ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জামালপুরে জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ ৪ জন গ্রেপ্তার


জামালপুরে জুয়ার আসর থেকে ইউপি সদস্যসহ ৪ জন গ্রেপ্তার

জামালপুরের মাদারগঞ্জে জুয়ার আসরে অভিযান পরিচালনা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড সভাপতি এবং ইউপি সদস্যসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, তাস এবং জুয়া খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার জোড়খালী ইউনিয়নের চর জোড়খালী এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জোড়খালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ খান (৪৫), একই ইউনিয়নের চর জোড়খালী এলাকার মালেক মণ্ডলের ছেলে এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হাসিজল (৪৫), সোহরাব আলীর ছেলে হাফিজুর (২৯) এবং মৃত রওশন আলীর ছেলে নায়েব আলী (৫০)।

আরও পড়ুন: রাবিতে ডেঙ্গু সচেতনতায় হাল্ট প্রাইজের নতুন কর্মসূচি

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চর জোড়খালী এলাকায় নায়েব আলীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই বাড়িতে বসা জুয়ার আসর থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে নগদ টাকা, একাধিক বান্ডেল তাসসহ জুয়া খেলার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। হামিদুর রহমান ও হাসিজলকে নাশকতার মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীষ রায় এই বিষয়ে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রী চারানি নারী টি-টোয়েন্টি বোলিংয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫২ পি.এম


শ্রী চারানি নারী টি-টোয়েন্টি বোলিংয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লেন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) নারী টি-টোয়েন্টি বোলিং র‍্যাংকিংয়ে নতুন একটি বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ভারতের বাঁহাতি স্পিনার শ্রী চারানি। আইসিসির সর্বশেষ সাপ্তাহিক হালনাগাদে ২২ বছর বয়সী এই স্পিনারের রেটিং পয়েন্ট ১৮ বেড়ে ৮১৭-তে পৌঁছেছে, যা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে যেকোনো বোলারের জন্য সর্বোচ্চ রেটিং। মঙ্গলবার নারী ক্রিকেটারদের সাপ্তাহিক র‍্যাংকিংয়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে আইসিসি।

এই অর্জনের মাধ্যমে চারানি অস্ট্রেলিয়ার পেসার মেগান শুটের দীর্ঘ ৮ বছরের পুরনো রেকর্ডটি ভেঙে দিলেন। ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে মেগান শুট সর্বোচ্চ ৮০৬ রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছিলেন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে চারানি ও শুট ছাড়া কেবল ইংল্যান্ডের সোফি এক্লেস্টোন (৮০২ পয়েন্ট) ৮০০ রেটিং পয়েন্ট স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছেন।

দুই সপ্তাহ আগে ভারতের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ৮০০ রেটিং পয়েন্টের ঘরে প্রবেশ করেছিলেন চারানি। তার আগে এই সংস্করণে ৮০০ পয়েন্ট ছোঁয়া বোলার ছিলেন শুধু শুট ও ইংল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার সোফি এক্লেস্টোন, যার ক্যারিয়ারসেরা রেটিং ৮০২।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে ভারতের স্বর্ণজয়ের পথেও চারানি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে তিনি মাত্র ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। পুরো টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে তার শিকার ৮ উইকেট।

টি-টোয়েন্টি বোলিং র‍্যাংকিংয়ে চারানির পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ভারতের দীপ্তি শার্মা। ফাইনালে ৩ উইকেট নেওয়া এই অলরাউন্ডারের রেটিং ৭৫৪। ৭২৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ইংল্যান্ডের সোফি এক্লেস্টোন।

ব্যাটারদের তালিকায়ও এগিয়েছেন ভারতের স্মৃতি মান্ধানা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফাইনালে ৭৯ রানের ইনিংস খেলে তিনি এক ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র‍্যাংকিংয়ে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছেন। তালিকার শীর্ষে আগের মতোই রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি।

অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেইলি ম্যাথিউস। ওয়ানডে ব্যাটারদের তালিকায় মান্ধানাই এক নম্বরে অবস্থান করছেন। ওয়ানডে বোলারদের মধ্যে শীর্ষে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালানা কিং এবং অলরাউন্ডারদের তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন অ্যাশলি গার্ডনার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় পিস্তল, গুলি ও ককটেলসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


খুলনায় পিস্তল, গুলি ও ককটেলসহ তিন যুবক গ্রেপ্তার

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) লবণচরা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, তিনটি বোমাসদৃশ ককটেল এবং একটি মোটরসাইকেলসহ তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে রূপসা ব্রিজের উত্তর পাশে জালাল আহমেদের তুষ-কুড়া মিলের সামনে ফাঁকা জায়গা থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন লবণচরা থানার মাথাভাঙ্গা জুট মিলের পাশের বাসিন্দা কিসলু হাওলাদারের ছেলে মো. আল আমিন (২৩), রূপসা উপজেলার রায়পাড়া এলাকার বাসিন্দা আ. রহিম মোল্লার ছেলে মো. রনি মোল্লা ওরফে কসাই রনি (২৮) এবং লবণচরা থানার ডাক্তার গলি এলাকার বাসিন্দা রাজু জোমাদ্দারের ছেলে স্বরন জোমাদ্দার ওরফে সজল জোমাদ্দার (২৬)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রূপসা ব্রিজের উত্তর পাশে একটি ব্যক্তিগত সিমেন্ট আনলোডের ঘাট রয়েছে। ঘাটের মালিক ইউনুস আলীকে স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘বি-কম্পানি’ ও ‘নুর আজিম বাহিনী’র সদস্য পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। এই কারণে মঙ্গলবার ঘাটের সিমেন্ট আনলোডের কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

এ ঘটনায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে লবণচরা থানা পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হেলমেট, মুখোশ ও গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে মোটরসাইকেলে পালানোর চেষ্টা করেন তিন যুবক। এ সময় পুলিশ তাঁদের আটক করে।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশাররফ হোসেন জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, তিনটি বোমাসদৃশ ককটেল এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্ক: দুই দিনে ২১ জেলে অপহৃত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৩ পি.এম


সুন্দরবনে দস্যু আতঙ্ক: দুই দিনে ২১ জেলে অপহৃত

সুন্দরবনে দস্যু বাহিনীর আত্মসমর্পণের পরেও দস্যু তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ফের জেলে অপহরণের ঘটনা ঘটায় সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র দুই দিনের মধ্যে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২১ জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের চার দিন পেরিয়ে গেলেও তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অপহৃত জেলেদের অবস্থান ও পরিস্থিতি সম্পর্কে কোনো তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন অপহৃত জেলেদের পরিবার ও মহাজনরা। অন্যদিকে, নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া অন্যান্য জেলেরা।

স্থানীয় জেলেদের এবং বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ও শনিবার (২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের নারিকেলবাড়িয়া, আমরাবাড়িয়া, ভদ্রা ও ভাঙ্গা এলাকায় মাছ ধরার সময় সশস্ত্র দস্যুরা জেলেদের ওপর হামলা চালায়। বনদস্যু মজনু, করিম শরীফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন নৌকা থেকে অন্তত ২১ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় একটি মাছ ধরার ট্রলার, পাঁচটি মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য মালামালও লুট করে নেয় তারা।

বাগেরহাট সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, শনিবার রাতে সাগরসংলগ্ন ভাঙ্গা, আমবাড়িয়া ও নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় মাছ ধরার সময় অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিরা জেলেবহরে হামলা চালায়। এ সময় বিভিন্ন নৌকা থেকে ১৫ জেলেকে জোরপূর্বক একটি ট্রলারে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে শুক্রবার সুন্দরবনের আরো কয়েকটি এলাকা থেকে ছয় জেলেকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, অপহৃত ২১ জেলের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের বাড়ি খুলনা, বরগুনার পাথরঘাটা ও তালতলী এবং মোংলার বিভিন্ন এলাকায়। তাঁরা বন বিভাগের অনুমতিপত্র নিয়েই সুন্দরবনের খাল ও নদীতে মাছ ধরছিলেন।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন জানায়, অপহৃত জেলেদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। সুন্দরবনের আকাশে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার করে জেলে ও দস্যুদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি নৌপথে কোস্ট গার্ডের একাধিক দল চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে।

তবে অপহরণের পর থেকে কোনো জেলে বা মহাজন দস্যুদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। পরিচয় প্রকাশ পেলে পেশা ও জীবনের জন্য হুমকি আসতে পারে—এমন আশঙ্কায় তাঁরা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে রাজি নন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে অপহৃত জেলেদের একাধিক মহাজন জানান, জেলেদের মুক্ত করতে তাঁরা দস্যুদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করছেন। মুক্তিপণ হিসেবে কত টাকা দাবি করা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তা জানাতে রাজি হননি তাঁরা। তাঁদের ভাষ্য, দস্যুদের সঙ্গে মুক্তিপণ নিয়ে দর-কষাকষি চলছে। কাঙ্ক্ষিত মুক্তিপণ পেলেই জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দস্যুরা। দ্রুত মুক্তিপণ পরিশোধের জন্য মহাজনদের ওপর চাপও দেওয়া হচ্ছে।

সুন্দরবনে দস্যুদের দৌরাত্ম্য কমাতে গত কয়েক বছরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর উদ্যোগে একাধিক দস্যু বাহিনী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করেছে। আত্মসমর্পণকারীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এর পরও সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় নতুন করে জেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির ঘটনায় দস্যু তৎপরতা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নতুন করে সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতায় সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের মধ্যে আবারও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই দস্যু আতঙ্কে বনে যেতে ভয় পাচ্ছেন। সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করে নিরাপদে মাছ ধরার নিশ্চয়তা চান তাঁরা।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, অপহৃত জেলেদের এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাঁদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ডের অভিযান চলছে। সুন্দরবনে অবস্থানরত জেলেদের রাতে দলবদ্ধভাবে এবং সংশ্লিষ্ট বন অফিসের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সব স্টেশন ও টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের জেলেদের নিরাপত্তায় টহল বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহাবুব হোসেন বলেন, সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে কোস্ট গার্ড। এরই অংশ হিসেবে অপহৃত ২১ জেলেকে উদ্ধারে অভিযান চলছে। দস্যুদের অবস্থান শনাক্তে আধুনিক ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি নৌপথেও চিরুনি অভিযান চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলেদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরো জানান, সুন্দরবনের সব দস্যুবাহিনীকে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানানো হয়েছে। আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরার নিশ্চয়তার পাশাপাশি পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করা হবে। অন্যথায় দস্যুদের কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় জেলা পরিষদের সম্পত্তি দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ পি.এম


কুমিল্লায় জেলা পরিষদের সম্পত্তি দখলকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি

কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসন সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং জেলা পরিষদের সম্পত্তি রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া মুরাদনগর উপজেলায় জেলা পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন মার্কেট ও ডাকবাংলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময়, মো. মোস্তাক মিয়া অবৈধভাবে সরকারি সম্পত্তি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "জেলা পরিষদের এক ইঞ্চি জায়গাও কাউকে অবৈধভাবে দখল করতে দেওয়া হবে না। সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ, আর তা রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব।"

মোস্তাক মিয়া আরও বলেন, "আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু জায়গায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে, যা মার্কেটের ব্যবসায়িক পরিবেশ ও ডাকবাংলোর সৌন্দর্য নষ্ট করছে। আমি স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, যারা অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করে আছেন, তারা অনতিবিলম্বে নিজ দায়িত্বে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিন। অন্যথায় প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবে।"

এ সময় কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম জাকারিয়া, মুরাদনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%