বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি (চালকবিহীন বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় গাড়ি) সেবা আরো সম্প্রসারণ করছে গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের স্বচালিত গাড়ি বিভাগ ওয়েমো। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির আরো চারটি শহরে এই সেবা চালু করতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
নতুন শহরগুলো হচ্ছে সান ডিয়েগো, লাস ভেগাস, ট্যাম্পা (ফ্লোরিডা) এবং ডেনভার। শুরুতে এই সেবাটি প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা ব্যবহার করতে পারবেন। পরে ধাপে ধাপে সাধারণ মানুষের জন্যও এটি উন্মুক্ত করা হবে।
বর্তমানে ওয়েমো যুক্তরাষ্ট্রের ১০টির অধিক শহরে চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে এ খাতে একটি বড় অবস্থান তৈরি করেছে। তবে টেসলা ও জুকস-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে নতুন শহরে তাদের সেবা সম্প্রসারণ করছে।
মার্কিন সড়ক নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ওয়েমোর বহরে প্রায় ৪ হাজার চালকবিহীন রোবোট্যাক্সি রয়েছে।
এসব যানবাহনে কোম্পানির পঞ্চম ও ষষ্ঠ প্রজন্মের স্বয়ংক্রিয় চালনা প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
তবে সম্প্রসারণের পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও মোকাবেলা করতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। সম্প্রতি ভারি বৃষ্টির সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি পানিতে আটকে পড়েছিল। এ ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের উদ্যাপনের সময় সান ফ্রান্সিসকোতে দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকতে গিয়ে কয়েকটি রোবোট্যাক্সির ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। এমনকি একটি গাড়িকে আতশবাজির দিকে যেতেও দেখা যায়।
গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়েমো অ্যালফাবেটসহ অন্যান্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। এ বছরের শেষের দিকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে প্রথম আন্তর্জাতিক রোবোট্যাক্সি সেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে কোম্পানিটির।
ওয়েমো জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের চালকবিহীন গাড়িতে ২ কোটির বেশি যাত্রা সম্পন্ন হয়েছে। বছরের শেষ নাগাদ প্রতি সপ্তাহে ১০ লাখ যাত্রা সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আগামী ১৩ জুলাই (সোমবার) বরিশাল সফরে আসছেন তারেক রহমান। একদিনের এ সফরে তিনি বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। তার এ সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক জরুরি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফর নিরাপদ, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। পথে গৌরনদীর বাটাজোর এলাকায় একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এছাড়া বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন এলাকাতেও তার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি রয়েছে। দুপুরে সার্কিট হাউসে স্বল্প বিরতির পর বিকেল ৩টায় বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর থেকে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই সঙ্গে বরিশালের সাধারণ মানুষ ও নাগরিক সমাজও এ সফরকে ঘিরে নানা প্রত্যাশার কথা জানাচ্ছেন।
বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতকরণ, বরিশালে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠা, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিগুলো নতুন করে সামনে এসেছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা আশা করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে ইতিবাচক ঘোষণা আসতে পারে।
বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক ও সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সাংগঠনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বরিশালের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি ধারের টাকার মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাম জড়িয়ে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন মো: বাবুল বয়াতি নামের এক ব্যক্তি। একই সাথে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালকিনি থানার এসআই হানিফ সরকারের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।
আজ এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ি করিমগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মো: বাবুল বয়াতি।
লিখিত বক্তব্যে বাবুল বয়াতি জানান, গত ০৩/০৩/২০২৬ ইং তারিখে মো: আলাউদ্দিন বেপারী পিতা: মৃত আবুল কাশেম বেপারী বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাবুল বয়াতির বাবা মো: ছরোয়ার বয়াতির বিরুদ্ধে ৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ধার নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় এবং বাবুল বয়াতিকে ২ নম্বর আসামি করা হয়।
বাবুল বয়াতি দাবি করেন, এই টাকা লেনদেনের সাথে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা ছিল না। এমনকি বাদী আলাউদ্দিন বেপারী নিজেই স্বীকার করেছেন যে, বাবুলের বাবাকে খুঁজে না পাওয়ায় কৌশলে বাবুল বয়াতির নাম মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ভিডিও রেকর্ড তার কাছে সংরক্ষিত আছে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হানিফ সরকারকে সেই ভিডিও দেখানো হয়েছিল বলেও তিনি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, মামলার তদন্ত চলাকালীন এসআই হানিফ সরকার বাবুল বয়াতিকে তার দোকানে কথা না বলে, বারবার একান্তে বা পার্সোনালি দেখা করার জন্য চাপ দেন। তদন্ত কর্মকর্তার কথামতো একান্তে দেখা না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি পাঁচজন সাক্ষীর ভুয়া জবানবন্দি লিখে আদালতে মিথ্যা তদন্ত রিপোর্ট পাঠিয়েছেন।
বাবুল বয়াতি বলেন, তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখিত পাঁচজন সাক্ষীর মধ্যে দুইজন সাক্ষী মো: কামাল বেপারী ও আব্দুর রহিম সরদার আমার কাছে সরাসরি স্বীকার করেছেন যে, তারা আদালতে আমার বিরুদ্ধে কোনো সাক্ষ্য দেননি। তারা জানেন যে আমি এই লেনদেনের সাথে জড়িত নই। সাক্ষীদের এই স্বীকারোক্তির অডিও রেকর্ডও আমার কাছে আছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে এই মিথ্যা মামলা ও পক্ষপাতিত্ব তদন্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সাথে মামলাটি পুনরায় সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে তাকে এই মিথ্যা অপবাদ থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান ভুক্তভোগী বাবুল বয়াতি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের রায়গড় জেলায় ভারি বৃষ্টির ফলস্বরূপ একটি এলপিজি বোতলজাতকরণ কেন্দ্রে থেকে প্রায় ৩ হাজার গ্যাস সিলিন্ডার ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
কর্মকর্তাদের মতে, টানা বৃষ্টির ফলে এইচপিসিএলের পাতালগঙ্গা এলপিজি বোতলিং প্লান্টে সুরক্ষাপ্রাচীর ধসে পড়েছে। এর ফলে বন্যার পানি সরাসরি প্লান্টে প্রবাহিত হয় এবং প্রবল স্রোতে হাজার হাজার গ্যাস সিলিন্ডার ভেসে যায়। ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলোকে পাতালগঙ্গা নদী এবং খারপাড়া খাঁড়িতে ভাসতে দেখা গেছে।
ঘটনার সময়, এক সেতু থেকে অনেক মানুষ ভাসমান সিলিন্ডারের ভিডিও ধারণ করেছেন। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহত বা বিস্ফোরণের খবর তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলায় বন্যার পানিতে ভেসে যাওয়া গ্যাস সিলিন্ডারগুলোতে কিছুতে এখনও গ্যাস থাকতে পারে বলে প্রশাসন সতর্ক করেছে। রায়গড়ের জেলা প্রশাসক কিশান জাভলে বলেছেন, পাতালগঙ্গা নদী বা আশপাশের এলাকায় কেউ যদি এসব ভাসমান সিলিন্ডার খুঁজে পান, তাহলে সেগুলো দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা কম্পানির কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসন জনগণকে এসব সিলিন্ডার বাড়িতে না রাখার অনুরোধ জানিয়েছে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব প্রশাসন বা কোম্পানির কাছে সেগুলো জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন, ‘নদীতে ভেসে যাওয়া সিলিন্ডারগুলোতে গ্যাস আছে কি না বা সেগুলো নিরাপদ অবস্থায় আছে কি না, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কৌতূহলবশত সেগুলো তুলে নেওয়া, খোলা বা বাড়িতে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।’
গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার মধ্যে রায়গড় একটি। সেখানে অনেক এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে এবং বিভিন্ন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা এবং কর্মসংস্থান-উপযোগী সক্ষমতা উন্নত করার জন্য স্বল্পমেয়াদি ‘সফট স্কিল’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং ট্রেজারারদের প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আগামী মাস থেকে ‘প্রফেশনাল নলেজ শেয়ারিং প্রোগ্রাম’ আরম্ভ হতে যাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রণয়নের বিষয়ে প্রকল্প অফিসে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, হিট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমির ডিন অধ্যাপক ড. লায়লা নুরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের এই বিশেষ প্রশিক্ষণে সফট স্কিল, নৈতিকতা এবং মূল্যবোধ, কর্মসংস্থান-উপযোগী দক্ষতা সহ জীবনমুখী বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু চূড়ান্ত করার পূর্বে শিক্ষার্থীদের দক্ষতার ঘাটতি (স্কিল গ্যাপ) এবং প্রকৃত প্রয়োজন নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি মূল্যায়ন বা সার্ভে পরিচালনা করা হবে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘এই কর্মসূচির রূপরেখা আগামী তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। শিক্ষার্থীদের কর্মদক্ষতা, নৈতিকতা ও জীবনঘনিষ্ঠ সক্ষমতা উন্নয়নের জন্য সরকারের অগ্রাধিকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
সভায় আরও জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দক্ষতা এবং সুশাসন উন্নয়ন করতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারদের জন্য দুই দিনব্যাপী ‘প্রফেশনাল নলেজ শেয়ারিং প্রোগ্রাম’ আগামী মাসে শুরু হতে পারে। এই প্রোগ্রামে কৌশলগত নেতৃত্ব, বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা, আর্থিক ব্যবস্থাপনা সহ উচ্চশিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হবে।
ড. মামুন আহমেদ বলেন, এই কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং দেশের অভিজ্ঞ সাবেক উপাচার্যদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসকরা আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন আধুনিক দিক সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া সভায় জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপকদের একাডেমিক এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি সাত দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের উচ্চশিক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের লক্ষ্যে ইউজিসির কৌশলগত পরিকল্পনা হালনাগাদ করা হচ্ছে, যা চলতি মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ