ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

গণরায় না মানলে জনগণ লালকার্ড দেখিয়ে দেবে: গোলাম পরওয়ার


গণরায় না মানলে জনগণ লালকার্ড দেখিয়ে দেবে: গোলাম পরওয়ার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন যে, গণরায় না মানলে জনগণের হাতে লাল কার্ড রয়েছে এবং জনগণ তা উপযুক্ত সময়ে দেখিয়ে দেবে।

তিনি শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় যশোরের মুড়লি মোড়ে ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া লংমার্চের অংশ হিসেবে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, ঢাকা থেকে এ পর্যন্ত আসার পথে রাস্তার দুপাশে লাখ লাখ মা-বোন ও সাধারণ মানুষের যে জোয়ার দেখা গেছে, তা সত্যিই বিস্মিত ও অভিভূত করার মতো। গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে আসার সময় হাজার হাজার নারী-পুরুষ এগারো দলের আন্দোলন এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: বাড়িতে বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া মাসুমা পেলেন এ গ্রেড

বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচনের ৮ মাস পরও আপনাদের ভাববার সময় আছে। নির্বাচনে জাতিকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন, তা রক্ষা করুন। আগামী ৯ নভেম্বরের পার্লামেন্ট অধিবেশনে ভুল স্বীকার করে একদলীয় সংবিধান সংশোধনের বাকশালি স্টাইল থেকে ফিরে আসুন। রাজনৈতিক সংকটকে সংঘাতে না ঠেলে পার্লামেন্টে তার নিষ্পত্তি করুন।

জামায়াতের এ নেতা আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদারি, সার, গ্যাস, বিদ্যুতের এই ৮ মাসে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থার উন্নতি না হলে এক দফার কর্মসূচি আসবে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন: দীপকে সন্দেহ, সঙ্গের তরুণীকে খুঁজছে পুলিশ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হতাশা আর ক্ষোভ থেকে যেভাবে বদলে গেল ইসরায়েলের রাজনীতির সমীকরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


হতাশা আর ক্ষোভ থেকে যেভাবে বদলে গেল ইসরায়েলের রাজনীতির সমীকরণ

ইসরায়েলের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নজিরবিহীন পরিবর্তন দেখা গেছে। ভোটকেন্দ্রে রেকর্ড সংখ্যক আরব ভোটারের উপস্থিতি ঘটেছে, যা তীব্র হতাশা, নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এবং চরম ডানপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভের ফলস্বরূপ। এর ফলে, দেশটির আরব-প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো—‘রা’ম’ (Ra'am) এবং ‘জয়েন্ট লিস্ট’ (Joint List)—ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে রেকর্ড ১৯টি আসন অর্জন করে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ বা ভাগ্যনিয়ান্ডার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলি রাজনীতিতে উপেক্ষিত ও মূলধারার বাইরে থাকা আরব নাগরিকরা এবার নিজেদের ভোটাধিকারের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছেন। গাজা সংঘাতের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি, পশ্চিম তীরের উত্তেজনা এবং আরব জনপদগুলোতে বাড়তে থাকা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারের উদাসীনতা ভোটারদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল। এর ফলস্বরূপ, নেগেভ মরুভূমি থেকে শুরু করে উত্তর গ্যালিল পর্যন্ত আরব অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার মিত্ররা আরব দলগুলোর এই উত্থানকে ঘিরে কড়া সমালোচনা বজায় রেখেছেন। নেতানিয়াহু এই জোটের বিরুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেও, আরব দলগুলোর নেতারা বলছেন যে তাদের মূল লক্ষ্য ইসরায়েলি সমাজের মৌলিক নাগরিক অধিকার রক্ষা করা, বৈষম্য দূর করা এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখা।

তবে, এই ১৯টি আসন কোনো স্থায়ী জোট সরকার গঠনে কতটা ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে এখনো রাজনৈতিক সমীকরণ জটিল রয়েছে। কারণ অনেক জায়নিস্ট ইহুদি রাজনৈতিক দল আরব দলগুলোর সাথে সরকার গঠনে ঐতিহ্যগতভাবে অনীহা প্রকাশ করে থাকে। তা সত্ত্বেও, বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে এবং সরকার গঠনের পথ সুগম করতে এই আরব দলগুলোর সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এ বছর পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি, ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হবে না: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


এ বছর পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়নি, ভবিষ্যতেও প্রয়োজন হবে না: কৃষিমন্ত্রী

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে আর এক কেজি পেঁয়াজও আমদানি করতে হবে না। এ বছর দেশে পেঁয়াজ আমদানি করার প্রয়োজন পড়েনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর সদর উপজেলার বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্রে দেশের প্রথম বৃহৎ পরিসরের ‘গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কৃষিপণ্য রপ্তানির উপযোগী ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে গাজীপুরে গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষিপণ্যে পচন রোধ, ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস এবং সংরক্ষণক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব হবে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের চাহিদা ও রপ্তানির সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

তিনি আরও বলেন, আম, কাঁঠাল ও আনারসের মতো দেশীয় ফলের আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কিন্তু খাদ্যনিরাপত্তা ও সংরক্ষণসংক্রান্ত সীমাবদ্ধতার কারণে এসব বাজারের সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো যাচ্ছে না। গামা ইরেডিয়েশন সেন্টার এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের বাজার নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষিপণ্যের আমদানিনির্ভরতা কমানোর বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, গামা ইরেডিয়েশন প্রযুক্তির মাধ্যমে মৌসুমি ফলের পাশাপাশি গাজর ও ক্যাপসিকামের মতো সবজি প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে কৃষিপণ্যের অপচয় কমবে এবং কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবেন।

নিরাপদ খাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমদানি করা বিভিন্ন খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেসব খাদ্য মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, সেগুলোর আমদানি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিনার অধীনে নির্মিত পাঁচ লাখ কিউরি ক্ষমতাসম্পন্ন এ কেন্দ্রটি দেশের কৃষি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলামসহ দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাত দফা মেনে নিন, নইলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


সাত দফা মেনে নিন, নইলে এক দফার ডাক দেওয়া হবে: শফিকুর রহমান

সরকারের প্রতি সাত দফা দাবি দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, "দাবি বাস্তবায়ন না হলে এক দফার আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।" তিনি বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এর ফলস্বরূপ সরকারকে মূল্য দিতে হবে। জনগণ রাজপথে নেমে দাবি আদায় করবে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর যশোরের মুড়লীর মোড়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া অভিমুখী লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১১ দলীয় ঐক্য সংসদে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করতে চায়। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারসহ সাত দফা দাবি সংসদে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে সরকার যদি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে সাত দফা দাবি এক দফায় রূপ নিতে পারে। প্রয়োজনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সরকারি বিভিন্ন কার্ড বিতরণে অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, "সরকারি সুবিধা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নিজস্ব সম্পদ নয়।" তিনি আরও বলেন, "এসব সুবিধা জনগণের অধিকার।" অথচ প্রকৃত উপকারভোগীরা অনেক ক্ষেত্রে তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সরকারি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জামায়াত আমির বলেন, "গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে মতামত দিয়েছে, তা উপেক্ষা করা হচ্ছে।" তিনি বলেন, "জাতির সঙ্গে এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়।" জনগণের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, "দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়।" তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা আবারও ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটবে, তাদের পরিণতি ভালো হবে না। দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় ঐক্য রাজপথে নেমেছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই তাদের আন্দোলনের অন্যতম লক্ষ্য।

তিনি দাবি করেন, এ আন্দোলনের পেছনে ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ বা বিশেষ রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের উদ্দেশ্য নেই। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নই তাদের মূল লক্ষ্য। সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে দাবি পূরণের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

পথসভায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, যুগ্ম সদস্য সচিব সাঈদ মোস্তাফিজ, মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, প্রকৌশলী রাশেদ প্রধান, এলডিপির বিল্লাল হোসেন নিয়াজী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন চান ও মুফতি শরাফত হোসেন আরও বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোক্তার আলী, যশোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এনামুল হক, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু জাফর, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম রনি ও ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুলছড়িতে যমুনা নদীর বুক চিরে চলা নৌকার ওপর জন্ম নিয়েছে এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান নাম রাখা হয়েছে ‘নদী’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহীন আলম, স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৩ পি.এম


ফুলছড়িতে যমুনা নদীর বুক চিরে চলা নৌকার ওপর জন্ম নিয়েছে এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান নাম রাখা হয়েছে ‘নদী’

গাইবান্ধার ফুলছড়িতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাঝনদীতে নৌকার বুকেই জন্ম নিয়েছে এক ফুটফুটে কন্যাসন্তান। শনিবার বিকেলে ফুলছড়ি ইউনিয়ন থেকে ফুলছড়ি ঘাটে যাওয়ার পথে যমুনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র’ (জিইউকে)-এর কর্মীদের তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা ও তৎপরতায় মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ রয়েছেন।
জিইউকের মাঠকর্মীদের থেকে জানা যায়, শনিবার বিকেলে ফুলছড়ি চরাঞ্চলে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম শেষে নৌকায় ফিরছিলেন জিইউকের একদল কর্মী। এ সময় প্রসববেদনায় কাতর এক নারীকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁর স্বজনরা কর্মীদের কাছে নৌকায় তুলে নেওয়ার আকুল অনুরোধ জানান। প্রসূতির শারীরিক অবস্থা ও পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে নৌকায় তুলে নেন।
এর আগে দুর্গম পথ পাড়ি দিতে স্বজনরা প্রথমে কিছুটা পথ হেঁটে এবং পরে মাচায় করে সতর্কতার সঙ্গে ওই নারীকে নৌকাঘাট পর্যন্ত নিয়ে আসেন। তবে নৌকায় ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর প্রসববেদনা তীব্র হয়ে ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে নৌকায় থাকা নারী কর্মী ও স্বজনরা কাপড় দিয়ে চারপাশ আড়াল করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রসবের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করেন।
একদিকে নৌকা দ্রুতগতিতে ঘাটের দিকে ছুটছিল, অন্যদিকে মা ও অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সবার মাঝে ছিল চরম উৎকণ্ঠা। অবশেষে প্রায় ৪০ মিনিটের নৌযাত্রার মাঝপথে নদীর বুকেই জন্ম নেয় ফুটফুটে কন্যাসন্তানটি। মুহূর্তেই উপস্থিত সবার উৎকণ্ঠা কেটে গিয়ে স্বস্তি ও আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। আর এই সাহসী ও ভিন্নধর্মী পরিবেশে জন্ম নেওয়া শিশুটির নাম রাখা হয় ‘নদী’।
গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা রোকন উদ দৌলা জানান, চরাঞ্চলের প্রতিকূল যোগাযোগব্যবস্থার মধ্যেও মানবিক দায়িত্ববোধ ও সবার আন্তরিক সহযোগিতায় একটি নতুন প্রাণের নিরাপদ আগমন সম্ভব হয়েছে। সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় মা ও নবজাতক দুজনই বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থ ও শঙ্কামুক্ত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%