ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

সিলেটে নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিলে ১২ জন আটক


সিলেটে নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিলে ১২ জন আটক

সিলেটে নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের মিছিলের ঘটনায় পুলিশ ১২ জনকে আটক করেছে, যারা ব্যানার ও ফ্যাস্টুনসহ ছিলেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে নগরের জেলরোড এলাকা থেকে শুরু করে ধোপাদিঘিরপাড় পর্যন্ত ‘সিলেট মহানগর যুবলীগ’-এর ব্যানারে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন জকিগঞ্জের শামসুল ইসলামের ছেলে মো. শাহেক আহমেদ (৩২), ইব্রাহিম আলীর ছেলে মোহাম্মদ সেলিম আহমেদ (৩৭), আবুল কালামের ছেলে মুন্না আহমেদ (২৯), কানাইঘাটের ফরিদ আলীর ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৫), মেজবাহ উদ্দিনের ছেলে তানিম ইকবাল (১৯), নুরুল হকের ছেলে সালেহ আহমেদ (১৮), নসির আহমেদের ছেলে কিবরিয়া আহমেদ (৩০), মৃত মকবুল আলীর ছেলে আলী আহমদ (৪৫), মৃত মমিন উদ্দিনের ছেলে এন এম নাদিম (২০), দক্ষিণ সুরমার লিমন আহমেদের ছেলে ফাহিম হাসান রবি (১৮), আব্দুল মালিক খানের ছেলে জাকের খান (২৯) এবং রেহান উল্লাহর ছেলে জুনায়েদ আহমেদ (৩৮)।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে সিলেট মহানগর যুবলীগের ব্যানারে মিছিলটি বের হয়। এতে সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। মিছিলের সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও শেখ হাসিনার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, ৪ গ্রেফতার

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি ব্যানার, পাঁচটি ফেস্টুন এবং ১৫টি লাল রঙের ক্যাপ উদ্ধার করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মো. আফজার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই ও গাড়ি ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


বগুড়ায় পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই ও গাড়ি ভাঙচুর

বগুড়ার সোনাতলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় পুলিশের পিকআপ ভ্যানের ওপরও ভাঙচুর করা হয়।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সোনাতলা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চার নারীকে আটক করেছে।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, ফুলবাড়িয়া গ্রামের সালাম মাস্টারের ছেলে গোলাম কবির সুমনের (৩৬) বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সোনাতলা থানার এসআই শিমুল কুমার দাস ও এএসআই মেহেদী হাসান থানার একটি পিকআপ ভ্যান নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে ফুলবাড়িয়া গ্রামে যান।

পুলিশ সদস্যরা গোলাম কবির সুমনকে আটক করে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশ সদস্যদের মারধর করে সুমনকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় হামলাকারীরা পুলিশের পিকআপ ভ্যানটিও ভাঙচুর করে।

ঘটনার খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে আহত দুই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চার নারীকে আটক করে থানায় রাখা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে শনিবার ৬ ঘণ্টা টোল মুকুটে থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে শনিবার ৬ ঘণ্টা টোল মুকুটে থাকবে

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর (শনিবার) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ছয় ঘণ্টা টোল ছাড়াই যান চলাচলের সুযোগ প্রদান করা হবে। ওই দিন নির্ধারিত সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সকল ধরনের অনুমোদিত যানবাহন সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে চলাচল করতে পারবে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য কোনো টোল দিতে হবে না। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে নিয়মিত হারে টোল আদায় কার্যক্রম আবার শুরু হবে।

বর্তমানে এক্সপ্রেসওয়েতে শ্রেণিভেদে টোল আদায় করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে কার, ট্যাক্সি, এসইউভি, ১৬ আসনের কম মাইক্রোবাস ও ৩ টনের কম হালকা ট্রাকের জন্য টোল নির্ধারিত রয়েছে ৮০ টাকা; ১৬ আসন বা তদূর্ধ্ব বাসের জন্য ১৬০ টাকা; ৬ চাকা পর্যন্ত মাঝারি ট্রাকের জন্য ৩২০ টাকা এবং ৬ চাকার বেশি ভারী ট্রাকের জন্য ৪০০ টাকা। তবে রিকশা, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো দুই ও তিন চাকার যানবাহন এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) ভিত্তিতে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বিমানবন্দর সংলগ্ন কাওলা থেকে এফডিসি পর্যন্ত অংশটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বর্তমানে এ অংশেই নিয়মিত যান চলাচল করছে। নকশা অনুযায়ী কাওলা থেকে তেজগাঁও, মগবাজার ও কমলাপুর হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়েটি সম্প্রসারিত হওয়ার কথা থাকলেও পুরো অংশের কাজ এখনো শেষ হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক দশকে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


এক দশকে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে

গত ১০ বছরে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ২০১৫ সালে দেশটির মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৬৮ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালের মধ্যে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে। এই তথ্যটি বিশ্বব্যাংকের ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেট রিপোর্ট ২০২৬’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক ঋণের মধ্যে সরকারি ও সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণের পরিমাণ ১০৭ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার। এর পাশাপাশি বেসরকারি গ্যারান্টিবিহীন ঋণ ১৭ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণের পরিমাণ ১০ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

সরকারি ও সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত ঋণের মধ্যে বহুপাক্ষিক সংস্থাগুলোর কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৫৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। দ্বিপাক্ষিক ঋণদাতাদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৪২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার। বেসরকারি ঋণদাতাদের কাছে ঋণের পরিমাণ ৭ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার।

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় একক ঋণদাতা দেশ চীন। পাকিস্তানের কাছে চীনের ঋণের পরিমাণ ২২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে বিশ্বব্যাংক, যার ঋণের পরিমাণ ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ ১৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার।

প্রতিবেদনটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারি ঋণদাতাদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের গড় পরিশোধের সময়কাল ১৬ বছর। এর মধ্যে প্রথম চার বছর কিস্তি পরিশোধে ছাড় রয়েছে। এসব ঋণের গড় সুদের হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে, বেসরকারি ঋণের গড় সুদের হার ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এসব ঋণের পরিশোধের গড় সময়কাল তিন বছর এবং কিস্তি পরিশোধ শুরু করার আগে এক বছরের ছাড়ের সময় রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, আফগানিস্তান ও পাকিস্তান (মেনাপ) অঞ্চলে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা এবং সুদ পরিশোধের অনুপাতের উন্নতি ঘটেছে। তবে এই অঞ্চলে জাতীয় মোট আয়ের (জিএনআই) তুলনায় বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালে এই অনুপাত ছিল ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ২৯ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এক বছরে বৈদেশিক ঋণের অনুপাত বৃদ্ধির হার মেনাপ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। এটি নির্দেশ করে যে, এই অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর বৈদেশিক ঋণের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।

২০২৫ সালে পাকিস্তানের ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়িয়ে দেয় চীন। একই বছরে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) দুটি কর্মসূচির আওতায় মোট ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।

কর্মসূচি দুটি হলো ‘এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি’ (ইএফএফ) এবং ‘রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটি’ (আরএসএফ)।

২০২৫ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর বৈদেশিক ঋণ ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ৯ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত চার বছরের মধ্যে এক বছরে ঋণ বৃদ্ধির এটি সর্বোচ্চ হার। বন্ড ইস্যু বৃদ্ধি, মার্কিন ডলারের মূল্য কমে যাওয়া এবং বিনিয়োগকারীদের ঋণ দেওয়ার আগ্রহ বাড়ায় এই ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে ঋণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধের খরচও বেড়েছে। বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোকে কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সুদে ঋণ নিতে হয়েছে। টানা পঞ্চম বছরের মতো ঋণ পরিশোধের পরিমাণও বেড়েছে।

বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) আওতাভুক্ত দেশগুলোর বৈদেশিক ঋণ ৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ ৮ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ২৬২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ।

এদিকে, ডলারের মূল্য কমে যাওয়ার ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর বৈদেশিক ঋণ বৃদ্ধির হার ২৮ দশমিক ২ শতাংশ হয়েছে। ফলে নিয়মিত ঋণ পরিশোধ করলেও মুদ্রার বিনিময় হারের পরিবর্তনের কারণে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ অনেক দেশের মোট ঋণের পরিমাণ আরও বেড়েছে।

বেসরকারি ঋণদাতাদের ঋণ ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে

২০২৫ সালে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর বেসরকারি ঋণদাতাদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ বছর এ ঋণ ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৪ সালে এই বৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ০ দশমিক ৬ শতাংশ।

বন্ডহোল্ডার, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য বেসরকারি ঋণদাতাদের কাছ থেকে ঋণ বৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ২০২৫ সালে বন্ডহোল্ডারদের কাছে ঋণ ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক ও অন্যান্য বেসরকারি ঋণদাতাদের কাছে ঋণ ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ২ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এই সময়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর মোট জাতীয় আয় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কারণে এসব দেশের প্রতি ঋণদাতাদের আগ্রহ বেড়েছে। পাশাপাশি সুদের হার বেশি হলেও এসব দেশের সরকার ঋণ নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে সবচেয়ে কম ঋণ নেওয়ার সক্ষমতা যেসব দেশের, ঋণ পেতে তাদেরই সবচেয়ে বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে।

দরিদ্র দেশগুলোর ঋণের সুদ আশির দশকের পর সর্বোচ্চ

বেসরকারি ঋণদাতাদের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া বাড়ানোর ফলে দরিদ্র দেশগুলোর ঋণের খরচও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ)-এর আওতাভুক্ত দেশগুলো ২০২৫ সালে নতুন ঋণের জন্য গড় ৮ দশমিক ২ শতাংশ সুদ দিয়েছে, যা আশির দশকের শেষভাগের পর সর্বোচ্চ।

সরকারি ও বেসরকারি ঋণদাতাদের ঋণের সুদের ব্যবধানও বেড়েছে। ২০১৬ সালে এই ব্যবধান ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশীয় পয়েন্ট, যা ২০২৫ সালে বেড়ে ৫ দশমিক ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট হয়েছে।

তবে আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়ন ব্যাংকের (আইবিআরডি) ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর নতুন ঋণের গড় সুদের হার ৫ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ঋণ পরিশোধের চাপও বাড়ছে।

২০২৫ সালে এসব দেশের আসল ও সুদসহ মোট ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ১ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে বন্ডের বিপরীতে অর্থ পরিশোধ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ৩৬৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এসব দেশ নতুন ঋণ হিসেবে যত অর্থ পেয়েছে, তার চেয়ে ৪৩৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার বেশি ব্যয় করেছে পুরোনো ঋণ পরিশোধে। তবে ২০২৫ সালে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের অর্থপ্রবাহে পরিবর্তন এসেছে। ২০২৪ সালে এসব দেশ থেকে ১১৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার নিট অর্থ বাইরে চলে গেলেও ২০২৫ সালে ৪৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার নিট অর্থ দেশে এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামলার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক সীমা মানবে না : ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


হামলার ক্ষেত্রে ভৌগোলিক সীমা মানবে না : ইরান

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে নতুন করে হামলা করে, তাহলে তেহরান বিশ্বজুড়ে মার্কিন সম্পদ লক্ষ্য করে পাল্টা আঘাত হানার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তেহরানের দেয়া সাতটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘ইরানে নতুন করে হামলা হলে, কোনো ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব সম্পদ লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’

দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সরঞ্জাম এবং বাহিনীও ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হামলার লক্ষ্য হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আকরামিনিয়া বলেন, ‘দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের বাইরেও আমাদের শত্রুর ঘাঁটি রয়েছে এবং সেসব ঘাঁটিতে তাদের সরঞ্জাম ও বাহিনী মোতায়েন করা আছে। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতার তোয়াক্কা না করেই মার্কিন শত্রুর সব বস্তুগত ও অবস্তুগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।’

এদিকে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ওভাল অফিসে ইরান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ আরও তীব্র করার বিষয়ে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় প্রায় ঘনিয়ে এসেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সম্ভব হলে আমি দেশটির বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না, তবে হয়তো আমাকে তা করতে হতে পারে। আপনারা খুব দ্রুতই তা জানতে পারবেন।’

এই বিকল্পকে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একটি সিদ্ধান্ত নেব যে, আমরা কি আরও এগিয়ে গিয়ে বিষয়টিকে এমনভাবে নিশ্চিত (সার্টিফাই) করতে চাই, যাতে এটি আর কখনোই না ঘটে?’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, দেশটি পুনর্নির্মাণ করতে তাদের (ইরান) ২৫ বছর সময় লাগবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%