০১:৪৫ পি.এম
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় বেতন পেতে যাচ্ছেন। অক্টোবর মাসের বেতন তারা নবম পে স্কেল অনুযায়ী পাবেন, যার সঙ্গে যুক্ত হবে তিন মাসের বকেয়া।
নতুন পে স্কেল কার্যকর হলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা হতাশায় রয়েছেন। তাদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির কথা বলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যায়নি।
অর্থমন্ত্রণালয়ের সূত্র জানাচ্ছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অপেক্ষা করতে হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নে নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
আরও পড়ুন: বাকৃবিতে বহিরাগতদের বাইকের দৌরাত্ম্য, দুই মোটরসাইকেল পুলিশে দিল ছাত্রদল বাকৃবিতে বহিরাগতদের বাইকের দৌরাত্ম্য, দুই মোটরসাইকেল জব্দ
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দ্রুত পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন দাবি করে আসছেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেলের সঙ্গে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে দ্রুত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা উচিত।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন বিলম্বের কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রক্রিয়ায় এনালগ পদ্ধতিকে দায়ি করছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেতন হিসাব করার প্রক্রিয়া হাতে-কলমে করতে হয়। এ কারণে প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব হচ্ছে।
গত ১ সেপ্টেম্বর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্তির পৃথক গেজেট জারি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ে মৌখিক আলোচনা হয়েছে। তবে এই আলোচনা আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের কোনো অংশ নয়।
আরও পড়ুন: প্রতিষ্ঠার দেড় যুগ পেরোলেও পাবিপ্রবিতে নেই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন
বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ৪ লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। তবে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন