ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের পর বাংলাদেশে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে টোকিও


প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের পর বাংলাদেশে সহযোগিতা বৃদ্ধি করছে টোকিও

তারেক রহমানের জাপান সফরের ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায়, বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে কাজ করছে জাপান সরকার। বিশেষত, পরিবহন অবকাঠামো এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করতে চেষ্টা করছে দেশটি।

এই প্রেক্ষাপটে, ঢাকায় মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর এবং মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি। ঢাকা মাস ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের মেট্রোরেল লাইন-১-এর চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত সাইদা অংশগ্রহণ করেন। চুক্তিগুলোর মধ্যে সিপি-০৪, সিপি-০৬, সিপি-০৯ ও সিপি-১০ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওগাতুল আলম, জাইকা বাংলাদেশের প্রধান প্রতিনিধি জুনকো তাকাহাশি এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে রাষ্ট্রদূত সাইদা মেট্রোরেল লাইন-১-এর প্রাথমিক উন্নয়ন পর্যায়ে যুক্ত সাত জাপানি নাগরিকের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ঢাকায় সন্ত্রাসী হামলায় প্রাণ হারানো ওই জাপানি নাগরিকদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় ও রক্ষণাবেক্ষণ বিবেচনায় নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

আরও পড়ুন: ছাত্রলীগ সভাপতিকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ৭ জন আটক

রাষ্ট্রদূত বলেন, "মেট্রোরেলের মতো উন্নয়ন সহযোগিতা প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।" তিনি প্রকল্পটির দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। গত ২৭ অক্টোবর জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকে ঘোষিত যৌথ বিবৃতিতেও এ বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এদিকে, এর আগে রাষ্ট্রদূত সাইদা জেরা মেঘনাঘাট বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড পরিচালিত গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় কেন্দ্রটির পরিচালনা কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়।

২০২৫ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি জাপানে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে জেরার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত সাইদা পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের মাধ্যমে সৃষ্ট ইতিবাচক গতি কাজে লাগিয়ে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পরিবহন ও জ্বালানি খাতে জাপানের এসব উদ্যোগ বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বাকৃবি ক্যাম্পাসে ছুরি দেখিয়ে মোবাইল ছিনতাই, অটোচালক আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কার কোচের সাফের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২১ এম


শ্রীলঙ্কার কোচের সাফের রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

শ্রীলঙ্কার কোচ আবদুল্লাহ আল মুতাইরি সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভুটানের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করার পর তিনি আয়োজক দেশ এবং ভারতের পক্ষে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। একই সাথে, গ্রুপ পর্বে ভিএআর ব্যবহারের দাবি করেছেন এই কোচ।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে মুতাইরি বলেন, “যদি বাণিজ্যিক স্বার্থে ভারত ও বাংলাদেশকে ফাইনালে দেখতে চান, তাহলে শুধু এই দুই দলকে নিয়ে একটি প্রতিযোগিতা আয়োজন করুন। অন্য দলগুলোকে প্লে-অফ খেলতে বলুন, অন্য কোনো সময়ে খেলতে বলুন। আমাদের সময় নষ্ট করবেন না।”

তিনি দাবি করেন, ভুটানের বিপক্ষে কিছু সিদ্ধান্ত শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গেছে। বিশেষ করে পেনাল্টি এবং অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। মুতাইরির মতে, ভিএআর থাকলে ভুটানের দ্বিতীয় গোলটি বাতিল হতে পারত। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কারও একটি পেনাল্টি পাওয়া উচিত ছিল।

রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এএফসি বা ফিফার সেরা রেফারি আনা সম্ভব না হলে অন্তত ভিএআর রাখুন। শুধু সেমিফাইনাল ও ফাইনালে কেন ভিএআর থাকবে? খরচের কারণে? আয়োজন করার সামর্থ্য না থাকলে প্রতিযোগিতা আয়োজনের দরকার কী?”

শ্রীলঙ্কা ১১ নভেম্বর বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি নিয়ে ভয়ের কিছু নেই জানিয়ে মুতাইরি বলেন, “আমি শুধু একজনকেই ভয় পাই, আমার বাবাকে। তিনি ৩০ বছর আগে মারা গেছেন। আল্লাহ তাকে রহম করুন। তাই আর কাউকে ভয় পাই না।”

বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচকে সাফের ইতিহাসের সেরা লড়াই বানানোর প্রত্যয়ও তিনি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রদল রাজপথে পাহারা দিচ্ছে, শিবির বা সুবিধাবাদীরা মাঠে নেই: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:২২ এম


ছাত্রদল রাজপথে পাহারা দিচ্ছে, শিবির বা সুবিধাবাদীরা মাঠে নেই: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান উল্লেখ করেছেন যে, ছাত্রদল রাজপথে পাহারা দিচ্ছে এবং শিবির বা সুবিধাবাদীরা মাঠে নেই। রবিবার (৮ নভেম্বর) রাতে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান উল্লেখ করেন, টিএসসিতে ককটেল বিস্ফোরণের সময় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ছাত্রদল। তিনি আবারও উল্লেখ করেন, এই কাজটি ছাত্রদলই করেছে। তিনি বলেন, "হ্যাঁ, ১৬ বছর ছাত্রদলের ছেলেরা ঘরে ঘুমাতে পারেনি। ধানক্ষেত, পাটক্ষেত, বনে কিংবা নদী হাওর-বাঁওড়ের মাচাংয়ে ঘুমিয়েছে আর দিনেরবেলা রাজপথে লড়াই করেছে, কিংবা বছরের পর বছর বা মাসের পর মাস জেল খেটেছে, আবার জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রাজপথে ছুটে গেছে।"

তিনি আরও বলেন, এখনও ছাত্রদলই আওয়ামী দুর্বৃত্তদের প্রতিহত করতে রাজপথে পাহারা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কথিত বিপ্লবী শিবির কিংবা অন্যান্য সুবিধাবাদীরা মাঠে নেই। তিনি প্রশ্ন করেন, "জাতভাইদের জন্য তাদের দরদ থাকবে না?" তিনি বলেন, ১৬ বছর যারা তাদেরকে গুপ্ত হিসেবে আশ্রয় দিয়েছিল, তাদের প্রতি রাজপথে সহনশীলতা দেখিয়ে কিছুটা হলেও তো প্রতিদান দেওয়ার প্রয়োজন আছে, সেটিই হয়ত তারা করছে। তবে ছাত্রদল দেশমাতৃকা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করতে রাজি নয়। রাজপথে তাদের এই সক্রিয় অবস্থানের কারণে আওয়ামী দুর্বৃত্তরা দিশেহারা হয়ে ঘুরছে।

তিনি আরও লেখেন, অন্যথায়, অন্যরা যেভাবে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ ও সুবিধা বিবেচনায় রাজপথের লড়াই থেকে দূরে রয়েছে, ছাত্রদলও চাইলে সেভাবে নিজেদের গুটিয়ে রাখতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। কারণ, ছাত্রদলের কাছে দেশ ও স্বাধীনতার প্রশ্নটি যেকোনো স্বার্থের ঊর্ধ্বে। সেই কারণেই আওয়ামী দুর্বৃত্তদের দমনে ছাত্রদল রাজপথে এবং বিপ্লবী নামধারী গুপ্ত শিবিরসহ সুবিধাবাদীরা জাতভাইদের রক্ষায় মশগুল। তিনি সতর্ক করে বলেন, আ. লীগের বিরুদ্ধে যারা মাঠে নামবে না, এদের চিনে রাখুন, এরাও দেশ, জাতি ও সার্বভৌমত্বের জন্য আ.লীগের মতোই হুমকি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘যারা অনুষ্ঠানে আসেননি, প্রমোশন-আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাইতে এলে মনে রাখব’: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুবি প্রতিনিধি

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩২ এম


‘যারা অনুষ্ঠানে আসেননি, প্রমোশন-আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাইতে এলে মনে রাখব’: কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ। তিনি বলেছেন, ‘আজকের অনুষ্ঠানে ডাকেও যারা আসেননি, আগামীকাল উপাচার্যের কাছে প্রমোশন, আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধা চাইতে এলে তাদের কথা মনে রাখা হবে।’

রোববার (৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতেই অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয়ে প্রশ্ন তুলে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীদার। জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এমন একটি কর্মসূচিতে সবার উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি।

তিনি বলেন, ‘যারা আজকের এই অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দেননি, আমরা কিন্তু তাঁদের মনে রাখব। বারবার বলছি, আমরা তাঁদের মনে রাখব।’ পরে তিনি বলেন, ‘আপনারা আগামীকাল উপাচার্যের কাছে কোনো আবেদন নিয়ে যাবেন—প্রমোশন, আপগ্রেডেশন কিংবা অন্য কোনো সুবিধার জন্য। তখন আজকের দিনে আপনারা কোথায় ছিলেন, সেটাও আমরা মনে রাখব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী থাকলেও অনুষ্ঠানে তুলনামূলক কম উপস্থিতি দেখা গেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, গত ১৭ বছর বাংলাদেশে এ দিবসটি উদযাপন করতে দেখা যায়নি। এবার কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হওয়ায় তিনি প্রশাসনের প্রতি শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁর হাত ধরে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরে এসেছিল। ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় আমার, আপনার, আমাদের সবার। বিশ্ববিদ্যালয়কে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যেতে এবং শান্ত ও স্থিতিশীল রাখতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমরাও এ ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

এ সময় ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সজল চন্দ্র মজুমদার ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, ডিন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবিদ্বার বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৯ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ এম


দেবিদ্বার বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ বহিষ্কার

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বিএনপির মধ্যে গ্রুপিং এবং দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপনকে কেন্দ্র করে দলটির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। একই দিনে দলের পক্ষ থেকে আলাদা দুটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, যা তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভক্তি স্পষ্ট করে তুলেছে।

এই প্রেক্ষাপটে, দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেমের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অব্যাহতির সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ রয়েছে। এর ফলে, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম সরকারকে সদস্য সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জসীম উদ্দীন এবং সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদের স্বাক্ষরে পৃথক দুটি চিঠিতে একই দিনে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। দুই কর্মসূচির অতিথি তালিকাতেও ছিল চরম ভিন্নতা।

একপক্ষে সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে প্রধান অতিথি করেন। অন্যদিকে আহ্বায়ক জসীম উদ্দীনের গ্রুপ ইঞ্জিনিয়ার মুন্সীকে দল থেকে বহিষ্কৃত দাবি করে সাবেক সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হিরাকে প্রধান অতিথি করে কর্মসূচি পালন করেন।

অব্যাহতির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, "আমি ১৯৮৬ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে দলের নীতি ও আদর্শ ধারণ করে আসছি। কমিটিতে আসার পর থেকেই ‘হাইব্রিড’ নেতাদের দিয়ে দল গঠনের বিরোধিতা এবং দুর্দিনের নেতাদের মূল্যায়নের দাবি জানিয়ে আসছিলাম।"

তিনি আরও অভিযোগ করেন, "একটি স্বার্থান্বেষী মহল অর্থের বিনিময়ে পদ-পদবি ও কমিটি বাণিজ্যের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতে দেবিদ্বার ছেড়ে দাউদকান্দিতে অবস্থান কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।"

ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বহিষ্কার প্রসঙ্গে আজাদ দাবি করেন, "কেন্দ্র থেকে বহিষ্কারের কোনো চিঠির সুনির্দিষ্ট রেকর্ড কেন্দ্রীয় তালিকায় নেই। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করছে।"

অন্যদিকে দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জসীম উদ্দীন বলেন, "আমরা সম্পূর্ণ সাংগঠনিক নিয়ম মেনেই কর্মসূচি পরিচালনা করছি। ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ত্যাগকে আমরা শ্রদ্ধা করি, কিন্তু তিনি দলের বহিষ্কৃত নেতা হওয়ায় তাকে প্রধান অতিথি করা সম্ভব হয়নি। তাই সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হিরাকে প্রধান অতিথি করে কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।"

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও দেবিদ্বারের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া বেগম বলেন, "দেবিদ্বার বিএনপির এই কোন্দল ও গ্রুপিং রাজনীতির কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীরা চরম হতাশ ও দিশাহারা। দলকে শক্তিশালী করতে হলে বিভেদ ভুলে সবাইকে অবিলম্বে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।"

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হাশেম জানান, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে দলে গ্রুপিং তৈরি করছিলেন এবং নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করছিলেন। দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই তার বিরুদ্ধে এই সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%