০৫:২৬ পি.এম
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেছেন, চলতি মৌসুমে দেশে মোট ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে। তিনি সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তথ্য অনুযায়ী চলতি সংগ্রহ মৌসুমে দেশব্যাপী মোট ৩ কোটি ২৭ লাখ ৫ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: মামদানির ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস প্রার্থী ব্র্যাড ল্যান্ডারকে আটক করল ইসরাইল
আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে হাওর অঞ্চলে বোরো ফসলের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হলেও কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা এবং সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
প্রতিমন্ত্রী সংসদে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে জানান, হাওর এলাকায় অভ্যন্তরীণ ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম ৩ মে থেকে শুরু হয়েছে।
এর ফলে কৃষকরা সরকারি গুদামের আঙিনায় ধান শুকিয়ে সরাসরি সরকারের কাছে ধান বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন।
তিনি বলেন, সরকারি সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হওয়ায় মিল মালিকরা কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করতে শুরু করেছেন। ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধানের জন্য আরো ভালো বাজার সুবিধা পাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: ৫১তম বিশেষ বিসিএসে ১৫ হাজারের বেশি চিকিৎসকের আবেদন
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বললেন, ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তা নিশ্চিত করতে হাওর অঞ্চলের ছয়টি জেলায় চাল ও আটা বিক্রির জন্য বিশেষ ওপেন মার্কেট সেল (ওএমএস) কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে হাওর অঞ্চলের নিম্ন আয়ের ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী আজ জানিয়েছেন, সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে সরকারের সংগ্রহকেন্দ্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধান বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মন্ত্রীকে ৩৫ বার ‘স্যার’ বলে ভাইরাল কুড়িগ্রামের ইউএনও
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন