ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বদির ফুপাতো বোনের জামাই আটক


৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ বদির ফুপাতো বোনের জামাই আটক

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ মো. হাফেজ উল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

আটক হাফেজ উল্লাহ টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ডেইলপাড়া এলাকার মৃত তমিম গোলালের ছেলে। তিনি সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির ফুপাতো বোনের জামাই।

শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড চট্টগ্রাম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে খাবারের অভাবে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে বানর, সংখ্যা কমছে

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ জুলাই সকাল ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড স্টেশন ইনানীর একটি বিশেষ দল ইনানী মেরিন ড্রাইভ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে সন্দেহভাজন যাত্রী হাফেজ উল্লাহর কাছে থাকা ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়।

কোস্টগার্ড জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবা এবং আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

একই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষতেও অব্যাহত রাখতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হাফেজ উল্লাহর বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক পাচারের অভিযোগে অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে হাফেজ উল্লাহকে আটক করা হয়েছিল। পরে বাসের মালামাল রাখার সাইডবক্সে থাকা তার একটি ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করে ৫ হাজার ১৮৫টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৬ লাখ টাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় নিয়োগ, বরখাস্ত শুধু আঞ্চলিক কর্মকর্তা

১৪৩ জনের আউটসোর্সিং নিয়োগে সচিবালয়ের অনুমোদন, বিপিপিএর ছাড় ও মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ; তদন্তের আগেই একক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


১৪৩ জনের আউটসোর্সিং নিয়োগে সচিবালয়ের অনুমোদন, বিপিপিএর ছাড় ও মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ; তদন্তের আগেই একক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৪৩ জন জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও সরকারি নথিপত্র পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পুরো নিয়োগ কার্যক্রম আসলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের লিখিত নির্দেশনা, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) বিশেষ অনুমোদন ও মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ধারাবাহিকতায় সম্পন্ন হয়েছে।

এখন প্রশ্ন উঠেছে, যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের সিদ্ধান্ত, অনুমোদন ও কমিটির সুপারিশ ছিল, সেই প্রক্রিয়ার দায় কি শুধু একজন মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তার? নাকি তদন্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তরের ভূমিকা একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হবে?

এই প্রতিবেদকের কাছে থাকা সরকারি নথি অনুযায়ী, গত ২৩ জুন ২০২৬ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমুল কবিরের স্বাক্ষরিত কপির স্মারক নম্বর: ১৭,০০,০০০০.০১৬.১১.০১৫.২১-৩১৫ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন সচিবালয় দেশের সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল নিয়োগের নির্দেশনা প্রদান করে। একই দিনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) ই-জিপির পরিবর্তে ডাইরেক্ট প্রোকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণের অনুমোদন দেয়। নির্দেশনাটি ৩০ জুনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেয়।

এরপর ২৪ জুন সিনিয়র সহকারী সচিব নাজমুল কবীরের স্বাক্ষরিত কপিতে স্মারক নম্বর: ১৭,০০,০০০০.০১৬.১১.০১৫.২১-৩১৬ এ মূল্যায়ন কমিটি গঠন ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলে, ২৫ জুন দরপত্র আহ্বানের জন্য তৎপরতা শুরু হয় এবং ২৭ জুন স্মারক নম্বর-১৭.০৪.০০০০.০০০.০৮১.০০৬.২৬-৫৭৩ এ মূল্যায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সুপারিশ প্রণয়ন করা হয় এবং ২৯ জুন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনের পর কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডকে কার্যাদেশ (Notification of Award) প্রদান করা হয়। একই দিন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, রাজশাহী অঞ্চলের নির্বাচন কার্যালয়গুলোতে ৫ জন চালক, ৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং ৬৯ জন নিরাপত্তা প্রহরীসহ মোট ১৪৩ জন জনবল সরবরাহের দায়িত্ব পায় প্রতিষ্ঠানটি। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পৃথক নির্দেশনায়, আগে থেকেই কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়। এর ফলস্বরূপ ১৩৭ জন কর্মরত কর্মীর তালিকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির কাছে পাঠানো হয়। পরে প্রতিষ্ঠানটি ১৪৩ জনের চূড়ান্ত তালিকা জমা দিলে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে তারা পর্যায়ক্রমে যোগদান করেন।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইউটিউবভিত্তিক প্রতিবেদনগুলোতে অভিযোগ করা হয়েছে যে নিয়োগপ্রাপ্তদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে এবং কোনো লিখিত অথবা মৌখিক পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উত্থাপনের পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করে এবং বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু করে।

তবে, এই প্রতিবেদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী পাওয়া নথিপত্রে নিয়োগ কার্যক্রমের নানা ধাপের অনুমোদন, মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ, কার্যাদেশ ও চুক্তির তথ্য পাওয়া গেলও ঘুষ লেনদেনের পক্ষে কোনো সরকারি নথি, ব্যাংক লেনদেনের তথ্য কিংবা অন্য কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে অভিযোগ উত্থাপনকারী সোশ্যাল মিডিয়া অথবা ইউটিউব প্রতিবেদনে অর্থ লেনদেনের সমর্থনে সংলগ্ন কোনো যাচাইযোগ্য নথিও প্রদর্শিত হয়নি। তবে এর অর্থ এই নয় যে অভিযোগটি সত্য নয় বা মিথ্যা, এর সত্যতা নির্ধারণ করবে চলমান তদন্ত।

অভিযোগ তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়। গত ২১ জুলাই স্মারক ১৭,০০,০০০০.০৮৩.২৭.০০৬৩.২৬-৬০৮ এ উপসচিব (শৃঙ্খলা) সালাহউদ্দীন আহমদের স্বাক্ষরিত আদেশে যুগ্ম সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) ডিএম আতিকুর রহমানকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয় এবং পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৪৩ জন কর্মী নিয়োগে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের জন্য এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

নথিপত্র বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যায়, পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মূল্যায়ন কমিটি, বিপিপিএ এবং জনবল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পৃথক ভূমিকা ছিল। কিন্তু প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কেবল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এতে প্রশ্ন উঠেছে, তদন্ত কি শুধু মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তার ভূমিকাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি সিদ্ধান্ত গ্রহণে যুক্ত সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অভিযুক্ত ভূমিকা সমানভাবে যাচাই করা হবে?

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসে কর্মরত আউটসোর্সিং চালক ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, তিনি ২০১৬ সাল থেকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে কর্মরত রয়েছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে যোগদানপত্র সংগ্রহ করেছেন এবং এ প্রক্রিয়ায় তাঁর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি বা কেউ টাকাও দাবি করেনি।

বোয়ালিয়া থানা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফারুক হোসেন বলেছেন, তিনি ২০২৩ সালে মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে চাকরিতে যোগ দিয়েছেন। ২০২৫ সালের নীতিমালায় অভিজ্ঞ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান অনুযায়ী তাঁকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এ নিয়োগেও তাঁর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি।

২০২৩ সালে যোগদানকৃত রাজপাড়া থানা নির্বাচন অফিসের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সাব্বির হোসেনও একই রকম মন্তব্য করেছেন, বলছেন যে নতুন কাউকে নিয়োগ না দিয়ে পুরাতন কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং তাঁর ক্ষেত্রেও কোনো অর্থ লেনদেন হয়নি।

কেএসএফ ট্রেড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামীম হোসাইন বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা এবং কেন্দ্রীয় অনুমোদনের ভিত্তিতে আগের কর্মীদের বহাল রাখা হয়েছে। তাঁর মতে, প্রতিষ্ঠানটি নিজস্বভাবে কোনো তালিকা তৈরি করেনি; বরং নির্বাচন কমিশনের থেকে প্রাপ্ত তালিকা অনুসারে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিষ্ঠানের অগোচরে কেউ ব্যক্তিগতভাবে অর্থ নিয়ে থাকলে তার দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না বলেও তিনি জানিয়েছেন।

রাজশাহী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেছেন, সরকার নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধান অনুসরণ করেই পুরো নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। তাঁর দাবি, মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিধিবিধানের ব্যত্যয় ঘটেনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব ও তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ডিএম আতিকুর রহমান বলেছেন, তদন্ত না করে কোনো মন্তব্য করা যাবে না এবং বলেছেন যে তদন্ত চলমান রয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তখন বিষয়টি জানানো সম্ভব হবে।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রকৃতপক্ষে অনিয়ম হয়েছে কি না, ঘুষের অভিযোগের বাস্তবতা কী, আর যদি কোনো অনিয়ম হয়ে থাকে, তাহলে সে দায় কার? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলে তদন্ত প্রতিবেদনে। তবে সরকারি নথিতে যখন দেখা যাচ্ছে পুরো প্রক্রিয়াটি কেন্দ্রীয় নির্দেশনা, বিপিপিএর অনুমোদন, মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ এবং সচিবালয়ের স্বাক্ষরিত অনুমোদনের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে, তখন অনুসন্ধান সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন হলো, বহুস্তরের সিদ্ধান্তে সম্পন্ন একটি প্রক্রিয়ার প্রশাসনিক দায় কি কেবল একজন কর্মকর্তার ওপরই বর্তাবে, নাকি তদন্তে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি স্তর সমানভাবে মূল্যায়িত হবে?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে : পরিবেশমন্ত্রী

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) ফেনী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফসিসিআই) নবনির্বাচিত পরিষদ (২০২৬-২০২৮ মেয়াদ)-এর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সম্পদ বৃদ্ধি করা ব্যবসায়ী সমাজের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ব্যবসায়ীদের অবদান অনস্বীকার্য।’

তিনি বলেন, ‘অনেক সময় ঢালাওভাবে সব ব্যবসায়ীর সমালোচনা করা হয়, যা গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের অনেক ব্যবসায়ী নিয়ম-কানুন মেনে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।’

আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘একটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সম্পদ সৃষ্টি মূলত ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে হয়ে থাকে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হলেও দারিদ্র্য ভাগ করে কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘পরিবেশবান্ধব টেকসই উন্নয়ন, আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন কেজরিওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


তরুণদের অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন কেজরিওয়াল

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পরে, তরুণদের উদ্দেশ্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশটির আম আদমি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক অভিনন্দন।’

কেজরিওয়াল আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের জেন-জিদের অনেক অভিনন্দন। এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আপনাদের সংগ্রাম সফল হয়েছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে হয়েছে।’

গণতন্ত্রের বড় বিজয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের গণতন্ত্রের ওপর থেকে আস্থা উঠে যাচ্ছিল। মানুষের মনে হচ্ছিল, সরকার জনগণের কথা শোনে না। জনগণ সরকারের সামনে চিৎকার করে, অনুরোধ করে, হাতজোড় করে, এমনকি পায়ে ধরেও আবেদন জানায়, তবু সরকার কথা শোনে না।’

কেজরিওয়াল আরও বলেন, ‘এত বড় আন্দোলনের পর শেষ পর্যন্ত সরকারের অহংকার নত হয়েছে। জনগণের সামনে সরকারকে মাথা নত করতে হয়েছে। এটি গণতন্ত্রের বড় বিজয়।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘এখন সরকারের বোঝা উচিত যে জনগণের কথা শুনতে হবে। এটাই গণতন্ত্র। গণতন্ত্র জনগণের, জনগণের দ্বারা এবং জনগণের জন্য।’

এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকার নিট পরীক্ষার পুরো ব্যবস্থাকে সংস্কার করবে, যাতে আগামী বছর থেকে আর প্রশ্ন ফাঁস না হয়। এই দেশের কোনো শিক্ষার্থীকে আর আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নিতে না হয়।’

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তৃতীয় দফার আলোচনার আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি আরবে হুতিদের জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংস করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


সৌদি আরবে হুতিদের জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ধ্বংস করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা

ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিদের সঙ্গে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) তারিখে, ইয়েমেনের হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে সৌদির দিকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। তবে সৌদি আরবের সক্রিয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে এই দুইটি ক্ষেপণাস্ত্রকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে।

মূলত, ইয়েমেনের হোদাইদাহ বন্দরনগরীতে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলার প্রতিশোধ নিতে হুতি বিদ্রোহীরা এই পাল্টা হামলা চালায়।

শনিবার বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, হুতিদের এই হামলার তথ্য নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রিক নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, সৌদির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইয়ানবুরের তেল শোধনাগারগুলোকে লক্ষ্য করে এই জোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল। তবে সেখানে মোতায়েন থাকা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দ্বারা ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আকাশে থাকতেই ধ্বংস করা হয়।

এর পূর্বে চলতি সপ্তাহের মধ্যে সৌদি আরবের পরিচালিত হামলার প্রতিশোধ নেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল হুতিরা। ওই ঘোষণার পরেই সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় সৌদির জিজান ও ইয়ানবু শহরে আগাম সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, শনিবার সকালে হুতি-সমর্থিত আল মাসিরাহ টিভি জানিয়েছে যে, শুক্রবার রাতে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষের স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়াও কামারান দ্বীপেও হামলার খবর এসেছে। যেখানে হামলায় এক নারীর আহত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানানো হয়েছে যে, হোদাইদাহ বন্দরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এই বন্দরটিকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছে। উল্লেখযোগ্য যে, হোদাইদাহ বন্দরটি হুতি-নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনে অধিকাংশ বাণিজ্যিক পণ্য ও মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি লাইফলাইন।

সাম্প্রতিক এই উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট হুতিদেরকে সরাসরি দায়ী করেছে। জোটের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি লোহিত সাগরে জাহাজগুলোর ওপর গোষ্ঠীটির অব্যাহত হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত ও বেপরোয়া’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি একটি বিবৃতিতে বলেছেন, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ‘সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও ব্যবস্থা গ্রহণ’ অব্যাহত রাখবে। যদি হুতিরা তাদের ‘শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড’ চালিয়ে যায়, তাহলে কঠোর হাতে তা দমন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%