শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:৩১ পি.এম
একসময় ক্রেতাদের জন্য দোকানের শাটার খোলার অপেক্ষায় থাকতেন ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান খোলা রেখেও ক্রেতার দেখা পান না তারা। দুপুর গড়িয়ে গেলেও অনেক দোকানে দিনের প্রথম বিক্রি হয় না। পণ্য বিক্রি না হওয়ায় দোকানভাড়া, কর্মচারীদের বেতন এবং সংসারের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কিছু ব্যবসায়ী ঋণ নিয়ে ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন, আবার অনেকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করছেন।
রাজধানীর একসময়ের অভিজাত ও জমজমাট শপিংমলগুলোর অবস্থা এখন এমন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাপা প্লাজা, ইস্ট প্লাজা, প্লাজা এয়ার এবং অর্কিড পয়েন্টের মতো বিপণিবিতানে ক্রেতাসংকটের কারণে ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের আশঙ্কা, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আরো কিছু শপিংমল একে একে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ব্যবসায়িক মন্দা, ক্রেতাসংকট এবং আর্থিক সংকটের কারণে রাজধানীর শান্তিনগর-কাকরাইলের কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ হয়ে গেছে। ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া এই বিপণিবিতানটি গত ১ অক্টোবর থেকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন দোকানমালিকেরা। ক্রেতা কমে যাওয়া, লোকসান এবং বকেয়া বিলের চাপ সামলাতে না পেরে তারা এ সিদ্ধান্ত নেন।
রাজধানীর রাপা প্লাজায় ২৬ বছর ধরে ব্যবসা করছেন নূর নবী। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিকে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে কঠিন মনে করছেন। নূর নবী বলেন, ‘অবস্থা এমনিতেই খারাপ। তবে রাপা প্লাজার অবস্থা আরো খারাপ। একসময় আমরা শাটার খোলার অপেক্ষা করতাম, কখন ক্রেতা আসবেন। ক্রেতারা বলতেন, আমার পণ্যটা দিয়ে তারপর শাটার বন্ধ করেন। এখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও ক্রেতা পাই না।’
তিনি আরো বলেন, অনেক দিন দুপুর গড়িয়ে গেলেও বিক্রি শুরু হয় না। দোকানে পণ্য সাজানো থাকলেও ক্রেতা না থাকায় ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। একই মার্কেটের এক নারী ব্যবসায়ীও হতাশার কথা জানান। সকাল ১১টার দিকে দোকান খুললেও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তার কোনো বিক্রি হয়নি বলে জানান তিনি।
ওই নারী ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমাদের পুরো পরিবার ব্যবসার আয়ের ওপর নির্ভরশীল। দোকানের আয় দিয়ে বাসাভাড়া, খাওয়াদাওয়া, পণ্য কেনা ও কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়। কিন্তু এখন পরিস্থিতি এত খারাপ যে সব খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
২০ টাকার পণ্যও বিক্রি হচ্ছে না
রাপা প্লাজার মতো একই চিত্র দেখা যাচ্ছে রাজধানীর অন্য কয়েকটি শপিংমলেও। একসময় কেনাকাটার জন্য পরিচিত ছিল ইস্ট প্লাজা। সেখানকার ব্যবসায়ীরাও এখন ক্রেতাসংকটে ভুগছেন। এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমাদের দোকানে ২০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামের পণ্য রয়েছে। তারপরও সারা দিন কোনো ক্রেতা পাই না। সোমবারও কোনো বিক্রি হয়নি, আজও হয়নি। এভাবে চলতে থাকলে দোকানভাড়া দেওয়া সম্ভব হবে না।’
তিনি বলেন, কয়েক মাস দোকানভাড়া দিতে না পারলে দোকান ছেড়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। মাসে কয়েক দিন বিক্রি হলেও বাকি দিনগুলোতে আয় না থাকায় ব্যবসার খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়ছে। অর্কিড পয়েন্টের ব্যবসায়ীরাও একই ধরনের আশঙ্কা করছেন। তাদের একজন জানান, মঙ্গলবার মার্কেটটি বন্ধ ছিল। ব্যবসার অবস্থা খারাপ হওয়ায় কিছু দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। আবার কিছু নতুন ব্যবসায়ী এসেছেন। তবে সামগ্রিকভাবে বিক্রি বাড়ছে না।
ওই ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা দোকানভাড়া, সার্ভিস চার্জ ও কর্মচারীদের বেতন দিয়ে ব্যবসা করি। অন্যদিকে ফুটপাতে কম খরচে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। অনলাইনে অনেক পণ্য তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যায়। এসব কারণে আমাদের ব্যবসায় প্রভাব পড়ছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগে ভাড়ার দোকানে ব্যবসা করতাম। পরে সেখানে দোকান না পেয়ে এই মার্কেটে এসেছি। কিন্তু এখানেও ব্যবসার অবস্থা ভালো নয়।’
ঋণের বোঝা বাড়ছে ব্যবসায়ীদের
ব্যবসায় মন্দার কারণে অনেক ব্যবসায়ী ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। দোকানে লাখ লাখ টাকার পণ্য থাকলেও বিক্রি না হওয়ায় নগদ অর্থের সংকট কাটছে না। একপর্যায়ে পণ্য কেনার টাকা, দোকানভাড়া এবং কর্মচারীদের বেতন জোগাড় করাও কঠিন হয়ে উঠছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত আড়াই বছরে আমার প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা ঋণ হয়েছে। দোকানে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার পণ্য থাকলেও ক্রেতা না থাকলে কী হবে? সংসার চালাতে হচ্ছে একজনের কাছ থেকে ধার করে আরেকজনের দেনা শোধ করে।’
আরেক ব্যবসায়ী জানান, তার পরিচিত এক দোকানির প্রায় ৩০ লাখ টাকার পণ্য রয়েছে। কিন্তু তার দেনার পরিমাণ প্রায় ৫০ লাখ টাকা। বিক্রি না হওয়ায় পণ্য থাকা সত্ত্বেও দেনা পরিশোধ করতে পারছেন না তিনি।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, প্রতিদিন দোকান খোলা রাখার জন্য বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতন, ভাড়া এবং অন্যান্য খরচ বহন করতে হয়। অথচ বিক্রি না থাকায় এসব ব্যয় মেটানোর মতো অর্থ হাতে থাকছে না। ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে দোকান বন্ধ করে দিচ্ছেন।
অনলাইন কেনাকাটা ও ফুটপাতের প্রতিযোগিতা
ব্যবসায়ীরা বলেন, ক্রেতাসংকটের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। অনলাইনে কেনাকাটার প্রবণতা বৃদ্ধি, ফুটপাতের দোকানে কম দামে পণ্য পাওয়া, ক্রেতাদের পরিবর্তিত অভ্যাস এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কেনাকাটায় সতর্কতা—সব মিলিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা।
এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘অনলাইনে অনেক কম দামে পণ্য পাওয়া যায়। ক্রেতারা সেখান থেকে কেনাকাটা করেন। আবার ফুটপাতেও কম দামে পণ্য বিক্রি হয়। কিন্তু আমাদের দোকানভাড়া, সার্ভিস চার্জ ও কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়। ফলে একই দামে পণ্য বিক্রি করা কঠিন।’
তবে অনলাইন কেনাকাটা বা ফুটপাতের ব্যবসাকেই একমাত্র কারণ হিসেবে দেখছেন না ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, মানুষের হাতে খরচ করার মতো অর্থ কমে গেলে কেনাকাটাও কমে যায়। প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর পর অনেকেই পোশাক বা অন্যান্য পণ্য কেনা পিছিয়ে দিচ্ছেন।
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি কি সতর্কবার্তা?
রাজধানীর শান্তিনগর-কাকরাইল মোড়ে অবস্থিত কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি একসময় অভিজাত বিপণিবিতান হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৯৮ সালে চালু হওয়া এই শপিং কমপ্লেক্সে একসময় ১৯৮টি দোকান ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতা কমতে থাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম সংকুচিত হয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত গত ১ অক্টোবর থেকে বিপণিবিতানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন অন্য শপিংমলের ব্যবসায়ীরা। তাদের আশঙ্কা, ক্রেতা না ফিরলে এবং বিক্রি না বাড়লে একই পরিস্থিতির মুখে পড়তে পারে আরো কিছু বিপণিবিতান।
ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, দোকানভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাড়লেও বিক্রি না থাকলে তারা কত দিন ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন? অনেকের কাছে এখন ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেয়ে ঋণের বোঝা না বাড়ানোই বড় চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে রাজধানীর একসময়ের অভিজাত শপিংমলগুলোতে ক্রেতাসংকট ব্যবসায়ীদের অস্তিত্বের সংকটে ফেলেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা, কেনাকাটার পরিবেশ এবং ব্যবসার ব্যয়—সব দিকেই নজর দেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, ক্রেতারা আবার ফিরবেন, বাড়বে বিক্রি। তা না হলে একসময় জমজমাট এসব বিপণিবিতানের অনেকগুলোই হয়তো ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামী ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ শুরু করেছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে ভারতকে তোষণ করত। বর্তমানে জামায়াতও ভারতকে আওয়ামী লীগের মতো তোষণ করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে। এই কারণে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করছেন।
আজ শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ পুরাতন ডিসি কোর্ট মসজিদে জুমার নামাজ শেষে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে জামায়াত প্রার্থীর পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, জামায়াতের জান্নাতের টিকিট বিক্রি মানুষ আর গ্রহণ করেনি। জাতীয় নির্বাচনে তারা সফল হলেও ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচনে তারা ব্যর্থ হয়েছে।
এ সময় ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান এবং বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফাইনালে বাংলাদেশের যুবারা ছন্দ ধরে রাখতে সক্ষম হয়নি। আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ ওয়ার্ল্ড কাপ অ্যান্ড ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর টায়ার ‘ই’র ফাইনালে তারা পরাজিত হয়েছে। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়ে রানার্সআপের স্থান দখল করেছে বাংলাদেশ। ফলে ১৮৯ দেশের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ১৩০তম অবস্থানে শেষ করেছে।
আজকের ফাইনালের ১৪তম মিনিটে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে। মোইয়ের গোলে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ১-০ ব্যবধানে লিড নেয়। এর চার মিনিট পর পেনেল ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
বাংলাদেশ ২৩ মিনিটে তাকিবের গোলে ম্যাচে ফেরার আশা জাগায়। তবে সেই আশা খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। গোলের আনন্দ বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
২৬ মিনিটে মোই নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিককে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ৩৯তম মিনিটে তিনি হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেন। মোইয়ের হ্যাটট্রিকে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৪-১ গোলের জয় নিশ্চিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্য সরকার নাগরিকদের ঘরে অন্তত তিন দিনের খাবার ও পানি মজুদ রাখার পরামর্শ দিয়েছে, যা সাইবার হামলা, রাশিয়ার নাশকতা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এ পরামর্শটি সাম্প্রতিক সাইবার হামলা, তীব্র গরম, খরা এবং দাবানলের ঝুঁকি বিবেচনায় দেওয়া হয়। এই তথ্যটি বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সরকারের ‘বি রেডি’ বা ‘প্রস্তুত থাকুন’ কর্মসূচির আওতায় নাগরিকদের দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য খাবার এবং বোতলজাত পানি ঘরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো জরুরি পরিস্থিতিতে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হলে নাগরিকেরা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবেন।
বুধবার পিএইচপি প্রোগ্রামের একটি নিরাপত্তা ত্রুটি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্বজুড়ে সরকার ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রযুক্তিব্যবস্থা সুরক্ষিত করতে তৎপর হয়ে ওঠে। ওই ত্রুটির কারণে কিছু অনলাইন সেবা বন্ধ হয়ে যায় এবং লাখ লাখ হ্যাকিংয়ের চেষ্টা শুরু হয়। এই ঘটনাটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম বড় সাইবার নিরাপত্তা সংকট হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।
দাবানল মোকাবেলায় সরকারের উদ্যোগ নিয়ে আয়োজিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, অতীতে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যকে প্রায়ই পিছিয়ে থেকে কাজ করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন থেকে আরো আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
সরকার দাবানল মোকাবেলায় সামরিক উড়োজাহাজ ব্যবহারের পরিকল্পনাসহ নতুন কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা খুঁজে বের করা সহজ হচ্ছে। ফলে এ ধরনের সাইবার হামলা আরো বাড়তে পারে। তিনি বলেন, শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র, সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র এবং জলবায়ু পরিবর্তন থেকেও ঝুঁকি বাড়ছে।
তিনি আরও বলেন, তার জীবদ্দশায় যুক্তরাজ্য বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে রয়েছে।
গত বছর ইউরোপীয় কমিশনও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাগরিকদের খাবার, পানি, নগদ অর্থ এবং পাওয়ার ব্যাংকসহ ৭২ ঘণ্টার জরুরি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দিয়েছিল।
সম্প্রতি নিরাপত্তাত্রুটির কারণে যুক্তরাজ্য সরকারের ৩২টি অনলাইন পরিষেবা সতর্কতামূলকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এ ছাড়া উত্তর আটলান্টিকে সমুদ্রতলের যোগাযোগতারের কাছে রুশ জাহাজের সন্দেহজনক চলাচল এবং আর্কটিক অঞ্চলের প্রতিরক্ষাগত ঘাটতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গত অক্টোবরের শুরুতে, ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজকে ঘিরে রেখেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি বাহিনী, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই পরিস্থিতিতে, শহরের প্রায় ১০ লাখ মানুষ খাদ্যসহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছে।
ইয়েমেনের বিশ্লেষক ও মানবাধিকারকর্মী বারাআ শিবান সম্প্রতি শহরটি পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার, মিডেল ইস্ট আই-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি এ তথ্য জানান।
শিবানের মতে, ফিলিস্তিনিদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া হুতিদের এবং তাদের বিরোধীদের মধ্যে সংঘাতকে শুধুমাত্র দুই পক্ষের লড়াই হিসেবে উপস্থাপন করা ভুল। এতে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের প্রকৃত চিত্র আড়ালে থেকে যাচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাতকে হুতি এবং তাদের বিরোধীদের মধ্যে কেবল পক্ষ বেছে নেওয়ার বিষয় হিসেবে দেখলে, অবরুদ্ধ শহরগুলোর সাধারণ মানুষের দুর্দশা উপেক্ষিত হয়ে যায়। এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় মূল্য সাধারণ মানুষকেই দিতে হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ