ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চীনের মাটিতে বাংলার ঘ্রাণ, সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা


চীনের মাটিতে বাংলার ঘ্রাণ, সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশিদের মিলনমেলা

চীনের ব্যস্ত নগরী গুয়াংজু। চারপাশে চীনা ভাষার গুঞ্জন, বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের উপস্থিতি। কিন্তু শহরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় প্রবেশ করলে দৃশ্যপট সম্পূর্ণ বদলে যায়। সেখানে কানে ভেসে আসে প্রাণের ভাষা বাংলা। রাস্তার ধারে বাংলায় লেখা সাইনবোর্ড, রেস্টুরেন্টে দেশের খাবারের সুগন্ধ এবং টেবিলে বসে বাঙালিদের প্রাণখোলা আড্ডা। মনে হবে, চীনে নয়, যেন বাংলাদেশের কোনো পরিচিত জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছেন।

এটি চীনের গুয়াংডং প্রদেশের গুয়াংজু শহরের সানইউয়ানলি এলাকা। বাংলাদেশিদের কাছে এটি পরিচিত ‘সানআলী’ নামে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এই এলাকা যেন চীনের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ।

সানইউয়ানলির রাস্তায় হাঁটলেই চোখে পড়ে একের পর এক বাংলাদেশি খাবারের দোকান। হ্যালো বাংলাদেশ, স্টার কাবাব, রাঁধুনী, রিজিকিসহ বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় দেশীয় খাবার। পাশাপাশি রয়েছে পোশাক, জুতা, ব্যাগ, প্রসাধনী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান। এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন: জাবিতে পরিচালক নিয়োগের প্রতিবাদে রেজিস্ট্রার ভবনে তালা, উপাচার্যকে উদ্ধার করল ছাত্রদল

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পদচারণায় এলাকাটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কেউ রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাচ্ছেন, কেউ পরিচিতজনদের সঙ্গে গল্প করছেন, আবার কেউ পণ্যের দরদাম কিংবা ব্যবসায়িক যোগাযোগ নিয়ে ব্যস্ত। অচেনা দেশে পরিচিত মুখের দেখা পাওয়া, মাতৃভাষায় কথা বলা এবং দেশীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ—সব মিলিয়ে সানইউয়ানলি হয়ে উঠেছে বাংলাদেশিদের এক অনানুষ্ঠানিক মিলনকেন্দ্র।

এলাকাটি ঘুরে দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ব্যবসায়ীরা এখানে ব্যাগ, জুতা, পোশাক, প্রসাধনীসহ নানা ধরনের পণ্য দেখছেন। কেউ সরাসরি চীনা সরবরাহকারীদের সঙ্গে দরদাম করছেন, কেউ আবার পণ্য কেনার পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলছেন। পাইকারি পণ্যের বাজার হিসেবে সানইউয়ানলির পরিচিতি থাকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের কাছে এর গুরুত্বও বাড়ছে। কেনাকাটার পাশাপাশি এখানে প্রবাসীদের মধ্যে পরিচিতি, অভিজ্ঞতা ও ব্যবসায়িক তথ্য বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

দেশীয় খাবারে ঘুচে প্রবাসের দূরত্ব

সানইউয়ানলির পরিচিত বাংলাদেশি খাবারের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম হ্যালো বাংলাদেশ রেস্টুরেন্ট। বাংলাদেশি নাগরিক রাজা এবং চীনা নাগরিক মাসুদের পরিচালনায় রেস্টুরেন্টটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। গুয়াংজুতে আসা অনেক বাংলাদেশিই দুপুর কিংবা রাতের খাবারের জন্য এখানে ছুটে আসেন।

আরও পড়ুন: সাদেক হোসেন খোকার সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণে নানা আয়োজন

রেস্টুরেন্টটির মালিক রাজা বলেন, "বিদেশে দীর্ঘদিন থাকলে স্বাভাবিকভাবেই নিজের দেশের খাবারের প্রতি আলাদা আকর্ষণ তৈরি হয়। বিশেষ করে ব্যবসায়িক কাজে চীনে আসা বাংলাদেশিরা দেশীয় খাবারের পাশাপাশি বাংলায় কথা বলা, পরিচিত পরিবেশে কিছুটা সময় কাটানো এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়ের সুযোগ খোঁজেন। হ্যালো বাংলাদেশে এসে তাঁরা সেই সুযোগ পান।"

তিনি আরও বলেন, "বিদেশে বাংলাদেশি খাবারের চাহিদা রয়েছে। তবে এ ধরনের ব্যবসা পরিচালনায় নানা চ্যালেঞ্জও আছে। দোকানভাড়া, কর্মীদের বেতনসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় নিয়মিত মেটাতে হয়। তারপরও বাংলাদেশিদের কাছে দেশীয় খাবার পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।"

ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে মালয়েশিয়া থেকে চীনে এসেছেন বাংলাদেশের চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. মনিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন তিনি। চীনে এসে স্থানীয় খাবারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে দেশীয় খাবারের খোঁজে সন্ধ্যায় চলে আসেন হ্যালো বাংলাদেশ রেস্টুরেন্টে।

মনিরুল ইসলাম বলেন, "চীনে আসার পর থেকে এখানকার খাবার খুব একটা খেতে পারছি না। তাই দেশীয় খাবারের খোঁজে এখানে এসেছি। রেস্টুরেন্টে এসে মনে হচ্ছে নিজের শহরে, নিজের দেশেই আছি। পরিচিত অনেক মানুষের সঙ্গে দেখা হয়েছে। সত্যিই চীনের বুকে একখণ্ড বাংলাদেশ।"

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বোর্ডে প্রথম তামাম, তিনি কীভাবে পড়াশোনা করতেন

মালয়েশিয়ায় নয় বছর ধরে বসবাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, "মালয়েশিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টগুলোর তুলনায় এখানকার রেস্টুরেন্টে খাবারের মান আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে।"

তার সঙ্গে একমত পোষণ করেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী সিলেটের এনাম আহমদ ইমাম। তিনিও ক্যান্টন ফেয়ারে অংশ নিতে চীনে এসেছেন। সানইউয়ানলিতে বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ও খাবারের পরিবেশের প্রশংসা করেন তিনি।

সানইউয়ানলির একটি হোটেলে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাংলাদেশি প্রবাসী বলেন, "গুয়াংজুতে বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীর যাতায়াতের অন্যতম কেন্দ্র এই এলাকা। এখানে বাংলাদেশি ও হালাল খাবারের রেস্টুরেন্ট থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ ছুটে আসেন।"

তিনি বলেন, "ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির দেশে বসবাস করতে গিয়ে মানুষ নিজের দেশ, ভাষা ও সংস্কৃতিকে খুব বেশি অনুভব করেন। এখানে এসে বাংলায় কথা বলা যায়, পরিচিত মানুষের সঙ্গে দেখা হয়, দেশীয় খাবার পাওয়া যায়। কয়েক ঘণ্টার জন্য হলেও মনে হয় দেশের পরিবেশে ফিরে এসেছি।"

আরও পড়ুন: সচিবালয়ে আইডি কার্ড দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

তার মতে, শুধু খাবার কিংবা আড্ডাই নয়, সানইউয়ানলির অর্থনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। ব্যাগ, জুতা, পোশাক, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের বড় বাজার থাকায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীরা এখানে কেনাকাটা করতে আসেন। অনেকে এখান থেকে পণ্য সংগ্রহ করে নিজ দেশে পাঠান।

সব মিলিয়ে সানইউয়ানলি এখন শুধু বাংলাদেশি খাবার কিংবা পণ্যের বাজার নয়; চীনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগ, ব্যবসায়িক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হাজার মাইল দূরে থেকেও মাতৃভাষা, দেশীয় খাবার আর পরিচিত মানুষের সান্নিধ্যে এখানে যেন কিছুক্ষণের জন্য ফিরে পাওয়া যায় বাংলাদেশকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


ঢাবিতে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করেছে ছাত্রদল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলে সন্দেহজনক যাতায়াত এবং ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমাজসেবা সম্পাদক অর্ক সাহাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলের দিকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়।

‎

আটক অর্ক সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। তাঁর গ্রামের বাড়ি জামালপুর। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শয়ন-সৈকত কমিটির সমাজসেবা সম্পাদক।

‎

জগন্নাথ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ছাত্রদল প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচনে হল সংসদের নির্বাচিত সদস্য ধ্রুব রায় জানান, কিছুদিন ধরে অর্ক সাহার জগন্নাথ হলে যাতায়াত লক্ষ্য করছিলেন তাঁরা। তাঁর আচরণ ও কর্মকাণ্ড তাঁদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়।

‎

ধ্রুব রায়ের অভিযোগ, অর্ক সাহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে নিয়মিত পোস্ট দিতেন। পাশাপাশি জগন্নাথ হলের নিষ্ক্রিয় ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা করছিলেন বলে তাঁদের সন্দেহ হয়।

‎

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জগন্নাথ হলে অর্ক সাহার সন্দেহজনক যাতায়াত দেখতে পান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে তাঁকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর মুঠোফোনে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য ও উপকরণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তবে সেগুলোর প্রকৃতি বা বিষয়বস্তু স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

‎

আটকের পর অর্ক সাহার হাতে ‘আপা আপনি ডিসেম্বরে আইসেন না’ লেখা একটি ব্যানার ধরিয়ে দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল, ‘আপা আপা করিস না, আপা কিন্তু আইবো না’, ‘শেখ শেখ করিস না, শেখের বেটি আইবো না’ এবং ‘পিঠের চামড়া থাকবে না’ ইত্যাদি। পরে তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসের মাধ্যমে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইসরাফিল রতনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তরুণদের মাঠে ফেরানোর আহ্বান এমপি জিন্নাহ কবিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে তরুণদের মাঠে ফেরানোর আহ্বান এমপি জিন্নাহ কবিরের

মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এস এ জিন্নাহ কবির মন্তব্য করেছেন, তরুণদের মাঠে ফিরিয়ে এনে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। তিনি বলেছেন, ‘মাদকের ভয়াবহ ছোবলে ধ্বংসের পথে তরুণ প্রজন্ম। বাড়ছে অপরাধ, ভাঙছে পরিবার, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়। এই ভয়াবহতা ঠেকাতে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

রবিবার (১ নভেম্বর) বিকালে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার কলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

জিন্নাহ কবির আরও বলেন, ‘শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই হবে না, সমাজ থেকে আগে মাদক নির্মূল করতে হবে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিশাপের হাত থেকে রক্ষা করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় প্রতিটি এলাকায় প্রতিনিয়তই মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা করে যাচ্ছি। তরুণদের মাদকের অন্ধকার জগৎ থেকে দূরে রাখতে নেতাকর্মীদের নিয়ে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরির মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। এজন্য খেলার মাঠগুলো সচল করতে হবে, নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে হবে। খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে পারলে তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা সম্ভব হবে। এ জন্য পরিবার, সমাজ ও জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’

জিন্নাহ কবির আরো বলেন, ‘আমি আমৃত্যু জনগণের সেবায় কাজ করে যেতে চাই। ইতোমধ্যে আমার সংসদীয় আসনে পর্যায়ক্রমে রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। শুধু দৌলতপুর উপজেলার জন্য আগামী অর্থবছরে সোয়া ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেয়েছি।’

জনসভায় কলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট বুলবুল আহমেদ গোলাপের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকার সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জামাল উদ্দিন সরকার, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদল আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু, সংসদ সদস্য জিন্নাহ কবিরের জামাতা ব্যারিস্টার যাওয়াদুল নয়নসহ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও মার্কিন বিমান বাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৬ পি.এম


বাংলাদেশ ও মার্কিন বিমান বাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শুরু

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের সহযোগিতায় পাঁচ দিনব্যাপী যৌথ মহড়া ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’ শুরু হয়েছে। রবিবার, ঢাকা সেনানিবাসের বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকারে এই মহড়ার উদ্বোধন করা হয়।

ঘাঁটির এয়ার অধিনায়ক এয়ার ভাইস মার্শাল হায়দার আবদুল্লাহ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি মিশন চিফ তৃষিতা মওলা।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘এক্সারসাইজ কোপ সাউথ-২০২৬’-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিষয়ভিত্তিক মতামত বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এই মহড়ায় সি-১৩০জে ও সি-১৩০বি বিমানের অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ, এভিয়েশন সেফটি ও হ্যাজমেট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট, অ্যারোস্পেস মেডিসিন ও ফিজিওলজি, এয়ারলিফট কার্গো হ্যান্ডলিং, এয়ার বেজ ডিফেন্স ও ফোর্স প্রটেকশন এবং ক্র্যাশ ফায়ার রেসকিউ বিষয়ে দুই দেশের সদস্যরা পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।

এবারের যৌথ মহড়ায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ১২০ জন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক এয়ার ফোর্সের ১৮ জন সদস্য অংশগ্রহণ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএইউর গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ইউজিসি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


এসএইউর গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ইউজিসি চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদকে সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির (এসএইউ) গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সংবর্ধনা প্রদান করেছে।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি রোববার ইউজিসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) উদ্যোগে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতিষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তার নির্বাচিত হওয়া বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতে আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব ও প্রফেসর ড. মো. আসলাম হোসেন। ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. মো. মহিবুল আহসান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের উপপরিচালক এবং ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম দস্তগীর।

সংবর্ধনার জবাবে ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ মন্তব্য করেন, সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া তার জন্য একটি সম্মানের বিষয়। তিনি এই দায়িত্বকে দেশের উচ্চশিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ, গবেষণায় সহযোগিতা এবং দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে একাডেমিক সম্পর্ক আরো জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন।

তিনি আরো বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণা কার্যক্রমে উৎসাহ প্রদান এবং জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ সম্প্রসারণে তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ অর্জনে আঞ্চলিক সহযোগিতাকে আরো কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে, গত ৮ ও ৯ অক্টোবর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির গভর্নিং বোর্ডের ১৬তম সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদকে দুই বছর মেয়াদে বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়। তিনি শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধি অধ্যাপক কাপিলা সেনেভিরত্নের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%