ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মুম্বাইয়ের শপিং মলে ভাঙচুর করে নামাজ কক্ষ বন্ধ করল হিন্দুত্ববাদীরা


মুম্বাইয়ের শপিং মলে ভাঙচুর করে নামাজ কক্ষ বন্ধ করল হিন্দুত্ববাদীরা

মুম্বাইয়ের বিখ্যাত ইনঅরবিট মলের একটি নামাজ কক্ষ বন্ধ করা এবং ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বিতর্কটি শুরু হয় হিজাব পরা দুই কিশোরীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, যেখানে তারা মলে আসা দর্শনার্থীদের জন্য নির্ধারিত ওই কক্ষটি দেখিয়ে মানুষকে যথাসময়ে নামাজ আদায় করার জন্য উৎসাহিত করছিল।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, দুই তরুণী কক্ষটি সুসজ্জিত এবং সেখানে পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা স্থান ও অজুখানার সুবিধা রয়েছে। কিন্তু ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী ও ব্যক্তিরা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে। তাদের দাবি, এটি ধর্মনিরপেক্ষতার অজুহাতে মুম্বাইকে ‘সফ্ট ইসলামিক এনক্লেভে’ রূপান্তর করার একটি প্রচেষ্টা।

৩০ অক্টোবর, হিন্দুত্ববাদী সংগঠন 'সকল হিন্দু সমাজ' তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ ভিডিওটি শেয়ার করে উস্কানিমূলক ক্যাপশন দিয়ে লেখে: “মুম্বাই কি পাকিস্তানের পথে হাঁটছে? এটি প্রতিটি মুম্বাইবাসীর জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়! মালাডের ইনঅরবিট মলে নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা জায়গা—কার্যত মসজিদ বা বিশেষ কক্ষ—তৈরি করা হয়েছে। এই মলে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ আসেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের এই মাটিতে অবস্থিত মলে কি কোনো হিন্দু নিজের উপাসনা করতে পারবেন? উত্তর হলো—না!”

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের আগমন, কারাট মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে

চরমপন্থী সংগঠনটি মলকে সব ধর্মের মানুষ সমবে হওয়ার একটি সর্বজনীন ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করে, সেখানে প্রতিবাদ গড়ে তোলে এবং কক্ষটি ভেঙে ফেলার দাবি জানায়। পরদিন, ৩১ অক্টোবর, সংগঠনটি অপর একটি ভিডিও প্রকাশ করে ‘আগে ও পরের’ অবস্থা তুলে ধরে। নতুন ভিডিওটিতে নামাজ কক্ষটির টাইলস ভাঙা ও ঘরটি গুঁড়িয়ে দেওয়া অবস্থায় দেখা যায়।

সিয়াসাত ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকাশিত ভাঙচুরের ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশ এবং মল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতে শপিং মলগুলোতে প্রার্থনা কক্ষের উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। নির্দিষ্ট কোনো ধর্মের প্রতি পক্ষপাত না করে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা ভেবে অনেক মল কর্তৃপক্ষই এ ধরনের প্রার্থনার ব্যবস্থা রেখে থাকে।

আরও পড়ুন: মণিপুরে বিক্ষোভে উত্তাল, ভয়াবহ সংঘাতে নিহত ৫

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সারার সম্পত্তি ছয় বছরে তিন গুণ বেড়ে ৪১ কোটি রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


সারার সম্পত্তি ছয় বছরে তিন গুণ বেড়ে ৪১ কোটি রুপি

বলিউডের একজন পরিচিত মুখ সারা আলি খান। ২০১৮ সালে ‘কেদারনাথ’ ছবির মাধ্যমে বড়পর্দায় তার অভিষেক ঘটে এবং এরপর থেকেই অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি, বিজ্ঞাপন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেও তিনি আয় করেন। সারা আলি খানের সম্পত্তির পরিমাণ এবং ছবিপ্রতি তার পারিশ্রমিক সম্পর্কে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল রয়েছে।

ভারতীয় বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে সারার সম্পত্তির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ কোটি রুপি। ২০২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় আনুমানিক ২০ কোটিতে। ২০২৫ সালে এই পরিমাণ ছিল প্রায় ২৪ কোটি রুপি। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে সারার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪১ কোটি রুপি। অর্থাৎ, ছয় বছরের ব্যবধানে তার সম্পত্তি বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি।

অভিনয় সারার আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করছে। ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের খবর অনুযায়ী, একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রায় ৩ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। এছাড়া, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনী প্রচারেও তাকে দেখা যায়। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য তার পারিশ্রমিক প্রায় ১ কোটি রুপি বলে জানা গেছে। ফলে, অভিনয়ের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও উল্লেখযোগ্য আয় করছেন সারা।

অভিনেত্রীর গাড়ির সংগ্রহে একাধিক দামি গাড়ি রয়েছে। তার সংগ্রহে মার্সিডিজ-বেঞ্জ জি-ক্লাস জি ৩৫০ডি এবং জিপ কম্পাসের মতো বিলাসবহুল এসইউভি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কাজের ক্ষেত্রেও সারা বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন। বলিউডে নিজের অবস্থান আরও পোক্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি। গত ২৩ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত স্পাই-কমেডি ঘরানার ছবি ‘উড়তা তীর’। করণ জোহর প্রযোজিত ছবিটিতে আয়ুষ্মান খুরানার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন এই অভিনেত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে মায়ের কাছে টাকা না পেয়ে কলেজছাত্র রুমান তালুকদারের আত্মহত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


ফরিদপুরে মায়ের কাছে টাকা না পেয়ে কলেজছাত্র রুমান তালুকদারের আত্মহত্যা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মায়ের কাছে টাকা না পেয়ে অভিমানে গলায় ফাঁস নিয়ে রুমান তালুকদার (২০) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) গভীর রাতে পৌর এলাকার নওয়াপাড়ায়।

নিহত রুমান তালুকদার ফুলমিয়া তালুকদারের ছেলে এবং তিনি আলফাডাঙ্গা সরকারি কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুমান নিয়মিত তার মায়ের কাছে টাকা চাইতেন পড়াশোনার খরচের জন্য। ঘটনার রাতে তিনি আবারও টাকা চান। মা টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এরপর, পরিবারের সদস্যদের অজান্তে, তিনি নিজের ঘরের আড়ার সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন।

নিহতের মা নাজমা বেগম জানান, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তিনি ছেলের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকি করার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি দরজায় ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। তখন তিনি ঘরের আড়ার সঙ্গে ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান এবং চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দরজা ভেঙে মরদেহ নিচে নামান।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. সোহেল সরোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘রাজনীতিতে সম্মান পাওয়া যায়, অপমানও সহ্য করতে হয়’—হাজী জসিম উদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ পি.এম


‘রাজনীতিতে সম্মান পাওয়া যায়, অপমানও সহ্য করতে হয়’—হাজী জসিম উদ্দিন

কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসিম উদ্দিন মন্তব্য করেছেন, রাজনীতির ক্ষেত্রে ফুলের মালা গ্রহণের পাশাপাশি জুতার মালা সহ্য করাও জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, রাজনীতিতে সম্মান অর্জনের পাশাপাশি অপমানও সহ্য করতে হয়।

রবিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের ফকির বাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত অভিভাবক সমাবেশ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি জসিম উদ্দিন জানান, নির্বাচনের পূর্বে একটি পক্ষ তাকে মাদক কারবারিদের সম্রাট হিসেবে অপবাদ দিয়ে প্রচারণা চালায়। এমনকি তার বিরুদ্ধে জুতার মিছিলও করা হয়। কিন্তু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সেই পক্ষের সদস্যরাই এখন ফুলের মালা নিয়ে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে।

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদক, দুর্নীতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তিনি নিজে মাঠে নেমে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছেন। বর্তমানে মাদক কারবারিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মাদক কারবারিদের শেকড় যত গভীরেই থাকুক, তা উপড়ে ফেলা হবে।

শিক্ষা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন নিয়ে এমপি বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়ন, নৈতিক শিক্ষার বিকাশ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক অবকাঠামোগত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষিত, দক্ষ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে দুই উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষিত ব্যক্তিদের সভাপতি পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা পালন করতে হবে।

ফকির বাজার স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার হোসেন লিমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মো. পিজিউল আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাউজানের কৃষকরা উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৭ পি.এম


রাউজানের কৃষকরা উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

চট্টগ্রামের রাউজানের প্রান্তিক কৃষকেরা উৎপাদন খরচের তুলনায় অনেক কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হওয়ায় চরম লোকসানের সম্মুখীন হয়েছেন। কৃষকদের অভিযোগ, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে তাঁদের খরচ প্রায় ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। কিন্তু খোলাবাজারে মানভেদে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ৯০০ টাকায়। ফলে, তাঁরা প্রতি মণে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা লোকসান গুনছেন। ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়া সহজ করা এবং কৃষি উপকরণের মূল্য কমানোসহ ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন রাউজানের পাহাড়তলী ও মহমুনি এলাকার কয়েকশ কৃষক।

রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনীতে "প্রদীপ সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের" উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কৃষকেরা বিভিন্ন দাবি সংবলিত ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানববন্ধনে অংশ নেন। তাঁরা বক্তব্যের মাধ্যমে কৃষির বর্তমান উৎপাদন ব্যয়, ধানের বাজারমূল্য এবং সরকারি সংগ্রহব্যবস্থায় বিদ্যমান সমস্যার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কৃষক দীপঙ্কর বড়ুয়া, মো. সোহেল রানা, সংগঠক মো. জুয়েল, কৃষক মো. ফারুক, সত্য বৈদ্য, সান্তুু দেয়সহ আরও অনেকেই।

মানববন্ধনের পর একটি বিক্ষোভ মিছিল পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজার প্রদক্ষিণ করে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী কৃষকদের অভিযোগ, সার, বীজ, কীটনাশক, ডিজেল, সেচ ও কৃষিশ্রমিকের মজুরিসহ উৎপাদনের প্রায় সব উপকরণের দাম বেড়েছে। ফলে, ধান উৎপাদনে ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও বাজারে সেই অনুপাতে দাম বাড়েনি। কৃষকেরা জানান, তাঁদের হিসাব অনুযায়ী প্রতি কেজি ধান উৎপাদনে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩৪ টাকা ১১ পয়সা। সে হিসাবে প্রতি মণে উৎপাদন খরচ দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। অথচ বাজারে ধানের দাম পাওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ৯০০ টাকা। এতে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না তাঁরা। বিশেষ করে মহামুনিসহ এলাকার প্রান্তিক কৃষকেরা এ পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

কৃষকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, সরকারি নির্ধারিত প্রতি মণ ধানের সংগ্রহমূল্য ১ হাজার ৪৪০ টাকা প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকের কাছে পৌঁছানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা; সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক হয়রানি বন্ধ করে ৯ নম্বর পাহাড়তলী ইউনিয়নে উন্মুক্ত ধান ক্রয়কেন্দ্র স্থাপন; চাতাল ও বড় মিল মালিকদের অবৈধ মজুতদারি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ; ডিজেল, সার ও বিদ্যুতের মূল্য কমিয়ে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস; কৃষি উপকরণের সরবরাহ বাড়িয়ে দাম কৃষকের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং ইউনিয়নভিত্তিক প্রান্তিক কৃষকদের জন্য মাসিক অথবা ত্রৈমাসিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

এ বিষয়ে রাউজান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুম কবির বলেন, ‘কৃষকদের দাবিগুলোর বিষয়ে আমরা জেনেছি। তবে তাঁরা এখনো আমাদের কাছে আসেননি। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমাতে মাঠপর্যায়ে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। এসব বৈঠকে দেখা যায়, অনেক কৃষক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কীটনাশক ও সার ব্যবহার করেন। সচেতনতার মাধ্যমে এসব অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো সম্ভব। প্রশিক্ষণে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

ধানের সরকারি সংগ্রহমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ধানের সংগ্রহমূল্য সরকার নির্ধারণ করে। এবার বোরো মৌসুমে প্রতি মণ ধান ১ হাজার ৪৪০ টাকা দরে সংগ্রহ করা হয়েছে। খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা ও চাহিদার ভিত্তিতে কৃষি বিভাগকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ইউনিয়নভিত্তিক উৎপাদনের হার বিবেচনায় প্রকৃত কৃষকদের তালিকা তৈরি করা হয়। একজন কৃষকের কাছ থেকে এক থেকে তিন টন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ করা হয়।

কৃষকদের দাবি, উৎপাদন ব্যয় ও বাজারমূল্যের ব্যবধান কমাতে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে কৃষিকাজে আগ্রহ হারাবেন অনেক প্রান্তিক চাষি। এতে স্থানীয় কৃষি উৎপাদন ও খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই তাঁদের দাবিগুলো বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%