কবির হোসেন, আলফাডাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ পি.এম
চিকিৎসার আশায় কেউ এসেছেন দূর গ্রাম থেকে, কেউবা দীর্ঘদিনের ব্যথা-বেদনা নিয়ে। কারও প্রয়োজন ডায়াবেটিসের পরামর্শ, আবার কেউ এসেছেন পরিবারের অসুস্থ সদস্যকে নিয়ে। এক ছাদের নিচে চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়ে স্বস্তি ফিরেছে অনেকের মুখে। এমনই এক মানবিক উদ্যোগে দিনভর প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর ছিল আলফাডাঙ্গার রায়ের পানাইল।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার রায়ের পানাইলে মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প। এতে দুই শতাধিক রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ গ্রহণ করেন।
ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা দেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি মেডিসিন, বাত-ব্যথা, ডায়াবেটিস, মহিলা ও শিশু রোগসহ বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যাম্প প্রাঙ্গণে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। নারী, শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। বাড়ির কাছেই বিনামূল্যে চিকিৎসকের পরামর্শ পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
চিকিৎসাসেবা নিতে আসা আনোয়ার হোসেন (৪৫), মোসুমি বেগম (৩৫), খাদিজা বেগমসহ একাধিক রোগী বলেন, বাড়ির কাছে এমন ফ্রি চিকিৎসাসেবার আয়োজন তাদের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র বিনামূল্যে পেয়ে তারা আনন্দিত। সাধারণ মানুষের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজনের সময়ে আশার আলো হয়ে এসেছে উল্লেখ করে তারা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের প্রত্যাশা করেন।
মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের সভাপতি মো. খসরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই স্থানীয় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা। সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই এ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ সময় সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বরকত ইসলাম ও মো. রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিলন মোল্যা, সমাজসেবা সম্পাদক মো. কনক শেখসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন।
মধুমতি যুব উন্নয়ন সংঘের নেতৃবৃন্দ জানান, ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে ওনিয় ঘোষ (২ বছর ৪ মাস)নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের বাড়হা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ওনিয় ঘোষ ওই গ্রামের বাসিন্দা এবং পূর্বধলা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পূর্বধলা বাজার পাদুকা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিকাশ ঘোষের ছেলে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় ধরে ওনিয়কে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসতে দেখেন স্বজনেরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা মাসিক মাসোয়ারা হিসেবে ম্যানেজারদের কাছ থেকে নেন! আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। ম্যানেজারা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলেই ডিপোর ম্যানেজারের চেয়ার কেড়ে নেয়ার ভয় দেখানো শুরু করেন। ভয়ে মাসিক মাসোয়ারার টাকা দিতে বাধ্য হয় ম্যানেজাররা।বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার দাবি এই টাকা তিনি একানেন না বিএনপির এমপি, মন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয় তার এই চেয়ার টিকানোর জন্য। একথা গুলো ম্যানেজারদের সাথে সরাসরি বলে থাকেন চেয়ারম্যান। নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে এক ম্যানেজার বলেন চেয়ারম্যান কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পরিবারের লোক তাই সকল সুবিধা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোক জনকেই দিয়ে থাকেন। মুখে বিএনপি অন্তরে আওয়ামী লীগ।তিনি তো কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার জামাতা।বিএনপির এমপি,মন্ত্রীর কথা বলে টাকা নেন কিন্তু সেই টাকা নিজেই ভোগ করেন। তাদের নাম শুধু বলে তারা কেহ কোন কিছু নেন না।
সুত্রে দাবি,মাসিক মাসোয়ারার পরেও ভিন্ন ভিন্ন খাদে অর্থ বরাদ্দ করে সেই অর্থই হাতিয়ে নিচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।
গত বছর আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় অপারেটিং ব্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ধরা হয় ১৫ লক্ষ টাকা। বর্তমান চেয়ারম্যান সেখানে (আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলায় অপারেটিং ব্যায় খরচ নির্বাহের জন্য ৫৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছেন।)অথচ ৬ লক্ষ টাকাও খরচ হবে না।
চেয়ারম্যানের রুমের ডেকারেশনের বরাদ্দ ৫৬ লক্ষ টাকা। ভাউচার দিয়ে চেয়ারম্যানের পকেটে ৪০ লক্ষ টাকা।
সাবেক চেয়ারম্যান যে রুমে অফিস করেছেন সেই রুমের ডেকোরেশন এর জন্য ৫৬ লক্ষ টাকা বাজেট করেছেন অথচ সেই রুমেই বসেই বিআরটিসির সাবেক চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন। মাসিক মাসোয়ারা বাদে ও বর্তমানে ভিন্ন ভিন্ন খাদে অর্থ বরাদ্দ করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বর্তমান চেয়ারম্যান!
বি আর টি সিতে এসেই ২৪ টি ডিপো থেকে গড়ে ১৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন।(এখানে প্রতিটি ডিপো থেকে এক রকম টাকা নেননি কোনো ডিপো থেকে ১১লক্ষ কোনো ডিপো থেকে ১৫ লক্ষ আবার কোনো ডিপো থেকে ১৬ লক্ষ টাকা করে দিয়েছেন প্রতিটি ডিপোর ম্যানেজার ) চেয়ারম্যানকে তাদের দেয়া টাকার পরিমাণ মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। কোন প্রকার ভাউচার ছাড়া এই টাকা নিয়েছেন। বিষয়টি গোপনীয়তার সহিত করেছেন চেয়ারম্যান ।নিয়েছেন হ্যান ক্যাশ।
এসময় প্রতিটি ডিপোর ম্যানেজারদের চালকসহ সকল কর্মচারিদের বেতন দিতে কষ্ট হয়েছে সময় মত বেতন পাননি চালক কর্মচারীরা।এই বিষয়টি গোপন রাখতে বলেছেন। এখানেই শেষ নয় বিভিন্ন ডিপোতে তার আনুগত্যের শিকার করে অবৈধভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যানেজার পদে তার আনুগত্যে পোষণ কারিগনদের বিভিন্ন ডিপোতে দায়িত্ব দিয়েছেন রেখেছেন ।
অন্য এদিকে জানাযায়,বরিশাল মহানগরের ১৮ নং ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক তার নাম পুতুল তিনি তার (শাশুড়ি)। তার স্ত্রীর বড় ভাই ভিপি জসিম ছাত্রলীগের নেতা।বরিশাল নগরীর মল্লিকা স্কুলের সাথে তার শশুর বাড়ি।শশুরের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার মুলাদি উপজেলায়।বরিশালে যে বাড়িটি রয়েছে সেই বাড়ির জমিসহ সেটি নির্মাণ কাজ চেয়ারম্যান করে দিয়েছেন । চেয়ারম্যানের হওয়ার পূর্বে তিনি আওয়ামী লীগের সময় তার দুর্নীতি কারনে বরখাস্ত হয়ে ছিলেন। সেই বরখাস্তর কারণ গেটে দেখেই বাস্তব সত্য ঘটনা বের হয়ে যাবে।কিন্তু সেই বরখাস্তর ঘটনা অন্য খাতে প্রবাহিত করে বৈষম্যের শিকারের কথা বলে আওয়ামী লীগের দোষরের পদ উন্নতি পেয়ে বিআরটিসিতে পদায়ন দেন বতর্মান সরকার।
এদিকে জানাযায়,হ্যান ক্যাশ নিতে নিরবে পেতে বসেছেন ভিন্ন কৌশল। এই কৌশলের অংশ হিসাবে ব্যবস্থাকরে দিলেন দুপুরের খাবার। রান্না হয় মতিঝিল বাস ডিপোর ভিতরে।খাবার পরিবেশন হয় বি আর টিসির হেড অফিসে বসে।সরকারি ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন মতিঝিল বাস ডিপোর ভিতরে বসেই সকাল থেকেই রান্নার কাজ শুরু হয়।রান্না শেষ করে নিয়ে আসেন হেড অফিসে।এই খাবারের জন্য প্রতি মাসে বি আর টি সির মতিঝিল বাস ডিপো থেকে খাবারের ভাউচার দিয়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা কর্তন করা হয়। এটিও অবৈধ ভাউচার যাহা বি আর টিসির নিয়মকানুন পরিপন্থি।
এক কর্মচারী ছন্দে ছন্দে বলেন সবাই মিলে মিশে খাবার খাই চেয়ারম্যান স্যারের সুনাম খাই খাবারের কোন টাকা নাই মতিঝিল ডিপো থেকে খাবারের ভাউচার দিয়ে আমাদের খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন ভাই স্যারের মত মানুষ নাই।এসকল কাজের মাধ্যমে ই মাসিক মাসোয়ারার টাকা হ্যান ক্যাশ নিরবে পেয়ে যায় আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।
আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্রের বি আর টি সিতে কালো থাবা, দিশেহারা ডিপোর ম্যানেজার, চালকসহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।
অতিরিক্ত সচিব বিআরটিসি (BRTC)র চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা। তিনি পূর্বে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন এবং সরকার কর্তৃক এই পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের অনুসারী আমলাদের তালিকায় তার নাম রয়েছে।তাই আওয়ামী লীগের শাসন আমলেই তিনটি পদ-উন্নতি পান। যে দপ্তরে রয়েছেন সেই দপ্তরে বসেই দূর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেছেন।
আনুগত্যের শিকার করে অবৈধভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়ে ম্যানেজার পদে তার আনুগত্যে পোষণ কারিগনদের বিভিন্ন ডিপোতে দায়িত্ব দিয়েছেন রেখেছেন ।আর সে সকল ম্যানেজারগন সেখানে বসেই চেয়ারম্যানের জন্য প্রতি দিন বিভিন্ন রুটে গাড়ি চলে সেই গাড়ি থেকে গাড়ি প্রতি ১ হাজার টাকা করে চেয়ারম্যানের নিজেস্ব ফান্ডের জন্য জমা নেন। ম্যানেজারা সেই অর্থ হ্যান ক্যাশ সরাসরি হেড অফিসে গিয়ে দিয়ে আসেন মিটিং এর কথা বলে।
এই অর্থ দিয়ে ওয়েবিলে কম অর্থ দিয়ে বিল জমা দেয়ার সুবিধা পান চালকরা।প্রতিটি কাউন্টার থেকেও অবৈধ অর্থ নিচ্ছে ম্যানেজার সেখান থেকেই ম্যানেজারা গড়ে ৪৫ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন ।আর সেই অবৈধ অর্থ নিচ্ছেন চেয়ারম্যান।
এখানে সকল ডিপো সমান বাবে অর্থ দিচ্ছেন না এখানেও রয়েছে তারতম্য কোনো ডিপো ৫৫ হাজার কোনো ডিপো ৪০ হাজার টাকা করে দেন। যে সকল বাস ডিপো থেকে টাকা দেওয়া হয় তাহার তালিকা :
০১ যাত্রাবাড়ী বাস ডিপো।
০২জোয়ারসাহারা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৩ মতিঝিল বাস ডিপো।
০৪ কল্যাণপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৫ মিরপুর দ্বিতল বাস ডিপো
০৬ মোহাম্মদপুর বাস ডিপো।
০৭ গাবতলী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৮ গাজীপুর বাস ডিপো।
০৯ ময়মনসিংহ বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১০ নারায়ণগঞ্জ বাস ডিপো।
১১ নরসিংদী বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১২ কুমিল্লা বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৩ চট্টগ্রাম বাস ডিপো।
১৪ সিলেট বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৫ বগুড়া বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৬ পাবনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৭সোনাপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৮ রংপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
১৯ দিনাজপুর বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২০খুলনা বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২১ বরিশাল বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২২ টুঙ্গীপাড়া বাস ডিপো
২৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাস ডিপো
ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
২৪ কক্সবাজার বাস ডিপো ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।২৪ টি বাস ডিপো থেকে প্রতিদিন ১০ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা চেয়ারম্যান পান।মাসে সেই অর্থের পরিমাণ দাড়ায় ৩ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা।
এদিকে ওয়ার্কশপ থেকেও চেয়ারম্যানের আয় প্রতি মাসে ১০লক্ষ টাকা।ওয়ার্কশপ গুলো হল
০১ আইসিডব্লিউএস।
০২ কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানা (সিডব্লিউএস)।
অন্য দিকে একটি সুত্র জানায় দুটি ট্রাক ডিপো :
০১ ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁও। সেখান থেকেও প্রতি মাসে ১১ লক্ষ টাকা নেন চেয়ারম্যান।
০২ চট্টগ্রাম ট্রাক ডিপো থেকেও প্রতি মাসে ৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরে ঢাকা ট্রাক ডিপো তেজগাঁওতে চালকদের বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করে।
ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকেও বাদ যায়নি মাসিক মাসোয়ারা।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে প্রতি মাসে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেন চেয়ারম্যান।৯টি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের তালিকা
০১ কেন্দ্রীয় ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, গাজীপুর।
০২ তেজগাঁও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৩ টুঙ্গীপাড়া ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৪ ঝিনাইদহ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।
০৫ যশোর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
০৬ উথুলী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৭ সিরাজগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৮ মিরপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
০৯ নারায়ণগঞ্জ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
যে বি আর টি সি ছিলো লোকসানের কবলে সেই বি আর টি সিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রেখে গেলেন। বি আর টি সি কি লোকসানের কবলে যেতেছে।এই প্রশ্ন সাধারণ চালক ও কিছু কর্মকর্তাদের মাঝে গুরপাক খাচ্ছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)
অথচ অদৃশ্য শক্তির বলে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এ কর্মকর্তা। ছাত্র জনতার আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ,শ্রমিক লীগকে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ! থাকা সত্ত্বেও
রয়েছে বহাল তবিয়তে।সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে থাকা আওয়ামীলীগের অনুসারীরা গভীর ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন তাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব)
কর্মস্থলে বসে অবৈধভাবে ঘুষ নেয়া তার পেশা এবং নেশায় পরিণত হয়েছে।আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা বতর্মানেও ছাত্র জনতার মহান উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য এখনো সক্রিয় রয়েছেন।
তার নিজ এলাকায় একাধিক ব্যক্তি নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীত সাথে জড়িত তার পরিবার।
ছাত্র অবস্থায় আওয়ামী লীগের ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন । তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটা সত্য।একথা গুলো তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জানাযায়। আওয়ামী লীগে বড় নেতাদের সাথে বতর্মানে ও কথা হয়।
নাম না প্রকাশ করার সত্ত্বে একজন চালক বলেন বতর্মান চেয়ারম্যান আসার সাথে সাথে যারা আওয়ামী লীগের শ্রমিক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তারা সবাই ভালো স্থানে বদলি হয়েছেন টাকার বিনিময়ে। বতর্মান চেয়ারম্যান টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না ভাই আগে বেতন পেতাম ৩০ তারিখে মধ্যে। এখন ১০ তারিখে ও পাই বেতন।
নাম না প্রকাশের সত্ত্বে এক ম্যানেজার বলেন তার মাসিক মাসোয়ারা যারা দিতে পারে তারাই ভালো স্থানে বদলি হয়। যারা সততার সাথে চলতে চাই তারা তার শত্রু।
এ বিষয়ে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান বলেন,
সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের বসে তারা সেখানে বসেই অবৈধভাবে অর্থ নিচ্ছে রক্ষক যখন বক্ষকের ভুমিকায় ।অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন এটি কোন ছোট্ট অপরাধ নয়।দুর্নীতি কখনো ছোট বড় নয় দুর্নীতি তো দুর্নীতিই সেটি যেমনই হোক। ছোট বড় দুর্নীতিতো দুর্নীতিই জন্ম দেয়। দুদক আগের চেয়ে ভালো কাজ করছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। দুদকের দুর্নীতির বিষয়ে আর বিশদ অনুসন্ধান প্রয়োজন। কেননা যে তুলনায় দুর্নীতির অভিযোগ আসে সেই তুলনায় দুদক অনুসন্ধান করতে পারে না। যদি সকল দুর্নীতি দুদক অনুসন্ধান করতে পারতো তাহলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসত। তবে আমরা আশাবাদী দুর্নীতিবাজদের শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব সেটি একদিন হবেই।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান
বলেন,আমরা অনেক দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করছি। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে বসে দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পরেছেন কিছু বড় কর্মকর্তা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) দুর্নীতির সাথে জড়িত
থাকার সম্ভাবনা রয়েছে কি না জানা নেই ।অভিযোগ পেলে সেটা তদন্তের মাধ্যমে আইন আনুগব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যারাই অপরাধ করুক না কেন আমাদের অনুসন্ধানে যদি কোনোভাবে প্রমাণিত হয়।তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করব এবং প্রয়োজনীয় যত ব্যবস্থা আছে তা নেব। কোনো দুর্নীতিবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন(বিআরটিসি) চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা (অতিরিক্ত সচিব) ফোনে একাধিক বার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ৩ নম্বর ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বারেক (রুপা মিয়া) মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে হৃদ্রোগজনিত সমস্যায় তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৭৫ বছর।
আব্দুল বারেক ঘাগড়া ইউনিয়নের বহুলী (বানেরকান্দা) গ্রামের মৃত নজর উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বহুলী গ্রামের একটি জানাজায় অংশ নিতে যান আব্দুল বারেক। জানাজা শেষে হঠাৎ তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল বারেক ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম রানা কারাবন্দী থাকায় পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাঁকে প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দেওয়া হয়।
গত ৫ মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম সরদারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে আব্দুল বারেককে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়।
মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ আত্মীয়স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি শান্তনা খাতুনকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। আদালত তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করার নির্দেশও দিয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মোহা. হেলাল উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ হয় এবং আদালত ২২ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করে। মামলায় বাদী, চিকিৎসক, ম্যাজিস্ট্রেট ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।
রায় ঘোষণার পর বিচারকের এজলাসের সামনে নিহত শিশু সাবার বাবা-মা, স্বজন ও গ্রামবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা চিৎকার করে আসামি শান্তনা খাতুনের ফাঁসির দাবি জানাতে থাকেন। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট কাজী একরামুল হক আলম রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, "সাক্ষ্য-প্রমাণে মামলাটি প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায় গ্রহণযোগ্য নয়।"
যেভাবে হত্যা করা হয় সাবাকে
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর রাতে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের ভ্যানচালক সাইদুল ইসলামের সাড়ে তিন বছরের মেয়ে সাইমা আক্তার সাবাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। প্রতিবেশী ভ্যানচালক আক্তারুজ্জামান মাসুদের দ্বিতীয় স্ত্রী শান্তনা খাতুন রাত আনুমানিক ৯টার দিকে লাশ কাপড়ে মুড়িয়ে বস্তায় ভরে গোপনে ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় রাস্তায় লোকজনের চলাচল দেখে তিনি আবার ঘরে ফিরে যান।
বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে রাত ১০টার দিকে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শান্তনার বাড়ি ঘেরাও করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন। পরে যৌথবাহিনী খাটের নিচ থেকে শিশু সাবার লাশ উদ্ধার করে। ওই রাতেই পুলিশ শান্তনা খাতুনকে আটক করে।
পরে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় শান্তনা খাতুন হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। নিহত সাবার বাবা সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় শান্তনা খাতুনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
সাবা হত্যার বিচারের দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। মঙ্গলবার রায় ঘোষণার খবর পেয়ে তারাও আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হন। ফাঁসির আদেশ না হওয়ায় তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ
রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত শান্তনা খাতুনকে কারাগারে নেওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আদালতের দ্বিতীয়তলা থেকে তাকে বের করে প্রিজনভ্যানে তোলা হয়। এ সময় নিহত শিশুর স্বজনরা বিক্ষোভ করতে থাকেন এবং বারবার শান্তনার ফাঁসির দাবি জানান। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
বিচারক রায়ে বলেন, শিশু সাবা হত্যা মামলাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামির ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে আসামি চার বছরের শিশুসন্তানের মা—এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ফাঁসির পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, শান্তনা খাতুনের শাওন (১১) ও রুবাইদ নামের দুই সন্তান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ