি এখান থেকেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন।'

এবারের বিশ্বকাপে জার্মান রক্ষণভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ছিলেন শ্লটারবেক। ইয়োনাথান টাহরের সঙ্গে তার জুটি দলের রক্ষণকে শক্তিশালী করে তুলেছিল। তার অনুপস্থিতিতে এখন বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আন্তোনিও রুডিগারসহ দলের বাকি ডিফেন্ডারদের।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে উপচেপড়া ভিড়

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে জার্মানি। ওই ম্যাচে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন শ্লটারবেক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


সংসদে জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধ চাইলেন বিএনপির এমপি

বিরোধীদল জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে বিএনপি (ঝালকাঠি-১) এর দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল দলটির রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি করেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এই দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল।

আমি মহান সংসদে দাবি করব, তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মত নিষিদ্ধ করা হোক।

সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন নামের পরে ইসলাম থাকলেই ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন।

আমরা দেখেছি, বিড়ির সুখ টানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছিল সকল পাপ মওকুফ হওয়া যাবে।

এইভাবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, এই দলটি ১৯৭১ সালে এদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল।

আমি মহান সংসদে দাবি করব, তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মত নিষিদ্ধ করা হোক।

ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক নির্বাচনের প্রচারণার সময়ে বলেছিলেন, বিড়িতে সুখ টানের মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে।

এমন মন্তব্যের কারণে জামায়াত তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াতের মিছিলকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক সংসদে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


জামায়াতের মিছিলকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক সংসদে

সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিছিল ও প্রতিবাদকে ‘মবক্রেসি’ বলা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বাজেট অধিবেশনে বাজেট প্রতিক্রিয়ায় এক সদস্য এ শব্দটি ব্যবহার করেন। জামায়াতের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে স্পিকারের নজরে বিষয়টি আনেন এবং বলেন, জামায়াতে ইসলামী যে মিছিল ও প্রতিবাদ করেছে, সে প্রসঙ্গে এক সদস্য সেটিকে ‘মবক্রেসি’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পিকারের কাছে এই শব্দটি সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার অনুরোধ জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, ‘এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার মতো বিষয় নয়।’ তিনি সংশ্লিষ্ট সদস্যকে পরামর্শ দিয়ে বলেন, যখন তিনি বাজেটের ওপর বক্তব্য দেবেন, তখন তিনি যেন বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে জবাব দেন। বিরোধীদলীয় নেতা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, মবক্রেসি শব্দটি ভালো অর্থ বহন করে না এবং এটি একটি আপত্তিকর শব্দ। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সংশ্লিষ্ট সদস্য হয়তো সচেতন না থেকেও এই শব্দটি বলে ফেলেছেন। বাজেটের পর এ ধরনের প্রতিক্রিয়া বা আন্দোলন শুধু জামায়াতই করেনি, আশপাশের অন্যান্য দলও বহুবার এই কাজটি করেছে। তাই তিনি প্রশ্ন করেন, অতীতের গণতান্ত্রিক প্রতিক্রিয়াও কি মবক্রেসি ছিল? এ নিয়ে তিনি দাবি জানান যে, এই শব্দটি সংসদে অত্যন্ত অপ্রাসঙ্গিক এবং এক্সপাঞ্জ হওয়া উচিত। বিরোধীদলীয় নেতার আপত্তির পর স্পিকার জানান, মবক্রেসি এখন একটি সাধারণ শব্দ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে অনেকের বক্তৃতাতেই এটি শোনা যায়। তিনি আবারও বলেন, এটি কোনো অশ্লীল শব্দ নয় এবং অসংসদীয় বলেও মনে হওয়ার কারণ নেই। স্পিকার সদস্যদের উদ্দেশে আরও বলেন, তারা চাইলে এ শব্দ ব্যবহার করতে পারেন, কারণ এটি মূলত রাজনীতিতে নিন্দনীয় ডেমোক্রেসির বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক শব্দ। এবং তাই এটি সংসদে এক্সপাঞ্জ হওয়ার মতো কিছু নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কলেজে এইচএসসি ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কলেজে এইচএসসি ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

টেস্টে ‘ফেল’ দেখিয়ে জামানত, নগদে অর্থ আদায়; তদন্ত দাবি অভিভাবকদের

বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধিভুক্ত বেগম তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া কলেজে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপকে কেন্দ্র করে বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, বিভিন্ন খাতে ব্যাংক হিসাবের বাইরে নগদে অর্থ নেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনো বৈধ রসিদ বা আর্থিক নথি দেওয়া হচ্ছে না। এতে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফরম ফিলাপের আগে অনুষ্ঠিত টেস্ট পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অকৃতকার্য দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পথ তৈরি করা হচ্ছে। এরপর বিষয়প্রতি ১০০ টাকা করে ‘মার্ক উন্নয়ন’ পরীক্ষার নামে ফি নেওয়া হয়। ওই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলে একই পরিমাণ অর্থ জরিমানাসহ মোট ২০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক অভিভাবক।

অভিযোগ রয়েছে, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য দেখানো শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিষয়প্রতি ১ হাজার টাকা করে ‘জামানত’ আদায় করা হচ্ছে। একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হলে প্রতিটি বিষয়ের জন্য পৃথকভাবে এ অর্থ নেওয়া হচ্ছে। বোর্ড পরীক্ষায় শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হলে টাকা ফেরত দেওয়া হবে বলে মৌখিকভাবে জানানো হলেও অঙ্গীকারনামায় জামানতের অর্থ কিংবা তা ফেরতের বিষয়ে কোনো লিখিত উল্লেখ নেই বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিভাবকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে কোচিং ও মডেল টেস্টের নামে ১ হাজার ৫০০ টাকা, ফরমের মূল্য বাবদ ১০০ টাকা, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে বিষয়প্রতি ১ হাজার টাকা এবং পুনর্মূল্যায়ন বা পূর্ণ নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলে ১০০ টাকা ফি ও ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হচ্ছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, এসব অর্থ কলেজের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা নেওয়া হচ্ছে না; বরং নগদে গ্রহণ করা হচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থ গ্রহণের বিপরীতে কোনো মানি রিসিভ বা অফিসিয়াল রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে আদায়কৃত অর্থের হিসাব ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থের বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়। তাদের ভাষ্য, ‘টাকা না দিলে সন্তানের ফরম ফিলাপে জটিলতা হতে পারে’—এমন আশঙ্কা দেখানো হয়। বাধ্য হয়েই তারা অতিরিক্ত অর্থ পরিশোধ করছেন।

আরেক অভিভাবক বলেন, “জামানতের নামে হাজার হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো কাগজে সেই টাকার উল্লেখ নেই। পরে টাকা ফেরত না দিলে তার প্রমাণও থাকবে না।”

এদিকে, অভিযোগ উঠেছে যে, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পুরো প্রক্রিয়ায় কলেজের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির প্রধান সহকারী অধ্যাপক আফজাল হোসেনের সম্পৃক্ততা রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, শিক্ষা বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে কোনো অর্থ আদায় করা হলে তার সুস্পষ্ট নীতিমালা, লিখিত অনুমোদন এবং বৈধ রসিদ থাকা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় তা আর্থিক অনিয়ম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তারা বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, জেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিভাবকদের ভাষ্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে ফরম ফিলাপ ও টেস্ট পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকবে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর ক্ষমতায়নে জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


নারীর ক্ষমতায়নে জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টনের দাবি

নারীর ক্ষমতায়নে বরাদ্দকৃত জেন্ডার বাজেটের কার্যকর বণ্টন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নারী নেতৃবৃন্দ। জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে তারা বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য নেওয়া কৌশলগুলো কতটুকু জেন্ডার চাহিদা পূরণ করছে এবং অগ্রগতি কতটুকু, সে বিষয়ক সংখ্যাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের পাশাপাশি গুণগত বিশ্লেষণের পরিমাপক নির্ধারণ করতে হবে।

সেইসঙ্গে সমস্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের জেন্ডার বাজেট বিষয়ে ধারণাগত স্পষ্টতা এবং পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সোমবার (২২ জুন) রাজধানীর আজিমুর রহমান হলে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন নারী নেতৃবৃন্দ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপিএস-এর কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সভানেত্রী ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না। বৈঠকটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির পরিচালক শাহনাজ সুমী। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরমিন্দ নীलोর্মি।

অধ্যাপক ড. শরমিন্দ নীলোর্মি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে মোট বাজেটের ৩৪ শতাংশ জেন্ডার বিষয়ক বাজেট হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছে, যা মোট জিডিপির ৪ শতাংশ। নারীদের মাস্টার্স পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা এবং প্রায় ৪ কোটি সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারীকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মত কর্মসূচি প্রশংসনীয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তবুও, নারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু খাতে বরাদ্দ আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। তিনি জানান, নারীর নিরাপদ কর্মপরিবেশ খাতে বরাদ্দ ১২ শতাংশ, সাইবার নিরাপত্তা খাতে ৭ শতাংশ, চলাচল ও নিরাপত্তা খাতে ৩০ শতাংশ, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ খাতে ২২ শতাংশ এবং সরকারি সেবা গ্রহণসংক্রান্ত খাতে ৩৪ শতাংশ কমেছে।

এছাড়াও, নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। একই সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটও কমানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. শরমিন্দ নীলোর্মি আরো বলেন, নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণে কোনো প্রকার বরাদ্দ রাখা হয়নি। তিনি বলেন, এমনকি শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাজেটও কমানো হয়েছে।

সভাপ্রধান ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না বলেন, বাজেটে নারীর জন্য বরাদ্দ নারী উন্নয়ন নীতির কর্মকৌশল অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তার কোনো খতিয়ান নেই। তাই বরাদ্দকৃত জেন্ডার বাজেটের কার্যক্রমগুলো কীভাবে সরাসরি নারীর ক্ষমতায়ন এবং জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতিমালার কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত, তার অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রতি বছর তৈরি ও জনসমক্ষে পেশ করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক তানিয়া হক পরিবার-কেন্দ্রীক বাজেট প্রণয়নের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সেটি না হলে সাধারণ মানুষ বাজেটের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। নীতি নির্ধারকদের, বিশেষ করে সাংসদদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ও বাজেট বাস্তবায়নকালীন সময়ে অগ্রগতি বিবেচনায় নিয়মিত পর্যালোচনা করার আহ্বান জানান তিনি।

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মালেকা বানু বাজেটের অংশীজন প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ‘নারীর জন্য বাজেট অথচ নারীদের সঙ্গে কোনো প্রকার আলাপ-আলোচনা করা হয়নি। ফলে এটি কতটা নারীবান্ধব হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নারী নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রশ্নে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) উপজেলা পর্যন্ত সম্প্রসারণ, সরকারি আইনগত সহায়তা এবং নির্যাতনের শিকার নারীর জন্য শেল্টার হোমের সংখ্যা বাড়ানোর মতো অত্যাবশ্যক বিষয়গুলো বাজেটে গুরুত্ব পায়নি।’

গোলটেবিল বৈঠকে প্রাগ্রসরের নির্বাহী পরিচালক ফৌজিয়া খন্দকার বলেন, ‘নারীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন, জেন্ডার বৈষম্য দূরীকরণ, নারী ও বহুমাত্রিক লিঙ্গ পরিচয়ের নাগরিক এবং প্রান্তিক নারীর জন্য কর্ম, নিরাপত্তা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নারীর ক্ষমতায়নকে জোরদার করার ক্ষেত্রে বাজেটে উল্লেখযোগ্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।’

আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে আরও অংশ নেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রীতিলতা হক, জেন্ডার বাজেট ও প্ল্যানিং বিশেষজ্ঞ নিলুফার করিম, বিলস-এর পরিচালক নাজমা ইয়াসমীন, নেটজ বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার আফসানা বিনতে আমীন, সাংবাদিক নাদিরা কিরণ, শ্রমিকনেত্রী সাহিদা পারভীন শিখা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের শারমীন আক্তার, এডাবের সমাপিকা হালদার এবং জেন্ডার বিশেষজ্ঞ নাজনীন পাপ্পু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%