নীলফামারী প্রতিনিধি: রায়হান আলী
বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৩ পি.এম
সৈয়দপুরে আহমেদ প্লাইউড কোম্পানির মালিক পক্ষের উস্কানিতে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। পরে স্থানীয় লোকজন ও আটকেপড়া যানবাহনের চালক-হেলপারদের প্রতিরোধে ভেস্তে যায় জনভোগান্তির ষড়যন্ত্র মুলক এই কর্মসূচী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে কামারপুকুর ধলাগাছ এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
জানা যায়, আহমেদ প্লাইউড কোম্পানির নানা অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ কাস্টমস এর রংপুর আঞ্চলিক অফিস কর্তৃপক্ষ গত ৩ নভেম্বর প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও ল্যাপটপ জব্দ করে নিয়ে যায়। এসময় কাস্টমসের লোকজনকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে শ্রমিকদের ব্যবহারের উদ্যোগ নেয় কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।
এর অংশ হিসেবে প্রথমে মাত্র ৫ জন সংবাদ কর্মীকে ডেকে সংবাদ সম্মেলন করে। পরে তাদের পরামর্শেই শ্রমিকদের লেলিয়ে দেওয়া হয় সড়কে। এজন্য শ্রমিকদের বলা হয় কাস্টমস সব কাগজপত্র ও ল্যাপটপ নিয়ে যাওয়ায় এমাসে তোমাদের বেতন দেওয়া সম্ভব হবেনা। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে প্রশাসনকে বাধ্য করে জব্দকৃত কাগজপত্র ও ল্যাপটপ ফেরত আনতে হবে।
এর প্রেক্ষিতে শ্রমিকরা ফ্যাক্টরী থেকে বেরিয়েই গেটের সামনে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কে বসে পড়ে। প্রায় ২ ঘন্টা ধরে তারা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এসময় তারা বেতন পেতে নথিপত্র ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। কিন্তু বেতনের জন্য মালিক পক্ষের কাছে দাবি না জানিয়ে সড়কে কেন জানতে চাইলে তারা বলেন কাগজপত্র না থাকায় বেতন দিতে পারছেন না বলে কর্তৃপক্ষ জানানোর কারণেই আমরা আন্দোলনে নেমেছি।
পরে এলাকার লোকজন ও ভোগান্তির শিকার শত শত গাড়ির চালক ও হেলপাররা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়। এসময় এলাকাবাসী শ্রমিকদের বলেন, তোমরা বেতনের জন্য মালিককে না ধরে এভাবে সড়কে এসে সাধারণ মানুষকে দূর্ভোগে ফেলেছো। তোমাদের মালিক ভূল বুঝিয়েছে। এটা তাদের মিথ্যে অজুহাত। মালিক ইচ্ছে করলেই বেতন দিতে পারেন। তোমরা মালিকের কাছেই দাবি জানাও।
তাছাড়া প্রশাসন কোম্পানির অনিয়ম দূর্নীতির তদন্ত করতেই কাগজপত্র ও ল্যাপটপ নিয়ে গেছে। এটা যদি আইন বিরোধী হয় তাহলে মালিক যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারেন। কিন্তু তা না করে তোমাদেরকে ব্যবহার করে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহের অপচেষ্টা করছে। এসময় মালিক পক্ষের শ্রমিকদের উপর অকারণে নানা নির্যাতন ও মজুরি বৈষম্যের বিষয় তুলে ধরলে শ্রমিকরা তাদের ভুল বুঝতে পারে এবং কর্মসূচী সমাপ্ত করার উদ্যোগ নেয়। তবে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া কয়েকজন তা মেনে নিতে অনিহা প্রকাশ করেন। এতে চালকরা জোর করেই গাড়ি চালিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং একযোগে গাড়ি চালু করে এগিয়ে যায়। এমতাবস্থায় শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে সড়ক থেকে সরে যায়।
এলাকার লোকজন সাংবাদিকদের বলেন, এই ফ্যাক্টরী আমাদের জমিতেই গড়ে উঠেছে। অথচ স্থানীয়দের এখানে কাজে নেওয়া হয়না। তাছাড়া শ্রমিকদের চরম অত্যাচার করে। ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দিতে রাতের আঁধারে শত শত ট্রাক ভরে মালামাল সরানো হয়। এজন্যই কাস্টমস কাগজপত্র ও ল্যাপটপ জব্দ করেছে। জমি কেনার ক্ষেত্রেও এলাকার লোকজনকে বাধ্য করা হয়েছে। আজ একইভাবে শ্রমিকদের উস্কে দিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং জন মানুষকে দূর্ভোগে ফেলেছে। এর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
আহমেদ প্লাইউড কোম্পানির মহা ব্যবস্থাপক এ কে এম সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা শ্রমিকদের সড়কে নামাইনি। বরং কাস্টমস ইচ্ছেকৃতভাবে আমাদের উপর অন্যায় করেছে। মূলত: সরকারকে বিব্রত করতেই কাস্টমস এর ভেতরে থাকা সরকার বিরোধীরা এমন করেছে। এজন্য আমরা শ্রমিকদের বেতন দিতে পারছিনা। তাই শ্রমিকরা আন্দোলন করছে। কাস্টমসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে এভাবে শ্রমিকদের উস্কে দিয়েছেন কেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেটা তো অনেক সময়ের ব্যাপার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের মেলকাই খানবাড়ি দারুল কোরআন আরাবিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পঞ্চম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল এবং হিফজ সম্পন্নকারী ছাত্রদের পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বাদ জোহর মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী মাহফিলে স্থানীয় এলাকাবাসী ছাড়াও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কোরআনের নূর ছড়ানোর এই মাহফিল গভীর রাত পর্যন্ত চলে।
এসময় বনগ্রাম খাদিমুল ইসলাম সুন্নাতীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুল বারী সাহেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বয়ান পেশ করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কোরআন ও শাইখুল হাদিস মাওলানা নাসির উদ্দিন যুক্তিবাদী (মুহতামিম, সুলতানশাহী মাদ্রাসা, গোপালগঞ্জ)। এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে মূল্যবান আলোচনা পেশ করেন ধুলগ্রাম হামিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতি তাজুল ইসলাম ফারুকী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাসার হামেদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আলহাজ্ব হাফেজ আবুল খায়ের এবং কাঁচপুরি সেন্টার জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা গোলাম হুসাইন।
মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা জাকির হোসেনের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং স্থানীয় এলাকাবাসী ও প্রতিষ্ঠাতা পরিষদের ঐকান্তিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফল রূপ লাভ করে। দেশের দূরদূরান্ত থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপস্থিতে মাদরাসা প্রাঙ্গণ এক অভূতপূর্ব আত্মিক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানের আকর্ষণীয় পর্বে পবিত্র কোরআনে হাফেজ হওয়া কৃতি ছাত্রদের মাথায় পাগড়ি পরিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। পরে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
পরিশেষে আগত সকল মেহমান ও মুসল্লিদের তবারক বিতরণের মাধ্যমে এই মহতী আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।
শাওন বল
মাদারীপুর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার কাইতকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূরুল ইসলাম। পাঠদান ছেড়ে বিগত তিন বছর ধরে উপজেলা শিক্ষা অফিসে দাপ্তরিক ও অডিটের দায়িত্ব পালন করে আসছেন—এমন অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। বৈধ কোনো লিখিত আদেশ বা প্রেষণ ছাড়াই কেবল সাবেক শিক্ষা অফিসারের ‘মৌখিক নির্দেশে’ বছরের পর বছর ধরে তিনি এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে গিয়ে শিক্ষক নূরুল ইসলামকে হাতেনাতে পান এবং এ বিষয়ে তাঁর মুখোমুখি হন।
জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে শিক্ষক নূরুল ইসলাম দাবি করেন, তাঁর আগের উপজেলা শিক্ষা অফিসার (যিনি ইতিপূর্বে এখান থেকে বদলি হয়ে গেছেন) তাঁকে মৌখিকভাবে এই দায়িত্ব দিয়েছিলেন। সেই মৌখিক আদেশের ভিত্তিতেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার কাম সহকারীসহ অন্যান্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে বর্তমান উপজেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল আউয়াল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তিনি মাত্র সাত মাস হলো এই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নূরুল ইসলামকে অফিসে কাজ করতে দেখায় তিনি বিষয়টি নিয়ে অতীতে কোনো প্রশ্ন তোলেননি।
ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সখিনা আক্তারের নজরে আনা হলে তিনি জানান, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসারকে অবগত করা হবে। ওই শিক্ষকের যদি কোনো বৈধ কাগজপত্র বা দাপ্তরিক প্রেষণের আদেশ না থাকে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের মূল দায়িত্ব হলো বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা। কিন্তু কোনো ধরনের লিখিত সংযুক্তি বা প্রেষণ আদেশ ছাড়াই বছরের পর বছর শিক্ষা অফিসে বসিয়ে রেখে শিক্ষককে দিয়ে দাপ্তরিক বা অডিটের কাজ করানোর বিষয়টি যেমন প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী, তেমনি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকার শিক্ষক ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক আলোচনার সৃষ্টি করেছেন। তিনি মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের জন্য সরাসরি ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।
অনেকে মনে করছেন, তার এই বক্তব্য ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।
ইরান যুদ্ধ সম্পর্কে ভ্যান্সের অবস্থান নিয়ে ওয়াশিংটনে আগেই আলোচনা চলছিল। তিনি প্রকাশ্যে এই যুদ্ধের প্রতি সমর্থন জানালেও, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে এর বিরোধিতা করেছেন বলে জানা গেছে। তবে এতদিন তার এই মতপার্থক্য প্রকাশ্যে আসেনি। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া প্রায় ৬০০ শব্দের এক বিবৃতিতে ভ্যান্স তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।
তিনি লেখেন, ‘আপনি যদি মনে করেন, আগামী ছয় বছরের জন্য সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারানোর বিনিময়ে এই যুদ্ধের মূল্য দেওয়া সার্থক হয়েছে, তাহলে সরাসরি সেটাই বলুন।’ অনেকে তার এই বক্তব্যকে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের কাছ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
তিনি আরো লেখেন, ‘যুক্তি দিয়ে বোঝান, কেন এই মূল্য দেওয়া যৌক্তিক ছিল। আপনি একমত হোন বা না হোন, অন্তত সেটি হবে সৎ অবস্থান।’ ভ্যান্সের এই বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন নজির খুব কমই দেখা গেছে, যেখানে দায়িত্বে থাকা কোনো ভাইস প্রেসিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরাসরি প্রেসিডেন্টের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।
তবে এরপর আরো বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। সাধারণত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য প্রত্যাশা করেন। কিন্তু এবার তিনি ভ্যান্সের বক্তব্যের সঙ্গে অনেকটাই একমত পোষণ করেছেন।
ট্রাম্প বলেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই’ ইরান যুদ্ধের কারণে নির্ধারিত হয়েছে। তবে তিনি জানান, আবারও এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে তিনি ‘একই সিদ্ধান্ত নিতেন’।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে প্রাথমিকভাবে একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে যে, ভ্যান্স ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিলে ট্রাম্প তাকে নিজের অবস্থান থেকে ভিন্নমত প্রকাশের যথেষ্ট স্বাধীনতা দিতে পারেন। সাধারণত ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছ থেকে কঠোর আনুগত্য প্রত্যাশা করা ট্রাম্পের ক্ষেত্রে বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ