আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ পি.এম
টাঙ্গাইলের মধুপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় চোলাইমদ ও মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১৪৩ লিটার চোলাইমদ ও ৯০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে এম ফজলুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে থানার এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই আমিনুল ইসলাম, এসআই কামরুল ইসলাম ও এসআই আসাদুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথম অভিযানে জলছত্র এলাকার শুভ দাসের (২৩) বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ৮২ লিটার দেশীয় চোলাইমদ এবং একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৪০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ (জাওয়া) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হীরা লাল গৌড় (৪৮), শ্রীকৃষ্ণ গৌড় (২৯) ও শুভ দাসকে আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৬ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
অপরদিকে, একই এলাকার নয়াপাড়ায় নারায়ণ বর্মনের (৪৯) বসতঘরে অভিযান চালিয়ে ৬১ লিটার চোলাইমদ ও একটি নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে রাখা ৫০ লিটার মদ তৈরির উপকরণ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নারায়ণ বর্মন ও হারুন অর রশিদকে (৫০) আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা নম্বর-৭ (তারিখ ৪ নভেম্বর ২০২৬) দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পৃথক দুটি মামলাই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ২৪(ক)/২৪(গ) ধারায় দায়ের করা হয়েছে।
মধুপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, মাদক নির্মূল ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহে ‘সার কার্ড’ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কৃষি বিভাগ, যা জমিতে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা জমির পরিমাণ ও ফসল অনুযায়ী সরকারি নির্ধারিত মাত্রায় সার গ্রহণ করতে পারবেন।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, কৃষকদের মধ্যে বেশি সার দেওয়ার ভুল ধারণা এবং প্রয়োজনের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি সার ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায় এবং মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অপচয় রোধ এবং সুষম সার প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সার কার্ডে কৃষকের ছবি, নাম, ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জমির পরিমাণ এবং আবাদকৃত ফসলের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। অধিদপ্তরের সুপারিশ অনুযায়ী প্রতি বিঘা জমিতে ধান, গম বা পেঁয়াজ চাষের জন্য ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি ও এমওপির সুনির্দিষ্ট চাহিদা নির্ধারণ করা হবে। সার উত্তোলনের সময় কার্ডে পরিমাণ ও তারিখ লেখা হবে, যাতে কেউ নির্ধারিত মাত্রার বেশি সার নিতে না পারে।
বর্তমানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ব্লকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ করছেন এবং কোথাও কোথাও কার্ড বিতরণও শুরু হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে জেলার সব কৃষককে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।
শৈলকুপার কৃষক আব্দুল রহিম ও বসির আহমেদ জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সার দেওয়ার প্রবণতা কমবে এবং কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত মাত্রায় সার পেলে উৎপাদন খরচ কমবে, একই সঙ্গে জমির স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকবে। ত্রিবেণী ইউনিয়নের সার ডিলার জাফর মোল্লা বলেছেন, এর ফলে প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করা সহজ হবে এবং ডিলারদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থাপনা সুশৃঙ্খল হবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানিয়েছেন, সার বিতরণে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা আনতে এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে জেলার সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে মধুপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ক্রীড়া আয়োজনের উদ্বোধন করা হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন, মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম ফজলুল হক, পৌর বিএনপির সভাপতি খুররম খান ইউসুফজাই প্রিন্স, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব হোসেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান, উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ হক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগী এবং আইসিটি কর্মকর্তা আব্রারুল হক শিমুল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খেলাধুলা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি তরুণ প্রজন্মের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও পেশা গড়ারও একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। নিয়মিত খেলাধুলার চর্চা তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ, সুন্দর ও শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাঁরা আরও বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের যথাযথ প্রশিক্ষণ, সুযোগ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের পাশাপাশি তারা পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারবে।
অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কোস্ট এন্ড বর্ডার সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টে (কিউসিবিএসডি) দায়িত্ব পালনের জন্য নৌবাহিনীর ২৪ সদস্য ঢাকা ত্যাগ করেছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অধীনে তিন বছরের জন্য নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ভোররাতে নৌবাহিনীর ২৪ জন সদস্য কাতারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যান। যাওয়ার আগে সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) রিয়ার এডমিরাল গোলাম সাদেক তাদের পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠা বজায় রাখার বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়মিতভাবে কাতার কোস্ট এন্ড বর্ডার সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টে দায়িত্ব পালনের জন্য নৌসদস্য পাঠিয়ে আসছে। নিয়োজিত নৌসদস্যরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারি, কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্ব পালনে সুনামের মাধ্যমে কাতারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আস্থা ও প্রশংসা অর্জন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর সদস্যরা আজ কাতারের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
আইএসপিআর আরো জানায়, তারা কাতারের উপকূলীয় ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সামুদ্রিক টহল, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম এবং চোরাচালান প্রতিরোধসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক নিরাপত্তামূলক দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের এই দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে কাতারের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল ও অভিজ্ঞতার সংযোজন হবে। পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরো সুদৃঢ় হবে এবং পেশাগত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেশাদারি ও দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় রেমিট্যান্স প্রবাহেও তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই প্রকল্পের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জোরদার করার লক্ষ্যে পাকশী ও সাহাপুর ইউনিয়নের ইমামদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য প্রচার, প্রচলিত ভুল ধারণা দূরীকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইমামগণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।
বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এই প্রকল্পের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা জোরদার করতে পাকশী ও সাহাপুর ইউনিয়নের ইমামদের অংশগ্রহণে ‘কমিউনিটি লিডার রাউন্ড টেবিল’ শীর্ষক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এ সভায় নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মো. জাহেদুল হাছান বলেন, "দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও জানান, "এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে মোট ২,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।"
আজকের সভায় পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়া, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আধুনিক নিরাপত্তাব্যবস্থা, বিকিরণ নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এই প্রকল্পের আর্থসামাজিক অবদান সম্পর্কে সহজ ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন বলেন, "স্থানীয় জনগণের কাছে ইমামগণ অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ও বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব। সমাজে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব রয়েছে। তাই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য প্রচার, প্রচলিত ভুল ধারণা দূরীকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ইমামগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।" তিনি আরও বলেন, "এ ধরনের উদ্যোগে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রকল্প ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আস্থা আরও সুদৃঢ় করবে।"
মতবিনিময় পর্বে অংশগ্রহণকারী ইমামগণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন, কেন্দ্রের নিরাপত্তা, বিকিরণের প্রভাব, পরিবেশ সুরক্ষা এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে প্রকল্পটির ভূমিকা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাগণ তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, "সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃত্বের সঙ্গে এ ধরনের সরাসরি মতবিনিময় পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সঠিক তথ্যের প্রসার ঘটাবে।" একই সঙ্গে স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও আস্থা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পাওয়ার স্টার্ট-আপ পর্যায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সব কিছু স্বাভাবিক নিয়মে অগ্রসর হলে স্বল্প সময়ের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করা যায়।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন, পাবনা এবং পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদীর সহযোগিতায় পারমাণবিক তথ্যকেন্দ্র, ঈশ্বরদীতে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ড. মো. জাহেদুল হাছান। সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান, মানবসম্পদ বিভাগ ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আলিউজজামান।
এছাড়া এনপিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপক ও প্রকল্পের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম শাহীনুর ইসলাম এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পাবলিক কমিউনিকেশন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ