সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২০ পি.এম
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : হাইকোর্ট বিয়ের কাবিননামায় পূর্বের ও বিদ্যমান বিয়ে এবং সন্তানের তথ্য সংযুক্ত করার বিষয়ে একটি রুল জারি করেছেন।
বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই আদেশ প্রদান করেন, যা রিটের শুনানির পর কার্যকর হয়।
আইনজীবী শেখ ওমর এবং আইনজীবী তানজিলা রহমান জুঁই আজ আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান গত ২৫ আগস্ট জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। উক্ত রিটে উল্লেখ করা হয়, বর্তমান কাবিননামায় পূর্বের বিয়ে, তালাক এবং সন্তানদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উল্লেখ করার বাধ্যবাধকতা নেই। এর ফলে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে প্রতারণা করছেন এবং পারিবারিক বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই কাবিননামা সংশোধন করে বর-কনে উভয়ের আগের ও বিদ্যমান সব বিয়ের তথ্য, সন্তানদের তথ্য, চলমান ভরণপোষণ, অভিভাবকত্ব ও অন্যান্য আইনগত দায় এবং জন্মনিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট নম্বর অন্তর্ভুক্ত ও যাচাইযোগ্য করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএমপির ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযান: ২৮ জন গ্রেফতার, ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ;গ্রেফতারি পরোয়ানায় ২ জন, নিয়মিত মামলায় ২১ ও অন্যান্য আইনে গ্রেফতার ৪ জন
বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পৃথক পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করে।
বিএমপি মিডিয়া সেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এসব অভিযানে মহানগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন মামলায় ও আইনি প্রক্রিয়ায় মোট *২৮ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার* করা হয়েছে।
অভিযানে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে *২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজনকে* গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় আদালতের *গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত দুইজনকে* আটক করা হয়েছে।
একই অভিযানে নিয়মিত মামলায় *২১ জন* এবং *অন্যান্য আইনে চারজনকে* গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পুলিশের অভিযানে মোট ২৮ জন অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছেন।
বিএমপি সূত্রে জানা যায়, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং মাদকদ্রব্যের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ সেপ্টেম্বর মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
বরিশাল মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বিএমপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের নিকটবর্তী গাভদোস (Gavdos) দ্বীপের উপকূলে একটি অভিবাসীবাহী নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় অন্তত ১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা দেশটির কোস্টগার্ডের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গ্রিক কোস্টগার্ডের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সমুদ্র থেকে ৫১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীরা জানিয়েছেন, নৌকাটিতে প্রায় ৭৭ জন যাত্রী ছিলেন।
উদ্ধার অভিযান ও বর্তমান পরিস্থিতি
গ্রিসের বার্তা সংস্থা ইআরটি নিউজ (ERT News) জানাচ্ছে, নিখোঁজদের সন্ধানে ওই এলাকায় একটি বৃহৎ উদ্ধার অভিযান চলছে। উদ্ধারকাজে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ, ছোট নৌকা, ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থা ফ্রন্টেক্সের (Frontex) বিশেষ বিমান এবং গ্রিক কোস্টগার্ডের একটি হেলিকপ্টার অংশগ্রহণ করেছে।
উদ্ধার করা ৫১ জন অভিবাসীকে চিকিৎসার জন্য ক্রিট দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, বৈরী আবহাওয়া এবং তীব্র বাতাসের কারণে সমুদ্রে উদ্ধারকাজ চালাতে বেশ সমস্যা হচ্ছে।
অভিবাসন রুটের নতুন কেন্দ্র
লিবিয়া উপকূল থেকে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ক্রিট এবং গাভদোস দ্বীপ সম্প্রতি উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে অভিবাসীদের জন্য একটি প্রধান রুটে পরিণত হয়েছে।
গ্রিস সরকারের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে, সম্প্রতি উত্তর আফ্রিকা থেকে সমুদ্রপথে আসা অভিবাসীদের আশ্রয় আবেদন (Asylum Claims) প্রক্রিয়াকরণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করে প্রবেশের চেষ্টা করার বিরুদ্ধে সরকার দ্রুত বহিষ্কার এবং নতুন কড়াকড়ি নীতি প্রয়োগ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষার্থীরা একরামুল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে।
এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মনিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
পুলিশ এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, মনিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমরামুল ইসলাম একাধিকবার শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন।
শিক্ষকটির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি মুখ খুললেই পরীক্ষায় ফেল করানোর মতো ভয়-ভীতি দেখাতেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. স¤্রাট হোসেন, এ্যাসিল্যান্ড মাহির দায়ান আমিন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফর হোসেন ও থানার ওসি আবু সাঈদ বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে মাধ্যমিক মাউশি’র খুলনা বিভাগীয় পরিচালকসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক একরামুলকে হেফাজতে নেয়। শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে ফিরে যায়।
প্রধান শিক্ষক একেএম তছির উদ্দীন জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও মোঃ স¤্রাট হোসেন বলেন, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। ওই শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যবহৃত ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) শেরপুরের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন বয়োবৃদ্ধ সজু শেখ এবং তার অসুস্থ স্ত্রী নুরজাহানের অসহায়ত্বের খবর পেয়ে তাদের পাশে দাঁড়ান। তিনি তাদের দেখতে যান এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন। এ সময় জেলা প্রশাসক তাদের জন্য শুভেচ্ছা উপহার নিয়ে আসেন এবং আবেদীন হাসপাতাল, শেরপুরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য ভর্তির ব্যবস্থা করেন। উক্ত দম্পতি বর্তমানে বয়ষ্কভাতা পাচ্ছেন। এছাড়া, তাদের অন্যান্য সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তাদের খাদ্য, আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন দৈনিক ইনকিলাবকে জানান, তাদের পাশে জেলা প্রশাসন সব সময় থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ভবিষ্যতেও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, "অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো জেলা প্রশাসনের অন্যতম অঙ্গীকার এবং জেলা প্রসাশন অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে অঙ্গীকার বদ্ধ।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ