ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৩:১৪ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, দেশের কোনো নাগরিক অর্থের অভাবে চিকিৎসা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হবে না। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার কখনোই এটি হতে দেবে না। প্রতিটি নাগরিকের জন্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে নাগরিকদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।
আজ বুধবার দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বোয়ালদার ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, "আপনারা ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করে এমপি বানিয়ে মন্ত্রিত্ব হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি আজ আপনাদের সব কথা শোনার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।"
তিনি আরও বলেন, "আপনারা যারা বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী রয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই দলের জন্য অনেক ত্যাগের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন।"
দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে বিএনপির কর্মী সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। যোগ্য লোকদের বিএনপির কর্মী হিসেবে দলে যুক্ত করতে হবে। বিএনপি একা চলার দল নয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে একত্রিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।
তিনি প্রত্যেক নেতাকর্মীকে আহ্বান জানান, সহনশীল আচরণের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রাখতে।
তিনি বলেন, "গ্রাম-গঞ্জের যেসব দরিদ্র পরিবারের শিশুরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না বা স্কুলে যাচ্ছে না, আপনারা তাদের চিহ্নিত করুন এবং তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। সরকার তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে পড়াশোনা করিয়ে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবে।"
তিনি আরও জানান, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসাসেবার জন্য সরকার সহযোগিতা করবে।
আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে জেলার হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফিরদৌস রহমান সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মোকারম হোসেন, সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান রাজা মাস্টার এবং হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন।
কর্মী সম্মেলনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মিডিয়া বিভাগের দীর্ঘদিনের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন রাবিদ ইমাম। তবে ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তার পথচলা শেষ হচ্ছে না। নতুন দায়িত্বে বিসিবির এজিএম হিসেবে কাজ করবেন তিনি। মূলত হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের দায়িত্ব সামলাবেন রাবিদ।
২০০৫ সাল থেকে বিসিবির সঙ্গে আছেন রাবিদ ইমাম। দীর্ঘ ২১ বছর ধরে মিডিয়া বিভাগের বিভিন্ন দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, মিডিয়া বিভাগের দায়িত্ব ছাড়তে পারেন অভিজ্ঞ এই কর্মকর্তা। অবশেষে সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো।
বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাবিদ ইমাম নিজেই। তিনি জানিয়েছেন, মিডিয়ার দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে এখন আরও সরাসরি ক্রিকেটের সঙ্গে কাজ করতে চান।
রাবিদ ইমাম বলেন, অনেক বছর তো হলো দায়িত্বের। যে কারণে অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম, এই দায়িত্ব ছেড়ে কীভাবে আরও সরাসরি ক্রিকেটের সঙ্গে থাকা যায়। এখন সুযোগ পেয়েছি, চেষ্টা করব কাজ করার।
নতুন দায়িত্বে এজিএম হলেও রাবিদের মূল কাজ হবে বিসিবির এইচপি বিভাগকে ঘিরে। বিশেষ করে দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করা এবং ভবিষ্যৎ ক্রিকেটার তৈরির প্রক্রিয়ায় তিনি ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে রাবিদ ইমামের দায়িত্ব ছাড়ার পর বিসিবির মিডিয়া বিভাগেও আসতে পারে পরিবর্তন। জানা গেছে, নতুন করে অন্তত দুজন মিডিয়া ম্যানেজার নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। কারা এই দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা দ্রুতই জানা যেতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, দেশে সার মজুতের পরিমাণ যথেষ্ট রয়েছে, ফলে কৃষকদের চাহিদা পূরণে কোনো সমস্যা হবে না। তিনি কৃত্রিম সার সংকট সৃষ্টি করে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করা ব্যক্তিদের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার রাতে লালমনিরহাট সার্কিট হাউসে সার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী বলেন, সার মৌসুমকে কেন্দ্র করে মজুতদারি, কালোবাজারি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের গাফিলতির মতো যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া, সরকার সার উত্তোলন, বিতরণ এবং সার বিক্রির ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যালোচনা করার জন্য একটি তিন সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে, যা কৃষি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীকে এই কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহা. রাশেদ প্রধান। বক্তৃতা করেন লালমনিরহাট জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হক। সভায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাগণ এবং জেলার সার ব্যবসায়ী ও ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আলফাডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মুন্সি বিল্লাল হোসাইন বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) শুধু মুসলিম উম্মাহর জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তি, ন্যায়, সাম্য, সৌহার্দ্য ও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। তাঁর জীবনাদর্শ আমাদের ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনের জন্য অনুসরণীয় পথনির্দেশ। মহানবীর আদর্শকে ধারণ করতে পারলেই সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করা সম্ভব।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে আলফাডাঙ্গা আসাদুজ্জামান বালিকা বিদ্যালয়ের হলরুমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আসাদুজ্জামান বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মিরাজ উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মুন্সি বিল্লাল হোসাইন আরও বলেন, আমাদের সন্তানদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই হবে না, তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও ধর্মীয় আদর্শের শিক্ষায়ও গড়ে তুলতে হবে। আগামী প্রজন্মকে সৎ, যোগ্য ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের প্রত্যেককে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক হযরত মাওলানা বরকত আলী।
পরে ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এর আগে একই দিন সকালে আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান মডেল পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মুন্সি বিল্লাল হোসাইন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, মানবতার শিক্ষা, ন্যায়, শান্তি ও সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরে ইসলামি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ