০৫:১১ পি.এম
কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার (৩ জুন) ভোরে ইরানের হামলায় একজন নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। এই খবরটি খালিজ টাইমসের একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, ইরান আবারও বেসামরিক লোকজন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেরও ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কূটনৈতিক মিশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয় ইরানের এই স্পষ্ট আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা করেছে এবং বলেছে, এ ধরনের হামলা অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়াচ্ছে, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।
আরও পড়ুন: আলমগীর হোসেনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ বায়োজেনের
মন্ত্রণালয় জোর দিয়েছে যে, কুয়েতের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের জীবনের নিরাপত্তা তাদের 'রেড লাইন'। যা কেউ লঙ্ঘন করতে পারবে না। বারবার এমন হামলা করা হচ্ছে, যা ইরানের একটি পরিকল্পিত শত্রুতামূলক আচরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কুয়েত এ ধরনের হামলা কোনভাবেই মেনে নেবে না বা সহ্য করবে না।
কুয়েত জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে এ ধরনের বারবার অন্যায় হামলার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তারা সংরক্ষণ করে।
টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর মঙ্গলবার (২ জুন) মার্কিন বাহিনী ইরানে নতুন করে হামলা চালায়। তারা এই হামলাকে 'আত্মরক্ষামূলক' দাবি করেছে।
এ হামলাকে কেন্দ্র করে ইরানের আইআরজিসি একটি বিবৃতিতে জানায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে হরমুজ প্রণালীর কাছে একটি ইরানি তেল ট্যাঙ্কার আকাশ থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে ছাগলের সঙ্গে যৌনাচারের অভিযোগে সাবেক শিবির নেতা বাতেন গ্রেপ্তার
আইআরজিসি আরও জানায়, এর পর মার্কিন বাহিনী কেশম দ্বীপের দক্ষিণে গার্ড বাহিনীর একটি যোগাযোগ টাওয়ারে হামলা চালায়। এ হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ভূখণ্ড ব্যবস্হাপনায় সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে কুয়েত ও বাহরাইনকে অভিযুক্ত করে ইরান। তারা এই হামলার জন্য ওয়াশিংটনের নিন্দাও জানায়।
এরপরই হামলার জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা হামলা চালায়। আইআরজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিশোধ হিসেবে একটি 'আঞ্চলিক দেশে' অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
একই সাথে সতর্ক করে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো পরবর্তী হামলার জন্য একটি 'চূড়ান্ত' জবাব দেওয়া হবে এবং ইরানের বিরুদ্ধে কর্মকাণ্ডে জড়িত শক্তিগুলোকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা গড়ার ঘোষণা রাষ্ট্রমন্ত্রীর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন