বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
রাজধানীর আদাবর এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণের সময় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে- ১। মোঃ সাইদ (২৪) ২। আকাশ (২৩) ৩। মোঃ ফারুক, যাকে কুত্তা ফারুকও বলা হয় (২৬) ৪। কর্ণেল (১৯) ৫। মোঃ মাইন উদ্দিন (২১) ৬। মোঃ সিফাত, যিনি হিটার নামে পরিচিত (২২) এবং ৭। মোঃ নাহিদুল (২৫)।
আদাবর থানার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০:৪৫ ঘটিকায় আদাবর থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানায় যে, আদাবর থানাধীন শেখেরটেক ৭ নম্বর রোডে ব্রিজের ঢালে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী সামুরাই, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে এলাকাটি অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং পালানোর সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় তাদের হেফাজতে একটি লোহার চাপাতি, একটি স্টিলের ছোরা, দুটি স্টিলের চাপাতি, একটি লোহার কুড়াল ও একটি লোহার শাবল উদ্ধার হয়।
আদাবর থানার সূত্রে আরও জানা যায়, গ্রেফতারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডাকাতি প্রস্তুতির কথা স্বীকার করেছে। গ্রেফতারকৃত মোঃ মাইন উদ্দিনের বিরুদ্ধে ডিএমপির মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় ২ টি মামলা রয়েছে, মোঃ ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে দিনাজপুর সদর থানায় ১ টি মামলা এবং মোঃ সাইদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় ১ টি মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় আদাবর থানায় পৃথক দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাহতাব আলী একজন রিকশাচালক, তার সন্তান সুমন। প্রায়ই নেশাগ্রস্ত সুমনের সাথে তার পিতা এবং স্ত্রীর ঝগড়া হতো। সুমন তার স্ত্রী কে মারধর করে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে স্ত্রী চলে যায় ঢাকায়। ০৩/০৭/২৬ তারিখে সুমনের স্ত্রী ঢাকা থেকে চলে আসে অতঃপর আবার পরিবারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া অশান্তি।
০৫/০৭/২৬ তারিখে বাবা মাহতাব আলী এবং সন্তান সুমন এক ঘরে শুয়ে থাকে। বাবা তার সন্তান কে ভালো মতো বুঝাতে থাকে। সন্তান তার বাবার কথা মেনে নিতে পারেনা। ০৬/০৭/২৬ তারিখ রাত ৩ টার দিকে
নেশা গ্রস্ত সন্তান সুমন তার বাবা মহাতাব আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সন্তান সুমন তার বাবা মহাতাব আলীকে ঘর থেকে টেনে হেচরে বাহিরে উঠানে এনে কাঠের বাটাম ও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। সন্তানের আঘাতে কিছুক্ষণের মধ্যেই পিতার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ের সদর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলার রুজু হয় । পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম থানা পুলিশ কে দ্রুত আসামি গ্রেফতার করার নির্দেশ প্রদান করে। পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ কেও বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। জেলা গোয়েন্দা শাখার একটা বিশেষ টীম আসামি সুমন কে গ্রেফতার করার জন্য জোড় তৎপরতা শুরু করে । তথ্য প্রযুক্তি ব্যাবহার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর বিশেষ টীম ঘটনার তারিখ থেকে নওগাঁ ও বগুড়া অভিযান পরিচালনা করে। ইতোমধ্যে আসামি ঢাকা পালিয়ে যায়, কখনো সে নওগাঁ চলে আসে । জেলা গোয়েন্দা শাখা আজ ০৮/০৭/২৬ তারিখে প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে আসামি সুমন (২৫) পিতা মহাতাব আলী সাং বনানী পাড়া থানা জেলা নওগা কে আজ বিকেল বেলা নওগাঁ সদর থানা এলাকার সুলতানপুর থেকে ঢাকা পালিয়ে যাবার সময় গ্রেফতার করা হয়।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান নওগাঁ জেলা পুলিশ এই ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সর্বাত্মক তৎপর রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীর জেলখানা গেট সংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে ফুটপাত দখল করা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত করার অপরাধে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মোবাইল কোর্ট চার ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হলো।
সিটি কর্পোরেশন থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় জনসাধারণের স্বাভাবিক চলাচলের পথ এবং ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করার দায়ে ৩ জন ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ৯২(৭) ধারা অনুযায়ী তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জনসাধারণের চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তার পাশের অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ ও অপসারণ করা হয়।
অন্যদিকে, একই এলাকার ‘রাজবিলাস বিরিয়ানি হাউস’ নামে একটি রেস্তোরাঁয় মোবাইল কোর্ট অভিযান চালায়। সেখানে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার প্রস্তুত এবং পরিবেশন করার প্রমাণ মেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫৩ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে আর্থিক জরিমানা করা হয়।
অভিযানের পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান জানান, জনস্বার্থ রক্ষা এবং নগরীকে যানজট ও দখলমুক্ত রাখতে সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
অভিযান চলাকালীন সময়ে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় দূর্ঘাপুর-শক্তিয়ারখলা ১০০ মিটার সড়ক পানিতে ডুবে গেছে। সম্প্রতি বৃহস্পতিবার তোলা হয়েছে ছবিটি। -কালের কণ্ঠ
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পানি বাড়তে শুরু করেছে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার নদ-নদীতে। এই পরিবর্তনের ফলে পানি বাড়ছে উপজেলার খড়চার হাওরসহ বিভিন্ন হাওরেও।
গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা দুই দিন ধরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাওরপারের বাসিন্দা, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। তবে, এখনো পর্যন্ত কোনো গ্রাম প্লাবিত হয়নি বলে জানা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি যাদুকাটা নদী দিয়ে প্রবল বেগে ভাটির দিকে নামছে। এতে যার ফলে, উপজেলার দক্ষিণ বাদাঘাট ইউনিয়নের শক্তিয়াখলা (দুর্গাপুর) এলাকার ১০০ মিটার ও তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর সড়ক পানিতে ডুবে গেছে।
এতে সড়কটি দিয়ে যানবাহন ও মানুষের চলাচলে বিভিন্ন ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন যে, সুনামগঞ্জে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৬৫ মিলি বৃষ্টিপাত হয়েছে। সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ০৫৬ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ৪ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে।
জেলার বিশম্ভরপুর উপজেলা শক্তিয়ারখলা পয়েন্ট দিয়ে পানি বিপৎসীমার শূন্য দশমিক ২৭ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন যে, পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইমদাদুল হক মন্তব্য করেছেন, টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরো অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। কারণ আগামী ৭২ ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়া পূর্বাভাস রয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চলে স্বল্প মেয়াদে বন্যা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রে চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি (চালকবিহীন বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় গাড়ি) সেবা আরো সম্প্রসারণ করছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের স্বচালিত গাড়ি বিভাগ ওয়েমো। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির আরো চারটি শহরে এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন শহরগুলো হচ্ছে সান ডিয়েগো, লাস ভেগাস, ট্যাম্পা (ফ্লোরিডা) এবং ডেনভার। শুরুতে এই সেবাটি প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। পরে ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের জন্যও এটি উন্মুক্ত করা হবে।
বর্তমানে ওয়েমো যুক্তরাষ্ট্রের ১০টির অধিক শহরে চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এ খাতে একটি বড় অবস্থান তৈরি করেছে। তবে টেসলা ও জুকস-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে নতুন শহরে তাদের সেবা সম্প্রসারণ করছে।
মার্কিন সড়ক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ওয়েমোর বহরে প্রায় ৪ হাজার চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি রয়েছে।
এসব যানবাহনে কোম্পানির পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
তবে সম্প্রসারণের পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। সম্প্রতি ভারি বৃষ্টির সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি পানিতে আটকে পড়েছিল। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের উদ্যাপনের সময় সান ফ্রান্সিসকোতে দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে গিয়ে কয়েকটি রোবোট্যাক্সির ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। এমনকি একটি গাড়িকে আতশবাজির দিকে যেতেও দেখা যায়।
গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়েমো অ্যালফাবেটসহ অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। এ বছরের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রথম আন্তর্জাতিক রোবোট্যাক্সি সেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে কোম্পানিটির।
ওয়েমো জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের চালকবিহীন গাড়িতে ২ কোটির বেশি যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ প্রতি সপ্তাহে ১০ লাখ যাত্রা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ