শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ এম
প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো কালক্রমে ইতিহাসে পরিণত হয়। ইতিহাস ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ ও আশীর্বাদের সাক্ষী। ইতিহাসই নতুন নতুন দিগন্তের দিকে আমাদের পথনির্দেশ করে।
আজ ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার), ২০২৬। ইতিহাসের দিক থেকে এই দিনটিও উল্লেখযোগ্য ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ অন্যান্য বিষয়।
ঘটনাবলি
৪০০৪ খ্রিষ্টপূর্ব - বাইবেল অনুসারে বিশ্বের সৃষ্টির তারিখ, যা জেমস আসার-এর গণনা অনুযায়ী নির্ধারিত।
৪২ খ্রিষ্টপূর্ব - মুক্তিদাতাদের গৃহযুদ্ধের সময় মার্ক অ্যান্টনি ও অক্টাভিয়ান ফিলিপির দ্বিতীয় যুদ্ধে ব্রুটাসের বাহিনীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করেন, যার ফলে ব্রুটাস আত্মহত্যা করেন এবং গৃহযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
৪২৫ - তৃতীয় ভ্যালেন্টিনিয়ান ছয় বছর বয়সে রোমান সম্রাট হিসেবে অধিষ্ঠিত হন।
৫০২ - গথিক রাজা থিওডোরিক দ্য গ্রেট কর্তৃক আহূত সিনোডাস পালমারিস পোপ সিম্মাকাসকে সকল অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়, ফলে অ্যান্টিপোপ লরেনশিয়াসের সৃষ্টি বিভেদের অবসান ঘটে।
১০৮৬ - সাগরাজাসের যুদ্ধে আলমোরাভি রাজবংশ কাস্তিলের বাহিনীকে পরাজিত করে।
১০৯১ - লন্ডনে টর্নেডোতে দুজনের মৃত্যু ঘটে।
১১৫৭ - ডেনমার্কে গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটে।
১২৯৫ - ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্কটল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে অল্ড অ্যালায়েন্স গঠনের প্রথম চুক্তি প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়।
১৪৪৮ - সার্কের যুদ্ধে স্কটল্যান্ড ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে, যা মধ্যযুগে দুই রাজ্যের মধ্যে সংঘটিত শেষ সম্মুখ যুদ্ধ।
১৫২০ - জার্মানির রাজা প্রথম কার্লোস অভিষিক্ত হন।
১৬৪১ - আলস্টারের আইরিশ ক্যাথলিক ভদ্রবর্গ ডাবলিন দুর্গ দখলের চেষ্টা করে আইরিশ বিদ্রোহের সূচনা করেন।
১৬৪২ - এজহিলের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা ইংরেজ গৃহযুদ্ধের প্রথম বড় যুদ্ধ।
১৬৬৬ - ইংল্যান্ডের ইতিহাসে রেকর্ডকৃত সবচেয়ে তীব্র টর্নেডো লিংকনশায়ারে আঘাত হানে।
১৬৮১ - ফরাসি সেনাবাহিনী স্ট্রাসবুর্গ দখল করে।
১৭০৭ - গ্রেট ব্রিটেন রাজ্যের প্রথম পার্লামেন্ট অধিবেশনে বসে।
১৭৬৪ - বক্সারের যুদ্ধে মীর কাশিম ব্রিটিশদের কাছে পরাজয় বরণ করেন।
১৭৯০ - হাইতিতে দাস বিদ্রোহ ঘটে।
১৭৯৮ - নিকোপলিসের যুদ্ধে আলি পাশার বাহিনী ফরাসি বাহিনীকে পরাজিত করে প্রেভেজা দখল করে।
১৮১২ - জেনারেল ক্লদ ফ্রঁসোয়া দ্য মালে নেপোলিয়ন রাশিয়া অভিযানে মারা গেছেন দাবি করে তাকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র শুরু করেন।
১৮১৪ - ইংল্যান্ডে প্রথম প্লাস্টিক সার্জারি করা হয়।
১৮৫০ - ম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারে প্রথম জাতীয় নারী অধিকার সম্মেলন শুরু হয়।
১৮৫৩ - রুশ-তুরস্ক মহাযুদ্ধ শুরু হয়।
১৮৫৬ - দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধ: ইয়ে মিংচেন-এর ক্ষতিপূরণে অসন্তুষ্ট হয়ে ব্রিটিশ রিয়ার-অ্যাডমিরাল মাইকেল সিমুর ক্যান্টনের বাইরে ব্যারিয়ার দুর্গে আক্রমণ চালান।
১৮৬৪ - মার্কিন গৃহযুদ্ধ: ওয়েস্টপোর্টের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা মিসিসিপি নদীর পশ্চিমে শেষ গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ এবং এতে ইউনিয়ন বিজয়ী হয়।
১৮৬৮ - মেইজি পুনরুদ্ধার: এদো দখল করে টোকিও নামকরণ ও নতুন রাজধানী ঘোষণার পর সম্রাট মেইজি মেইজি যুগের সূচনা ঘোষণা করেন।
১৮৮২ - আসোমোয়া বোমা হামলা: ফ্যানি মাদিগনিয়ের মতো নৈরাজ্যবাদীরা ফ্রান্সে প্রথম প্রাণঘাতী নৈরাজ্যবাদী হামলা চালায়।
১৯০৬ - আলবার্তো সান্তোস-দুমোঁ ইউরোপে প্রথম ভারী-বাতাস-চেয়ে-ভারী বিমানের উড্ডয়ন সম্পন্ন করেন।
১৯১১ - ইতালি-তুরস্ক যুদ্ধে প্রথমবারের মতো যুদ্ধে বিমান ব্যবহৃত হয়, যখন একজন ইতালীয় পাইলট নজরদারি উড্ডয়ন করেন।
১৯১২ - প্রথম বলকান যুদ্ধ: সার্বীয় ও উসমানীয় বাহিনীর মধ্যে কুমানোভোর যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯১৫ - নিউ ইয়র্কে ভোটাধিকারে দাবিতে ২৫ হাজার নারীর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
১৯১৮ - চার্লি চ্যাপলিন মিলড্রেড হ্যারিসকে বিয়ে করেন।
১৯২৩ - দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ‘ফরওয়ার্ড’ পত্রিকা প্রকাশ করেন।
১৯২৩ - জার্মান অক্টোবর: দলের নেতৃত্বের সাথে ভুল বোঝাবুঝির কারণে জার্মানির কমিউনিস্ট পার্টির একটি জঙ্গি অংশ হামবুর্গে বিদ্রোহ শুরু করে।
১৯২৪ - দ্বিতীয় ঝিলি-ফেংতিয়ান যুদ্ধ: যুদ্ধবাজ ফেং ইউশিয়াং জাপান সাম্রাজ্যের গোপন সমর্থনে বেইজিংয়ে অভ্যুত্থান ঘটান।
১৯২৭ - ফিনল্যান্ডের টাম্পেরেতে ওয়েজেস অফ ভার্চু চলচ্চিত্র প্রদর্শনকালে ইমাত্রা সিনেমায় অগ্নিকাণ্ডে ২১ জন নিহত হন।
১৯৩২ - রেডিওতে ফ্রেড অ্যালেন শো শুরু হয়।
১৯৪০ - অ্যাডলফ হিটলার ও ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো হেন্দায়েতে বৈঠক করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে স্পেনের যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে।
১৯৪১ - ওয়াল্ট ডিজনির ডাম্বো মুক্তি পায়।
১৯৪১ - হলোকাস্ট: নাৎসি জার্মানি ইহুদিদের দেশত্যাগ নিষিদ্ধ করে।
১৯৪২ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মিশরের উত্তরাঞ্চলীয় আল আলামিন এলাকায় ব্রিটিশ ও জার্মান নাৎসি বাহিনীর মধ্যে বিখ্যাত আল আলামিনের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
১৯৪২ - আমেরিকান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট ২৮ ক্যালিফোর্নিয়ার পাম স্প্রিংসের কাছে মার্কিন সেনা বিমানের সাথে সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হন।
১৯৪২ - গুয়াডালকানালে হেন্ডারসন ফিল্ডের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৪৩ - আজাদ হিন্দ সরকার ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: লেইতে উপসাগরের যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯৪৫ - জ্যাকি রবিনসন ব্রুকলিন ডজার্সের মাইনর লিগ দল মন্ট্রিল রয়্যালসের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যা মেজর লিগ বেসবলের বর্ণবৈষম্য ভাঙার সূচনা করে।
১৯৫৩ - হাঙ্গেরির জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ইম্রে নাগি সেদেশের কমিউনিস্ট পার্টিকে ভেঙে দেন এবং দেশে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাবমুক্ত স্বাধীন সরকার গঠন করেন।
১৯৫৪ - ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. বি ভি কেশকরের উদ্যোগে আকাশবাণী সংগীত সম্মেলনের সূচনা হয়।
১৯৫৫ - পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে ‘মুসলিম’ শব্দ বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ গঠন করা হয়।
১৯৫৫ - প্রধানমন্ত্রী এনগো দিনহ দিয়েম বাও দাইকে গণভোটে পরাজিত করে দক্ষিণ ভিয়েতনাম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৫৫ - সার অঞ্চলের জনগণ ফ্রান্সের পরিবর্তে পশ্চিম জার্মানির সাথে একীভূত হওয়ার পক্ষে গণভোটে ভোট দেয়।
১৯৫৬ - সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আধিপত্যের বিরুদ্ধে হাঙ্গেরির জনগণ বিদ্রোহ শুরু করে।
১৯৫৬ - গোপন পুলিশের গুলিতে কমিউনিস্ট-বিরোধী বিক্ষোভকারীরা নিহত হলে হাঙ্গেরীয় বিপ্লবের সূচনা হয়।
১৯৫৮ - কানাডার স্প্রিংহিল খনি বিপর্যয়ে ৭৫ জন খনি শ্রমিক নিহত হন।
১৯৫৮ - বেলজীয় শিল্পী পেয়োর কমিক চরিত্র দ্য স্মার্ফস স্পিরু ম্যাগাজিনে আত্মপ্রকাশ করে।
১৯৫৯ - কাশ্মীর সীমান্তে ভারত-চীন সংঘর্ষ শুরু হয়।
১৯৫৯ - এরোফ্লট ফ্লাইট ২০০ ভনুকোভো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে ২৮ জন নিহত হন।
১৯৬৫ - ভিয়েতনাম যুদ্ধ: ১ম ক্যাভালরি ডিভিশন দক্ষিণ ভিয়েতনামী সেনাবাহিনীর সাথে যৌথভাবে প্লেই মে অবরোধে অভিযান শুরু করে।
১৯৭০ - গ্যারি গ্যাবেলিচ ব্লু ফ্লেম নামক রকেটচালিত গাড়িতে স্থল গতির রেকর্ড স্থাপন করেন।
১৯৭১ - সোভিয়েত কর্তৃপক্ষ মার্কিন সরকারকে জানান যে, শেখ মুজিবের মুক্তি দেওয়া এবং পূর্ব পাকিস্তানে দ্রুত রাজনৈতিক নিষ্পত্তি সাধন ছাড়া সৈন্য প্রত্যাহারের মাধ্যমে যুদ্ধের আশঙ্কা রোধ করা সম্ভব নয়।
১৯৭২ - ভিয়েতনাম যুদ্ধ: উত্তর ভিয়েতনামের ইস্টার আক্রমণের জবাবে মার্কিন বোমা হামলা অভিযান অপারেশন লাইনব্যাকার পাঁচ মাস পর সমাপ্ত হয়।
১৯৭৮ - এরোফ্লট ফ্লাইট ৬৫১৫ সিভাশের কাছে বিধ্বস্ত হয়ে ২৬ জন নিহত হন।
১৯৮২ - অ্যারিজোনায় পুলিশ ও একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে মিরাকল ভ্যালি বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হয়, এতে দুইজন নিহত হন।
১৯৮৩ - বৈরুতে মোতায়েন মার্কিন ও ফরাসি সেনাদের ঘাঁটিতে লেবাননের মুসলমান জঙ্গি হামলায় ২৪১ জন মার্কিন ও ৫৮ জন ফরাসি সেনা নিহত হয়।
১৯৮৯ - হাঙ্গেরি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।
১৯৮৯ - হিউস্টনের প্যাসাডেনায় রাসায়নিক কারখানায় বিস্ফোরণে ২৩ জন নিহত ও ৩১৪ জন আহত হন।
১৯৮৯ - ফিনল্যান্ডের ওয়ার্টসিলা মেরিন দেউলিয়া হয়, যা তৎকালীন নর্ডিক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় দেউলিয়াত্ব ছিল।
১৯৯১ - কম্বোডিয়ায় গৃহযুদ্ধ অবসানে ১৩ বছর পর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৯১ - ২১ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অংশগ্রহণের অধিকার পায়।
১৯৯১ - প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
১৯৯৩ - সকাল ১০টায় চীনের ইয়াং ফু সেতু সাফল্যের সঙ্গে নির্মিত এবং চালু হয়।
১৯৯৩ - দ্য ট্রাবলস: বেলফাস্টের শ্যাঙ্কিল রোডে অস্থায়ী আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির বোমা অকালে বিস্ফোরিত হয়ে বোমারুসহ ১০ জন নিহত হন।
১৯৯৫ - জনপ্রিয় লাতিন গায়িকা সেলেনাকে হত্যার দায়ে ইয়োলান্ডা সালদিভার প্রথম-ডিগ্রি খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।
১৯৯৮ - ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি জাতীয় কর্তৃপক্ষ ওয়াই নদী স্মারক স্বাক্ষর করে।
২০০১ - অ্যাপল কম্পিউটার আইপড বাজারে আনে।
২০০২ - দ্বিতীয় চেচেন যুদ্ধ: চেচেন বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসীরা মস্কোতে হাউস অফ কালচার থিয়েটারে প্রায় ৭০০ জনকে জিম্মি করে।
২০০৪ - জাপানের নিইগাতা প্রশাসনিক অঞ্চলে শক্তিশালী চুয়েৎসু ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনে ৩৫ জন নিহত, ২২০০ জন আহত এবং ৮৫ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়।
২০০৭ - একটি ঝড়ে মেক্সিকোর কাব ১০১ তেল প্ল্যাটফর্ম একটি কূপের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, যার ফলে উদ্ধার অভিযানে ২২ জন নিহত হন।
২০০৭ - পামেলা মেলরয়কে দ্বিতীয় নারী স্পেস শাটল কমান্ডার হিসেবে নিয়ে স্পেস শাটল ডিসকভারি এসটিএস-১২০ মিশনে উৎক্ষেপণ করা হয়।
২০১১ - তুরস্কের ভান প্রদেশে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ৫৮২ জন নিহত হন।
২০১১ - লিবিয়ার জাতীয় অন্তর্বর্তী পরিষদ লিবীয় গৃহযুদ্ধ সমাপ্ত ঘোষণা করে।
২০১৫ - পশ্চিম গোলার্ধে সর্বনিম্ন সমুদ্রপৃষ্ঠের চাপ এবং সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যভাবে পরিমাপকৃত অ-টর্নেডিক বাতাস হারিকেন প্যাট্রিসিয়ায় রেকর্ড করা হয়, যা মেক্সিকোতে আঘাত হানে।
২০১৭ - ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: ফিলিপাইনের প্রতিরক্ষা সচিব ডেলফিন লরেনজানা মারাউই অবরোধের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
২০২০ - দ্বিতীয় লিবীয় গৃহযুদ্ধ: ৫+৫ যৌথ লিবীয় সামরিক কমিশনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে দ্বিতীয় লিবীয় গৃহযুদ্ধের অবসান হয়।
২০২২ - শি জিনপিং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন।
২০২২ - মিয়ানমার বিমান বাহিনী কাচিন রাজ্যের হপাকান্তে একটি কনসার্টে বিমান হামলা চালিয়ে হপাকান্ত গণহত্যায় অন্তত ৮০ জনকে হত্যা করে।
জন্ম
১৫০৩ - জার্মান সম্রাজ্ঞী ইসাবেলা।
১৮৩৮ - গোবিন্দচন্দ্র রায়, ভারতীয় বাঙালি কবি।
১৮৮৬ - সুখলতা রাও, প্রখ্যাত বাঙালি শিশু সাহিত্যিক ও সমাজসেবী।
১৯২৯- শামসুর রাহমান, বাঙালি কবি ও লেখক।
১৯৪০ - ফুটবলের জাদুকর পেলে।
১৯৪১- চাষি নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক।
১৯৪৩ - মোহাম্মদ রফিক, বাংলাদেশি কবি।
১৯৪৬ - সৈয়দ আবুল মকসুদ, কবি, লেখক, গবেষক, কলামিস্ট।
১৯৫৭ - সুনীল ভারতী মিত্তল, ভারতীয় শিল্পপতি এবং সমাজসেবী।
১৯৫৮ - হানিফ সংকেত, বাংলাদেশি টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও নির্মাতা।
১৯৭০ - চীনের বিখ্যাত সংবাদদাতা ফান ছাং চিয়াং।
১৯৭৩ - মালাইকা অরোরা, ভারতীয় মডেল এবং অভিনেত্রী।
১৯৭৯ - প্রভাস, ভারতীয় অভিনেতা, মূলত তেলুগু সিনেমায় কাজ করেছেন।
১৯৯৫ - অনুস্মৃতি সরকার, ভারতীয় অভিনেত্রী।
মৃত্যু
১৬২৩ - তুলসীদাস, বিশিষ্ট হিন্দি কবি ও রামায়ণ রচয়িতা।
১৮৬৭ - ফ্রান্ৎস বপ, জার্মান ভাষাবিজ্ঞানী।
১৮৭২ - ফ্রান্সের বিখ্যাত লেখক ও কবি থিওফিল গৌতিয়া।
১৯১০ - থাইল্যান্ডের রাজা চুলালংকর্ন।
১৯১২ - রামতারণ সান্যাল,বিখ্যাত সংগীতাচার্য ও মঞ্চাভিনেতা।
১৯২১ - জন ব্যুও ডানলপ, টায়ারের উদ্ভাবক।
১৯৭৩ - নেলী সেনগুপ্তা, রাজনৈতিক কর্মী ও সমাজসেবী,স্বাধীনতা নিরলস সংগ্রামী।
১৯৮৩ - খন্দকার আবদুল হামিদ, বাংলাদেশের সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ।
২০০৫ - আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী ও ভাস্কর।
২০১২ - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক।
২০১৪ - গোলাম আযম, বাংলাদেশের একজন অবসরপ্রাপ্ত ইসলামী রাজনীতিবীদ এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত একজন যুদ্ধাপরাধী।
২০২৩ - বিষেন সিং বেদী, ভারতের সাবেক ও প্রথিতযশা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।
অন্যান্য
মোল দিবস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সাফারি পার্ক জৌলুস হারাচ্ছে নানা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, একের পর এক প্রাণীর মৃত্যু ও চুরির ঘটনায়। এক সময় দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত থাকা পার্কটি বর্তমানে অবহেলায় ধুঁকছে। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা সত্ত্বেও প্রাণীর সংখ্যা কমছে। বাঘ-সিংহের প্রজনন বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতি।
২০২৩ সালে পাচারকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিরল প্রজাতির তিনটি আফ্রিকান লেমুর গাজীপুর সাফারি পার্কে স্থান পেয়েছিল। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যে রহস্যজনকভাবে প্রাণীগুলো চুরি হয়ে যায়। পরে একটি লেমুর উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বাকি দুটির খোঁজ পাওয়া যায় ভারতের ধনকুবের আম্বানি পরিবারের ব্যক্তিগত প্রাণিশালায়।
এর আগে পার্কটি থেকে দুটি ম্যাকাও পাখি, একটি নীলগাইসহ বেশ কয়েকটি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণী চুরি হয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পার্কটি যেন চোরাকারবারিদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে।
শুধু প্রাণী চুরিই নয়, গত কয়েক বছরে একের পর এক প্রাণীর রহস্যজনক মৃত্যুও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ২০২২ সালে ১১টি জেব্রা, একটি বাঘ ও একটি সিংহী মারা যায়। পার্ক প্রতিষ্ঠার সময় আনা ১২টি জিরাফ ও তিনটি ক্যাঙ্গারুর বংশধরসহ সব প্রাণীই এখন মৃত। ২০২৫ সাল থেকে পার্কটি জিরাফ ও ক্যাঙ্গারুশূন্য হয়ে যাবে।
অন্যদিকে, তিন সপ্তাহের কোয়ারেন্টিনে রাখার কথা থাকলেও গত নয় বছর ধরে বন্দী রয়েছে একটি লেপার্ড। পুষ্টিহীনতা ও নিম্নমানের খাবার সরবরাহের কারণে বছরের পর বছর ধরে বাঘ-সিংহের প্রজননও বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পার্কে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, প্রাণী দেখতে এসে তারা হতাশ হচ্ছেন। তাদের একজন বলেন, ‘প্রাণী ধরতে গেলে একদম নাই বললেই চলে। ভেতরে প্রাণীর সংখ্যাও কম, পরিবেশটাও সেরকম ভালো লাগেনি। আগে যা দেখে গেছি, এখন এসে তার কিছুই পেলাম না। এখানে আরও অনেক বেশি পশুপাখি থাকা উচিত। এত প্রাণী থাকার পরও সেগুলো চুরি হবে কেন?’
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর থেকেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিভাগ বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী বলেন, প্রাণীদের খাবারের জন্য একটি রেশনিং কমিটি রয়েছে। প্রাণীদের যতটুকু খাবার প্রয়োজন, কমিটি সেই পরিমাণ খাবারই সরবরাহ করে থাকে।
পার্কে নানা অনিয়মের খবর পেয়ে সম্প্রতি এটি পরিদর্শনে আসেন বন ও পরিবেশ মন্ত্রী। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কথা শুনে তিনি জানান, তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে সরকার। বন ও পরিবেশ মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেন, ‘এখান থেকে দুটি লেমুর চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। যারা দায়ী থাকবে, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পার্কটির রক্ষণাবেক্ষণে প্রতিবছর প্রায় ১৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়। বিপরীতে আয় হয় প্রায় তিন কোটি টাকা। সরকার প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও প্রাণী চুরি, লুটপাট ও ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এখনো চোখে পড়েনি।
পার্কের এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা। তাদের মতে, বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় এই বন্যপ্রাণী পর্যটনকেন্দ্রের সৌন্দর্য ও আকর্ষণ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সংস্কার, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং প্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে আফগানিস্তান এবং জিম্বাবুয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে রাতে ইপসউইচ এবং নটিংহ্যাম মুখোমুখি হবে।
ক্রিকেট
ত্রিদেশীয় সিরিজ: ফাইনাল
আফগানিস্তান–জিম্বাবুয়ে
বিকেল ৫–৩০ মি., টি স্পোর্টস
ফুটবল
বাংলাদেশ ফুটবল লিগ
ব্রাদার্স–আবাহনী
বেলা ২–৪৫ মি., টি স্পোর্টস
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
ইপসউইচ–নটিংহাম
রাত ১টা, স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ১
লা লিগা
আলাভেস–মালাগা
রাত ১টা, টি স্পোর্টস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ওয়ানডে ক্রিকেটে ৪৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করে জয় অর্জন করা সম্ভব, তা প্রমাণ করল শ্রীলঙ্কা। ত্রিদেশীয় সিরিজের অংশ হিসেবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ৮৫৯ রানের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে লঙ্কানরা ২ উইকেটে জয়লাভ করেছে। এটি তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছে। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যারা ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪৩৫ রান তাড়া করে জয়ী হয়েছিল।
শ্রীলঙ্কা ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ২৪ রানে দুই উইকেট হারায়। এরপর আভিস্কা ফার্নান্দো এবং পবন রত্নায়েকের মধ্যে গড়া ১৬৬ রানের জুটি দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আভিস্কা ৯৭ রান সংগ্রহ করেন, আর রত্নায়েকের ব্যাট থেকে আসে ১৩০ রান।
দলটির জয়ের পথে দাসুন শানাকার ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচের গতিপথ পরিবর্তন করে। তিনি মাত্র ৫০ বল মোকাবেলা করে ৯৭ রান করেন। রত্নায়েকের সঙ্গে তার জুটি ছিল ১৩৩ রানের।
শেষ মুহূর্তে জানিথ লিয়াঙ্গের ব্যাটিং শ্রীলঙ্কার জয় নিশ্চিত করে। শেষ ওভারে দুই উইকেট হারানোর পরও তিনি পঞ্চম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন। লিয়াঙ্গে ২৭ বলে ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে ইংল্যান্ডের হয়ে হ্যারি ব্রুক ২০২ এবং উইল জ্যাকস ৬৬ রান করে ৪২৯ রান সংগ্রহ করে। ব্রুক মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে ১৬ মাস ধরে চরম খাদ্য সংকটে রয়েছে প্রায় এক হাজার বানর। খাবারের অভাবের কারণে গেছো প্রাণীগুলো লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তারা প্রতিদিন বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে খাবারের সন্ধানে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। খাদ্য সংকট এবং ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা দিন দিন কমছে। স্থানীয়রা প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়।
একসময় অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত এলাকায় থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে মাদারীপুরের বানরগুলো লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। খাবারের সন্ধানে তারা কখনো ফলের গাছে, আবার কখনো ঘরের চালে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দল বেঁধে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বানরগুলো। খাবারের অভাবে তারা বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে, যার ফলে স্থানীয়রা বিরক্ত হয়ে পড়ছেন।
তথ্য অনুযায়ী, মাদারীপুরের নয়াচর ও চরমুগরিয়া একসময় বানরের অভয়ারণ্য ছিল। তবে খাদ্য সংকট এবং ঘনবসতির কারণে বানরের সংখ্যা কমে গেছে। সরকারিভাবে বানরের জন্য খাবার বরাদ্দ থাকলেও ২০২৫ সালের জুন থেকে তা বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় কিছু প্রাণীপ্রেমী ব্যক্তিগত উদ্যোগে সামর্থ্য অনুযায়ী খাবার দিচ্ছেন।
তবে এই খাবার প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হওয়ায় বানরের উৎপাত বাড়ছে মানুষের ওপর। ১৬ মাস ধরে ক্ষুধার তাড়নায় ঘুরে বেড়ানো বানরের দল স্থানীয়দের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বানর খাবার না পাওয়ায় আমাদের ওপর আক্রমণ করছে। দিন দিন এই উৎপাত বেড়েই চলছে। আমরা এর প্রতিকার চাই।’
নতুন শহরের ছাপাখানার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ‘বানর এখন বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ছে। বানরের যন্ত্রণায় আমরা অতিষ্ঠ। ঘরে ও বাইরে খাবার দেখলেই হানা দেয়। খাবার ছিনিয়ে নেয় বানরের দল।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, মাদারীপুর পৌরসভার চরমুগরিয়ার কালিবাড়ি, স্বর্ণকারপট্টি, জেটিসি, আদমজী, চৌরাস্তা, নদীর পাড় ও কুলপদ্বীসহ বিভিন্ন এলাকায় একসময় প্রায় আট হাজার বানর ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে।
এদিকে, বানরের জন্য পর্যাপ্ত খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশভিত্তিক সংগঠনের নেতারা। তাদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণীকে টিকিয়ে রাখা জরুরি।
মাদারীপুরের পরিবেশভিত্তিক সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের নির্বাহী পরিচালক রাজন মাহমুদ বলেন, ‘দিনে দিনে বানরের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এই প্রাণী খুবই প্রয়োজন। কিন্তু এটি বোঝার কোনো মানুষ সমাজে নেই। সরকারিভাবেও দেখভাল করছে না কেউ। সরকারের কাছে দাবি, বিলুপ্ত হতে যাওয়া গেছো প্রাণীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হোক।’
সামাজিক বন বিভাগ জানায়, বানরের খাবারের জন্য বরাদ্দ চেয়ে বারবার আবেদন করা হলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। সামাজিক বন বিভাগের মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, ‘মাদারীপুর অফিস থেকে বারবার চিঠি দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কোনো বরাদ্দই আসছে না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার জন্য আবারও লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হবে। বানরের খাবারের বরাদ্দ এলে দ্রুত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে যথাযথভাবে খাবার সরবরাহ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ