১২:৫১ পি.এম
নিউজিল্যান্ডের সরকার নির্বাচনের তিন দিন আগে একটি বড় অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে পড়েছে। দেশটিতে বেকারত্বের হার বৃদ্ধি পেয়ে গত ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুকসন দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফেরার জন্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে বেকারত্বের হার ৫ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের তিন মাসে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের পর এটি দেশের সর্বোচ্চ বেকারত্বের হার।
একই সময়ে কর্মসংস্থানও কমেছে। সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে কর্মসংস্থান আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০.১ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অথচ অর্থনীতিবিদেরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন যে, এ সময়ে কর্মসংস্থান ০.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
আরও পড়ুন: বিএনপি একাই মোকাবেলা করছে আওয়ামী অপশক্তিকে, রাজপথে নেই জামায়াত-এনসিপি
এদিকে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নির্বাচনের আগে ভোটারদের জন্য প্রধান উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিরোধী লেবার পার্টি প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে বেকারত্বের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছে। তবে অর্থমন্ত্রী নিকোলা উইলিসের দাবি, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি মনে করেন, সরকারের পরিকল্পনা অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কার্যকর হচ্ছে।
দেশটিতে আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই অবস্থায় বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার অভিযোগ লুকসনের নির্বাচনী লড়াইকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
অন্যদিকে, শ্রমবাজারের দুর্বলতার কারণে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার বৃদ্ধির চাপ কিছুটা কমতে পারে বলে অর্থনীতিবিদেরা মনে করছেন। গত সপ্তাহে ব্যাংকটি নীতিগত সুদের হার ২ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছিল।
সূত্র: রয়টার্স
আরও পড়ুন: ট্রাম্প: আমাকে সরাতে গেলে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ধ্বংস হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন